ঘুরে দাঁড়াও মেয়ে, বলো, ‘পরকিয়া’ না, ‘স্বকিয়া’ করি

34

সাদিয়া নাসরিন:

“কিয়া” যদি আমি করি সেটা “পরকিয়া” হয় কেমনে?
রুমানা মঞ্জুরের কথা মনে আছে? স্বামীর হাতে নির্মমভাবে আহত হয়ে দৃষ্টি হারানো একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আমরা যাঁর জীবন্ত ময়নাতদন্ত করেছি। আমাদের আশেপাশের পুরুষতন্ত্র (শাড়ি এবং শার্ট পরা দুদলই) তাঁকে ব্যবচ্ছেদ করেছে।

Sadia 3

রুমানা “পরকিয়া” করতো, তাই তাকে মেরেছে। বেশ করেছে। কীসের থিসিস, কীসের স্টাডি? ওসব কিছু না, সে আসলে বিদেশে গিয়ে লিভ টুগেদার করে। অতএব ধরো, মারো, চোখ তুলে নাও, নাক কামড়ে দাও, সব জাস্টিফাইড। কারণ সে পরকিয়া করে। পরকিয়া এমন এক টেস্ট মেকার, তুমি যা খুশি স্পাইসি রাঁধতে পারো…ইয়াম্মি!!

এইতো মাত্র কিছুদিন আগের ঘটনা…রামপুরা, বনশ্রীর মাহফুজা। নিজের কিশোরী মেয়েকে নিজের হাতে খুন করার দায় মাথা পেতে নিয়েছে। ঘটনার কোন ক্লু বের করতে না পেরে আমাদের জ্ঞানি-গুণীজন সিদ্ধান্তে চলে আসলো পরকিয়ার কারণে সন্তানকে হত্যা করেছে।

সাংবাদিক রুনি মরেও বাঁচলো না পরকিয়ার কষ্টের আগুন থেকে। অবশেষে “মিতু”। হিজাব-টিজাব দিয়াও নিজেরে বাঁচাইতে পারলো না মাইয়াটা। মৃত্যুযন্ত্রণা যে বোরকা খুলতে পারে নাই, সেই “পরকিয়া” ওর গায়ের বোরকা খুইলা দিল, পাবলিকও খাইল।

তনু, যার সাথে নাকি মরার আগে “সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্স” হয়েছিল, তার ফোন ট্র্যাক করে দেখা হয়েছে যে সে নাকি ২১টা সিম ব্যাবহার করতো। আল্লাহ বাঁচাইসে তনু বিবাহিত ছিল না, থাকলে তো এতো কষ্ট করতে হতো না। এক শব্দে কাজ শেষ করা যেত।
ময়না তদন্ত কি আর খালি মৃতদেহের হয় !
কিছুদিন আগে আমার স্কুল জীবনের এক বন্ধু আত্মহত্যা করেছে। না, স্বামী পরকিয়ার অপবাদ দিয়েছে সেই অপমানে নয়। স্বামীর দেয়া সেই অপবাদ ওর নিজের মা-বাবা বিশ্বাস করেছে বলে। আরে বোকা মেয়ে, এই একটা বিষয়ই তো মানুষ ধর্মের চাইতেও বেশি বিশ্বাসে মেনে নেয়। কারণ তুমি মেয়ে। তোমার কোন সমস্যা না থাকলে তোমার স্বামী কেন তোমাকে অবিশ্বাস করবে?

