মমতার স্মরণে ফিরোজা বেগম

Mamta-Firozaউইমেন চ্যাপ্টার: আমি চিরতরে দূরে চলে যাবো, তবুও আমারে দিব না ভুলিতে অথবা পথ চলিতে, যদি চকিতে, কভু দেখা হয়…..হাজার হাজার নজরুল সঙ্গীত যার কণ্ঠে ধারণ ছিল এতোদিন, সেই তিনি নীরব হয়ে গেছেন একেবারে। আর কোনদিন তিনি গেয়ে উঠবেন না। স্বামীর কবরের পাশে অন্তিম শয়ানে শায়িত হলেন কিংবদন্তীতুল্য নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ফিরোজা বেগম। গতরাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনি:শ্বাস ত্যাগ করার পর আজ তাঁর মরদেহ রাখা হয়েছিল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীত শিল্পী ও সাধারণ মানুষসহ সর্বস্তরের লোকজন তাঁকে শেষ বিদায় জানান শ্রদ্ধাভরে।

তাঁর মৃত্যুর পর অনেকেই তাঁকে স্মরণ করছেন, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এর মধ্যে ফেসবুকে দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির একটা লেখা। তাঁর লেখার সারমর্মটুকু তুলে দেয়া হলো-

‘তিনি আমাকে তার পরিবারেরই একজন সদস্য মনে করতেন। মাত্র দশদিন আগে যখন তার সাথে আমার শেষ দেখা হয়, হাত ধরে বললাম-আবার দেখা হবে। জল ভরা চোখে তিনি বললেন-আর কি দেখা হবে। ঐ কয়েকটা শব্দ এখনও কানে বাজছে আমার।দুই হাজার বারো সালে আমরা তাকে ‘সঙ্গীত মহাসম্মান’ ভূষন দিয়ে সম্মান জানিয়েছি। আগামী ২২শে সেপ্টেম্বেরই ‘আগমণী’ অনুষ্ঠানে ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা ‘বঙ্গ বিভূষণ’ দিয়ে তাকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলাম আমরা।তিনিও বলেছিলেন, সম্মাননা গ্রহণ করতে কোলকাতা আসবেন তিনি। আমার। বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সাংষ্কৃতিক বন্ধনের মূল শেকড় ছিলেন তিনি।তার এ চলে যাওয়ায় অপূরণীয় ক্ষতি সৃষ্টি হলো এ অঙ্গনে।

ফিরোজাদি তুমি যেখানেই থাকো না কেন, তোমার অবস্থান চিরদিন অক্ষয় হয়ে থাকবে প্রতিটি বাঙ্গালী হৃদয়ে।’-

ফিরোজা বেগমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে মমতা ব্যানার্জীর বক্তব্য।

 

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.