হিজাবিদের সেক্স অ্যাপিল কি কেবলই চুলে?

11
Lucifer

লুসিফার লায়লা

লুসিফার লায়লা: আমাদের ছেলেবেলায় আমাদের মা-খালা-চাচীরা মাথায় কাপড় দিতেন শাড়ির আঁচল টেনে। আর অল্প বয়েসিরা যদি মাথায় কাপড় দিত তাহলে ওড়নাই ছিল একমাত্র। আর মাথায় কাপড় দেবার সুবিধা হিসেবে এরা বখাটেদের নজরে পড়ত কম, সাধারণ মানুষ খানিকটা সমীহ করে চলতো এই।

এখন রাস্তা ঘাটে উৎসবে অনুষ্ঠানে অনেক বেশী চোখে পরে হিজাব পরা মেয়েদের। কারণ একেবারেই ধর্মীয়। ইসলাম যে পর্দা প্রথার কথা বলে সেটি হচ্ছে এমন বস্ত্র খণ্ড দ্বারা নিজেকে আবৃত করো যেন তোমার শরীর অন্যকে লোভাতুর না করে। তারই অংশ হিসেবে মাথার চুল ঢাকার কথাও বলা আছে। এটা মোটা দাগের কথা।

আর পবিত্র কোরআন শরীফের সুরা নুর এ বলা আছে- রাসূল (ছাঃ)-এর প্রতি আল্লাহর অহী, ‘মুমিনা নারীগণকে বল, তারা যেন তাদের আপন দৃষ্টি সংযত রাখে, আপন লজ্জাস্থান রক্ষা করে চলে, প্রকাশ না করে তাদের বেশ-ভূষা এবং অলংকার ততটুকু ব্যতীত, যতটুকু সাধারণতঃ প্রকাশমান এবং আপন চাদর গলা ও বুকের উপর জড়িয়ে দেয় এবং প্রকাশ না করে তাদের সাজ-সজ্জা তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, নিজের পুত্র, স্বামীর পুত্র, সহোদর ভাই, ভাইয়ের পুত্র, ভাগিনা অথবা তাদের নারীগণ, তাদের অধীনস্থ গোলাম অথবা কামপ্রবৃত্তিহীন গোলাম অথবা সেই সকল শিশু যারা নারীর গোপন বিষয় সম্পর্কে জানে না এদের নিকট ব্যতীত। আর নারীরা যেন তাদের পা এমন জোরে না ফেলে, যা দ্বারা তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ পায়’ (নূর ৩১)।

যুগ বদলেছে। সেই বদল নিজের চোখে দেখে এলাম বর্ষ বরণের অনুষ্ঠানে। আমার মত যারা নিতান্তই সাদাসিধে বেশবাসে গেছে তারা এমনিতেই চোখে পড়ে না বিশেষ। কিন্তু বড় পিঠ খোলা ব্লাউজ পরে যারা ঘোরাফেরা করছেন তাদেরও খুব বেশি একটা কেউ দেখছেনা।

তবে দেখছে কাদের? দেখছে রংবাহারী হিজাবিদের। চোখ ছোট করে, বড় করে, ট্যারা করে, বাঁকা চোখে ,সরু চোখে, ঘাড় বাঁকিয়ে যাদের নারী পুরুষ নির্বিশেষে দেখছে তারা হিজাবি!!!

গলার যে ছোট গয়নাটা হিজাবের কারণে আর পরতে পারছেন না, সেটা এখন মাথার হিজাবের শোভা বাড়াচ্ছে। হিজাবের কারণে গয়নাগাটি যেটুকু কম পরতে হচ্ছে সেটুকুর শখ মেটাচ্ছেন চটকদার সেজে। ঠোঁটের রং, চোখের রঙ, গালের রঙ এরা এতো চড়া করে লাগায় যে মনে হয় বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপনের ছোট কাপড় পরা মেয়েটিকেও হার মানিয়ে দেবে বিজ্ঞাপনে।

এ সমস্ত উগ্র সাজসজ্জার মেসেজ হচ্ছে, ‘লুক এট মি’। শাড়ি পরবার কায়দা দেখে মনে হচ্ছে শরীরের সমস্ত বাঁক ফুটিয়ে তোলার যাদুকরী উপায় ওরা বের করে নিয়েছে।