শোন মেয়ে, এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সস্তায় নিলামে বিক্রি হয় যে বস্তু তাহলো তোমার “চরিত্র”। তোমাকে কোনভাবেই কাবু করা যাচ্ছে না? একটা শব্দ যথেষ্ট। এই একটা শব্দে তুমি মরবে মেয়ে। বেঁচে থাকলেও মরবে, মরে গেলেও মরবে।
তুমি স্বামীকে পাত্তা-টাত্তা কম দিচ্ছ ইদানিং, স্বামীর দেখভাল ঠিকঠাক মতো হচ্ছে না? আহ্লাদ-ন্যাকামি কম করছো? সারাদিন ফেসবুকে কী করো? এতো কী কথা বলো ফোনে সারাদিন? মেঘলা বিকেলে একা বারান্দায় বসে থাকতে ইচ্ছে করছে? দাম্পত্যে হাঁফিয়ে উঠেছো মেয়ে? কিছু সময়ের জন্য আলাদা থাকতে চাও? একলা দুপুরে সমুদ্রে ঝিনুক কুড়াতে মন চায় সেদিনের মতো? কেন? তোমার সমস্যা কি? নিশ্চয়ই “কেউ” আছে। সেই “কেউ”র অস্তিত্ব বাস্তবে আদৌ থাক বা না থাক তোমার জীবন কিন্তু বিভীষিকাময় করে তুলবে তোমার আশেপাশের মানুষেরা। এক বাক্যে প্রতিষ্ঠিত করবে তুমি পরকিয়া করছো।

পরকিয়া এমন এক শব্দ, মুখ থেকে বাইর হইতে দেরি, এস্টাব্লিশ করতে দেরি নাই। এই শব্দের এমনই মাজেজা, পুরুষের দিকে আঙ্গুল যদি যায়ও, কেমনে জানি পর্দার অন্তরালে থাকা মাইয়াটার ঘাড়েই দায়টা আপনাতেই চলে যায়। তোমার স্বামী পরকিয়া করে, দোষ তোমার। আর তুমি পরকিয়া করো !!! ওরে বাবা, তাইলে তো লারে লাপ্পা !!!
অনেক হয়েছে। যথেষ্ট। এবার থামাও মেয়ে। ঘুরে দাঁড়াও। ওরা এমনিতে থামবে না। ওদের থামাতে হবে। চরিত্রের জুজুর ভয় আর কতো? “পরকিয়া” মানে কি? পরের সাথে যে কিয়া? আরে ! আমি যদি কারো সাথে “কিয়া” করি, সে কি আর “পর” থাকে? তাহলে পরকিয়া হয় কেমনে? সে তো “স্বকিয়া”। প্রতিটা প্রেম, প্রতিটা সম্পর্কই তো বাস্তবতা। সম্পর্কে অতীত বলে তো কিছু নেই। যদি কোন সম্পর্কে জড়িয়ে যাও জীবনের যে কোন প্রান্তে, সে সম্পর্ক স্বীকার করে নেয়ার সাহস অর্জন করো, মেয়ে।

ঘুরে দাঁড়াও। চিৎকার করে বলো, আমি “স্বকিয়া” করি। কোন সমস্যা? মনে রেখ, রাম-রহিম সবাই তোমাকে সীতা হিসেবেই চায়। অতএব, তোমাকেই ঠিক করতে হবে তুমি আর কতযুগ অগ্নিপরীক্ষা দিবে একটা চারিত্রিক সনদের জন্য। অতএব চ্যালেঞ্জ করো।

জাগো, মেয়ে, বাঁচো। যেমন খুশি তেমন বাঁচো। তুমুল বাঁচো।

লেখাটি ৭৭,৩৯০ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

নারিকে ঘর থেকে টেনে বের করার চমৎকার উতসাহি একটা লেখা। একবার ভেবে দেখা দরকার ছিল যে মহিলা এই কাজটা করবে তারও তো সন্তান সংসার আছে।ওই নিরপরাধ দের কি অপরাধ? আর যে পুরুষের সাথে কোন নারি এটা করবে সে তাকে এম্নিই ছেরে দিবে!শোনেন মাডাম নিজের লেজ কাটা বলে আর সবাইকে ওরকম বানাবেন না, ওই জায়গায় নিজের মা কে কল্পনা করে কথা বলুন।

বোন শুধু কিছু ”ইয়াম্মি” লারে লাপ্পা টাইপের শব্দ এবং ভুল ভাষা শিক্ষা পরকিয়া/স্বকীয়া ছাড়া তেমন কিচু দেখলাম না। আসলে প্রচলিত বা বাস্তবতার বিরুদ্ধে যে কছু বলা যায় না বা প্রতিবাদ করা যায় না তা নয় তবে তা হতে হবে জোরলো যক্তি সংগত। আর পরকিয়াকে সমর্থ ন করার ও কিছু নিশ্চয়ই নাই। তাই বলব আপনার জ্ঞানকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করুন আমরা উপকৃত হব। ধন্যবাদ

