দগ্ধ জীবন থেকে নাসিমাও বিদায় নিলেন

Death Story Nasimaইমেন চ্যাপ্টার: নাসিমাও চলে গেলেন। পোড়া শরীরের জ্বালা-যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেলেন তিনি। কিন্তু একরাশ কষ্টের সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে গেলেন বোন রহিমাকে। দুই বোন মিলে ঢাকায় বাসা ভাড়া করে থাকতেন, ঘরে রহিমার অসুস্থ স্বামী। দুজনের আয়ে সংসার চলছিল ভালোই। রহিমা এখন একা এই জীবনের লড়াইয়ে।

গত ২৬ অক্টোবর হরতালের আগের দিন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা উদ্যানের সামনে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। সব যাত্রী বের হতে পারলেও বাসে আটকা পড়ে দগ্ধ হন নাসিমা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ১৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে বুধবার রাত পৌনে দুইটার দিকে মারা যান পোশাক শ্রমিক নাসিমা। তাকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন বড়বোন রহিমা। আর বলছিলেন, হরতাল আর রাজনীতিতে কেবল গরীবেরই ক্ষতি হয়, মরেও গরীবেরাই। নেতাগো তো কিছুই অয় না।

রহিমার চার বোনের মধ্যে সবার ছোট নাসিমা তাঁর সঙ্গেই থাকতেন। হরতালে আগুনে দগ্ধদের মধ্যে অনেকেই এখন বার্ন ইউনিটে মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষকে হারিয়ে অনেক পরিবারই এখন পথে বসেছে।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.