এতো গেল শাড়ির কথা আসি সালোয়ার কুর্তায়। জামার ওড়নাকে চোদ্দ প্যাচ দিয়ে হিজাবের কায়দায় পরবার চেষ্টা দেখে মনে হয় মাথার চুল ঢাকলেও ফিগারটাতো ভাল দেখানো চাই। আবার যারা জিন্স-টপস পরছেন তাদের আটো-সাঁটো জিন্স অনেক বেশি ফ্যাশনেবল। সাধারণ জিন্সের চাইতে আলাদা। বেশির ভাগেরই জিন্সের গায়ে নানা রকমের নকশা কাটা, বিডস বসানো,চকমকি পাথর খচিত। তার উপরে চাপানো টপস মনে হবে চামড়ার সাথে সেলাই করা অথচ মাথায় হিজাব এমন করে আঁটা যেন গলা পর্যন্ত পেঁচিয়ে রাখা যায়। কেউ কেউ তো বাথিং ক্যাপের মত কিছু একটা দিয়ে পর্দা করছেন। অথচ গলার চেইনে যে লকেট সেটা ক্লিভেজের কাছে ঝুলছে!!!

এহেন পোশাকে সেজে মাথায় হিজাব দিয়ে যারা ঘুরেন ধর্মের ধ্বজাধারি হয়ে, সেক্স অ্যাপিল সম্বলিত পোশাকে মাথায় হিজাব এঁটে ঘুরবার সময় কী এরা ভাবে যে একবার তাকালেই এদের বুক পেট কোমরের মাপ একটা শিশুও বলে দিতে পারবে! নাকি ইসলাম আসলে কেবল চুল ঢাকাকেই পর্দা মনে করে? এদের চলাফেরা দেখলে মনে হয় কেবল চুল ঢেকে সমস্ত খুলে দিয়ে চললেও অসুবিধা নেই। ঘিলুটা দয়া করে খাটান। মাথার চুলে না, সেক্স অ্যাপিল থাকে শরীরে।

ভেবেছিলাম ব্যাক্তি স্বাধীনতার যুগে যার যেমন ইচ্ছে চলতে পারে, আমার বলার কী! কিন্তু ঝামেলা হলো এরা যে ঝাণ্ডাটা ধরে আছে, যে মুখোশ এঁটে আছে সেটা ধর্মের। ধর্ম না বলে যদি নিজের ফ্যাশান বলতো, আপত্তি থাকার কথা ছিল না। কিন্তু এরাতো বলছে ধর্মের কথা, তাই বলতেই হলো।

কথায় কথায় সুবাহানাল্লাহ, মাশাআল্লা বলা এই নব্য মুসলমানের দল আমার ধর্মবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে প্রতিনিয়ত। এই বক ধার্মিকদের বিরুদ্ধে না বলা মানে ধর্মের নামে অধর্মকারীকে প্রশ্রয় দেয়া। অনেক নাজুক মুসলিম আছেন যাদের বলতে শুনি, আহা মেয়েটা কেমন মাথায় কাপড় দিয়ে ঘুরছে, আবার কেউ কেউ বলেন, আমি তো দিচ্ছি না, ও যে দিচ্ছে সেই তো অনেক। এই গোত্রের মানুষরাও একই অপরাধে অপরাধী।

নাস্তিকেরা গালি দিলে এতো লাফ দেন, আর নিজেরা যে অধর্ম করেন তখন আপনাদের লাগে না? নাকি ইসলাম আপনাদের মনের মাধুরী মিশিয়ে পালনের পথ খোলা রেখেছে?

ওর থেকে দেখে শিখেছি, তার থেকে শুনে করেছি’র অজুহাত দেবার দিন আর নেই। গুগুল ডার্লিং নেট দুনিয়ায় দুহাত বাড়িয়ে আছে। বোতাম টিপে সার্চ দিলেই বেহেস্তি জেওর থেকে সহী ইসলাম সবই পেয়ে যাবেন। সবটা আমরা কেউই পালন করতে পারি না, কিন্তু যেটুকু করি সেটুকু কেন ভণ্ডামি মিশিয়ে করবো? আগে আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখুন যে ইসলামের পর্দা প্রথা আপনি মানতে প্রস্তুত কিনা! আঁটোসাটো পোশাক পরে কোন রকমে চুল ঢেকে আর দুচারটা আরবী শব্দের তুমুল ব্যবহার করে যদি ধর্ম হয়, তবে সহি ধার্মিকের লজ্জা পাওয়া উচিত।

একটা গল্প বলি – এক হুজুর ওয়াজ শেষে গেছেন টয়লেটে, সেরে উঠে আসবার সময় তার টুপিটা গেল পড়ে। হুজুর তখন ‘আমার সুন্নত চলে গেছে, সুন্নত চলে গেছে’ বলে তুমুল চিৎকার করতে করতে তার লুঙ্গি খুলে মাথায় দিয়ে দৌড়ুচ্ছে আর লোকজন হুজুরকে সাহায্য করতে ব্যস্ত। সেই ভিড়ের ভেতর এক বুড়ি তার হাত দুইটা দিয়ে চোখ ঢেকে রেখে বলছে হুজুর ফরজ বাঁচান।