ঘটনাগুলোর জন্য সমাজ দায়ী। এর থেকেও বেশি দায়ী অনলাইন নিউজগুলো। এর থেকেও বেশি দায়ী আমাদের কালচার। “পরকীয়া” শব্দটা পাবলিক খায় খুব।

তবে আমাদের ধর্ম সম্পূর্ণ বিপরীতটাই বলেছে। যদি কোন মেয়ের বিরুদ্ধে এই অপবাদ দেওয়া হয় আর অপবাদদানকারী চার জন স্বাক্ষী উপস্থাপন করতে না পারে তাকে ব্যভিচারীর কাছাকাছি শাস্তি ৮০টি বেত্রাঘাত করা হবে। আল্লাহ বলেন, “যখন তোমরা একে মুখে মুখে ছড়াচ্ছিলে এবং মুখে এমন বিষয় উচ্চারণ করছিলে, যার কোন জ্ঞান তোমাদের ছিল না। তোমরা একে তুচ্ছ মনে করছিলে, অথচ এটা আল্লাহর কাছে গুরুতর ব্যাপার ছিল। ” (সুরা আন নুরঃ ১৫) সুতরাং এই লেখিকার কঙ্কলুশানটা খুবই বিপথগামী। তিনি রাম ও রহিমকে এক করে দেখেছেন। নাউযুবিল্লাহ। রামের ক্ষেত্রে সীতাকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়। কিন্তু ইসলামে আইশা (রা.) সম্পর্কে যে অপবাদ মুনাফিকরা ছড়িয়েছিল আল্লাহ তাদের থামিয়ে দিয়েছিলেন সুরা আন নুরের কিছু আয়াত নাযিল করে।

আবেগ ভালো। কিন্তু অতি আবেগ ভালো না। লেখিকা অতি আবেগী হয়ে উলটাপাল্টা সমাধানে চলে গেছেন। “পরকীয়া” কিংবা “বৈধ স্বামী স্ত্রী বিহীন প্রেম” দুটোর কোনটাই সঠিক নয়। এটা ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের বিপরীত। যা খারাপ তা খারাপ। সমাজ কাউকে অপরাধজনকভাবে গালি দিলে তাকে “সেই গালির কথাটা সত্য প্রমাণ করতে হবে” এমন ধারণা বোকামি বৈ কিছুই নয়।

“ঘটনাগুলোর জন্য সমাজ দায়ী ” মানে বোঝা যাচ্ছে সমাজ চূড়ান্ত নয় ! এটি ভ্রান্তিতে আক্রান্ত ! আবার শেষে এসে বলছেন -” এটা সামাজিক মূল্যবোধের বিপরীত ” যে সমাজ চূড়ান্ত না , তার মূল্যবোধের ধোয়া তুলে কি লাভ ? কোন প্রতিষ্ঠানকেই চূড়ান্ত বলে মেনে নেয়ার মানে নাই । “রাম ও রহিম ” বলতে বোধ করি লেখিকা বোঝাতে চেয়েছেন সমাজের সব ধর্মী পুরুষ । এখানে ধরমের সাফাই দেবার কোন প্রয়োজনই নেই । কারণ , ধর্মের অনেক বাণীই আজকের পৃথিবীর ব্যবহারিক সামাজিক জীবনে মানা হয় না ।

