একাত্তরের নারীসত্ত্বা: অগ্নিশিখা ও অশ্রুবিন্দু (পর্ব-১)

Bangali nariমারুফ রসূল: নারী। এক প্রশান্ত পারলৌকিক সত্ত্বা। ভার্জিনিয়া উলফ বলেছিলেন- নারী সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত প্রাণী। কথাটি শোনার পর আমি এর আলোচনায় অংশ নিতে চেয়েছিলাম। কারণ, নারীর যে কোনো বক্তব্যের প্রতিপক্ষ হওয়াটাই সম্ভবত পুরুষ হয়ে ওঠার একটি প্রক্রিয়া।

সভ্যতার শুরু থেকেই নারী নানাভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। ব্যবহৃত হয়েছে সে নানা মাত্রায়। তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ, শরীর, চোখ, চোখের চাহনি- সবকিছু সভ্যতার খাতিরে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অধিকাংশই হয়েছে নারীর বোধগম্যতার আড়ালে। আমার ধারণা- এই যে এখনও নারী ব্যবহৃত হচ্ছেন নানা ঢঙের বাঁকে- তাও তার অজানা। তবে এইসব আলোচনা অন্যদিন হবে।

যে বিষয়বস্তুতে আজকের এ লেখাটিতে আলোচনা ছড়িয়ে দেবো, তা বলবার আগে মাও সেতুঙ এর একটি বক্তব্য মনে পড়ছে। তিনি বলেছিলেন-‘বিপ্লবের আগে চীনের পুরুষদের বইতে হতো সামন্তবাদ, পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের তিনটি পর্বত, আর চীনের নারীদের বইতে হতো চারটি পর্বত- চতুর্থটি পুরুষ’।

অতএব প্রায় সব যুগেই- নারী চিহ্নিত হতে পারে ‘অ্যাবসুলিউট’ শোষিত এবং সর্বহারা; যদিও পুরুষতান্ত্রিক মন্দিরের অন্যতম পুরোহিত আইনস্টাইন বলেছিলেন- ‘নাথিং ইজ অ্যাবসুলিউট ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড’।

নারী: আপনা মাংসেঁ হরিণা বৈরী

নারী- সৃষ্টির শুরু থেকেই চিহ্নিত হয়েছে অমীমাংসিত রহস্যের আঁধার হিসেবে। পুরুষ তাকে বুঝে উঠতে পারেনি কখনোই, পুরুষের ‘ঈশ্বর’ নারীর সৃষ্টি প্রক্রিয়া নিয়ে নানা রকম ট্রাম কার্ড ছেড়েছেন, ঈশ্বর ও ধর্মীয় মহাপুরুষরা নারীর ‘অতলস্পর্শহীন নিবিড় অন্ধকারকে’ ব্যাখ্যা করেছেন নিজেদের কামনা ও স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে। যদি ঐশ্বরিক গ্রন্থগুলো ঈশ্বরই লিখে থাকেন, তবে সেই গ্রন্থে নারীর যে উপস্থাপন- তাতে বুঝতে বাকি থাকে না যে- ঈশ্বরও কামনা বাসনার উর্ধ্বে নন। নারীকে ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন, নাকি নারীই সৃষ্টি করেছে ঈশ্বর- এটি নিয়ে কবি-সাহিত্যিকগণ প্রায়ই ভেবেছেন। বলতে দ্বিধা নেই, নারীকে আমার কাছে ঈশ্বরের চেয়ে পবিত্র, মহান আর সুন্দর মনে হয়। এগুলো নিয়েও অন্যদিন আলোচনা হবে।

‘নারী’প্রসঙ্গটি রাজনীতির মধ্যে যখন অন্তর্ভুক্ত হয়- তখন সেটা একটি, প্রধানত দুইটি দৃষ্টিতে দেখা হয়। প্রথমটি খুব স্বাভাবিক, যে রকম দেখে থাকেন সবাই; দ্বিতীয়টি ভিন্ন, ও রাস্তায় সকলের চিন্তা পৌঁছয় না।

