আগুনে পুড়ে মরলো একজন, যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে আরও ১৮ জন

0

Burn Unitউইমেন চ্যাপ্টার: ঢাকা দেখতে এসে লাশ হয়ে গেলেন নাহিদ মোড়ল (২২)। রাজধানীর শিশুপার্কের সামনে বিহঙ্গ পরিবহনের একটি বাসে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আগুন লাগানোর ঘটনায় সাংবাদিক, আইনজীবী, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, গাড়িচালকসহ ১৮ জন অগ্নিদগ্ধ হন। এর মধ্যে নাহিদের শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তাকে আর বাঁচানো যায়নি।

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিট চালু হওয়ার পর থেকে এপর্যন্ত এতোসংখ্যক আগুনে পোড়া রোগী কেউ কখনও দেখেছে কিনা সংশয় আছে। হরতাল-অবরোধের নামে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ শুরুর পর থেকে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। যারা আসছে আগুনে দগ্ধ হয়ে, অধিকাংশই ফেরত যাচ্ছেন লাশ হয়ে। সুস্থ হওয়ার পথ স্বাভাবিক যেমন নয়, তেমনি সম্ভবপরও হয়ে উঠছে না, চিকিৎসকরাই বলছেন।

রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ইউনিটের লোকজন। সীমিত বেডে স্থানসংকুলান না হওয়ায় কারও পায়ের দিকে মাথা, কারও বা মাথার দিকে পা। এভাবেই বার্ন ইউনিটে কাতরাচ্ছেন আগুনে পোড়া মানুষ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহবাগ শিশুপার্কের সামনে যাওয়ার পরই বাইরে থেকে কেউ বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রলবোমা ছুড়ে মারে।  আগুন মুহূর্তেই ভেতরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার লাইটপোস্ট ভেঙে সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে যায়। দগ্ধ হন কমপক্ষে ১৮ জন।

অগ্নিদগ্ধরা হলেন গাড়ির চালক মাহবুবুর রহমান, চালকের সহকারী হাফিজুল ইসলাম, রবিন, পুলিশের হাবিলদার নূরনবী,আইনজীবী খোদেজা নাসরিন, বরিশালের ভেদরগঞ্জ উপজেলার হিসাব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন মৃধা, পূবালী ব্যাংকের শ্যামবাজার শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মাছুমা আকতার, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের জুনিয়র অফিসার শফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আবু তালহা, বেসরকারি একুশে টেলিভিশনের মুক্ত খবরের সাংবাদিক সুস্মিতা সেন ও তাঁর মা গীতা সেন, আমজাদ হোসেন, রাহাবুল, রিয়াজ, শামীম, আবদুর রাজ্জাক, নাহিদ ও মাসুদ।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লেখাটি ১ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.