তা সে যতই কালো হোক

mourn picউইমেন চ্যাপ্টার: কৃষ্ণকলি আপনি ভাগ্যবতী। সেই কোন যুগে গতানুগতিক সৌন্দর্য ধারণাকে নস্যাৎ করে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ আপনার রূপে ভেসেছিলেন। তারপর কত বসন্ত পার হয়েছে। বিক্ষিপ্ত ভাবে একাংশ জনমনে ‘রূপ’-এর সংজ্ঞায় কালো বা ফর্সা রং হয়তো আর প্রভাব ফেলে না। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠের সৌন্দর্যচেতনা যে এখনও চামড়ার হালকা রঙে বন্দি।

তাই কৃষ্ণকলি আপনি ভাগ্যবতী। কারণ, সেই কবে আপনার ত্বকের চিকন কৃষ্ণবর্ণ, গভীর হরিণচোখ ‘সুন্দর’-এর মর্যাদা পেয়েছিল। অথচ, এ কালেও সেই সৌন্দর্য বুঝতে অক্ষম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ পাত্রপাত্রী বিজ্ঞাপন আর ফেয়ারনেস ক্রিমে ‘প্রকৃত ফর্সা’ খোঁজে!

এক সমাজতাত্ত্বিক বন্ধু হেসে বলছিলেন, “কৃষ্ণকলির রচয়িতা খোদ রবীন্দ্রনাথকেও তো গায়ের রং উজ্জ্বল করতে বাদাম আর কমলালেবুর খোসাবাটা মাখতে হয়েছে। শোনা যায় ফর্সা রং নিয়ে ‘অবসেশন’ ছিল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির।

গায়ের রং চাপা বলে ঠাকুর পরিবারে যথেষ্ট হ্যাটা হতে হয়েছিল বৌঠান কাদম্বরী দেবী, এমনকী রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী মৃণালিনীকেও। তখন কেন চুপ করেছিলেন বাঙালি সমাজে রেনেসাঁ-র অন্যতম কাণ্ডারি ওই পরিবারের প্রগতিশীলেরা?”

সরাসরি কালো রঙের প্রতি বিতৃষ্ণা প্রকাশের থেকেও মুখোশ পরা চাপা বর্ণবিদ্বেষকে বিপজ্জনক মনে করেন সমাজতাত্ত্বিকদের একটা বড় অংশ। তাঁদের মতে, এই ভণ্ডামিটাই সমাজের কাল। বাইরে দেখানো চামড়ার রংটা তাঁরা ধর্তব্যের মধ্যেই রাখেন না, অথচ ভিতরে-ভিতরে পরিবারের বৌ পছন্দের সময় ‘অতীব ফর্সা, সুন্দরী’ পাত্রী খোঁজেন।

শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী মীরাতুন নাহার, লেখিকা সুচিত্রা ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন সুনন্দা মুখোপাধ্যায় প্রত্যেকেই একমত, এই দ্বিচারিতা অন্তঃসলিলা হয়ে সমাজে বইছে বলেই ফর্সা-কালোর ভেদাভেদের শিকড়টা উপড়ে ফেলা যাচ্ছে না।

নিজের জীবনের কথা বলছিলেন সুনন্দা মুখোপাধ্যায়। মা আর দিদিরা খুব ফর্সা ছিলেন। ব্যতিক্রম ছিলেন তিনি। আত্মীয়স্বজনেরা যে-ই বাড়িতে আসতেন অমনি আফশোসের ঝাঁপি খুলে বসতেন, “এ মা! এ তো একেবারে মায়ের মতো হয়নি। এত কালো কী করে হল!” অস্বস্তিতে, লজ্জায় পিসির আঁচলের তলায় লুকোতেন তিনি। নেমন্তন্নবাড়ি এড়িয়ে যেতেন। বাড়িতে কেউ এলেই পালিয়ে যেতে চাইতেন। কারণ, জানতেন সবাই আবার তাঁর চেহারার ত্রুটি আর গায়ের রং নিয়ে পড়বেন!