তবে রাজনীতির সাথে নারীর সম্পর্কটি বেশ পুরোনো এবং স্বীকার করতেই হবে- এ সম্পর্কের ভিত রচিত হয়েছে আধিপত্যবাদের মাধ্যমে। এই আধিপত্যবাদ পুরুষ নানাভাবে চালাতে চেয়েছে। নারী-পুরুষের ইচ্ছাকৃত সঙ্গমেও পুরুষ তার আধিপত্যবাদের বাইরে বেরোতে পারেনি, ফলে সঙ্গমও হয়ে উঠেছে সমর; হয়তো এখনও হয়। তবে এ তো কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়- যদিও নারীর ‘ব্যক্তিগত’বলে কোনো বিষয় আদৌ স্বীকৃত হয়নি কোথাও।

নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে বর্তমানে ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ মলাটে উপস্থাপন করা হচ্ছে। মহিলা সংসদ সদস্যদের নিয়ে পত্রিকায় ফিচার বের হচ্ছে- এবং ফিচারের সংখ্যায় এদেশের সার্বিক কাঠামোতে নারীর ক্ষমতায়নের প্রশ্নটি প্রতিষ্ঠিত করছেন শিশ্ন নির্ভর বুদ্ধিজীবীরা।

তবে বিষয়টি মনে হয় সে রকম নয়। আগেই বলেছি, নারী রাজনীতির সাথে জড়িত সভ্যতার শুরু থেকেই। তবে সে-ই রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিমেষেই মিথ্যে হয়ে যায়- যখন তাতে আধিপত্যবাদের কুমির নেমে আসে। মোদ্দাকথা- নারী আধিপত্যবাদী রাজনীতির বাইরে যেতে পারেনি কখনো। এখনও পারছে না। পুরুষ তার আধিপত্যবাদের প্রতিপক্ষ- নিজেই নিজেকে ঈশ্বর ঘোষণা করে পুরুষ নারীর জন্যে তৈরি করেছে একটি সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বৃত্তাবদ্ধ অবস্থান। অথচ পুরুষ নামক এই প্রতি-ঈশ্বরের স্রষ্টা নারী নিজেই।

ঘরে নারী ‘অভ্যন্তরীণ ঔপনিবেশিকতা’র শিকার আর বাইরে ‘আধিপত্যবাদী ঔপনিবেশিকতা’ এবং দুই ক্ষেত্রেই নারী ‘জেগে ঘুমায়’ বা ‘জেগে ঘুমাতে বাধ্য’। কেননা সমাজ-সংসার-ধর্ম-ঈশ্বর-পুরুষ ভালোবাসা আর প্রেমের নামে নারীকে প্রতিনিয়ত যা দিচ্ছে- তার পুরোটাতেই আফিমের মাত্রা বেশি।

রাজনীতির মূল কথা হলো ক্ষমতা। কোনো সরকার ক্ষমতায় আসে দুইটি উপায়ে; সকলের সম্মতিতে, বা বল প্রয়োগে। বল প্রয়োগে ক্ষমতা গ্রহণের সময় নেশন কখনও কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়; এবং সেক্ষেত্রে এথনিক ক্লিনজিং করা হয়।

ট্যাজিডি হচ্ছে- একটি নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ধ্বংস পরিকল্পনা করা হলে প্রথমেই নারী হয়ে উঠে লক্ষ্য। কারণ নারীকে হত্যা বা তার ভেতরে শঙ্কর বীজানু সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় নৃ-গোষ্ঠী ধ্বংস সম্ভব।

