কাবিননামায় ভালবাসার কথা থাকে না কেন?

Coffee withনাহিদ সুলতানা: বিয়ের জন্য মানুষ যে কাবিন নামায় সই করে, সেটাতো একটা সামাজিক, অর্থনৈতিক কাগজ। সেখানে তো ভালবাসার কোন কথা লেখা থাকে না । তাইলে মানুষ বিয়ের পরে ভালোবাসা চায় কেন?

রওশন আরা নীপা: বিয়ের পরে ভালবাসা থাকে না, থাকে হিসেব নিকেশ!

সুমী খান: হাহাহা- সত্য বটে নাহিদ আপা!

নাহিদ: ঠিক নীপা, সামাজিক-অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশ।

আতিকা রমা: সত্য কথা বলার জন্য ধন্যবাদ। কাজেই আর বুদ্ধি বাড়িয়ে লাভ নাই।

মাহমুদা শেলী: হাহাহাহা ঠিক বন্ধু…কাবিন নামায় ২৮টা কলাম লইয়া হুদাই ফাল পারছে এতকাল ! বন্ধু আইন প্রণেতারগোর কাছে একটা সুপারিশ পাঠাও যে আরেকটা কলাম যুক্ত করা হোক..! জামাই বউ যেন ভালবাসতে বাসতে ঘোর পাগল হয়ে যায়…!

চন্দ্রাহত মুন: বিবাহ দলিল নারীরাই বেশী চায় লক্ষ্য করেছেন? এটি একটি করাপ্ট সুবিধাবাদ মননের চুড়ান্ত নির্লজ্জ কন্ট্রাক্ট! আমিও গেছি তার ভেতর। তবে এটুকুন করেছি দেনমহর বাদে! হায় বিভ্রান্ত করাপটেড আমরা!

নাহিদ: মুন, আপনি ঠিক, কিন্তু নারীরা কেন চায়? কারণ নারীর সামাজিক-অর্থনৈতিক কোনো নিরাপত্তা নাই, তাই।

মুন: নিরাপত্তার কথা বলে বলে আর কত আত্মস্মমান মাটির নীচে রাখবো বলবেন? শিক্ষিত নারীর দেনমোহর নিয়ে দর কষাকষি দেখেন নাই?

নাহিদ: দেখেছি। কিন্তু এটা তো ঠিক যে নারীর অবস্থা এখনও ওই জায়গাটায় আসে নাই, যে জায়গাটা আপনি/আমি দেখতে চাই।

মুন: একেকজন বিশ লাখ টাকা পর্যন্ত দেনমোহর কষাকষি করে। এটা কিসের জামানত? অন্যের টাকায় নিজের শরীর আর আত্মমর্যাদার দলিল সই করা না? পুরুষকে খোরপোশ কেন দেওয়া হবে না? কেন তারাও দশ লাখ টাকা জামানত কন্ট্র্যাক্ট পাবে না বলুন!

নাহিদ: যারা করে তারা নিশ্চয়ই আপনি বা আমি না। তাদের মনে হয় স্বামী নামক একটা সাইনবোর্ড লাগে। পুরুষ যদি চায় তো খোরপোশ তো নিতে পারে।

মাহমুদা শেলী: মোহরানা মানেই হল চুক্তি..! ম্যাজিক কলম দিয়া লেখা থাকে(অদৃশ্য).! মোহরানার চুক্তি করে তোমারে ঘরে আনছি খালি ভোগ করার জন্য..!

