শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দার মৃত্যু ‘অস্বাভাবিক’

tharur উইমেন চ্যাপ্টার: ভারতের জনসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকেরা। তারা বলছেন, মৃতদেহে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে দিল্লির একটি সাত-তারা হোটেলের ঘরে থারুরের তৃতীয় স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

সকালে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স বা এইমসে নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও ঔপন্যাসিক শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করের মৃতদেহ। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে ময়না তদন্তের পর চিকিত্সকেরা জানিয়েছেন, সুনন্দার দেহে বেশ কিছু চোট-আঘাতের চিহ্ন পেয়েছেন তাঁরা।

এইমসের ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক দলের প্রধান ড. সুধীর গুপ্তা বলছিলেন,, এটা স্পষ্ট যে এই মৃত্যু অস্বাভাবিক এবং আকস্মিক। কয়েকটা চোট-আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই আঘাতের ধরন সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না। দিন দুয়েকের মধ্যে পরীক্ষার রিপোর্টগুলো হাতে আসার পরেই মৃত্যুর কারণ বোঝা যাবে।”

শুক্রবার সন্ধ্যায় কংগ্রেস দলের বিশেষ জাতীয় অধিবেশন শেষ করে দিল্লির ওই সাত-তারা হোটেলে ফিরে মন্ত্রী দেখেন যে তাঁর স্ত্রী দরজা খুলছেন না,, ফোনও ধরছেন না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে হোটেলের কর্মচারী ও পুলিশকে খবর দেন তিনি নিজেই। দরজা ভেঙ্গে সুনন্দা পুষ্করকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

এই ঘটনার পর হোটেলের সুইটটিতে নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়। ইতিমধ্যেই হোটেলের কর্মচারিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগ রক্ষাকারী সাইটগুলোতে মিসেস পুষ্করের অ্যাকাউন্টগুলোও।

 মৃত্যুর মাত্র দুদিন আগে শশী থারুর ও এক পাকিস্তানী নারী সাংবাদিক মেহের তারারের মধ্যকার কিছু অন্তরঙ্গ বার্তা প্রকাশিত হয়। প্রথমে শশী থারুর বলেছিলেন যে, তার টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। তবে মিসেস পুষ্কর এক সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন,  তিনি নিজেই তাঁর স্বামী ও ওই পাকিস্তানী নারী সাংবাদিকের বার্তাগুলো প্রকাশ করেছেন।

২০১০ সালে দুবাইভিত্তিক ধণাঢ্য ব্যবসায়ী সুনন্দা পুষ্করকে বিয়ে করেন শশী থারুর।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.