অসাধারন লিখেছেন,,, শুধু আপনি না আপনার মত প্রায় সবাই যারা সারাদিন নারীদের জাগিয়ে তুলে সুন্দর সমাজের স্বপ্ন দেখেন, ,, আপনাদের আত্ত্ববিশ্বাস এমন পর্যায়ে থাকে যে মাঝেমাঝে আপনাদের লিখা যথেষ্ট হাস্যকর মনে হয়, ,, এই যে আপনি স্বকীয়তার সমর্থন জানিয়েছেন আমার তো মনে হয় একটু পরে একটা পোস্ট দিবেন স্বকীয়তার মাধ্যমে একটা নারী যে কারো কাছ থেকে সন্তান নিতে পারবে যে সন্তান সারাজীবন ভুল একজনককে বাবা ডাকবে তখন আপনার স্বকীয়তা পুরো সমাজের সাথে বেঈমানি করবে, ,,মজার বিষয় হলো তখনও আপনারা ভুলটা নিয়ে পোস্ট দিবেন কারন আপনাদের চোখে একটা পুরুষ নারীদের সাথে যে আচরনই করুক না কেনো পুরুষের বিরুদ্ধে নারীকে ক্ষেপিয়ে দিতেই হবে, ,,,
,,,
,,,
এমন ভুল ম্যাসেজ দিয়ে একজন নারীকে উগ্র করে যখন ব্যক্তি এবং সমাজের ক্ষতি করবেন, ,তখন আপনার এবং আপনার মত যাঁরা নারীদের অধিকার নিয়ে লিখে আপনাদের কিছুঈ আসবে যাবে না কারন আপনারাই ,,যাঁরা এইধরনের লেখালেখি করেন, , সবচে বেশি স্বামী ভক্ত, বাস্তবে স্বামীর কাছে সমান অধিকার চান না বরং আসক্ত দেখান ,,,,,,
আপনি বা আপনার মত কোন নারীবাদী লেখক তো ভুলেও পরকীয়ায় জড়াবে না ঐ যে স্বামী ভক্ত, ,শ্রদ্ধাবোধ এবং সঠিকটা গ্রহণ করার বোধশক্তি, ,,তাহলে কেনো অন্যকে ভুলের প্রতি আগ্রহী করে তুলতেছেন? ??

পরকীয়া আর স্বকীয়া
আজকে আপনি বললেন পরকীয়া হচ্ছে স্বকীয়া।
সবাই যদি স্বকীয়া করে তাহলে দেখা যাবে আপনি ,আপনার স্বামী, আপনার ছেলের বউ, ছেলে, মেয়ের জামাই, এমনকি আপনার মা বাবাও এই চরম বাস্তবতার স্বীকার তা বুঝালেন? আর যদি এমনই হয়, তাহলে আপনি এ বিষয়টা কিভাবে নিবেন?
কোন কিছু পুষ্ট করলে বুঝে শুনে করবেন।

Undergraduate(illiterate) women ! what the hell ! she talking about ?
I am sure she a outdated thinker. did she read Sura:Noor ?, She need a core update of her brain with Sura : Noor and of course with Al-Qur’an . There I can share a well translated Al-Quran — http://files.qm.org.bd/download?filename=/files/publication/al_quran_bangla_mormobani_2015075.pdf

I think she will read and will be a graduate( literate) and will conscious about her women Rights.

Ai sob bodmaish mohila der prosroi deya uchit na karo e. Aajker kolushito somaj er jonne ai dhoroner Mohila ra e daayi. A Mohilar kono maan shomman nai, 1ta rastar mohila ata. Rastai rastai manusher sathe genjam kora and thana police kora or nittodin er kaaj. Kisudin aage o ai dhoroner kaaj ai mohila korse and prai e kore. Agula re somaj theke latthi diya ber kore deya uchit bole ami mone kori…

পরকিয়াকে পরকিয়া হিসেবেই গ্রহন ও স্বীকার করুন (সেটা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই), স্বকিয়ার আড়ালে লুকানোর প্রয়াস কেন?

অর্জুন মাতা পরকীয়ার আধারেই জন্ম দিয়েছেন পঞ্চ-পাণ্ডবের…
সেখানে না দাড়াতে পারলে ‘পরকীয়া’ নারীর অপরাধ, পুরুষের গৌরবই হয়ে থাকবে…
স্বকিয়া হওয়ার আগে যে আপনাকে এবং আপনার ‘পার্টনার’ উভয়কে ‘সিঙ্গেল’ হতে হবে…
হলে হোক পরকিয়া নারী-পুরুষ উভয়ের গৌরব অথবা সকলের লজ্জা।
প্লিস, শব্দের অর্থ পাল্টানোর চেস্টা করবেন না, তাহা একটি অপরাধই। শতকোটি (নারী, পুরুষ, শিশু) সকলের বিরুদ্ধে অপরাধ…

পরকিয়াকে পরকিয়া হিসেবেই গ্রহন ও স্বীকার করুন (সেটা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই), স্বকিয়ার আড়ালে লুকানোর প্রয়াস কেন?