পরবর্তী কালে পরিণতির সঙ্গে-সঙ্গে এই হীনমন্যতা কাটিয়ে উঠেছিলেন তিনি, কিন্তু ব্যক্তিত্বের রকমফেরে সকলে সেটা হয়তো পারেন না। পারিপার্শ্বিকের আচরণেই অবসাদের বীজ প্রোথিত হয় কালো মেয়ের ভিতরে। ‘বেণীমাধব’-এর প্রেমিকা ‘আমার রঙ কালো’ বলে নিজেকে কুৎসিত এবং অকিঞ্চিৎকর ভাবতে শুরু করেন।

গল্প শোনাচ্ছিলেন মীরাতুন। তাঁর নিকটাত্মীয় এক কৃষ্ণাঙ্গীর গল্প। উচ্চশিক্ষিত পরিবারে জন্ম তার। মা ও দিদি অপরূপ সুন্দরী এবং ফর্সা, সে কালো। তাকে নিয়ে আত্মীয়-স্বজন-বন্ধু-বান্ধব প্রত্যেকেরই প্রায় এক প্রতিক্রিয়া“এটা আপনার মেয়ে! (আড়ালে বলাবলি, ‘আমি তো ভেবেছিলাম কাজের মেয়ে! এত সুন্দর মায়ের এমন মেয়ে পেট থেকে বেরোলো কী করে?’)। তাড়াতাড়ি বিয়ে না দিলে এ মেয়ের পাত্র জুটবে না সেই ভয়ে তার এম-এ পড়া বন্ধ হয়ে যায়। বিয়ে দেওয়া হয় অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন ছেলের সঙ্গে। অসম্ভব অবসাদ আর হীনমন্যতায় ভুগত সেই মেধাবী মেয়ে। মনটা ক্ষয়ে গিয়েছিল বলেই বোধহয় বিয়ের পর বেশি দিন বাঁচেনি সে।

বাঙালিদের কথাই ধরুন। শ্যামলা রঙের আকর্ষণীয় সৌন্দর্য রয়েছে বহু বাঙালি মেয়ের। অথচ এই শ্যামলীদের ‘এই রং-এর পোশাক, ওই রঙের লিপস্টিক মানাবে না’ বলে দিই আমরা। সমাজতাত্ত্বিক রুচিরা গোস্বামী বলছিলেন, “আর্যদের থেকেই এই ফর্সাপ্রীতির আমদানি। যা পরে প্রবল হয় ইংরেজ রাজত্বে। প্রভুদের গায়ের রং ফর্সা, অতএব সেটাই ক্ষমতার রং এবং মর্যাদার মাপকাঠি।”

শুধু বাঙালি বা ভারতীয়রা নন, গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ফর্সা-জ্বরে ভুগছে। মহাশক্তিধর, মহোন্নত আমেরিকাও বাদ নেই। ষাটের দশকেও সে দেশে কালো মানুষদের জন্য ট্রাম-বাসে পিছনের দিকে আলাদা আসন ছিল। রেস্তোরাঁয় সাদা চামড়ার সঙ্গে এক পঙ্ক্তিতে কালোরা বসতে পারতেন না, বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারতেন না। ১৯৬৪-তে বর্ণবৈষম্য দূর করতে বিশেষ আইনে সই করেন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন। এতে খাতায়-কলমে কালোদের প্রতি বৈষম্য-অত্যাচার বন্ধ হয়।

কিন্তু বদলটা মন থেকে না-হলে কি আইন দিয়ে জবরদস্তি করানো সম্ভব? তাই আমেরিকার আম আদমি, সমাজবিদ কিংবা রাজনীতিক সকলেই মানছেন, এ বছর দেশজুড়ে ঘটা করে ‘সিভিল রাইটস অ্যাক্ট’-এর পঞ্চাশ বছর উদযাপিত হলেও কালো-সাদা-র সামাজিক বিভেদটা ‘সফিসটিকেটেড’ কায়দায় চোরাগোপ্তা রয়ে গিয়েছে।

মীরাতুনের মতে, ‘অ্যাফ্রো-আমেরিকান’-রা ভারতীয় উপমহাদেশে নেই, তাই কালো-সাদার বিভেদ এখানে থাকার কথাই ছিল না। কিন্তু ঔপনিবেশিকতার প্রভাবে খয়েরি চামড়ার মানুষেরা নিজেদের মধ্যে সাদা-ঘেঁষা খয়েরি আর গাঢ় খয়েরির মধ্যে প্রভেদ তৈরি করে নিয়েছে। পৌরুষদমিত সমাজে সেটা বেশি খাটানো হচ্ছে মেয়েদের ক্ষেত্রে। “আমাদের স্বকীয় চিন্তাধারার বড়ই অভাব। সবাই ফর্সাকে ভাল বলছে তাই আমরাও ফর্সা রঙে মুগ্ধ হচ্ছি, কালো মানেই কুৎসিত ভাবছি। একটা মেয়েকে তাঁর বুদ্ধিমত্তা, রুচি, শিক্ষা দিয়ে যাচাই না-করে চামড়ার রং দেখে যাচাই করা হচ্ছে।” বলেন মীরাতুন।

