“যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকর হবেই”

pmউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক: রায় কার্যকর করে যুদ্ধাপরাধীর বিচার কাজ সম্পন্ন করতে আরেকবার সুযোগ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “আগামীবার নির্বাচনে বিজয়ী হলে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার করব। বিরোধীদলীয় নেত্রী যতই তাদের বাঁচাতে চেষ্টা করেন না কেন, যে কোন মূল্যে এ বিচার বাস্তবায়ন করা হবে।”

শনিবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ভারত থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুত সঞ্চালন উপকেন্দ্র উদ্বোধনের পরে স্থানীয় এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাঁচাতে চেয়েছিলেন, পারেননি। যুদ্ধাপরাধীদেরও বাঁচাতে পারবেন না।”

ইতিমধ্যে ট্রাব্যুনালে ঘোষিত রায়গুলোর চুড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়ার পর বাস্তবায়ন করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

“যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায় বাংলার মাটিতে কার্যকর হবেই”

বিএনপি নেতা খালেদা জিয়াকে মিথ্যা বলায় ওস্তার আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উনি তো মিথ্যে বলায় ওস্তাদ। উনি বলেছেন হেফাজতের সমাবেশে নাকি হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা যখন মৃতদের তালিকা চাইলাম তখন তিনি দিতে পারলেন না।”

তাই তিনি সকলকে বিএনপি-জামায়াতের কথায় ‘বিভ্রান্ত’ না হওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেত্রীর দুই ছেলের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন।

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে নৌকাকে জয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে, কারণ আওয়ামী লীগ থাকলে মানুষ শান্তিতে থাকে। মানুষ খেয়েপড়ে বাঁচতে পারে।

জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহাবুব-উল-আলম হানিফ।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ প্রকল্পসহ কৃষ্টিয়া জেলা সার্ভার স্টেশন ভবন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, ভেড়ামারা থানা ভবন, কুষ্টিয়া কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার উদ্বোধন করেন।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.