হরতালের বিরুদ্ধে আইন করতে যাচ্ছে সরকার

Hartal 1উইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক: গত পাঁচ বছরে ব্যাপক জ্বালাও-পোড়াও, ক্ষয়ক্ষতির পর ক্ষমতার শেষসময়ে এসে হরতালের বিরুদ্ধে কঠোর হতে যাচ্ছে সরকার। হরতালে সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও হরতাল আহ্বানকারী দলের প্রধানকে ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় নিয়ে বিচারের বিধান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের ১৯তম অধিবেশনে বিলটি পাসের সুপারিশ করে প্রতিবেদন আকারে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ সক্রান্ত  কমিটি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া কর্মসূচি জনস্বার্থমুখী করার লক্ষ্যেই এ বিল আনা হয়েছে। হরতালে সহিংসতা ঘটলে হরতাল আহ্বানকারী দলের প্রধান ও সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিকে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত করা যাবে। এই বিধান রেখে ‘জনস্বার্থ বিল, ২০১০’ চূড়ান্ত করেছে বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি।

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক ২০১০ সালে জনস্বার্থ বিল, ২০১০  বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, এই আইন অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির কারণে জনগণের স্বাধীনতা বিঘ্নিত হলে সেই দলের প্রধানসহ সর্বোচ্চ কমিটির বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। নাগরিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলায় একটি করে ‘জনস্বার্থ সংরক্ষণ আদালত’ থাকবে। এই আদালত নাগরিকের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টির অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিতে পারবেন।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.