মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে এক হওয়ার আহ্বান

conventionউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক হামলা, সন্ত্রাস, মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে “বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও” আন্দোলনের জাতীয় কনভেনশন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলছে।

নির্ধারিত সময় আজ ৫ অক্টোবর সকাল ১০ টায় কনভেনশনের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে অংশ নেয় শত শত মানুষ। নেতারা স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তিকে রুখে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের উপাধিনায়ক এ কে খন্দকার, মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি গোলাম রব্বানী, শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, সাংষ্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসিরুদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, মহিলা পরিষদের চেয়ারম্যান আয়েশা খানম এবং পোশাক শ্রমিক নেত্রী নাজমা খানমসহ আরও অনেকে।

নিজ বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এ কে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তিকে আবার এক হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এদের দমনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল মানুষকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

মহিলা পরিষদের চেয়ারম্যান আয়েশা খানম মৌলবাদী শক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে বাধা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিলো একটি স্বাধীন বাংলাদেশ যেখানে কোন উগ্রবাদ থাকবেনা সকল ধর্মের সহাবস্থান থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাস্তবায়নে সকল আপশক্তিকে রুখে দেয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

এর আগে কনভেনশনের ঘোষণাপত্রে সুলতানা বলেছিলেন, ৪২ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাস্তবায়ন হয়নি। তাই এখন সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেতনার বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও আন্দোলনের পাঁচদফা দাবির পক্ষে জনমত গঠন করতে এই কনভেনশনের আয়োজন করা হয়।

পাঁচ দফার দাবিগুলো হলো, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ, যুদ্ধাপরাধের বিচার ত্বরান্বিত করা, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ ও আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নেয়া ও মুক্তচিন্তার পথ খোলা রাখা, তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর পাঁয়তারা প্রতিহত এবং নারীর অধিকার সমুন্বত রাখা।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.