প্রয়োজনে সেনা চাইবে নির্বাচন কমিশন

0

pmউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক: দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলেও নির্বাচনের সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের আয়োজনের বিভিন্ন দিকে নিয়ে সম্পুরক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

প্রশ্নটি করেন আওয়ামী লিগের সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজী। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের সময় নির্বাচনের যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যখন যেভাবে চাহিদা দেয়, সে অনুযায়ী সরকার দ্রুত মোতায়েনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

যদিও ২০০৯ সালে সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে শৃঙ্খলাবাহিনীর সংজ্ঞা থেকে সেনাবাহিনীকে বাদ দেয়া হয়।

এদিকে, নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, প্রয়োজনে দশম সাধারণ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী চাওয়া হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “নির্বাচনের সময় প্রার্থী ও দলগুলো যাতে আচরণবিধি মেনে চলে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে।”

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত করা হলে বর্তমান মহাজোট সরকারের অধীনেই আগামী ২৪ জানুয়ারির মধ্যে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদিও বিএনপি শুরু থেকেই এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে। তাদের দাবি, নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে। অন্যথায় দলটি নির্বাচন বয়কট করবে এবং যেকোন একক নির্বাচন প্রতিহত করবে।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে সরকারের ‘আজ্ঞাবহ’ বলে অভিযোগ করে দলটির দাবি এই কমিশনের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারেনা।

তবে বিরোধীদলের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন কমিশন বর্তমান সরকারের মেয়াদে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।”

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লেখাটি ৫ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.