এই সমাজের সবার কাছে প্রশ্ন

Bokhtiar 2উইমেন চ্যাপ্টার: এ লেভেল এর ছাত্র বখতিয়ারের খুনি ডাকাত দলকে ধরতে পেরেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গোয়েন্দা পুলিশের কমিশনার মনিরুল ইসলাম আজ এক সংবাদ সম্মেলন করে জানান, এই ডাকাতির পরিকল্পনাকারী কানা সাত্তার একজন পেশাদার ডাকাত। পুলিশ জানিয়েছে, মাত্র ছয় মাস আগে জামিনে বের হয়েই নতুন এই ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিল সে।

এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বখতিয়ারের ফুপি শারমীন রিনভী  (নিউজ এডিটর, বাংলাভিশন) প্রশ্ন করেছেন, তাহলে দাঁড়ালো কি? ডিবি দিনরাত পরিশ্রম করে এদের ধরলো, তাদের দায়িত্ব পালন করলো। কিন্তু কিছুদিন পরই এরা জামিনে ছাড়া পেয়ে যাবে, নতুন করে আবার ডাকাতি করতে গিয়ে আরেক মায়ের বুক খালি করবে। আরেক পরিবার ধ্বংস করবে।

আর এই মামলা বছরের পর বছর চলতেই থাকবে। কিন্তু যে বাবা তার বাচ্চা হারালো, যে মায়ের কোল খালি হলো, তারা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তাদের সঙ্গী হবে ভয়াবহ কষ্ট আর দুর্বিষহ স্মৃতি। এই হচ্ছে আমাদের নিয়তি।
এক্ষেত্রে আমার একটা প্রশ্ন, এসব খুনীদের বেঁচে থাকা কি মানবাধিকারের পর্যায়ে পড়ে? ইরানে যে খুনের শাস্তি খুন, কতল করা, তাই কি সমীচীন নয়?

গত ১২ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে রাজধানীর উত্তর যাত্রাবাড়ীতে বাসায় ঢুকে এ লেভেল পড়ুয়া বখতিয়ারকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত ছাত্রের বাবা জাহিদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ খুনের অপরাধে মামলা করেন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে এই হত্যার বিচার চেয়ে রাস্তায় নেমে আসেন  বাবা জাহিদ আল লতিফ ও মা শামসুন নাহার ফেরদৌসী। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় বখতিয়ারের বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজন।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.