আসামে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের জবাবদিহিতার দাবি

Stop Violence 2উইমেন চ্যাপ্টার: ভারতের আসামে একজন নারীকে গণধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় রাজ্য পুলিশকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে জবাবদিহি করতে বলেছে ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশন। এর আগেই স্বত:প্রণোদিত হয়ে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আসামের মহিলা কমিশন।

এদিকে ঘটনাস্থল লখিমপুর জেলার বোগানাদিতে প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত আছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়েছে।

বিবিসি জানায়, আসামের মহিলা কমিশন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত ওই ঘটনার বিবরণ দেখে গণধর্ষণ ও হত্যার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে লখিমপুরের জেলা পুলিশ প্রশাসনকে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

গত শুক্রবার ৩১ বছর বয়সী ওই নারীকে নির্যাতন ও হত্যার ঘটনার পাঁচদিন পরেও অপরাধীদের চিহ্নিত করতে না পারায় এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আনতে ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশি তৎপরতা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে বোগানাদি থানা ঘেরাও করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা বলছেন, মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের আশ্বাস দিয়েছিল ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করবে। কিন্তু দুদিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তদন্তে কোনও অগ্রগতি হয় নি।

সন্ধ্যায় বোগানাদিতে মোমবাতি মিছিল করেছে সারা আসাম ছাত্র সংস্থা বা আসু।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার বোগানাদির ওই নারী তাঁর ছয় বছরের বাচ্চাকে স্কুল থেকে আনতে যাওয়ার জন্য একটি অটো রিক্সায় ওঠেন। ওই চলন্ত অটো রিক্সাতেই তাকে গণধর্ষণ করে চারজন আর তার পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কোপানো হয়, তার চোখ উপড়ে ফেলা হয় আর সবশেষে চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়।

বোগানাদি থানা থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে ওই মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থাতে গত রোববার মারা যান তিনি।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.