অপেক্ষা!

Shahbag 1তানিয়া মোর্শেদ:পরে পরে ঘুমানোর সময় চলছে ক’দিন ধরে। তবে এবার যথেষ্ট চেষ্টা করছি জেগে থাকবার। দুদিন ধরে খবর দেখে হতাশ হয়েছি। গতকাল এক পর্যায়ে ঘুমের কাছে হার মেনে ঘুমিয়েছিলাম। ঘুম ভাঙ্গার পর কয়েক সেকেন্ড ভাবলাম কি যেন ঘটেছে না ঘটেনি? তারপরই মনে পড়লো এখনও ফাঁসী হয়নি!

আজ সকালে দীপ্ত আর মিজানের লাঞ্চ গুছিয়ে টিভি অন করেই দেখি ফাঁসীর অপেক্ষায় সবাই! দীপ্তরা বের হবার আগেই ফাঁসীর খবর এলো। আমি সারা জীবন অপেক্ষা করেছি, করছি। রাজাকারদের বিচারের, শাস্তির। গত সাত বৎসরে তা চূড়ান্ত হয়েছে। প্রতিবার সার্জারী, বায়েপ্সী হয় আর ভাবি, একজনের বিচারও জেনে যাবো না, একজনেরও শাস্তি দেখে যাবো না?!

আজ আমার মনের আশা পূর্ণ হওয়া শুরু হয়েছে! আমার এ পাওয়ায় কৃতজ্ঞ আমি, ভাবতেই মনে পড়লো, শ্রদ্ধেয় “আম্মা” (জাহানারা ইমাম) দেখে যেতে পারেননি! ফেইসবুকে কিছুক্ষণ সরব থেকে আবার ঘুমের কাছে হার মেনেছিলাম। ঘুম ভেঙ্গে “আম্মার” কথাই মনে পড়ছে। আজকের প্রজন্ম তাঁর সম্পর্কে কতটা জানে তা জানি না। স্বাধীনতা যেমন একদিনে আসেনি, এই বিজয়ও একদিনে আসেনি। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১, স্বাধীনতার পর্বকাল। ১৯৭১ থেকে ২০১৩ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, শাস্তির সূচনাকাল। কি ভাবে ১৯৭১ বিচারের, শাস্তির কাল হোলো! প্রতিটা নির্যাতিত, শহীদ, ধর্ষিত, স্বাধীনতাকামী মানুষ চেয়েছে বিচার, শাস্তি। অসংখ্য মানুষের চাওয়ার বহিঃপ্রকাশ হয়েছে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রচেষ্টার মাধ্যমে। “আম্মা” তোমাকে স্যালুট।

একাত্তরের দিনগুলি কবে পড়েছি মনে নেই। তখন শহীদ রুমীকে নিজের বড় ভাই মনে হতো। ভাই হারানোর ব্যথায় কেঁদেছি। আর পড়িনি। পারবো না মনে হয়। মা হয়ে আর পড়া যায় কি?! যারা ১৯৭১ দেখেনি তারা অনেক জায়গা থেকে হয়ত সব তথ্য সংগ্রহ করে সবই জানে। কিন্তু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার এরকম বর্ণনা সবার জানা দরকার। এরকম আরো অনেক মানুষের অভিজ্ঞতার কথা সবার জানা দরকার ছিল। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা মানুষকে যতটা, যেভাবে ছুঁয়ে যায় তা অনেক সময় অনেক তথ্য সমৃদ্ধ বই-এর থেকে বড় ভূমিকা রাখে। অ্যান ফ্রাঙ্কের ডায়েরী কত মানুষ পড়েছে, সবাই কী মানসিক ভাবে আন্দোলিত হয়নি!

আজ বাবার সাথে কথা বলতে পারলে ভালো লাগতো! আমার পৌণে চার থেকে সাড়ে চার বৎসর বয়সের অভিজ্ঞতা, ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই সময়টি আমাকে পরবর্তীর আমাকে ডিফাইন করে। একবার কয়েকজনকে বলেছিলাম যে, আমার সবচেয়ে বড় দুঃখ ৮/১০ বৎসর আগে না জন্মানো। ১২/১৪ বৎসর বয়সের কিশোররা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আর জীবনের ভীষণ পাওয়া, ১৯৭১ দেখা। এটা না দেখলে আজকের আমি এই আমি হোতাম না। সেই অন্য আমি কেমন হোতাম তা কল্পনাও করতে চাই না।