মুন: এখানে বিষয়টি হলো নারী প্রতিপালিত হবার এক নব্য প্রাণী। আপনি বলছেন আমি আপনি না? এই আমি আপনি কি শিক্ষিত শ্রেণী বলবো? আপনি একটু কোর্ট পাড়ায় যান। দেখবেন এরা কারা। এরা সাংবাদিক, এরা সেলিব্রেটি, এরা টিভি অ্যাংকর, এড়া আইনজীবী এরা চিকিৎসক, এরা কবি, এরা লিখিকা।

নাহিদ: তা ঠিক। আমি জানি। কিন্তু যাদের কথা বললেন তাদের বোধ-বুদ্ধি-বিবেচনাতে যদি না আসে তো বিষয়টা এমনি থেকে যাবে, তাই না? আপনি ও আপনার মতো অনেকেই হয়তো তেমন টা ভাবছেন না, যাদের কথা আপনি বললেন, তাদের মতো।

মুন: এখানে বিবাহ একটি একসাথে থাকার কন্ট্রাক্ট। যা কখনও সামাজিক, কখনও ধর্মীয়, কখনও আইনি প্রক্রিয়ায় এসেছে। বংশ পত্তনে বিবাহ প্রথা আসে। সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণের জন্য নারীর কপালে চিহ্ন দেওয়া হয় বিবাহের। যদিও তারা জানে এটি খুবই রিস্কি বিজনেস। একমাত্র নারীই জানে তাঁর সন্তানের পিতাকে। এবং তাঁকে আটকে রাখার জন্য বিবাহের মাধ্যমে নানান নীতিমালা করা হয়। ভরন পোষণ। খোরপোশ। বিশ ভরি সোনা। দশ লাখ টাকা দেনমোহর। এটা নির্ধারিত হয় নারী কোন সমাজে বিলং করে অর্থাৎ তাঁর দাম কত তাঁর উপর। দামি নারীর দাম বেশী। কম দামি নারীর কম দাম। তাঁর সোনা দুই ভরি। দেনমোহর দশ হাজার।

মুন: মোট কথা হলো সুবিধাবাদ মনন। লাথি খাওয়ার পরও যদি ডায়মন্ড একটা সেট পাই অসুবিধা কি? প্রতিবেশির কাছে বলবো, জানেন ভাবি, আপনার ভাই না যা দুষ্টু, কাল জোর করে একটা ডায়মন্ড সেট নিয়ে এলো। কি যে করে না! উইকেন্ডে চলে যেতে পারে আরেক নারীকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে। নয় ব্যাংককে! কিন্তু আমার আছে বাড়ি। ড্রাউভার। বাচ্চা দেখার জব। আসল কথা হলো নিজে খেটে খাও। ছাপড়ায় থাকো। একবেলা রুটি খাও। বাচ্চাদের বাংলা মিডিয়ামে পাড়াও। ফেস কর সামাজ আত্মসম্মান দিয়ে। ঘরের বেদনা সইতে পারো বাইরেরটা কেন পারবে না? কোথাও না কোথাও শুরুটা কাউকে করতে হবে। সেটা বরং এই ধাড়ং শিক্ষিত নারীদের জন্য হচ্ছেনা। তারা খারাপ উদাহরণ মধ্যবিত্ত নারীর জন্য!

আঙ্গুর নাহার মন্টি: খুব মন দিয়ে পড়লাম। প্রতিটি শব্দ-বাক্য আমাদের প্রতি মূহূর্তের অপ্রিয় সত্য। বিয়ের সময় বুঝিনি (বুঝলেও করার কতটা থাকে), তাহলে দেনমোহরের ঘরটা শূন্যই রাখতাম। বিয়ের সময় জামানত কিন্তু কম দেয়া হয় না। সব শ্রেণীর মধ্যেই কম-বেশি দেয়া হয়। আর ওই জামানত কিন্ত দেনমোহরের চেয়েও অনেক বেশি। সেটি তো আর কাবিননামা বা কোন দলিলে লেখা থাকে না। তাই দেনমোহর-খোরপোষের লড়াইটাই দেখে সবাই। বিবাহ মানেই স্বামী স্ত্রীর ভরণপোষণ করবে। কিন্তু নিজের অভিজ্ঞতায় বরের টাকা এখনও নিজের জন্য খরচ করিনি। এটি গর্ব বা কাউকে নীচু করার বিষয় না। আমার ইচ্ছে করে না অন্যের টাকায় চাল চালতে। আমারই বন্ধুরা যখন বিদেশে আমারই সামনে বরের হাজার হাজার ডলারের শপিং করে, আমি পরম তৃপ্তিতে নিজের জমানো ২০০ বা ৫০০ ডলারের শপিং করি। যেমনটি ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর থেকে এক টাকাও নেইনি বাবার কাছ থেকে। তারপরও বলবো হয়তো দেনমোহরটা পুরুষদের ভরণপোষণে বাধ্য করার হাতিয়ার উপায়হীন নারী ও তাদের সন্তানদের জন্য। তবে আমি আশাবাদী, কাবিন নামায় ভালবাসা শব্দটি যোগ না হলেও, এটি অদূর ভবিষ্যতে একটি বিয়ের সামাজিক দলিল বই কোন অর্থনৈতিক দলিল হবে না। কারণ যাত্রা কিন্তু ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে….

