‘শরিয়া আইন শুধু রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলেরই হাতিয়ার’

1

Pervin 1সাব্বির খান: ইরানের মৌলবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আপসহীন কণ্ঠ, নারীবাদী নেত্রী ও সাংবাদিক পারভিন আরদালান। তিনি ইরানে নারীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ‘মহিলা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ নামের এক সংগঠন, যা আজ সে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক হাতিয়ার। তিনি নারীর স্বাধীনতা, ধর্মের নামে বৈষম্য সৃষ্টি, অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, আর গণতন্ত্রের জন্য নেতৃত্ব দিচ্ছেন সে দেশের নারী সমাজকে। ইরানের সীমানা পেরিয়ে এ আন্দোলন আজ স্বীকৃতি ও সমর্থন পেয়েছে বিশ্ব পরিমণ্ডলে। আপসহীন এ নেত্রীকে সুইডেনের মানবাধিকার নোবেল প্রাইজ নামে খ্যাত ‘ওলোফ পালমে প্রাইজ-২০০৮’-এ সম্মানিত করা হয়েছিল, যা এর আগে কফি আনানকে দেওয়া হয়েছিল। পুরস্কার গ্রহণ করতে সুইডেনের পথে যাওয়ার সময় প্লেন থেকে সে দেশের রেভলিউশনারি গার্ড তাঁকে জোর করে নামিয়ে এনেছিল, অত্যাচার করেছিল এবং ইরানের নিরাপত্তার হুমকির অপরাধে কারাদণ্ড দিয়েছিল। পারভিন আরদালান আজ শুধু ইরানের নারীবাদী নেত্রীই নন, তিনি বিশ্বে কট্টর মৌলবাদের বিরুদ্ধেও এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। ২০১০ সালে তাঁর এ সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করা হয়েছিল।
সাব্বির: কিছুদিন আগেও ইরানে ছিলেন, ইউরোপে এখন। আগের সঙ্গে বর্তমানের অনুভূতির পার্থক্যের ব্যাপারে বলবেন?
পারভিন আরদালান : এটা অদ্ভুত ধরনের একটা অনুভূতি! ভালো তো নিশ্চয়ই! ধরুন, যখন ইরানে ছিলাম, তখন সব ধরনের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলাম। প্রতিনিয়ত জানতে পারতাম, কোথায় কী হচ্ছে বা কী করতে হবে ইত্যাদি। প্রতি মুহূর্তে মানুষের নাড়ির স্পন্দনটা বুঝতে পারতাম, সমাজের আবেগটা টের পেতাম। কিন্তু বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছি, প্রথমবারের মতো ইরানকে দূর থেকে দেখার সুযোগ পাচ্ছি। এটা প্রচণ্ড শিক্ষণীয়, যা খুবই প্রয়োজন ছিল আমার কাজের জন্য। অনুভব করছি, আমার ভাবনায় আরো প্রসারতা আসছে।

Pervin 2সাব্বির : কখন, কিভাবে নারীবাদী নেত্রী হিসেবে আপনার আত্দপ্রকাশ ঘটল? এ কাজে আপনার প্রেরণার উৎস সম্পর্কে বলবেন কি?
পারভিন আরদালান : ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে ইরানের রাজনৈতিক যে পটপরিবর্তন ঘটেছিল, তার বিভিন্ন দিক আমার মনে প্রচণ্ড দাগ কেটেছিল। তারপর থেকে বছরের পর বছর এ বিপ্লবের খেসারত দিতে দেখেছি ইরানের নারী সমাজকে। ইসলাম এবং শরিয়া আইনের নামে মহিলাদের তখন থেকে যে একটা সীমাবদ্ধতার ভেতর বন্দি করে রাখা হয়েছে, তা আমাকে ব্যথিত করেছে প্রতিনিয়ত। যেমন ধরুন, হিজাব বা বোরকা ব্যবহারে বাধ্য করেছে, পারিবারিক আইনের নামে নিজ পরিবারেই মহিলাদের ক্রীতদাসী হতে বাধ্য করেছে, কর্মক্ষেত্র থেকে গণছাঁটাই এবং আইনের ঘোরপ্যাঁচে নারীদের স্থায়ীভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। আমি মূলত কালের সাক্ষীর মতো দেখে যাচ্ছিলাম কিভাবে ধর্মের নামে ইরানি নারীদের একের পর এক তাঁর মানবিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত করছে, প্রতিনিয়ত অপমান করছে। এভাবে কখন যেন আমার নারীসত্তাও সময়ের আবর্তে ইরানি নারীদের অধিকারের প্রশ্নে সোচ্চার হয়ে উঠেছিল।