২৫-শে মার্চের পর আমরা বাঘার একগ্রামে যাই, দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাসায়। শহর থেকে আসা প্রায় একশ’ মানুষ কাঠের দোতলার একটি ঘরে আশ্রয় নেয়। এখানেই কাজিন লিটন ভাই, আমার থেকে কিছু বড়, টিটেনাসে মারা যান। শুরু হয় ডাকাতদের দৌরাত্ম্য। প্রতি বিকাল থেকে সারা রাত সবাই ভয়ে কাটাতেন। একরাতে সেই বাড়ীর পুরুষরা ডাকাতদের ধাওয়া করে তদের বাড়ী পর্যন্ত চলে যায়। তখন ডাকাতদের বৌরা বোটি, দা নিয়ে বের হয়ে আসে। (আজ বুঝি এরাই হচ্ছে রাজাকার, রাজাকারদের বংশধর)।

আমার এক কিশোর/ তরুণ মামা এই সাহসী দলে (ডাকাতদের ধাওয়াকারী দলে) ছিলেন। আমার মা সিদ্ধান্ত নেন যে, সেখানে আর নয়। রাজশাহীতে ফিরে যাওয়া। আমাদের যাওয়ার পরদিনই সে বাড়ীতে পাকিস্তানী সৈন্য আসে। ধরে নিয়ে যায় আমার এক মামাকে (মায়ের কাজিন), এক খালুকে (মায়ের কাজিনের বর)।

মায়ের আরেক কাজিনের বরকে বেঁধে রাখা অবস্থা থেকে তার স্ত্রী (আমার খালা) দড়ি খুলে দিলে পালিয়ে বেঁচে যান। কী অসীম সাহসী আমার সেই খালা! সেদিন আমরা সেখানে থাকলে আমাকে বাবা হারা হয়েই বড় হতে হতো।

ফিরে আসা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। পথে ভাগ্য জোরে বেঁচে যাওয়া। ফিরলাম পুরো আর্মী ক্যান্টনমেন্টে যেন! জুবেরী ভবনের মাঠ, স্কুলের মাঠ সব পাকিস্তানী সৈন্য দিয়ে ভরা! আর কোথাও যাবার জায়গা ছিল না আমাদের। পরবর্তী আট মাস ক্যাম্পাসেই থাকা। বন্দী শিবিরে থাকা। আমাদের বিল্ডিয়ের নীচ তলায় থাকতেন পাকিস্তানপ্রেমী এক শিক্ষক। এই শিক্ষকের কিশোর ছেলেরা তখন মনে হয় তাদের বাবার থেকেও বেশী তৎপর ছিল পাকিস্তান রক্ষায়! সন্ধ্যায় অন্ধকার ঘরে বাবা-মা খুব সাবধানে স্বাধীন বাংলা বেতার, বিবিসি শুনতেন। নীচ থেকে বদগুলো চীৎকার দিতো। এদের সাথে আমার সহপাঠি-বন্ধুর (পরবর্তীতে) বড় ভাইও যোগ দিতো অনেক সময়। তার বাবা ছিলেন নামকরা রাজাকার। মা যখন শহরে অফিসে যেতেন সঙ্গী হোতাম আমি। কাজলা গেইটে প্রতিবার আইডি কার্ড চেইক করতো। আমি তীব্র ঘৃণা ভরা দৃষ্টি নিয়ে তাকাতাম। আবার ভয়ও লাগতো, যদি মাকে নিয়ে যায়! তখন শুধু মৃত্যু ভয়টাই ছিল। তখন আমার বোঝবার বয়স নয় যে নারীদের মৃত্যু বাদেও কী নির্মম অত্যাচার সইতে হয়েছে! আমার সেই মামার স্ত্রী কি ভাবে যেন বেশ কয়েকবার আমাদের বাড়ীতে এসেছেন যদি মামাকে উদ্ধার করা যায়! বাবা উদ্ধার করবার জন্য চেষ্টা করতে যেয়ে দুবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছেন! খালু পুলিশ অফিসার ছিলেন নাটোরে। তার এক বিহারী কলিগ অনেক মাস পরে তাকে ছাড়িয়ে আনেন। অকথ্য নির্যাতন সহ্য করেছেন। তার কাছ থেকেই সেই মামার অত্যাচারিত হওয়ার, বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানী আর্মীদের কাছেই জুবেরী ভবনে আটকা থাকবার কথা পরবর্তীতে জেনেছি। মামার আর কোনো খোঁজ নেই। অসংখ্য নিখোঁজ মানুষের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণকবরে ঠাঁই হয়েছে নিশ্চয়।

