নারী সাংবাদিকদের এগিয়ে যেতে নেটওয়ার্কিং গুরুত্বপূর্ণ

Networkingউইমেন চ্যাপ্টার: অসংখ্য প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়েও নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন নারী সাংবাদিকরা। তাদের চলার পথকে মসৃণ করার জন্য প্রয়োজন নেটওয়ার্কিং অর্থাৎ নিজেদের মধ্যে আন্ত: সম্পর্কের উন্নয়ন। আর এটি সম্ভব হলে নিজেদের বঞ্চিত জীবনের ইতিহাসকে পেছনে ফেলে সংঘবদ্ধভাবে এগিয়ে যাবে বাংলার নারী সাংবাদিকরা।

রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত নারী সাংবাদিকদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এক কর্মশালায় এসব কথা উঠে আসে।

ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহায়তায় ‘ব্রিজিং প্রোগ্রাম ফর জার্নালিস্ট’ প্রজেক্টের আওতায় অনুষ্ঠিত দু’দিনব্যাপি এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন আমেরিকান সেন্টারের সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকর্তা বিলাল ফারুকী, তথ্য কর্মকর্তা মনিকা সাই, জাতীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন এবং সিনিয়র সাংবাদিক মাহমুদা চৌধুরী।

কর্মশালায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, আরটিআই, মিডিয়া এথিকস, পেশাগত ঝুঁকি, নিউ মিডিয়া এবং নেটওয়ার্কিং বিষয়ে আলোচনা করেন অনলাইন পত্রিকা উইমেন চ্যাপ্টারের সম্পাদক সুপ্রীতি ধর, দৈনিক জনকণ্ঠের বিশেষ প্রতিবেদক সুমি খান এবং প্রকল্প সমন্বয়ক ভোরের কাগজের কূটনৈতিক প্রতিবেদক আঙ্গুর নাহার মন্টি।

‘৭০ দশকের সাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে মাহমুদা চৌধুরী বলেন, নারী সাংবাদিকদের মধ্যে নেটওয়ার্কিংটা খুব জরুরি। সেইসঙ্গে নারী সাংবাদিকদের পরিস্থিতি মোকাবেলা করে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ফরিদা ইয়াসমিন নারী সাংবাদিকদের জন্য গেরিলা নেটওয়ার্কিংয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, নারী সাংবাদিকদের জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটর্ফম খুবই প্রয়োজন। জাতীয় প্রেসক্লাবে ৬৫০ জন সদস্যের মধ্যে মাত্র ২৩ জন নারী। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

মনিকা সাই বলেন, বাংলাদেশে নারীদের ভয়েস শক্তিশালী। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য নারী সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করছেন।

কর্মশালায় সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ২০ জন নারী সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। আগামীকাল সোমবার নারী সাংবাদিকদের কাজের কর্মক্ষেত্র, পরিবেশ, আত্মরক্ষা, চ্যালেঞ্জ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হবে।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.