নাহিদ: মন্টি, তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ!

মন্টি: আমি তো দৃশ্যমান আপা। হারিকেন দিয়ে খোজাঁর দরকার নেই। তবে আমরা দুজনেই কিন্তু দু’জনের কাছ থেকে ধার নেই। আমি ঠিকমতো ফেরত দিলেও ভাইজান প্রায়ই দিতে ভুলে যান। তাই বলে মাফ করি না…ওর বাড়ির চালও খুলে নেই…পরিশোধের টাইম আমৃত্যু করে দিই আর কি…

নাহিদ: ধার দিলে ধার কাটে। ভাইজানদের কথা আর কইও না, সবই ফাও ফাও পাইতে চায় আর কি!

মুন: সেপারেশনের পর আইন কি হবে সেটা উন্নত দেশেও। শুধু বিয়ের দম্পতি না। একত্রে বসবাসরত দুজনের সম্পদ বা সম্পত্তি দুভাগে ভাগ হবে। বিয়ের ক্ষেত্রে স্থাবর-অস্থাবর আর বিবাহিত না তাঁদের জন্য ক্ষেত্র বিশেষে স্থাবর নয় তবে অস্থাবর সব ভাগ হবে দুভাগ। এটা তাঁদের দুজনেরই অধিকার। এখানে ভরন পোষণের ব্যাপার নয়। সন্তানদের ক্ষেত্রে অর্ধেক অর্ধেক/ চাইল্ড বেনিফিট ভাগাভাগি। সব বাবা এবং মার সমান দায় এবং দায়িত্ব। রাষ্ট্রের আইন যদি সবল হয় তাইলে এগুলো পালন করানো কোন কঠিন বিষয় না। সেজন্য নারীকে বিবাহ সম্প্রদান করা লাগেনা।

মন্টি: মুন আপা, ইস্ আমাদের যে কবে এই সমান ভাগাভাগিটা নিশ্চিত হবে!

মুন: আজ টিউবে বসে বসে কি ভাবছিলাম জানো? লম্বা ট্রেনে যদ্দুর চোখ যায় মোট ছয়টা বাবাকে দেখলাম বাচ্চার প্র্যাম নিয়ে বেরিয়েছে। সব বাচ্চাগুলো শুয়ে থাকা বাচ্চা। ছোট্ট। মা কাজে গেছে। বাবা পেটারনিটি লিভে আছে। এতদিন এ দেশে আছি তবু এ দৃশ্য ইউরপেও খুব আনকমন। যতবার দেখি ভাবি এটা একটি সামাজিক বিপ্লব। যেদিন পুরুষ ভাববে সন্তান পালন করা লাভবান তারাও প্রাম নিয়ে ঠেলবে। লাভ পাইলে গাধা কুঁজো হইয়ে পানি খায়। আমাদের পুরুষগুলো দায়িত্ব নেওয়া এখনও লাভবান মনে করে না। দায়িত্বকে কাজ হিসেবে নেবে। প্রফিট দেখলে গপ গপ করে গিলবে।

