ধর্মীয় সংস্কৃতি বনাম বাঙালি সংস্কৃতি: কোথায় দাঁড়িয়ে আমরা?

সারওয়ার-ই আলম:

বাঙালি মুসলমান সমাজ ঐতিহাসিকভাবেই উদারনৈতিক সংস্কৃতি চর্চায় বিশ্বাসী। তাঁরা একদিকে যেমন যথাযথ ভাব-গাম্ভীর্যের সঙ্গে ইসলামি অনুশাসন পালন করেন, অন্যদিকে ইসলাম ধর্ম অনুমোদন করে না এমন বাঙালি সংস্কৃতির রীতি-নীতিও শ্রদ্ধা ও ভালবাসার সঙ্গে পালন করেন। এ নিয়ে বিরোধকে তারা প্রশ্রয় দেননি। ধর্ম পালনে তারা মুসলমান হলেও অত্যন্ত সচেতনভাবে জাতিগত চেতনায় তারা বাঙালি থাকেন। বাঙালি সংস্কৃতিকে সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে তুলে ধরেন। ধর্মীয় সংস্কৃতির সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতির সম্পর্ক এই ভূখণ্ডে বন্ধুর মতন। তাদের হাত ধরাধরি করে চলার গৌরবান্বিত ইতিহাস বঙ্গদেশের গৌরব ও গর্বের ঐতিহ্যের প্রমাণই বহন করে।

সামাজিক ইতিহাসের পর্যালোচনায় আমরা দেখি বাঙালি মুসলমান একদিকে যেমন মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ছেন, অন্যদিকে সিনেমা হলে গিয়ে নাচে-গানে ভরপুর সিনেমা দেখে বিনোদিত হচ্ছেন। টেলিভিশন আসার আগে সিনেমা ছিল দেশের গণমানুষের সুস্থ বিনোদনের অন্যতম অবলম্বন। পরিবারের নারী-পুরুষ দল বেধে সিনেমায় যেতো আনন্দ উপভোগের জন্য। ইসলাম সিনেমাকে অনুমোদন না করলেও মুসলমান সমাজের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে চলচ্চিত্র শিল্প বিস্তার লাভ করেছে, এফডিসি নির্মিত হয়েছে এবং লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চলচ্চিত্র শিল্পের ওপর নির্ভর করে এখনো জীবিকা নির্বাহ করছেন।

রমজান মাসে বাঙালি মুসলমান একদিকে যেমন রোজা রাখছেন, অন্যদিকে রেডিও-টেলিভিশনে গান শুনছেন, ঘরে ঘরে একসঙ্গে বসে নারী-পুরুষ অভিনীত নাটক, ছবি দেখছেন। অথচ ইসলাম কিন্তু গান ও নাটক অনুমোদন করে না। মুসলমান সমাজের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে দেশে প্রায় শতাধিক টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো না, এবং এই পেশার ওপর ভিত্তি করে লাখ মানুষের জীবিকা নির্বাহ করাও সম্ভব হতো না।

বাঙালি মুসলমান মহাসমারোহে ধর্মীয় উৎসব ঈদ উদযাপন করেন, আবার একইভাবে দলবেঁধে একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে ও ২৬শে মার্চে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অথচ ইসলাম কিন্তু কবরে ফুল দেয়া, অথবা মূর্তি কিংবা মূর্তির আদলে নির্মিত কোনকিছুকে পূজার ন্যায় সম্মান প্রদর্শনকে শরীয়তের পরিপন্থী হিসেবেই সনাক্ত করে।

বাঙালি মুসলমান খাবার নির্বাচনে খুব শক্তভাবে হারাম-হালাল মেনে চলেন, কিন্তু যুগ যুগ ধরে তারা সোনালি, জনতা, রুপালি, কৃষি, অগ্রণী ব্যাংকের মত সুদের ব্যংকেই যাবতীয় লেনদেন পরিচালনা করে আসছেন। অথচ ইসলাম সুদকে হারাম হিসেবে চিহ্নিত করে। পুরো রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থাই পরিচালিত হচ্ছে এসব সুদ ব্যাংকের ওপর ভিত্তি করে।