একদিনের কথা মনে আছে, আমাদের বিল্ডিয়ের পিছনে পুকুর তারপরের যে বিল্ডিং সেখানে আর্মীর গাড়ী থামলো। লাত্থি দিয়ে এক ফ্ল্যাটের দরজা ভাঙ্গলো। কেউ থাকতো না। জিনিসপত্র সব নিয়ে গেলো। জানালার পর্দা সামান্য সরিয়ে দেখলাম মায়ের সাথে। ভাবতে লাগলাম যে এরপর বুঝি আমাদের বাসায় আসবে! একবার আমাদের বাসায় কড়া নাড়বার শব্দ। আমি যেখানে ছিলাম সেখানেই স্থির! বাবার সাথে মা গেলেন। আমার মা তখন সবাই একসাথে সব জায়গায় যাওয়া, এই নিয়ম মানতেন! মরলে একসাথে তিনজন মরবো, এই ছিল তার ভাবনা! দরজা খুলে দেখা গেলো, পাকিস্তানী আর্মী! তাদের কোন বড় অফিসার এসেছে তাই সাদা চাদর চাইতে এসেছে, জমায়েতে বিছাবে! মা রঙ্গিন চাদর নিয়ে গেলেন। বললো, হবে না, সাদা চাদর। মা ছেঁড়া পুরনো সাদা চাদর নিয়ে গেলেন! ওরা না নিয়ে ফিরে গেলো। আমার মা রাজাকারদের ট্রেইনিং ক্যাম্প, তার অফিসের সামনের মাঠে শুরু করেছিল, উঠিয়ে দিয়েছিলেন নারীদের অফিসের সামনে কেন পুরুষদের ট্রেইনিং হবে তা বলে। এই ঘটনার পর দিন অফিসে যেয়ে শোনেন যে কোনো এক আর্মী অফিসার ফোন করে জানতে চেয়েছেন যে তিনি অফিসে আছেন কি না। মা সাথে সাথে অফিস থেকে বের হয়ে পি,এন, গার্লস স্কুলে বসে ছিলেন সারাদিন। স্কুলের সাথে কাজের কারণেই যোগাযোগ ছিল। তিনি তখন গার্ল গাইডসে কাজ করতেন। (এসব কথা আগে লিখেছি)।

আমার দুজন কাজিনকে (বোন, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া) আমাদের বাসায় পাঠানো হোলো। একজনের বাবা সেই পুলিশ অফিসার খালু, আরেজনের বাড়ীতে আমরা একমাস ছিলাম, বাঘার সেই গ্রামের বাড়ী। এখন  বুঝি বাবা-মা কত বড় দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেই সময়েও! শহরের প্রথম কন্সট্রাকশন কোম্পানীর মালিক, মার কাজিন আত্মগোপনে ছিলেন। তার খোঁজ বাবা-মা রাখতেন। তাঁর খবর তাঁর পরিবারকে, পরিবারের খবর তাঁকে দিতেন। একবার তাঁর খোঁজ নিয়ে ফিরবার সময় বাড়ীর গৃহকর্মী আব্বাসকে পাকিস্তানী সৈন্যরা আটক করে। বেশ কিছুদিন পর ফিরে আসে। আমি ভাবতাম কেন সে “বিষ” মিশিয়ে ক্যাম্পের সব পাকিস্তানীদের মেরে ফেলছে না! সে রান্না করতো আমাদের বাড়ীতে। তাই ভাবতাম বুঝি তাকে দিয়ে রান্না করানোর জন্য আটকে রেখেছে! আর আমার কল্পনায় “বিষ” মানে মৃত্যু! বিষ আসলে কি তা যদিও জানতাম না! সে ফিরে এসে বলেছিলে যে, তাকে দিয়ে মাটি কাটাতো। এই কিছু বৎসর আগে সেকথা মনে করে স্তব্ধ হয়েছি! এখন আমি জানি মাটি কাটা মানে কী! বম্বিং শুরু হোলে তিনতলা থেকে দৌড়ে নামা নীচের সিঁড়ির ঘরে। ঘুমন্ত আমাকে বাবা কোলে নিয়ে নামতেন। তখনো জানতাম না যে মা ভাইকে বহন করছেন! কি ভাবে অন্ধকারে নামতেন তিনি! বাবা পরে বলেছেন যে, বম্বিয়ের সময় থর থর করে পুরো বিল্ডিং কাঁপতো। আমার বাবা আমাকে চেপে ধরে থাকতেন। আমার হার্ট বিট না কি এমন হোতো যে বাবা ভাবতেন আমি বুঝি হার্টফেইল করবো! একদিন শাওন, নিক্কন, রত্না আর আমি বিকালে কি ভাবে যেন পুকুরের (বিল্ডিয়ের পিছনের সেই পুকুর) কাছে কাশ ফুল তুলছিলাম। হঠাৎ সাইরেন! সাথে সাথে উপর দিয়ে প্লেইন যাওয়া শুরু করলো! আমরা প্রাণপণে দৌড়! মনে হচ্ছিল যেন প্লেইন থেকে ঠিক আমাদের উপরেই বোমা ফেলবে! আজও মনে পড়ে! আমাদের কোনাকুনি বিল্ডিয়ের তিনতলায় এক অবাংগালী শিক্ষকের বাড়ীতে প্রায়ই সন্ধ্যায় আর্মী অফিসার আসতো! আড্ডা দিতে! অনেক বৎসর লেগেছে আমার সেই শিক্ষক ও তার স্ত্রীকে “সালাম” দিতে! সবাই যখন তাদের মেনে নিয়েছিল, তখন আমি আর কত বৎসর না করে থাকবো! স্কুলের সেই বন্ধুকে ভেবেছি, বাবার কর্মফল কেনো তাকে দেবো। আজ পর্যন্ত সে নিজেকে অন্য রকম বুঝিয়েছে তাই। তবে এত কিছু দেখবার পর প্রায়ই (বেশ ক’ বৎসর হোলো) প্রশ্ন করি, ভুল হচ্ছে না তো?! ১৪ বা ১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানীরা শোনে যে “মুক্তিরা” আসছে! (তারিখ ভুল হোতে পারে)।

