স্মৃতিতে ২৩শে জুলাই

MINOLTA DIGITAL CAMERAঝর্ণা মনি: প্রতিদিনের মতো সেদিনও আঁধার পেরিয়ে টকটকে লাল সূর্য উঠেছিল। ব্যস্ত নগরী তিলোত্তমা ঢাকার ব্যস্ত মানুষেরা জীবন যুদ্ধে ছুটেছিল যে যার মতো করে। রোজকার নিয়ম মতোই আমিও ব্যস্ত ছিলাম ক্লাস, পড়াশোনা আর বন্ধুদের সোনালি আড্ডায়। দুপুর দ্ইুটার একটু আগে তিন বন্ধু (আমি, জেসমিন ও শিল্পী) এক রিক্সায় করে দাঁত কেলিয়ে গপ্পো করতে করতে ফিরছিলাম প্রিয় আবাসস্থল শামসুননাহার হলে। কিন্তু ডাসের (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্ন্যাকস) পাশে আসতেই থামাতে হলো রিক্সা। হলের ছাত্রীদের একটি বিরাট মিছিল এগিয়ে যাচ্ছে রেজিস্টার্ড ভবনে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে। ঝর্ণা আপু, লিলি আপু, দোলন আপু (তিনজনই এখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার) রিক্সা থেকে নামিয়ে ঘটনার বর্ণণা দিয়ে হাতে প্ল্যাকার্ড ধরিয়ে দিলেন। এগিয়ে চললাম আমরা। প্রভোস্ট ডক্টর সুলতানা শফিকে মেয়াদ পর্যন্ত স্বপদে বহাল, প্রভোস্ট কক্ষে সিলগালাসহ তালা দেয়া কুচক্রি হাউজ টিউটরদের পদত্যাগ আর বহিরাগত ছাত্রদল নেত্রীদের হল ছাড়ার তিন দফা দাবিতে আমাদের স্লোগান চলছিল জোরে শোরে।

এর পরের দৃশ্যাবলী অত্যন্ত চমকপ্রদ। নাটকীয়ভাবে মোড় নিচ্ছিল একেক ঘটনা। দীর্ঘ আড়াই ঘন্টায়ও উপাচার্য ডক্টর আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর দেখা না পাওয়া, প্রক্টরের (নাম ভুলে গেছি) নানান টালবাহানা, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হলে ফিরিয়ে আনা, আরও দুই ঘন্টা পরে প্রভোস্ট অফিস খুলে সুলতানা শফিকে নিজ চেয়ারে বসানোর নাটকগুলো জমে ওঠেছিল সুচারুরূপে। আমরা মেয়েরা ব্যস্ত ছিলাম আন্দোলন নিয়ে। আর অন্যদিকে প্রশাসন ব্যস্ত ছিল সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী পুলিশ দিয়ে পুরো হল ঘেরাও করার কাজে। সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে ডাস, শামসুননাহার হল সড়কদ্বীপ থেকে শুরু করে জগন্নাথ হল গেইট পরিণত হয় পুলিশের রাজ্যে। প্রক্টর, নারী প্রক্টরকে আমরা বার বার অনুরোধ করছিলাম, বহিরাগত ছাত্রীদের হল থেবে বের করে দেয়ার জন্য। কিন্তু তারা কালক্ষেপন করছিলেন নানা অজুহাতে।

প্রকৃতির নিয়মে ওই দিনেও সন্ধ্যার পর রাত এসেছিল, তবে হলের মেয়েদের কাছে এসেছিল বিভীষিকা হয়ে। নিকষ কালো আঁধারে হায়েনাদের মরণছোবলের অস্ত্র হয়ে। সন্ধ্যার পর হল গেটের চাবি চলে আসে আমার হাতে। সঙ্গে গোটা পঞ্চাশেক ছাত্রী নিয়ে মূল ফটক পাহারা দেয়ার দায়িত্ব পরে আমার। আন্দোলন তখন তুঙ্গে। এরই মধ্যে তিন দফা পরিণত হলো দুই দফার আন্দোলনে। প্রভোস্ট সুলতানা শফিকে বহাল আর বহিরাগতদের হল ত্যাগ করলেই মেয়েরা সবাই নিজ কক্ষে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা এল। হাউজ টিউটর সুনীতি বিশ্বাস আর চাঁপা আপা ফ্লোরের খাতা এনে সব অবৈধ ছাত্রীদের নামের তালিকা প্রক্টরের হাতে দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন। প্রভোস্ট সুলতানা শফি উপাচার্যকে এসে পরিস্থিতি সামলানোর জন্য বার বার টেলিফোন করছিলেন। কিন্তু উপাচার্য মহোদয়ের সময় হয়নি হলে এসে আন্দোলন থামাবার।