বাঙালি মুসলমানদের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহশিক্ষায় অভ্যস্ত এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ একসঙ্গে কাজ করেন। অথচ হাল আমলে মওলানাদের বয়ান থেকে জানা যায় ইসলাম নারী-পুরুষের সহশিক্ষা ও সহকর্ম অনুমোদন করেনা।

শুধু কী সহশিক্ষা! জন্মদিন, গায়েহলুদ, বিয়ে ও অন্যান্য সামাজিক উৎসবে মুসলমান নারী-পুরুষ গায়ে রং মেখে, বর্ণিল পাঞ্জাবী ও শাড়ী পরে, নেচে গেয়ে উৎসবগুলোকে আনন্দমুখর করে তোলে। ইসলাম এসব আচারকে অনুমোদন না করলেও বাঙালি মুসলমান সমাজ আনন্দ উপভোগের জন্য, উৎসবগুলোকে আনন্দময় করার জন্য এসব আয়োজনের আশ্রয় নেয়। সেখানে না নারীরা হিজাব পরেন, না বেগানা পুরুষের সঙ্গে মেশার ব্যাপারে যে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা আছে তা অনুসরণ করেন। এছাড়া জন্মদিন, বিয়ে, ইফতার মাহফিল ও অন্যান্য পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে দেশে-বিদেশে বাঙালি নারী-পুরুষ সেজেগুজে একই আসরে বসে আনন্দ উপভোগ করেন। এখানে তারা যতটা না মুসলমান সংস্কৃতির অনুসরণ করেন, তার চেয়ে বেশি অনুসরণ করেন বাঙালি সংস্কৃতির। এই সাংস্কৃতিক উদারতাই বাঙালি মুসলমানের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। সাংস্কৃতিক অনুশাসনে তারা গোঁড়া নন, উদার। আর এই উদারতাই ধর্মের চৌহদ্দি অতিক্রম করে নির্মাণ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতিগত ঐতিহ্যের উজ্জ্বল স্মারক।

বলা হয়ে থাকে ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম, অথচ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে সভা-সমাবেশ, মিছিল পরিচালনা করে থাকে। গত পঞ্চাশ বছরে আমরা দু’জন নারী প্রধানমন্ত্রী ও একজন নারী স্পিকার পেয়েছি। দেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রধান নেতাও নারী।

ইতিহাস পর্যালাচনায় দেখা যায়, আমরা যে হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যের কথা বলি এটি মূলত সকল ধর্মের ধর্মীয় সম্প্রীতির এক সমুজ্জ্বল সহাবস্থান। বঙ্গদেশে প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছে এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা, অন্য ধর্ম ও মত প্রকাশে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহিষ্ণুতায় নির্মিত হয়েছে সম্প্রীতির এক অনন্য সাধারণ দৃষ্টান্ত। বঙ্গদেশে সকল ধর্মের লোকেরা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে বিপুল আনন্দ উৎসবের সঙ্গে নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে। এসব অনুষ্ঠানে ভিন্ন ধর্মের লোকজনও আমন্ত্রিত হন এবং অনুষ্ঠানে সামিল হয়ে অনুষ্ঠানকে ধর্মীয় চেতনার উর্ধ্বে উত্তরণ ঘটান। এটাই ধর্মীয় সংস্কৃতির বিপরীতে বাঙালি সংস্কৃতি সবচেয়ে বড় শক্তি ও সৌন্দর্য। আর এই সৌন্দর্য নির্মিত হয়েছে হাজার বছর ধরে।

দেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামি ফাউন্ডেশন যেভাবে নির্মিত হয়েছে ঠিক একইভাবে জেলায় জেলায় নির্মিত হয়েছে শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, নাট্য মঞ্চ ইত্যাদি।