পাকিস্তানী সৈন্যরা তড়িঘড়ি পালিয়ে যায়। সেই কোনাকুনি বিল্ডিয়ের অবাংগালী শিক্ষক ও তার পরিবারকে দেখেছি তাদের গাড়ীতে! আমাদের নীচ তলার সেই শিক্ষককে নিতে এসেছিলো! তিনি গিয়েছিলেন কি না জানি না। আমি তখন বলেছি, “আব্বা ধরো, আটকাও। পালিয়ে যাচ্ছে!” ১৬-ই ডিসেম্বর বা তার পরদিন (তারিখ ভুল হোতে পারে) আমি গাইছি, “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি …………” নীচের রাস্তা দিয়ে ইন্ডিয়ান আর্মী (শিখ বলে বুঝেছি) যেতে যেতে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে!

কয়েকদিন ধরে আবার এক চিন্তায় পরেছি। আমাদের ক্যাম্পাসের এক বর ও বৌ (দুজনই ক্যাম্পাসের) আমরা যেখানে থাকি আসবেন। তারা এখানে আমাদের আসবার আগে বেশ কয়েক বৎসর ছিলেন। এখানে এক পরিচিতের বাসায় থাকবেন। দেখা হয়ে যাবে সেই বাসাতেই। এখন ভাবছি, আমি কি তাদের বাড়ীতে আসতে বলবো কি না?! এত চিন্তার কারণ, তাদের একজনের বাবা-মা রাজাকার। শুনেছি তাদের বাড়ীতে পাকিস্তানী আর্মী অফিসাররা যেতো। সেই আপার এক কাজিন, তখন তাদের বাসায় থাকতো, শহীদ বুদ্ধিজীবি প্রফেসর হাবিবুর রহমানকে আর্মীদের ধরিয়ে দিয়েছে। ঊর্মি খালা (প্রফেসর হাবিবুর রহমানের কন্যা) কিছু মাস আগে তা বলেছেন। ভুলোমন বাংলাদেশীরা সহজেই ভুলে যায়, ১৯৭১-এ কার কি ভুমিকা ছিলো! না হোলে এই ভায়ের সাথে কি ভাবে তার মা এই পরিবারের মেয়ের বিয়ে দেন! ভাইটিও কি ভাবে করেন!  “ভালো ছাত্রী”, “সুন্দরী” এসব কি রাজাকারের বংশের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ!! আসলেই তাই, ভালো স্টুডেন্ট, সুন্দর, খুব ভদ্র এসব লেবেল দেওয়া রাজাকারদের বংশধররা কি সহজ ভাবে মিশে গেছে, আমাদের সবার মাঝে!! (ব্যতিক্রম আলোচ্য নয়। আর ব্যতিক্রম হয় কোটি কোটিতে একটি। কাদের মোল্লার বৌ, ছেলেকে দেখেছেন টিভিতে??)।

ভাবছি ডাকবো না। আবার মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে, ডাকবো। তার আগে প্রজন্ম চত্বরের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে আমাদের জমায়েতের পোস্টার তিনটি ফ্রেইম করে চোখের সীমানায় থাকে এমন ভাবে রাখবো। এসে দেখে যাক, আমি ভুলিনি, আমরা ভুলিনি, পরবর্তী প্রজন্মও জানছে, ভুলবে না!!

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.