এই যে আমার মতো বেপর্দা মেয়ে এত লেকচার দিচ্ছে সেটা পড়ে যাদের আমার উপর রাগ হচ্ছে, গাল দিতে ইচ্ছে করছে, নিজের মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে, আমাকে আনফ্রেন্ড করতে চাইছেন, অনুগ্রহ করে করে ফেলুন, খালি আমায় ক্ষমা করবেন না, কারণ আমি মোটেও ক্ষমাপ্রার্থী নই।

ভণ্ড আর বিকৃত ইসলাম ধারীদের জন্যে আবার একটু এডিট করতে হলো সুরা নুর থেকে সংযুক্তি টেনে। এবার গলা ফাটিয়ে কুরআন শরীফের সুরার বিরুদ্ধাচরণ করছেন সেকথা স্বীকার করুন। আর এবার আমায় তসলিমা নাসরিন বলুন, আর কদর্থে লুসিফারই বলুন, আপনাদের মত ভণ্ড হিজাবীরা কিন্তু একেকজন সানি লিওন।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 4.2K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4.2K
    Shares

লেখাটি ১৬০,৬৭১ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়ালো : কোন মেয়ের পড়নে যদি ধর্মীয় লেবাসের কোন পোশাক থাকে এবং তাকে একই সাথে যৌন আবেদনময়ী লাগে বা সে সাজগোজের চেষ্টা করে — তাহলে তার “পোশাক ” নিয়ে কথা বলা যৌক্তিক! ঠিক রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বখাটের আইডোলজিরই প্রতিফলন দেখতে পেলাম।কোন মেয়ে হিজাব করে কেন শরীরের বাঁক দেখালো ?কেন হিজাব করে সে সাজবে?কেন তাকে আবেদনময়ী লাগবে?সেই স্টেরিওটাইপড নারীর পোশাক নিয়ে সমালোচনা প্রবণ মনস্তত্ত্ব।ব্যক্তিস্বাধীনতা  বলতে কি বোঝেন আপনারা? বুঝলাম না। কোন  মেয়ে যদি হিজাবও পরেন আবার তাকে আবেদনময়ীও দেখায় তাতে তার সমালোচনা করতে হবে? পোশাক কি তার একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় নয়?আর এই ব্লগের নাম দেখলাম , “উইমেন চ্যাপ্টার”। তো আপনারাই আবার একশ্রেণীর নারীকে এখানে হেয় করে কথা বলছেন(যাদের দোষ তাদের পোশাক) । অসুস্থ মনে হলো চিন্তাভাবনা! 

Which one is hijab? Hair only? Face and hair except eyes? Or all covered with net on eyes for vision? Each of them will say others are wrong.

An example – There is a shop lifting. 6 hijabi women was on çctv. One of them stole. But all of them were rounded since they are not identifiable in the footage.

Nothing in Quran is unclear and needs further explanation. Nothing shall abrogate verses of quran. Read verse 33.59 again and again and again without a preconceived mind and without any reference to ‘explanations’ and ‘Sayings’. Please go to http://www.islamawkaned.com for translation . You will see all major (32) translations at once and see how they differ from each other and what the actual literal translation is. Please also careful not to single out a verse to explain anything. You need to accumulate all related verse on a subjet to understand the subject. Like – dress code, salah, hadith etc.

If one relate example above with this verse then may understand the verse to some extend. The verse says opposite of popular explanations. Main objective of the verse is ‘not harmed’. How ? By being ‘known’ that is identifiable in public at all times. By? Drawing over themselves their outer clothe. This drawing over is not from back to front rather front to back. It is about individual identification not Islamic identification. All women in the world can wear burka but all of them will not be muslim just because of burka. Just imagine what a non muslim terorist women can do being inside a burka.

It was a common practice among arab jews and Arabs in general to dress in full burka. This verse just banned that practice not otherway round. Even today all Arabs wear burka irespective of their religion.

I seldom comment or share as one can not understand quran unless God wills and remove hijab on his mind.