সাব্বির: বিভিন্ন লেখায় আপনার মা-বাবার কথা আপনি বেশ গর্বভরে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে আপনার মায়ের কথা সব সময়ই আপনি বেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারণ করেন। তাঁদের কথা বলুন।
পারভিন আরদালান : আমার মা-বাবা কখনোই আমাকে সংকীর্ণতায় শৃঙ্খলাবদ্ধ করেননি। আমার মা আমাকে নিয়ে সব সময়, এমনকি এখনো খুব দুশ্চিন্তায় থাকেন। আসলে তিনি নিজেও ইসলামের বহুবিবাহ আইনের একজন ভুক্তভোগী। আমি যখন থেকে ইরান সরকারের বিরুদ্ধে নারী স্বাধীনতার প্রশ্নে আন্দোলন শুরু করি, তিনি আমাকে দ্বিধাহীন চিত্তে সমর্থন করেছেন, উৎসাহ জুগিয়েছেন।

সাব্বির : রাজনীতিবিদ না হয়ে অ্যাক্টিভিস্ট হলেন কেন? এ দুয়ের পার্থক্যকে কিভাবে দেখেন আপনি?
পারভিন আরদালান : আমি ইরানের একজন নারীবাদী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী, একজন মহিলা অ্যাক্টিভিস্ট। নারীবিষয়ক প্রশ্নটা একটা রাজনৈতিক প্রশ্ন এবং এ বিষয়ক সিদ্ধান্তগুলোও রাজনৈতিক। সুতরাং আমি যখন বলি যে আমি কোনো রাজনীতিবিদ নই, তার মানে আমি ক্ষমতার জন্য লড়াই বা সংগ্রাম করি না। আমি সংগ্রাম করি একটা পরিবর্তনের জন্য। আমার সংগ্রাম একটা ভ্রান্তনীতির বিরুদ্ধে, অবিচারের বিরুদ্ধে।

সাব্বির : আপনার কি মনে হয় যে ইরান সরকার সে দেশের প্রচলিত আইনের উপস্থিতিতে আপনাদের দাবিগুলো শেষ পর্যন্ত মেনে নেবে?
পারভিন আরদালান : আমি আগেই বলেছি, আমাদের ইস্যুগুলোর ব্যাপারে প্রথমত ইরানি নারী ও পুরুষ উভয়ের মাঝেই সচেতনতা বাড়াতে হবে। এর পাশাপাশি সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে সম্মিলিতভাবে সংগঠিত করতে হবে বিভিন্ন ধরনের ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচি। আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচির দিকে তাকালে বুঝতে পারবেন, আমি এ মুহূর্তে বিশেষ কোনো ফলাফলের দিকে খুব একটা মনোযোগ দিচ্ছি না। বরং পরিবর্তনের প্রক্রিয়াগত দিকটার ওপর জোর দিচ্ছি বেশি।

সাব্বির : আপনার বিখ্যাত ‘ওয়ান মিলিয়ন স্বাক্ষর অভিযান’ সম্পর্কে বলুন।
পারভিন আরদালান : ‘ওয়ান মিলিয়ন স্বাক্ষর অভিযান’ শুরু হয়েছিল ইরানে এবং তা এখনো চলমান। এটা মূলত ইরানে নারীর প্রতি রাষ্ট্রের সুস্পষ্ট বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্বাক্ষর। ইরানের ভেতরে এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে অবস্থানরত ইরানি নাগরিকরা এ স্বাক্ষর অভিযানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন। ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও বিশ্বের যেকোনো মানুষই আমাদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে সেখানে স্বাক্ষর করতে পারেন। আমি মনে করি, এ স্বাক্ষর অভিযান হতে পারে বিশ্বের অন্যান্য দেশের নারী অধিকার আন্দোলনের জন্যও একটা গণতান্ত্রিক মডেল। আমরাও যেমন মরক্কোর নারী আন্দোলন থেকে শিখেছি এবং তার সফল প্রয়োগ করতে পারছি ইরানের নারী অধিকার আন্দোলনের বিভিন্ন স্তরে।