মন্টি: মুন আপা, নির্ভরশীল বা অধীন করার পক্ষপাতি আমরা দু’জনের কেউই না। দু’জনকে সম্মান করি আর পারস্পরিক বোঝাপড়াটা একটু ভাল এই আর কি। আর এক্ষেত্রে সহযোগিতা ওর দিক থেকেই বরাবরই বেশি। এজন্য ও শুধু আমার না, আমাদের সকলের সম্মান অর্জন করেছে। আর ভালবাসার ব্যাপারটা বিয়ের পর আলোচনায় আনি না। কিভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সামনে এগিয়ে যেতে পারি সেই চেষ্টাই করি দু’জনে। বলতে পারেন আমরা এখনো ভাল মানের সমঝোতা করতে পারছি। আর এজন্যই তো আমি বিদেশে এসাইনমেন্ট বা পড়াশুনা করতে গেলে ও মেয়ে-সংসার দুটোই সামলায়। নিজে বাইরে খাটুনি করে এসেও আমার আগে এলে রান্না, ক্লিনিং করতে দ্বিধা করে না। তাই তো ঘরে এলে সব হতাশা ভুলে শান্তি অনুভব করি। চারপাশের অবস্থা দেখে ইদানীং ভয় হয়, এই শান্তি না কবে চলে যায়!!

মুন: চারপাশের অবস্থা দেখে যখন তিনি নিজেকে নিজের কাজ করা থেকে বিরত রাখেন নাই সে ভয় আর থাকার কথা না। আগে তোমার মাইন্ডসেট বদলাতে হবে। তোমার এত গদগদ থাকার কিছু নেই। কৃতজ্ঞও না। ঘরটা তোমার যেমন। তারও। তিনি তাঁর পার্ট করছেন মাত্র। তিনি তোমাকে কোন ফেভার করছেন না বুঝলে হে?

মন্টি: আপা, আমার মাইন্ডসেট নিয়ে চিন্তা করবেন না। আমি এজন্য গদগদ বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি না। আমার মতো ঠোঁটকাটা স্ত্রী (গরম ইস্ত্রির স্যাঁকা আর কি) বরাবর নিজ নিজ দায়িত্বকেই প্রাধান্য দিবে সেটাই স্বাভাবিক। ওকে এপ্রিশিয়েট করেছি নিজের দায়িত্বটুকু নিজে থেকে বুঝে করতে পারার জন্য। এ উপলব্ধিটাই তো চারপাশে দেখি না। আর আগে এতো এপ্রিশিয়েটই করতাম না। এখন আরো দায়িত্বশীল হওয়ার উৎসাহ দিতে করছি। আমার বন্ধুরা যাতে আমার পোস্টে গালাগাল দিতে না পারে সেই সেইফগার্ডটা রাখলাম আরকি। কারণ বরাবরের বন্ধু নামক শত্রুগুলো ওর পক্ষে। আড্ডায়, ট্যুরে সব বাচ্চাদের বাপ হয়ে যায় আমার বরটি যাতে আমাদের বন্ধুরা মজা করতে।

নাহিদ: মুন, আপনি যে বিশ্লেষণ দেন বা যে কথাগুলো বলেন, তা একদম ঠিক। কিন্তু তা কার্যকরি করার জন্য যে শক্ত মানসিকতা এবং ব্যক্তিত্ব দরকার তা আমাদের নারী-পুরুষ কারোরই নাই। আমাদের সমাজে এর সময় লাগবে আরও।

মুন: ডেনিশ একজন লেখিকার বই পড়েছিলাম। সাতজন নারীবাদী এক জায়গায় জড়ো হয়েছে। তারা সব পুরুষদের মুন্ডুপাত করছে শুধু নিজেরটা ছাড়া। মাই গাই ইজ গুড! হাহহাহাহহা। নারে আপু, তোমায় একটু খেপালাম। স্বামী না বলে যখন তুমি বর বলো তাতেই বুঝা যায় তুমি অনেকটা এগিয়ে। আমরা অজান্তে অনেক শব্দ লালন করি। স্বামী যার আরেক নাম প্রভু। পুরুষদের এপ্রিসিয়েট করা দরকার। ওঁরা বড়ই নিরীহ প্রাণী! হাহহাহহা। মাইন্ড খাইওনা বোন। লাভ ইয়ু গাইজ!

