আমার মন ও প্রাণ জুড়ে একজন নারীর বসবাস

মৃত্তিকা রেই:

আমি নারী। নারীত্ব আমার অনুভূতি। আমি নারী হতে চাইনি, পুরুষ হতেও চাইনি। কিন্তু একদল লোক বললো তোমার এই চাওয়াটা নারীত্বের চিহ্ন বহন করে। কিছু লোক বললো এটা মেয়েদের খেলা, এটা ছেলেদের খেলা, এটা মেয়েদের জামা। আমি আমার মনের মধ্যে সেই ছোট্টটি ছিলাম, এখনও সেই ছোট্টটিই আছি। আমি মানুষের তৈরিকৃত নাম মানুষ ঠিক আছে, কিন্তু আমি কখনই পুরুষ মানুষ হতে চাইনি। লোকে যাদের পুরুষ বললো, আর যাদের নারী বললো, আমি দুটোর একটাও হতে চাইনি। আমি আমার মতোই হতে চেয়েছি। ঠিক আমার অনুভূতি যেমন, আমার ভালো লাগা যেমন, আমার আনন্দ বা দুঃখ যেমন, আমার রুচি যেমন, আমার বোধোদয় যেমন, আমি ঠিক সেরকমটাই। তবুও কিছু লোক বললো, বই পুস্তকের ভাষা বললো, তোমার ভেতরে এই আমিত্বের অনুভূতি, সেটা একজন নারীত্বের চিহ্ন বহন করে‌। তাই আমি জন্মগত বা শারীরিকভাবে পুরুষ লিঙ্গ নিয়ে জন্মালেও আমি নারী হয়ে উঠলাম‌। আমি নারী হয়ে উঠলাম, আমার মনে, আমার শরীরের অনুভূতিতে, চিন্তা ধারায়।

আমি মা হতে চাই, গর্ভধারণের স্বাদ অনুভব করতে চাই, এটাই কি আমার অপরাধ? লোকে আবার এটাও বলে শুধুমাত্র গর্ভধারণ নারীত্বের চিহ্ন বহন করে না। কিন্তু ভাই, আমি যে মাতৃত্বের স্বাদ অনুভব করতে চাই, এই চাওয়া কি আমার অপরাধ? এটা নিয়ে আমি দুঃখ পাই, কষ্ট পাই।

আমি যখন কাঁদি, কোন বিষয় নিয়ে আমার মন খারাপ থাকে, লোকে তখন সেটাকে বলে দুঃখবিলাস।

বল ভাই! আমার চোখ থেকে যখন অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, তা কীভাবে দুঃখবিলাস হয়? ছোটবেলায় অনেক মার খেয়েছি, ঠিক চোরকে যেমন পেটায়, ডাকাতকে যেমন পেটায়, সেরকম অনেক আঘাত সহ্য করেছি, বছরের পর বছর ধর্ষণের শিকার হয়েছি। আমার কষ্ট এবং দুঃখটা তার চেয়েও বেশি কঠিন, কষ্টদায়ক, বেদনার। বলো ভাই, বলো! এও কি আমার দুঃখ বিলাস?