সাব্বির: ১০ লাখ সংগৃহীত স্বাক্ষরের একটা আবেদনপত্রে ইরান সরকারকে অনুরোধ করা হবে ইরানি নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আইনগুলো বিলুপ্তির জন্য। আইনগুলো সম্পর্কে একটু বলবেন?
পারভিন আরদালান : আমাদের আবেদনে যা লিখেছি তা হলো, ইরানি আইন নারীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে গণ্য করে এবং তাদের বিভিন্নভাবে বৈষম্যের শিকার হতে উৎসাহিত করে। এখানে উল্লেখ্য, এমন একটা সমাজে আইনের আশ্রয়ে এ ধরনের বৈষম্য জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে শুধু নারীরাই ৬০ শতাংশের অধিক হারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করে উচ্চতর ডিগ্রি নিচ্ছে। বিশ্বের অধিকাংশ আইনবিদের মতে, আইন হচ্ছে পরিধানের পোশাকের মতো। দেহের মাপে পোশাক তৈরি হবে_এটাই স্বাভাবিক।
আমরা যে আইনগুলো পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছি তা হলো, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, বহুবিবাহ, নাগরিকত্ব, ব্লাড-মানি (একজন পুরুষ যদি ক্রোধান্বিত হয়ে কোনো মহিলাকে হত্যা করে এবং সে জন্য পুরুষটির সাজা হয়, তবে সাজার আগে খুনিকে মৃত মহিলার পরিবার কর্তৃক মৃতের দেহের অর্ধেক রক্তের যে বাজারমূল্য তার সমপরিমাণ অর্থ দিতে বাধ্য থাকে।), সম্পত্তির বণ্টনসহ অন্য বেশ কিছু আইন।

সাব্বির : গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-পরবর্তী ইরানে যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে কিছুটা জানা গিয়েছিল। সে ব্যাপারে কিছু বলুন।
পারভিন আরদালান : হ্যাঁ, তা ছিল সরকারের বিরুদ্ধে ইরানি জনগণের বিশাল প্রতিবাদ। আসলে নির্বাচনটা ছিল সম্পূর্ণ প্রতারণা। ধারাবাহিকভাবে প্রতিবাদের দ্বিতীয় ধাপে শুরু হয়েছিল, ‘আমার অধিকার কোথায়?’_জিজ্ঞেস করে। প্রতিবাদের আবেগ এবং তা থেকে উদ্ভূত ক্রোধ কাঁপিয়ে দিয়েছিল সমগ্র ইরান আর তাঁর শাসকদের গদি।

সাব্বির: আপনার বিরুদ্ধে ইরানের বিপ্লবী আদালত কর্র্তৃক দেয় বিভিন্ন সাজার কথা জানা যায়।
পারভিন আরদালান : আমাকে অদ্যাবধি তিনবার আদালত কর্তৃক সাজা দেওয়া হয়েছে। ২০০৭ সালে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকিস্বরূপ অবৈধ জনসমাবেশ করার দায়ে আদালত আমাকে তিন বছরের সাজা দেন। প্রথম ছয় মাস কারাদণ্ড এবং বাকি আড়াই বছর ক্ষমা করে দেওয়া হয়। তবে এই শর্তে যে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ ধরনের অপরাধ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ওই সময়ের মধ্যে এ ধরনের অপরাধ করলে আগের রায় অনুযায়ী আমাকে সঙ্গে সঙ্গে তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এই মামলা এখনো আপিল বিভাগে বিচারাধীন।
দ্বিতীয়বার, পুলিশের আদেশ না মানায় এবং তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে যাওয়ায় আমাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আপিল বিভাগ তা এক বছর করে শর্তসাপেক্ষে আমাকে মুক্তি দেন যে আগামী তিন বছরের মধ্যে আমি এ ধরনের কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত থাকব। নতুবা আমাকে এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
তৃতীয়বার, ইন্টারনেটে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা করার দায়ে আমাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা পরে আপিল বিভাগ কর্তৃক ছয় মাসের শর্তসাপেক্ষে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এখানেও আমাকে আগামী চার বছরের মধ্যে এ ধরনের অপরাধ করা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়।
আগামী তিন বছরের মধ্যে যদি কোনো অপরাধের কারণে আমাকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তাহলে আগের তিনটি সাজাই আমাকে ভোগ করতে হবে।