অর্জুন মাতা পরকীয়ার আধারেই জন্ম দিয়েছেন পঞ্চ-পাণ্ডবের…
সেখানে না দাড়াতে পারলে ‘পরকীয়া’ নারীর অপরাধ, পুরুষের গৌরবই হয়ে থাকবে…
স্বকিয়া হওয়ার আগে যে আপনাকে এবং আপনার ‘পার্টনার’ উভয়কে ‘সিঙ্গেল’ হতে হবে…
হলে হোক পরকিয়া নারী-পুরুষ উভয়ের গৌরব অথবা সকলের লজ্জা

পরকিয়াকে পরকিয়া হিসেবেই গ্রহন ও স্বীকার করুন (সেটা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই), স্বকিয়ার আড়ালে লুকানোর প্রয়াস কেন?

অর্জুন মাতা পরকীয়ার আধারেই জন্ম দিয়েছেন পঞ্চ-পাণ্ডবের…
সেখানে না দাড়াতে পারলে ‘পরকীয়া’ নারীর অপরাধ, পুরুষের গৌরবই হয়ে থাকবে…
স্বকিয়া হওয়ার আগে যে আপনাকে এবং আপনার ‘পার্টনার’ উভয়কে ‘সিঙ্গেল’ হতে হবে…
হলে হোক পরকিয়া সকলের গৌরব অথবা সকলের লজ্জা

আজ যে লেখা টা পোস্ট হল সেটা খুব ভালো একটা বিষয় ছিলো, কিন্তু বিষয় টার লেখা আমার কাছে খুব এক টা গ্রহণযোগ্য মনে হল না কারন, পরকিয়ার জন্য যে সুধু নারী ই দায়ি সেটা যেমন বলা যাবেনা তেমনি শুধু পুরুষ দেরকে দায়ি কবেন তাও মানতে পারলাম না। আর লেখা টা তে পরকিয়াকে গ্রহণযোগ্য করতে যে সব্দ টা ব্যাবহার করে পরকিয়া কে গ্রহণযোগ্য করতে চাচ্ছেন তা সমাজের জন্য খারাপ ই বয়ে আনবে বলে আমার ধারণা।

ম্যাদাম আপনার কিছু উক্তি ঠিক ছিল। কিন্তু আপনি মূলভাবে যা প্রকাশ করলেন। ইটস রং। পরকীয়া মানে যে স্বকীয়া এর কথা বললেন এটা ঠিক বলেন নি। এমন রং ম্যাসেজ দেওয়ার কোন মানে হয় না। একজন মানুষ হিসেবে। ছি:

কোন একজন মানুষ, কোন একটি জাতি, কোন একটি ধর্ম যখন শতসহস্র বছর ধরে নির্যাতিত, নিস্পেষিত আর বঞ্চিত হতে থাকে, তখন তাদের প্রতিবাদ উচিৎ-অনুচিতের সঙ্ঘায় আবদ্ধ রাখা যায় না। এই প্রতিবেদনের বাকী কোন অংশ নিয়ে আপনার কোন মন্তব্য নেই, শুধু মাত্র এই শেষের অংশ নিয়েই আপনার মাথাব্যথা?

মিথ্যে পরকিয়ার অপবাদ কখনই গ্রহন যোগ্য না । তা নারী পুরুষ যার বিপক্ষেই হোক না কেন । পরকিয়া করাটা কারো জন্নই উচিত না । এটা কখনই গ্রহন যোগ্য না। যারা নারী দের সচেতন করার জন্য লিখেন তাদের বলব এমন কিছু এমন ভাবে লিখবেন না যা পড়ে প্রতিটা নারী সচেতন হইয়া পরকিয়া করতে উৎসাহী হয় ।

RFL
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.