স্লোগানআর আন্দোলনে সময় যাচ্ছিল। প্রভোস্ট সুলতানা শফির রুমে ফেরার অনুরোধ অগ্রাহ্য করে মেয়েরা পণ করেছিল দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে না ফেরার। না খেয়ে না ঘুমিয়ে মেয়েদের আন্দোলন চলছিল। আর অন্যদিকে ২৩৫ নম্বর কক্ষে বহিরাগত ছাত্রদল নেত্রীদের হুংকার, আজ হলে রক্তের বন্যা বইয়ে দেবো। আজ কয়েকটা লাশ পড়বে। প্রভোস্ট সুলতানা শফির বিদায় হবে রক্তের আলতা পরে। তারা অবশ্য কিছুটা তাদের রেখেছিল। আন্দোলনের প্রথম সারির ছাত্রীদের নাম, রুম নাম্বার ও চেহারার বর্ণণা সম্বলিত বিশাল তালিকা ধরিয়ে দিয়েছিল পুলিশের হাতে। পরে তালিকা অনুযায়ী পুলিশ আমাদের পিঠিয়েছিল অমানুষিকভাবে।

রাত ঠিক ১২ টায় মূল ফটক ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ। একদল সোজা চলে যায় ২৩৫ নম্বর কক্ষে ছাত্রদল নেত্রীদের সুরক্ষার জন্য। একদল প্রভোস্ট কক্ষে। হলের আনাচে কানাচে অবস্থান নেয় শত শত পুলিশ। অরক্ষিত শিক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে আসে নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বরং প্রক্টর, সহকারি প্রক্টরদের অযথা সময়ক্ষেপনে আন্দোলন আরো তীব্র হয়ে উঠে।

এভাবে সময় গড়িয়ে রাত তিনটা। আমার ও আমার দলের দায়িত্ব তখন প্রভোস্টকে পাহারা দেয়া। সোয়া তিনটার দিকে আন্দোলনের কোনো সুরাহা না করেই প্রক্টর ও সহকারি প্রক্টররা হল ত্যাগ করেন। তাদের হল ত্যাগের সঙ্গে সঙ্গেই প্রভোস্ট সুলতানা শফিকে জোর করে হল থেকে বের করে দেয় পুলিশ। এরপরই খুলে যায় নরকের দরজা। মেয়েদের ওপর নেমে আসে বিভীষিকাময় অন্ধকার। সাড়ে তিনটায় আমি, সেলিনা, সঙ্গীতা (নেপালি), সোহানাসহ অনেকেই মূল ফটক বন্ধ করতে যাই। ঠিক তখনই সেলিনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পুলিশ। বাঁধা দিতে গেলে আমাকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। শুরু হয় নিরীহ মেয়েদের ওপর পুলিশী তা-ব। ছাত্রদল নেত্রীদের তালিকা অনুযায়ী, কক্ষে কক্ষে গিয়ে মেয়েদের নির্যাতন করে। বাদ যায়নি আন্দোলনে না আসা মেয়েটিও। অকথ্য গালিগালাজ আর টেনে হিঁচড়ে ভ্যানে তোলার দৃশ্য আজও চোখে জল ঝরায়। আজও কাঁদায়, একপাশে পুলিশ ভ্যানে তোলার জন্য টানছে, অন্য পাশে আমার বন্ধু তিথি আমাকে ছাড়াতে ব্যস্ত আর জালাল দাদু (হলের দারোয়ান) পুলিশের পা ধরে কাঁদছে, ও স্যার, মনি আফারে ছাইড়্যা দ্যান। চোখে ভাসে, মেধাবী নীলিমাকে (এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক) চুলের মুঠি ধরে মাঠিতে ফেলে পিঠের উপরে পুলিশের নারকীয় উল্লাস। প্রথম বর্ষের একটি মেয়েকে (নাম ভুলে গেছি) মারতে মারতে বাগানে ফেলে দেয়। তিনদিন আগে হলে ওঠা প্রথম বর্ষের ছাত্রী নিপাকে (এখন এয়ার হোস্টেজ) এত বিভৎসভাবে মেরেছিল যে এখনও গায়ে কাঁটা দেয়।

