সংকটাপন্ন অবস্থায় মান্না দে

manna_deyউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক (জুন ৯): ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’ খ্যাত উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী মান্না দে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।

ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ায় শনিবার তাকে ব্যাঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে।
সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ভারত সরকারের পদ্মশ্রী, পদ্মবিভূষণসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন এই শিল্পী।

পত্রিকাটি বলছে, ৯৪ বছর বয়সী মান্না দে প্রায় ২০দিন আগে তার স্ত্রীর (প্রয়াত সুলোচনা কুমারণ) স্মরণে গান রেকর্ড করার সময় অসুস্থ বোধ করেন। তখন থেকেই কল্যাণনগরে নিজের বাড়িতে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি। এরপর অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত ১ মে এই প্রখ্যাত গায়কের ৯৪তম জন্মদিন পালন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেদিন তার সঙ্গে দেখা করেন।এবারের জন্মদিনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে মান্না দে কে ‘বিশেষ সংগীত মহাসম্মান’ দেওয়া হয়।

শিল্পী সেদিন মমতাকে জানান, স্ত্রী সুলোচনার স্মৃতিতে কিছু গান রেকর্ড করার জন্য অসুস্থ শরীরেও তিনি কলকাতায় ফিরতে চান।
১৯৫০ থেকে ১৯৭০ এর দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রে গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই শিল্পীর জন্ম ১৯১৯ সালে। পারিবারিক না ছিল প্রবোধ চন্দ্র দে। কিন্তু এই উপমহাদেশের সংগীতপ্রেমীরা তাকে ‘মান্না দে’ নামে এক নামে চেনে।

বাংলা ও হিন্দি ছাড়াও মারাঠি, গুজরাটিসহ ভারতের বিভিন্ন ভাষায় গাওয়া অসংখ্য জনপ্রিয় গানের কল্যাণে মান্না দে পরিণত হয়েছেন জীবন্ত কিংবদন্তীতে।

দ্বীপ ছিল, শিখা ছিল, শুধু তুমি ছিলে না বলে আলো জ্বললো না; আবার হবে তো দেখা; এই কূলে আমি, আর ওই কূলে তুমি; তীর ভাঙা ঢেউ আর নীড় ভাঙা ঝড়; যদি কাগজে লেখো নাম; সে আমার ছোট বোনসহ মান্না দে’র কণ্ঠের বহু গান বাংলাদেশের শ্রোতাদের কাছেও দারুণ জনপ্রিয়।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.