একাত্তর সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীও একই পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলো। বাঙালি জাতিসত্তা ধ্বংসের অভিপ্রায়ে নির্মম নির্যাতন করেছিলো বাঙালি নারীদের উপর। সম্ভবত এর চেয়ে ভয়াবহ ও বীভৎস নারী নির্যাতন সভ্যতা আর দেখেনি কোনোদিন।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ যে কোনো বিচারেই বাঙালি জাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ইতিহাস। বাঙালি তাঁর আত্মোৎসর্গের শ্রেষ্ঠতম নিদর্শনের মধ্য দিয়ে পেয়েছে তাঁর স্বাধীনতা; যে স্বাধীনতা কেবল একটি ভূ-খণ্ডেরই নয়, যে স্বাধীনতা সামগ্রিক অর্থে তাঁর অবিনাশী মুক্তির চিহ্নমালা। মুক্তিযুদ্ধ তাই কেবল নয় মাসের ঘটনাই নয়, এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ২৩ বছরের পাকিস্তানি শাসনের ক্ষত-বিক্ষত আখ্যান, জড়িয়ে আছে বাঙালির উদ্বেল মুক্তি-আকাঙ্খা।

মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি অংশগ্রহণ করেছিলো কেবল চেতনার আলোতে দাঁড়িয়েই নয়, এর সঙ্গে মিলিত হয়েছিলো বছরের পর বছর বাঙালির লাঞ্ছনার ইতিহাস। নয় মাসের গেরিলা যুদ্ধ তাই কেবল পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যা-নারী নির্যাতন আর বর্বরতার বিরুদ্ধেই ছিলো না, ছিলো ‘পাকিস্তানি ভূত দর্শন’- এর বিরুদ্ধে এবং আরও মোটা দাগে বললে, সাতচল্লিশে যে ধর্মভিত্তিক দ্বি-জাতিতত্ত্বে দেশভাগ হয়েছিলো- তার বিরুদ্ধে। সাংস্কৃতিক-সামাজিক কিংবা রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য ছাড়াই পূর্ব-পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান একই অংশে থাকলো, কেবল ধর্মের ভিত্তিতে। তাই একাত্তরের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির যে বিজয়, তা কেবল পাকিস্তানি বর্বর সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধেই বিজয় নয়; সামগ্রিকভাবেই এ বিজয় ‘পাকিস্তানি অপ-আদর্শ’ এবং ধর্মের ভিত্তিতে জাতিগত বিভাজনের বিরুদ্ধে।

একাত্তর পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বাঙালি দেশ গড়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে। কিন্তু একাত্তরে তো কেবল অবকাঠামোরই ধ্বংস হয়নি, নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে বুদ্ধিজীবী বাঙালিদের যাঁদের মেধার আলো অত্যন্ত প্রয়োজন ছিলো মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে। বাহাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হলো সংবিধান, যার পবিত্র স্পর্শে ফুটে উঠলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সূর্য। কিন্তু পঁচাত্তরের পরই দৃশ্যপট বদলে গেলো। এরপর দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ ছিলো সামরিকতন্ত্র ও মোল্লাতন্ত্রের ভয়াল মেঘমালার নিচে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচিত হয়েছে নানাভাবে। তথ্যকেন্দ্রিক এবং তত্ত্বকেন্দ্রিক। কিন্তু একটি প্রশ্ন উঠতেই পারে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে কতোটুকু মূল প্রেক্ষাপটকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বা যেটুকু দেয়া প্রয়োজন ছিলো, তা উঠে এসেছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান নানাভাবে আলোচনায় এলেও তা কতোটুকু নারীর গৌরবকে তুলে এনেছে এবং কতোটুকু তুলে এনেছে নারীর লাঞ্ছনার ইতিহাস, তা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধ সামগ্রিক প্রশ্নেই একটি যুদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে নারীর গৌরবোজ্জ্বল অংশগ্রহণের সাতকাহন। অনেকে জীবন বাজি রেখে সশস্ত্র যুদ্ধ করেছেন। ফিরে নাও আসতে পারে জেনেও সন্তানকে যুদ্ধে যাবার অনুমতি দিয়েছেন। ধরা পড়লে নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও অস্ত্র পাচার করেন, অস্ত্র লুকিয়ে রাখেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দান করেন। সাংগঠনিক কাজে যুক্ত থেকে ঝুঁকি নিয়ে চিঠিপত্র আদান-প্রদান করেন। ভিক্ষুক সেজে পাক-হানাদারদের ক্যাম্পের তথ্য সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসক দলে, ক্যাম্পে ক্যাম্পে, ফিল্ড হাসপাতালে সেবিকার কাজ করেছেন। অনেকে ফাস্ট এইড ট্রেনিংসহ অস্ত্র চালনা ট্রেনিং ও গেরিলা ট্রেনিং নেন। অনেক নারীই সেদিন বিভিন্ন শিবিরে রান্না-বান্নার দায়িত্ব পালন করেছেন, কেউবা নিয়োজিত থাকতেন জনমত সংগঠনে ও যুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে আবার কেউবা গানের স্কোয়াডে অংশ নিয়ে, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করে শরণার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের ক্লান্তি ভুলিয়ে তাঁদেরকে উজ্জীবিত করতেন। মাত্র নয় মাসের যুদ্ধে আমাদের কাঙ্খিত স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে এই নারীদের সাহসী তৎপরতা, উৎসাহ, উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