অর্থাৎ বাঙালি ধর্মীয় সংস্কৃতিকে লালন করেও জাতিগত সংস্কৃতিকে সবসময় উর্ধ্বে তুলে ধরেছে, এর চর্চা ও বিকাশ অক্ষত রেখেছে এবং এর মর্যাদা ক্ষুন্ন হোক এমন কোন বিতর্ক বা জটিলতা তৈরী করেনি। রাষ্ট্র যতটুকু সম্ভব সে চর্চা ও বিকাশে নিরংকুশ সহযোগিতা প্রদান করেছে। রাষ্ট্র প্রধানগণ ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ঈদে যেভাবে ঈদের জামাতে যান, কুশল বিনিময় করেন ঠিক তেমনি পূজা মণ্ডপে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি রাষ্ট্রীয় সমর্থন পুণর্ব্যক্ত করেন এবং নিজেরাও আনন্দ উপভোগে সামিল হয়ে অনুপ্রেরনা যোগান। খবরের কাগজগুলো ঈদে, পূজায়, বড়দিনে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে এবং টেলিভিশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এটাই আবহমান কালের বাংলাদেশ। ধর্মীয় সম্প্রীতির এই বন্ধন দেখে দেখে আমরা বড় হয়েছি। কখনো কোন চ্যালেঞ্জ অনুভব করিনি। বাঙালি সংস্কৃতিকে কখনো বাঙালির জাতিসত্তার সঙ্গে বিরোধপূর্ণ মনে হয়নি।

কিন্তু হাল আমলে দেখা যায়, এক শ্রেণীর মাওলানারা ওয়াজ মাহফিলে আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বিষোদগার ছড়াচ্ছেন। যেহেতু বাঙালি মুসলমান ধর্মপ্রাণ, তাই তারা ধর্মকে ব্যবহার করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে। মাওলানাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ইসলামের নামে পরিচালিত কিছু সংগঠনও। এর মধ্যে হেফাজতে ইসলাম, ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন অন্যতম। এসব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একের পর এক আঘাত করে চলেছেন নারী শিক্ষাকে, নারী নেতৃত্বকে, আমাদের শহীদ মিনারকে, স্মৃতি সৌধকে, ভাস্কর্য নির্মাণকে, নাটক, সিনেমা তথা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে। প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক তারা আসলে কেন এই পন্থা অবলম্বন করেছেন। এর উত্তর খুব সহজ। এরা আসলে বাংলাদেশকে একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চান; যে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক। এটা মূলত একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র। বিদেশী শক্তির মদদে তারা জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িক সংঘাতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দুর্বল করে দিতে চায়। নানা রকম মনগড়া ফতোয়া দিয়ে মুসলমানদের জাতীয় সংস্কৃতির প্রেম নস্যাৎ করতে চায়। আর এভাবে একটা পর্যায়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে রূপান্তরিত করতে চায় ইসলামী প্রজাতন্ত্রে।

দু:খজনক হলেও সত্য যে গত পঞ্চাশ বছরে মৌলবাদী প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি মাদ্রাসা, মসজিদ, এতিমখানা, ব্যাংক, শিল্প কারখানা , শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে যতটা শক্তিশালী হয়েছে, প্রগতিশীল শক্তি ঠিক ততটাই যেন দুর্বল হয়েছে। প্রগতিপন্থীরা আজ বহুধাবিভক্ত। আর মৌলবাদীরা সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ। ফলে তারা হাজার হাজার ভক্ত-অনুসারীর সমাবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য বুড়ীগঙ্গায় ফেলে দেয়ার ঘোষণা দেয়ার ঔদ্ধত্য দেখাতে পারে কিন্তু রাষ্ট্রের কিছুই করার থাকেনা। তারা আমাদের কন্যা সন্তানদেরকে চতুর্থ শ্রেণীর পর স্কুলে না পাঠাতে ফতোয়া জারি করতে পারে, গার্মেণ্টসে নারীরা জেনা করতে যায় বলে মন্তব্য করতে পারে, নারীকে তেঁতুলের সঙ্গে তুলনা করতে পারে অথচ রাষ্ট্র এসব ফতোয়াবাজদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিতে পারেনা। বরং কখনো দেখা যায় সরকার প্রধান তাদের প্রতি সমীহ প্রদর্শন করছেন এবং তাদের কাছ থেকে কওমী জননী উপাধি নিয়ে ধন্য হচ্ছেন।