পুলিশ ভ্যানে তোলার পর দেখি, সেখানে নিচে বসিয়ে রাখা হয়েছে, সেলিনা (প্রবাসে থাকে) নিলীমা (ঢাবি শিক্ষক), মুন্নি (ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার), নিকল (বেসরকারি চ্যানেলের সংবাদ পাঠিকা), নাকলু (বিসিএস ক্যাডার) নিপা (এয়ার হোস্টেজ), স্বাতী (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক) সহ অনেককেই। এখনও কানে অমৃত (!) ঢালে পুলিশের ব্যঙ্গ, ‘চেয়ে দ্যাখ, এখন তোদের ঠিক পতিতাদের মতো লাগছে। কাল যখন পত্রিকায় ছবি ছাপা হবে, তখন কি করে মুখ দেখাবি?’ মারতে মারতে আমাকে বলছে, ‘আবার বল দেখি এইট পাশ টুলা? এমন মাইর দেবো, কোনো প্রেমিকও তোকে বাঁচাতে পারবে না।’

এভাবেই কেটেছে ঘন্টা দেড়েক। পুলিশ ভ্যানে বসে আছি আমরা ক’জন। হলের ভেতরে শুধু বাবা গো, মাগো, বাঁচাও চিৎকার। এক সময় ভ্যান চালুর শব্দ পেলাম। হঠাৎ পিঠে সজোরে লাথি। কোনো এক পুলিশ আমাকে লাথি মেরে নিচে ফেলে দিয়েছে। উপুর হয়ে পড়ে গেলাম। আমার দাঁতে ছিল অ্যাপলেন্স পড়া। ভেঙ্গে গেলো। দাঁত দিয়ে রক্ত পড়ছে। পিঠ, মাথা, কোমড়, পা সর্বত্র মারের চিহ্ন। আবারও দৌড়ে এল জালাল দাদু। সঙ্গে মানিক দাদু, রাজা দাদুসহ আরো কয়েকজন দাদু। চারপাশে আমাকে ঘিরে অন্য পুলিশের চোখ এড়িয়ে আমাকে পৌঁছে দিল অর্নাস ভবনের একটি বাথরুমের সামনে। কতোক্ষণ সেখানে ছিলাম মনে নেই। অনেক পরে ঝুমুর (কানাডা প্রবাসী), মিলি (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক) আরো ক’জন এসে বাথরুমে আশ্রয় নেয়। মিলি জানায়, ওকেও নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ ভ্যানে কিন্তু পায়ে আঘাত করে ছেড়ে দেয়। পরে সবাই মিলে অর্নাস ভবনের পাঁচতলার একটি রুমে যাই। সেখানে আগে থেকেই তিথি, সোহানা, সঙ্গীতারা ছিল। তিথি আমাকে দেখে কেঁদে ফেলল। সবাই অবাক, আমাকে কেন ছাড়ল? (রংপুরের একটি পুলিশ রাত একটার দিকে আমাকে কয়েকবার বলছিল, ‘পালাও। রুমে থেকো না। অন্য রুমে চলে যাও। তোমাকে অনেক মারবে। তোমাদের কাকে কাকে মারতে হবে, হাজতে নিতে হবে সবার লিস্ট আমাদের হাতে হাতে। তুমি দেখতে অবিকল আমার ছোট মেয়েটির মতো। তোমাকে দেখে আমার মেয়েই মনে হচ্ছে। আমি এজন্যই তোমাকে অনুরোধ করছি। কোনো নিরাপদ কক্ষে লুকিয়ে থাকো, মা।’ ভ্যানে সেই পুলিশটিও ছিল। আমার ধারণা, সেই-ই আমাকে লাথি মেরে ভ্যান থেকে ফেলে দিয়েছে।)