সেই কবে নির্বাচিত প্রবন্ধে নীরদচন্দ্র চৌধুরীও স্বীকার করেছিলেন, বর্ণের প্রতি আসক্তি থেকে তিনি নিজে মুক্ত হতে পারেননি। তাঁর কথায়, “আমার একটি ভাগিনেয়ীকে লইয়া এক ইউরোপিয় বন্ধুর পার্টিতে গিয়েছিলাম। এক জন ফরাসি ভদ্রলোক তাহার দিকে চাহিয়া আমাকে বলিলেন, ‘আমি ভাবিতেছিলাম এই সুন্দরী মেয়েটি কে?’ আমি সত্যই চমকিয়া উঠিলাম, কারণ আমার ভাগিনেয়ী শ্যামা!” এক বার ভেবে দেখুন তো কৃষ্ণকলি, আমরা কত জন এই ২০১৪ সালে দাঁড়িয়ে নীরদচন্দ্রের এই ভাবনা থেকে সত্যি-সত্যি মুক্ত হতে পেরেছি?

এই প্রসঙ্গে বন্ধুস্থানীয় অন্তত তিন জন শ্যামাঙ্গী, সুন্দরী বন্ধুনির কথা মনে পড়ছে। কৈশোর থেকেই গায়ের রং সম্পর্কে সমাজ তাঁদের এতটাই স্পশর্কাতর করে তুলেছিল যে গাঢ় রঙের পোশাক হাতে তুলতেই ভয় পেতেন। যত সব ফিকে, অনুজ্জ্বল রং-এ নিজেদের ঢেকে রাখতে চাইতেন। নিজের রঙের প্রতি বিরাগ এতটাই বেড়েছিল যে তাঁদের মধ্যে একজন ছাতা নেওয়াও অতএব যতই ব্লিচ থাকুক, ত্বকের পক্ষে যতই ক্ষতিকর হোক, সর্বত্র রেকর্ড বিক্রি।

পরিচিত এক চিকিৎসক আফশোস করছিলেন, “মানুষকে ‘মেলানিন’-এর কার্যকারিতা বোঝানোটাই সমস্যা। শরীরে প্রাকৃতিক ভাবে মেলানিন কম থাকলে কেউ ফর্সা হয়। বাইরে থেকে ত্বক ঘষেমেজে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করা যায়, ফর্সা করা যায় না। কিন্তু মানুষকে ঠেকায় সাধ্য কার! তাঁদের ওয়াকিবহাল করতে ২০০৯ সাল থেকে ভারতে ‘ডার্ক ইজ বিউটিফুল’ প্রচারাভিযান শুরু করেছে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ইদানীং তাঁর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর অভিনেত্রী নন্দিতা দাস। কিন্তু এই সচেতনতা অভিযানের কথা জানেন কত জন?

সুনন্দা মুখোপাধ্যায় তো হিসাব দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে মাসে অন্তত পাঁচটা এমন কেস পান যেখানে বৌমা কালো এবং অসুন্দর বলে শ্বশুরবাড়ির লোক তাঁর উপর অত্যাচার চালান এবং বাবার থেকে নিয়মিত টাকাপয়সা নিয়ে আসার জন্য চাপ দেন। হবেই না বা কেন, যা কিছু খারাপ বা কুৎসিত তা বোঝাতে তো আমরা ‘কালো’ কথাটার ব্যবহারই করি। কালো টাকা, কালোবাজারি, এমনকী ‘‘সাম্রাজ্যবাদীর ‘কালো হাত’ ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও!’’

শ্রীজাত বলছিলেন, “যদি এই দুনিয়াটাকে সাদা-কালোয় দেখা যায় তাহলে যা কিছু কুৎসিত, খারাপ সেটাই কালো। শুভ অনুষ্ঠানে কালো পোশাক পরা বারণ, সিনেমায় হিরো মানে ফর্সা আর ভিলেনরা কালো, দেবতাদের গায়ের রং ফর্সা আর অসুর বা রাক্ষসদের কালো। কালো মানেই অন্ত্যজ, নিম্নবর্ণীয়।”

বলিউডের গ্ল্যামারাস বাঙালি নায়িকা বিপাশা বসুও একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ছোটবেলায় মোটা আর কালো ছিলেন বলে আত্মীয়-পরিজনের অনেক বাঁকা কথা এবং ঠাট্টা শুনতে হয়েছিল তাঁকে। মীরাতুনেরও মনে পড়ে সেই সময়ের কথা যখন তাঁর জন্য পাত্র খোঁজা হচ্ছে। একদিন বাবা একান্তে মায়ের কাছে দুঃখ করছেন। কারণ কে নাকি বলেছে মেয়ের রং কালো, তাই পাত্র পেতে সমস্যা হবে। আড়াল থেকে শুনে মীরাতুন স্তম্ভিত। তিনি সত্যি ততটা কালো নন। কিন্তু যদি সত্যি তা-ই হতেন, তা হলে কী হত? পৃথিবী কি ভেঙে পড়ত?

