আশরাফুজ্জামান-মুঈনুদ্দীনের ফাঁসি

Bodor netaউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক: একাত্তরের দুই ‘বদর নেতা’ আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলার ফাঁসির রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

তাদের বিরুদ্ধে আনা ১১টি অভিযোগের সবকটিতেই তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল-২ এর প্রধান বিচারক বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ‘আমৃত্যু ফাঁসিতে ঝুলিয়ে’ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার রায় দিয়েছেন।

এর আগে ১৫৪ পৃষ্ঠার রায়ের রায়ের ৪১ সংক্ষিপ্তসারের প্রথম অংশ পড়া শুরু করেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম। অপর বিচারক মো. মুজিবুর রহমান মিয়া দ্বিতীয় অংশ পড়বেন। সবশেষে ট্রাইব্যুনাল প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সাজা ঘোষণা করবেন।

সকাল ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রায় ঘোষণা শুরু।

সূচনা বক্তব্যে বিচারপতি ওবায়েদুল হাসান বলেন, “এ মামলার দুই আসামি পলাতক। রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী প্রসিকিউশন ও অ্যাটর্নি জেনরারেলকে রায়ের সোর্টিফায়েড কপি দেয়া হবে। আসামিপক্ষ রায়ের কপি চাইলে আগে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে।”

বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে একাত্তরে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নীলনকশা তৈরি ও তা বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে এই দুই আলবদর নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধে সময় তারা দুজনেই ওই সময়ের জামায়াতে ইসলামীর তখনকার সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ‘সক্রিয় অবস্থান’ নেন।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত’ আলবদর বাহিনীর ‘চিফ এক্সিকিউটর’ ছিলেন আশরাফুজ্জামান খান। চৌধুরী মুঈনুদ্দীন ছিলেন ‘অপারেশন ইনচার্জ’।
রায়কে ঘিরে সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও আশেপাশের এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.