অনেক ঝড়ঝাপটার পর শামসুননাহার হলে সকাল হলো। ভোরে হাউজ টিউটরদের বাসার পাশ দিয়ে দেয়াল টপকে পালানোর চিন্তা করলাম আমরা। কিন্তু সেখানেও বিপত্তি। শিল্পী (হলের তৎকালীন ছাত্রলীগ প্রেসিডেন্ট) দেয়াল টপকাতেই বিষয়টি টের পেয়ে গেলো লুসি-শান্তা-লিলিদের (শামসুননাহার হল ট্র্যাজেডির খলনায়িকারা) দল। লিলি পুলিশ নিয়ে এসে ধরিয়ে দিল নিপাকে (বিসিএস, শিক্ষা) আর শান্তা পুলিশের হাতে তুলে দিল তারই সহপাঠী দোলন আপাকে (এখন ইউএনও)। আমাকে দেখে বলল, কি তোমাকে থানায় নেয় নি? দাঁড়াও এখুনি দেখাচ্ছি মজা। ও পুলিশ ভাই, এই হারামজাদীকে ধরে নিয়ে যান। হারামজাদী আমাদের হল থেকে বের করবে। এখন দেখি, কে কাকে বের করে? তিথি, জেসমিন, লাকীর সঙ্গে দৌড়াতে দৌড়াতে লুকালাম মাস্টার্স ভবনের আরেক বাথরুমে। তিথি কোনোভাবে রুমে গিয়ে দুটি বোরকা নিয়ে এলো। একটি বোরকা আমি পরে নিলাম। এরপর বের হলাম। মূল ফটকে আসতেই পুলিশ নেকাব খুলতে বললো। তিথি অনেক বাগবিতন্ডার পর আমরা ছাড়া পেলাম। দৌড়াতে দৌড়াতে গেলাম রোকেয়া হলের গেস্টরুমে। কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করার পর গেলাম কলাভবন। কলাভবন থেকে দীর্ঘ মিছিলে হেঁটেছিলাম গোটা ক্যাম্পাস। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লো পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে।

২৩ জুলাইয়ের পর ২৭ জুলাই ফিরে গিয়েছিলাম প্রিয় হলে। আমাকে দেখে ভুত দেখার মতোই চমকে উঠেছেন অনেকেই। দারোয়ান থেকে বন্ধুরা, সবার একই প্রশ্ন, কোন সাহসে হলে এলি? পালা, পালা। অবশ্য পরদিন এমনিতেই হল ছাড়তে হলো। আন্দোলন থামাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সেইসঙ্গে সকল শিক্ষার্থীকে ২৮ জুলাই বেলা ১২ টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। হল ছেড়ে দিলাম। পুরো ক্যাম্পাস তখন উত্তাল। দিনভর আন্দোলন করলাম রোকেয়া হলের গেটে। পরদিন আমার ছবি ছাপা হলো প্রথম আলোতে। অনেকের ফোন পেলাম। কারো উৎসাহ,আবার কারো উৎকণ্ঠা। বাড়ি চলে যা, এমন উপদেশও দিলেন কেউ কেউ। আরো অনেকের মতো আমিও বাড়ি গেলাম না। ঝিগাতলা বড়বোনের বাসায় ছিলাম। সেখান থেকে প্রতিদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসতাম ভিসি হটাও আন্দোলনে।

এভাবে মিছিল, স্লোগানআর আন্দোলনে কেটেছে পুরো ৬৯ দিন। এরপর আমাদের জয় হলো। প্রচণ্ড ছাত্র ও অভিভাবকদের তীব্র বিক্ষোভের জোয়ারে ভেসে গেলো ভিসি আনোয়ারউল্লাহর গদি। বিজয়ের আনন্দে মাতলো পুরো ক্যাম্পাস। সেদিন আমাদের বিজয় মিছিলে যোগ দিয়েছেন অনেক অভিভাবক। রাজধানী ঢাকার অনেক সাধারণ মানুষ। আনন্দে কাঁদছিলাম অঝোরে। মনে হয়েছিল আমি, বিজয় দেখেছি। একাত্তর দেখেছি। ২৫ মার্চের কালো রাত দেখেছি। আবার ষোলই ডিসেম্বর দেখেছি।

সময়ের হিসেবে আজ পেরিয়ে গেছে সুদীর্ঘ ১২ বছর। বিচার হয়নি ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার। বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে আটকা পড়ে আছে হাজারো শিক্ষার্থীর চোখের জল। লাল-ফিতার দৌরাত্ম্যেবন্দি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের কলংকিত এক অধ্যায়।

বছর ঘুরে ২৩ জুলাই আসে। শুধু চোখের নোনা জল সিক্ত করে নিজেকেই। দু:স্বপ্ন তাড়িয়ে বেড়ায়। তবুও ২৩ জুলাই আমাকে শিখিযেছে প্রতিবাদী হতে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে লড়াই করতে। সেই থেকে ২৩ জুলাই আমি কালো পোশাক পরি। পৃথিবীর সমস্ত অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে এটিই আমার প্রতিবাদ।

(লেখক: ভোরের কাগজ এর রিপোর্টার)

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.