তারেক রহমানের মামলার রায় যেকোন সময়

Tarke-Mamunউইমেন চ্যাপ্টার: বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে অর্থের অবৈধভাবে লেনদেনের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগে করা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য রোববার দিন ধার্য করেন। ২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে দায়ের দুদকের এই মামলায় তারেকের বন্ধু ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনও আসামি।

এর আগে মানি লন্ডারিংয়ের পৃথক মামলায় তারেকের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর ছয় বছর সাজা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার আসামির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ। একইদিন সকালে কারাগার থেকে গিয়াস উদ্দিন মামুনকে আদালতে আনা হয়। পুলিশি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দেওয়া আদালতের ঘোষণা অনুযায়ী, তারেক রহমান পলাতক আছেন। আইন অনুযায়ী তাঁর পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিল না।

দুদকের আইনজীবী জানান, ৭ নভেম্বর দুদকের পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আসামি মামুন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে তারেক রহমানের প্রভাব খাটিয়ে টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা ঘুষ নেন। সিঙ্গাপুরে একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এই টাকা লেনদেন হয়। ওই অবৈধ টাকার কিছু অংশ তারেক রহমান ভিসা কার্ডের মাধ্যমে খরচ করেছেন। কিন্তু ওই টাকা সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থায় দেখানো হয়নি। তিনি বলেন, ওই টাকাটা যদি বৈধভাবেও নেওয়া হতো, তবু ঘোষণা না করায় তা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী অপরাধ বলেই গণ্য হতো।

গত ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়।

তারেক রহমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে আছেন। চিকিতৎসার জন্য ২০০৮ সালে তিনি উচ্চ আদালতের অনুমতি নিয়ে ওই দেশে যান। পরে তাঁর জামিন বাতিল করে এই মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন দেওয়া হয়। তিনি না আসায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.