সাব্বির : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের মাধ্যমে ইরানের ওপর অবরোধ জারি করছে। ইরানি জনগণের মনোভাব কী এ ব্যাপারে?
পারভিন আরদালান : বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের সরকারই ক্ষমতায় গিয়ে প্রথমত ভুলে যায় মানুষের অধিকারের কথা। যেকোনো অবরোধের সিদ্ধান্তই সরাসরি একটা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে তা হবে ইরানের দরিদ্র জনগণের বিরুদ্ধে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান_দুই দেশই মানবিক অধিকার ভঙ্গকারী। অবশ্যই একটা মৌলবাদী দেশের হাতে পারমাণবিক বোমা থাকাটা খুবই ভয়ংকর ব্যাপার। তবে এ ক্ষেত্রে যতটা না মানুষের কথা ভেবে বিতর্ক হয়, তার চেয়ে বেশি হয় আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার কথা ভেবে, যা দুঃখজনক।

সাব্বির : জঙ্গি মৌলবাদ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি বিষয় আজ বিশ্ব রাজনীতিকে নতুন ধারায় প্রবাহিত করছে। এ ব্যাপারে আপনার ভাবনার কথা বলুন।
পারভিন আরদালান : বিভিন্ন দেশের মৌলবাদী সরকারগুলোর মধ্যে বাহ্যিক পার্থক্য থাকলেও মূলত তারা একে অপরের সমর্থক। আমার মতে, যত দিন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধ চলবে, তত দিন উগ্র জঙ্গিবাদের উত্থান বন্ধ করা যাবে না।

সাব্বির: বাংলাদেশ শব্দটা শুনলে আপনার মনে কোন ধরনের ছবি ভেসে ওঠে?
পারভিন আরদালান : দরিদ্রতা, জনবহুলতা, নিগৃহীত নারী, তসলিমা নাসরিন ইত্যাদি। বাংলাদেশ সম্পর্কীয় বিভিন্ন সংবাদ টিভি ও খবরের কাগজে দেখে থাকি। কিন্তু তসলিমা নাসরিন একজন নারীবাদী লেখিকা, যিনি আমার মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন বাংলাদেশের নারীদের সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে। তসলিমা নাসরিনকে দেশে ফিরে যেতে দেওয়া উচিত। তাতে বাংলাদেশ উপকৃত হবে, এমনকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ট্রাইব্যুনাল হয়েছে বাংলাদেশে_এটা খুবই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত। মৌলবাদী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারলে সামাজিকভাবে নারীর ওপর অত্যাচার অনেকাংশে লোপ পাবে বলে আমার বিশ্বাস।

সাব্বির : বাংলাদেশের নারী আন্দোলন এবং আমাদের পাঠকের উদ্দেশে কিছু বলুন।
পারভিন আরদালান : আমাদের পরস্পরের কাছ থেকে অনেক কিছু জানার ও শেখার আছে। আমাদের উচিত একে অপরকে সাহায্য করা, ভাববিনিময় করা এবং সর্বোপরি একসঙ্গে কাজ করা। আমাদের আদর্শের কথা যার যার অবস্থান থেকে সমাজের সর্বস্তরে পেঁৗছে দেওয়া উচিত। আমাদের হতে হবে শিক্ষিত ও সৃজনশীল; হতে হবে একত্রিত। যেকোনো অবিচারের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে একসঙ্গে। আমাদের গল্পটা হতে হবে আপনাদেরই গল্পের মতো, যদিও তার আঙ্গিকতায় থাকবে ভিন্নতা।

(লেখাটি দৈনিক কালের কণ্ঠ তে ছাপা হয়েছিল)

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লেখাটি ৫১৪ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.