মাঝে মাঝে হঠাৎ গভীর রাতে মা ডাক শুনে আমার ঘুম ভেঙে যায়, উঠে দেখি কেউ নেই। উঠে গিয়ে একটু বারান্দায় উঁকি মেরে দেখতাম। চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরে কষ্ট হতো, মনে হতো, আমার সন্তান কোথায় যেন আটকে আছে। আমার কাছে আসতে পারছে না। কষ্টে আমার বুকটা ফেটে যেতো। বল ভাই বল! এও কি আমার দুঃখ বিলাস? একটা মেয়ের যখন পিরিওড কষ্ট শুরু হয়, আমিও চাই একইরকম কষ্ট অনুভব করতে। জানিস! দোকানে কিনতে পাওয়া যায়, আমি ওরকম কিছু স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনে অন্তর্বাসে পড়ে থাকি। তুই কি বলবি, এটা আমার একটা খামখেয়ালিপনা বা মানসিক সমস্যা? বল ভাই বল! মাতৃত্বের গর্ভধারণের কষ্ট, পিরিয়ডের রক্ত ঝরা যন্ত্রণার কষ্ট, আমি খুব একান্তভাবে অনুভব করতে চাই। গর্ভধারণ করতে চাই। যখন সমাজের কিছু লোক আমার দিকে আঙ্গুল তুললো, বললো তুমি নারী নও, তুমি হিজরা। তুমি বেশ্যা। তুমি মেয়েলি পুরুষ, তুমি নারী কীভাবে হও? তোমার তো পুরুষাঙ্গ আছে। অনেক শিক্ষিতরা বলেন, তোমার তো মেয়েদের মতো ইউটেরাস নেই। শরীর আর মনের দ্বন্দ্বে কতবার যে আমার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলতে চেয়েছি, কতবার যে গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলে পড়তে চেয়েছি, কত রাত যে না ঘুমিয়ে পার হয়ে গেছে। ভাই, এগুলোও কি তোর কাছে দুঃখ বিলাস? মানসিক সমস্যা? একদম বাচ্চা বয়সে যখন নিজেকে মেয়ে অনুভব করতাম, কখনও তো নিজের মনের আয়নায় হিজড়া হিসেবে দেখিনি, তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে দেখিনি। নিজেকে ছোট্ট একটা মেয়েই অনুভব করেছি। আমি আমার মনের আয়নায় নিজেকে কখনোই ট্রান্সজেন্ডার হিসেবেও দেখিনি। কখনো কল্পনাও করিনি, অনুভব অনুভূতিটা আসেনি। যতই বড় হচ্ছিলাম নিজেকে একজন নারী রূপে দেখতে পেয়েছি। যখন প্রাপ্তবয়স্ক হলাম, নিজেকে একজন নারী অনুভব হবার পাশাপাশি, কেবলই অবচেতন মনে খুব বেশি মা ডাক শুনতে পেতাম।

আমার যখন ফুটবল ক্রিকেটের চেয়ে, পুতুল খেলা, বউছি, হাড়ি পাতিল খেলা ভালো লাগতো, কই? তখন কি এসব কেউ শিখিয়ে দিয়েছিল? এটা খেলিস না ওটা করিস না! কিন্তু আমার কেন তাহলে ওসব খেলায় ভালো লাগতো? আমার ছোট থেকে কেন মেয়েদের সাথে মিশতে ভালো লাগতো? তাদের জামাকাপড়গুলো পডরতে ইচ্ছা করতো। কেন এতো দুরন্তপনা সত্ত্বেও মেয়ে হয়ে থাকতে ভালো লাগতো। মেয়েদের সঙ্গ ভালো লাগতো।

আমি বহুবার যখন এসব কিছু কাউকে বলতে না পারতাম, তখন মন থেকেই হিজড়াদের সাথে চলে যেতে চাইতাম। ভাবতাম, ওরা আমার খুব কাছের আপন। অনেক ছেলে আমায় দেখলে হাসাহাসি করে, অনেক মেয়ে আমায় দেখলে হাসে, টিটকারি করে, অনেকেই কাছে আসতে চায় না। ভালো করে কথা বলতে চায় না। অনেকেই আবার মুখ ঘুরিয়ে ফেলে। বল ভাই, কী দোষ করেছি আমি? তোরা অনেকেই বলিস আমার ভাবনাটা পাপ। আমার ক্রসড্রেসিং করা পাপ। তাহলে আমার পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরন লেভেল কেন কম ধরা পড়লো? আমার ভেতরে কৃত্রিম পুরুষ হরমোন প্রয়োগের পরও কেন আবার তা কমে যায়। তাহলে কোন অদৃশ্য ক্ষমতা আমার এসবের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। একজন মানুষের শরীরে পুরুষ হরমোন বেশি থাকলে, সে পুরুষ নয়। একজন মানুষের শরীরে মেয়েলি হরমোন অর্থাৎ ইস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন বেশি থাকলে সে নারী নয়। যে ভেতর থেকেই নারী, সেই নারী হয়ে ওঠে। মাতৃত্ব ধারণ করে মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণ করতে চায়, পিরিয়ডের যন্ত্রণা অনুভব করতে চায়।

বল সমাজ! কী দোষ করেছি তোদের কাছে? আমি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। আমি বাসা থেকে প্রথম যখন আলাদা হলাম, তৃতীয় দিনের মাথায় এক আপার কাছ থেকে নাক কান ফোঁড়ানোয় আমার রক্তাক্ত হতে হলো। আমাকে এক বাড়িওয়ালা মাতাল হয়ে বেশ্যা, রেন্ডি, হিজড়া বলে তিনদিন রুমের দরজা বন্ধ করে আমায় শারীরিক অত্যাচার করলো। বল সমাজ! আমার নাক কান ফোঁড়ানোয় কি অন্যায় হয়েছে তোদের সাথে? কেন আমায় হিজড়াপল্লীতে গিয়েই আশ্রয় নিতে হলো? কেন যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বাসা ভাড়া নিতে পারছিলাম না, কাজও পাচ্ছিলাম না।