সারওয়ার-ই আলম

এটা বিরাট অশনি সংকেত। ভয়াবহ পরাজয়। আমরা নিশ্চয় কিছুতেই বাঙালি সংস্কৃতিকে ইসলামী সংস্কৃতির সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ অবস্থায় ঠেলে দিতে চাই না। আমরা চাই সকল ধর্মের মানুষ নির্ভয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় সংস্কৃতি পালন করুক, একইসংগে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে বাংলা নববর্ষ, পহেলা বৈশাখ , বৈশাখী মেলা, বসন্ত বরণ, নবান্নের উৎসব, পৌষ মেলা, ভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসের মতো সর্বজনীন জাতীয় উৎসব উদযাপন করুক। একটি অবিভক্ত জাতির জন্য এটা খুবই জরুরী। তাই , যারা ওয়াজ মাহফিল ও ফতোয়ার নামে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ফতোয়া প্রদান করে জাতিকে বিভক্ত করে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র করছেন তাদের কে প্রতিহত করতে একসঙ্গে রাষ্ট্রকে ও সচেতন নাগরিকদেরকে আজ এগিয়ে আসতে হবে। সংবিধানকে সমুন্নত করার স্বার্থে বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ফতোয়া ও ধর্মের অপব্যাখ্যা নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে এবং অবমাননাকারীদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এতে ধর্মের নামে সমাজে বিষবাস্প ছড়ানো বন্ধ হবে। তবে এখানে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে যে যারা শান্তিপূর্ণ উপায়ে ধর্ম চর্চা করেন বিষয়টা যাতে কোনভাবেই তাদের জন্য প্রতিবন্ধক না হয়ে দাঁড়ায়। কারণ আমাদের সংবিধান নাগরিকদেরকে নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে ধর্ম পালনের অধিকারও নিশ্চিত করেছে। ধর্ম পালন ও ধর্মের অপব্যাখার মাধ্যমে সমাজ দেহে ঘৃণা ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা, সমাজে অস্থিরতা তৈরী করা, জাতিকে বিভক্ত করা নিশ্চয় এক কথা নয়।

একইসঙ্গে মৌলবাদীদেরকে রুখে দেওয়ার জন্য মুক্ত চিন্তায় উজ্জ্বিবীত নাগরিকদেরকেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে । দেশে জেলায় জেলায় এবং প্রবাসে বাঙালি অধ্যুষিত শহরে মুক্তচিন্তা পরিষদ নামে প্রগতিশীলদের নির্দলীয় সংগঠন গঠন করতে হবে। যে সংগঠনের কাজ হবে মুক্ত চিন্তার চর্চা ও বিকাশ নিশ্চিত করা, বিজ্ঞানমনস্ক প্রগতিবাদী নাগরিকদেরকে সাহস দেখানো এবং তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করা যাতে করে ধর্মান্ধ উগ্রবাদী ফতোয়াবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন পরিচালনা করা সহজ হয়। তা না হলে দেশে ও প্রবাসে উগ্র মৌলবাদী শক্তির কাছে প্রগতিশীল শক্তির মার খাওয়ার যথেষ্ট আশংকা রয়েছে।

লন্ডন
২১ এপ্রিল ২০২২

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.