নাহিদ: পার্টনার বা সঙ্গী বলাই তো ভালো, নিদেনপক্ষে সেইফ তো!

মন্টি: হা হা হা, ওরা ডেনিশ নারীবাদী ছিল। আমাদের দেশী হলে সাত নারীবাদী নিজেরটারই মুণ্ডুপাত করতেন! মাইন্ড করবো কেন। এপ্রিশিয়েটের নামে তেলবাজি তো রেগুলার রান্না খাওয়ার জন্য.. . আর বরও তো বলি না কোথাও, নাম ধরে বলি তমি’ …আপনারা নামটা জানেন না বলে আমাকে ভদ্র হতে হলো…কারণ যদি বলেন, তমি কে!..তখন তো আবার বলতে হবে, আমার তোড়া’র বাপ….

নাহিদ: এশিয়ান ফেমিনিস্টরা খুবই ধারালো, কলিজা এফোঁড়-ওফোঁড় করে দেয়!

মুন: নিজেকে শক্ত নিয়ে তো কেউ জন্মায় নারে ভাই। পৃথিবী তাঁকে শক্ত করে। একটি নিজের জীবন যাপন করতে গেলে শক্ত থাকা কঠিন কিছু না। মানুষ আলটিমেটলি সবাইকে সুখী করতে পারে না। কাউকে না কাউকে হার্ট করতেই হয়। সেটা এক্সেপ্ট করলে অন্তত নিজের জীবনটা নিজে যাপন করা যায়। শক্ত বা নরম যা হইয়ে। আমি রোম্যান্টিক সেজন্য আমি আমার ব্যক্তি মর্যাদার বিষয়ে কেন আপোষ করবো? এ সেন্স আমাকে কি শক্ত করে? শুধু শক্ত না আত্ম মর্যাদা সচেতন করে। প্রত্যেকটি নারী আত্মমর্যাদা সম্পন্ন হলেই সব সমাধান হবে নাহিদ।

নাহি: আমি একমত। কিন্তু এই নিজের প্রতি শ্রদ্ধার ব্যাপারটা এতো সহজ নয়।

মুন: না সহজ নয়। আমাদের নারীর মেরুদণ্ড ভাঙা শিশুকাল থেকে। তাঁদের আত্মমর্যাদা হবে কি করে? আত্ম সম্মান হবে কিভাবে? তারা সারা জীবন শুনে আসে তারা জন্মেছে কেবল চারপাশে সমস্যা তৈরি করতে। আমার ছোটবেলায়। বাবার যুদ্ধ থেকে না ফেরার পর সবাই যখন দেখতে আসতে লাগলো, সবাই আমার মাকে বলতে লাগলো, তাও যদি তিনটা ছেলে হতো, তিনটা মেয়ে। এটা শুনি আমি আমার ছয় বছর থেকে। তবুতো ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছি। আসলে ভোগান্তিটা এনাফ না হলে আমরা মাথা চাড়া দিতে জানিনা।

নাহিদ: ভোগান্তি চরম হলেও কি সবাই মাথাচাড়া দিতে পারে? না দেয়?

মুন: এটা নির্ভর করে। কেউ পারে, কেউ না। ১০% মানুষের জিজ্ঞাসা আছে। বাকীরা মেনে নয়। ইনসাইট থাকে খুব কম মানুষের। যাঁদের আত্ম জিজ্ঞাসা আছে তারা মাথা চাড়া দেয়। আমি সেজন্য সোশ্যাল অয়েলফেয়ার সোসাইটির স্বপ্ন দেখি। যেখানে যে মানুষের ক্ষমতা কম তারো থাকবে নিরাপত্তা।

 

 

শেয়ার করুন:
  • 23
  •  
  •  
  •  
  •  
    23
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.