ভুক্তভোগী লেখিকা সুচিত্রা ভট্টাচার্য বা অভিনেত্রী শ্রীলা মজুমদারেরাও। সুচিত্রার বোনের গায়ের রং তাঁর থেকে উজ্জ্বল। বাড়িতে দুই বোনের জন্য যখন পোশাক আসত তখন বোনের জন্য গাঢ় রঙের, তার জন্য হালকা। অভিমানে গলার কাছটা শক্ত হয়ে উঠত তাঁর। কান্না পেত, কিন্তু কিছু বলতে পারতেন না।

শ্রীলা-ও স্কুল থেকে বাসে বাড়ি ফেরার সময় বাসে কোনও ফর্সা মহিলার পাশে বসতেন না। কীরকম একটা ধারণা হয়েছিল যে, ফর্সা লোকের পাশে বসলে তাঁর কালো রং আরও বেশি বোঝা যাবে। সব সময় বিভ্রান্ত থাকতেন কী পরবেন, কী মাখবেন সব কিছু নিয়ে। পরবর্তী কালে যখন অভিনয়ের জগতে এলেন তখন মেনস্ট্রিম ফিল্মে একের পর এক কাজ হাতছাড়া হয়েছে শুধু গায়ের রঙের জন্য।

শ্রীলার কথায়, “তখন ছিপছিপে শরীর ছিল। শাড়ি পরে, বিনুনি করে, কপালে টিপ পরে যখন যেতাম, সবাই বলত আমাকে অসাধারণ লাগছে। কিন্তু কাজ কেউ দিত না। যতটুকু অভিনয় করেছি বেশির ভাগই তথাকথিত আর্ট ফিল্মে। এটাই আমাদের মাইন্ডসেট।”

তবে সুখের কথা এই মাইন্ডসেট পাল্টাচ্ছে। শ্রীজাত-রা বুক ঠুকে বলছেন, “আমার কৃষ্ণাঙ্গীই পছন্দ। তাঁদের আবেদন অতুলনীয়।” তারাশঙ্করের কথা ধার করে ব্রাত্য বসুর-ও বক্তব্য, “কালো যদি মন্দ তবে কেশ পাকলে কান্দ কেনে?” ব্রাত্য আরও বলেন, “সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ কালোকে অসুন্দর ভাবল কিনা সেটা ভাবার দরকার নেই। তারা তো থিয়েটার ছেড়ে সিরিয়াল দেখে। তাই বলে কি তাকে সমর্থন করতে হবে? আমার বন্ধুবান্ধব, পরিচিত, সতীর্থ-সহকর্মী এমন অনেক কৃষ্ণাঙ্গী রয়েছে যাঁরা যথেষ্ট সুন্দরী, আকর্ষণীয়া এবং সফল।” শুধু মডেলিং বা অভিনয়জগৎ নয়, এ সমাজে, বিভিন্ন পেশায় দাপটে রাজত্ব করছে কৃষ্ণারা। নামী গহনা সংস্থাও তাদের ছকভাঙা সুপার হিট বিজ্ঞাপনে গৌরাঙ্গীর বদলে দেখাচ্ছে এক আকর্ষণীয়া কৃষ্ণাঙ্গীর দ্বিতীয় বিয়ের কাহিনি।

এ যুগের বহু শ্যামাই গায়ের রং নিয়ে চিন্তামুক্ত। তাঁরা ভেঙে বেরোতে পেরেছেন ফর্সার মিথ। তা ছাড়া সেই রাধার যুগ থেকেই তো গৌরীরা অনায়াসে ঝাঁপ দিতে চেয়েছেন প্রেমিকের কালো রঙে। পরোয়া না করে মিশে যেতে চেয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত সেই রঙে। কত জন ফর্সা পুরুষ নিজের রং ত্যাগ করে গায়ে লাগাতে চেয়েছেন কৃষ্ণাঙ্গী প্রেমিকার রং? এখানেই নারীর জিত। কালো-র আঁধারে আর বেশি দিন তাঁদের দমিয়ে রাখা যাবে না। কৃষ্ণকলি আপনি নিশ্চিত থাকুন, সৌন্দর্যের দিনবদলের দিন এসে গিয়েছে।

(লেখক: পারিজাত বন্দোপাধ্যায়, আনন্দবাজার পত্রিকা থেকে নেয়া)

 

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.