মুক্তিযুদ্ধে নারীর অংশগ্রহণ সংক্রান্ত আলোচনায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে একটি পিছুটান যেন কাজ করে। কোথায় যেনো একটা বাধা- একটা সেন্টিমেন্ট। যেন এর বাইরে বের হলে হাজারটা বোমা ফাটবে। তবে এর কারণগুলোও পরিস্কার।

সভ্যতার প্রতিটি যুদ্ধেই নারীর জন্যে সহজাত পরিণতি ছিলো- ধর্ষণ; তবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সে পরিণতিটি আগ্রাসী শক্তির অর্থাৎ পাকিস্তানি বর্বর বাহিনীর মনোবৈকল্যের কারণে একটা প্রকট রূপ ধারণ করেছিলো।

তবে এখানেই ট্র্যাজেডির শেষ নয়; বরং শুরু। যুদ্ধে যে নারীকে অবর্ণনীয় পরিণতি সহ্য করতে হয়েছিলো, সেই নারী কিন্তু একাত্তর-উত্তর সময়ে অন্তর্হিত হতে বাধ্য হলো। নারী দেখলো- মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর স্বাধীন রাষ্ট্রে সে এক অপবিত্র সত্ত্বা, যদিও বঙ্গবন্ধু সরকার তাঁদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলো। কিন্তু সমাজ সংস্কারের গণ্ডিটা পেরোনো যায়নি। এই প্রসঙ্গে ১৯৭১ সালে নিউইয়র্ক পোস্টে প্রকাশিত হওয়া লস এঞ্জেলস টাইমসের সমন্বিত সংবাদ সংস্থার একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়-

“সনাতনী গ্রামীণ বাঙালি সমাজে, যেখানে নারীরা আবৃত জীবনযাপন করে, ধর্ষণের শিকার নারীরা প্রায়শই হয়ে যায় সমাজচ্যুত”-

Maruf Rasul
মারুফ রসূল

অতএব পরিস্থিতি অনুমেয়। কিন্তু সমস্যা হলো, যখন নারীর অবদানকে অস্বীকার করা হচ্ছে; যখন ভাবা হচ্ছে- এইটা কালো দিক, একে লুকিয়ে ফেলো। তখন নারীর আর সব অবদানকে খাটো করে দেখার প্রয়াস পাওয়া যাচ্ছে, আর পুরুষতান্ত্রিক দেশে এটা খেজুরের গুড়ের মতো। কিন্তু এটা সবাই মানতে নারাজ যে- ধর্ষণের কারণে নারীর লজ্জিত হবার কিছুই নেই; কারণ, তিনি অপরাধী নন; অপরাধী হলো সেই পশু, যে ধর্ষক।

অতএব একাত্তরের নারীদের নির্যাতনের কাহিনিকে যারা বলেন লজ্জার, যারা বলেন, ‘ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা’- তাদের এ বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করা হয়; তারা আসলে বুঝতেই চান না যে- জোরপূর্বক সম্ভ্রমহানি করাটা লজ্জার; কারণ, সেটি অপরাধ; তাই এ লজ্জা পাকিস্তানি বর্বর বাহিনীর; মোটেই বাঙালি নারীর নয়। (চলবে)

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.