ধন্যবাদ বোন,যিনি অনেক কষ্ট করে এরকম সুন্দর এবং গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন । আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করি এবং ভবিষ্যতে এরকম শিক্ষণীয় পোষ্ট্ প্রত্যাশা করি।

adhunik jouge style er onek name achey? je je rokom style kore comfort.. keu jodi model duniyar glamour er sathe competition kore attract kore glamour re-present korte pare.. style tu hoie gelo 2 in 1 prosongsa… smile emoticon …..just like a beauty competition .. an example , American European style e skirt jeans, indian ,bengoli style e Sari gagra and sindoor, Arab er Arabian nite er princess er style e Hijab style….hijab style e American eye makeup, foundation , product ta beshi use hoy ..sesh er style ta muslim nari der invent I mean abishkar..MUslim narira ei style ta ke world fashon e event e e muslim Style fashion hishebe jonopriyo koreche..Hijab style muslim narira modhee beshi ..tobe edaning non muslim rau ei fashion korche. tai dristi ta oikhane attract abong shomalochona kindro bindu hoie uthe..proshnoatit kore shobai ke?,,, style is style ..Muslim nari der porda kora tu different issue..hijab Style ta mondoo na :style er simabodhottar karoon e keu ei style ta follow kore na bas!!! But revolation ashbe

Muslim women are required in Islam to cover themselves whenever they are outside of their homes or in the presence of non-mahrem men. This provides many benefits to the Muslim woman herself as well as to the society as a whole. Allah willing, I plan on discussing many of these benefits in future articles. This article, however, will simply describe the physical requirements of hijab. My hope is that it will serve as a reference for Muslim women as well as a basic introduction to hijab for non-Muslims.
The word hijab is derived from the Arabic root hajaba, which means to hide from view or to conceal. Many people use it to refer to the headscarf which Muslim women wear , but hijab is much more than a headscarf: it is an entire way of dressing, behaving and believing. It is acceptable to name the scarf hijab so long as it does not lead to the wrong impression that a headscarf is the only requirement of true hijab. After all, anyone can wear a headscarf (gypsies, fashion models, etc.), but it takes much more than that to fufill the conditions of Islamic dress.
1. Proper hijab (concealment for the Muslim woman) dictates that the entire body must be covered, although the face and hands may be exposed. Some women choose to cover themselves further by means of a face veil and gloves, and this is perfectly fine.

2. The clothing must be long and loose-fitting so that the shape of the woman is not outlined in her garments. The preferred coverings include the jelbab and the abaya which are floor-length cloaks which come in various types of fabric and may be worn over a woman’s regular house clothing. Pants are unacceptable unless they are worn underneath the outer garments.

3. Garments should not be transparent as to reveal the color of a woman’s skin or to expose the hair or body in any way. With regards to the headscarf, it must cover all of the hair and be long enough to cover the woman’s ears, neck and chest. Women should take care to ensure that the scarf is securely fastened, usually with pins, and that her hair is arranged so that it will not slip out of her scarf.

4. Colors and styles should be as plain as possible so that unnecessary attention is not drawn to the woman. In addition, the clothing should not be excessively rich and fancy in order to gain admiration nor excessively poor and ragged in order to gain sympathy. Modesty is the main goal.

5. Jewelry must not be displayed, and it is especially important that it does not make noise as a woman walks (an ankle-bracelet with bells, for example). Women in pre-Islamic Arabia used to wear such bracelets and stamp their feet in the markets in order to entice and attract men.

6. The dress should not resemble the garments of men, nor should it imitate the dress of non-Muslims.

7. Make-up (unless it is completely covered by a face-veil) and perfume are strictly prohibited for Muslim women when outdoors or in the presence of non-mahrem men.

8. A Muslim woman who wears hijab should also strive to make her actions consistent with her dress with regards to Islamic guidelines for speech, manners and behavior.

Madam, a thousand like for the writing. You could not more correct about the subject. It hurts me when I see that the ‘Hijab’ is mistreated and misunderstood and abused. You correctly referred from Holy Quran. There are more instructions also regarding the issue. Also there are many Hadith and recorded practices by the female companions and believing women during the time of our beloved Prophet (pbuh), which correctly indicates what is the true meaning of the suggested Islamic attire for the women. Undoubtedly exposing through tight dress and make ups which attracts opposite sex is deviation of the Islamic teaching. I can tell you madam, that you will be rewarded for dressing up moderately and for not attracting people’s attention, whether you covered your head or not. Surely you will have to answer to our creator for not following the entire guideline when you do not cover your hair, but will be worse than putting on abusive ‘Hijab’? I do not know, only Allah knows best. However, my heart does not say so. Some how, I would support a ‘not covering head but moderately dressed’ woman than someone who is wearing ‘Hijab’ but attracting more attention. In fact this is the concept I was trying to teach my daughter. Thank you once again madam. By the by, those who support putting on ‘Hijab’, I also support that and requested my wife and daughters to follow proper Islamic attire. As far as my understanding goes, this does not mean ‘black burka’. Rather my understanding closely goes with the writer of this article, that is, do not attract eyes of others. May Allah guide all of us in the correct path.

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.