বল ভাই, নারী-পুরুষের সমতার জন্য অনেক আন্দোলন, অনেক লড়াই, অনেক লেখালেখি, অনেক প্রতিবাদ হয়। আমাদের কথা ক’জন বলেন? আমাদের সমতা কোথায়? কেন ধর্ষণের শিকার হলে অভিযোগ দেয়া যায় না? কেনো ধর্ষণের বদলে আমাদের জন্য বলাৎকার শব্দটি ব্যবহার করা হয়? কেন মাঝেমাঝেই আমার তিনবেলা পেট পুরে খাবার জুটতো না? অনেক কষ্টে কোথাও কাজ পেলেও, কেন নারী পুরুষের মতো সমান পরিশ্রম করেও, সমান অর্থের ভাগ বা টাকা পেতাম না? বল সমাজ, কেন আমায় মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত করলি? কেন পরিবার থেকে আলাদা হতে বাধ্য করলি? আমার কী ইচ্ছে করে না মায়ের কাছে ঘুমাতে? মায়ের আদর, পারিবারিক বন্ধন, কেন নারী পায়? একজন পুরুষ পায়? আমাদের কেন পর করে দেয়া হয়?

আমার বাবা ছোটবেলায় গল্প শোনাতেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধের সময় ভাত নিয়ে দিতেন, টিফিন ক্যারিয়ারে করে। তখন বাবা খুব ছোট ছিলেন, হাফপ্যান্ট পড়ে ঘুরে বেড়াতেন। সে হিসেবে আমার বাবা কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিন্তু বাবা কখনোই মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট দাবি করেননি। তিনি সুন্দর একটি দেশ চেয়েছিলেন। চেয়েছিলেন গরীব অসহায়দের মুখে হাসি দেখতে। বাবা আজ নেই। বাবা সাব-ইন্সপেক্টর ছিলেন। তিনি কর্তব্যরত অবস্থায় দেশের জন্য তার নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। আমাদের সেই সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে বাবার নামে।

যিনি ছোটবেলায় কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন। দেশের জন্য নিজের প্রাণ উৎসর্গ করলেন। আমার সেই মৃত বাবার কাছে, বোবা সুরে জিজ্ঞেস করছি, বাবা তুমিও কি আমায় ফিরিয়ে দিতে? ঘরছাড়া করতে? যে লোকটা আমায় তিনদিন ঘরের দরজা আটকে অত্যাচার করলো, রক্তাক্ত করলো, তার বিচার কি তুমি করতে না? আমাকেও কি তুমি ঘর থেকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিতে?

বলো মা! বলো ভাই! বলো বাবা বলো! এই কি আমার অপরাধ, জন্মগত পুরুষের নারী হয়ে উঠতে চাওয়াটাই কি অপরাধ? জানো বাবা, আমি তিনবেলা খেতে পাইনি। বাধ্য হয়ে পেটের দায়ে যৌনকর্মী হয়ে কাজ করেছি। তুমি কি আমার জন্য খাবার কিনে নিয়ে আসতে না? সমাজে একজন পুরুষকে পুরুষ বলে। নারী হলে তাকে নারী বলে, আপা বলে, স্যার বলে, ম্যাডাম বলে। আমাদের দেখলে বখাটেরা শিস দেয়, তালি বাজায়, হাসাহাসি করে। অনেক ছেলে ইভটিজিং করে। অনেকে আবার ধরেই নেয় হিজড়া মানে যৌনকর্মী। জানো বাবা, ওরা আমার সাথে আমাদের শেয়াল কুকুরের মত ব্যবহার করে।

তোমরা নারী-পুরুষের সমতার বড় বড় বুলি আওড়াতে ব্যস্ত। নারী-পুরুষের সমতার মান দণ্ড কীভাবে নির্ধারণ হয়, আমার জানা নেই। কিন্তু আমরা আমাদের সমতার কথা বলবো কোথায়? এসবের আমার কী মূল্য আছে, যদি না তিনবেলা পেট পুরে খাবার খেতে না পাই? আমায় তোমরা তিনবেলা পেট ভরে খেতে দাও। আমি খাবার চাই। অসুখ হলে, অসুখের টাকা চাই। আমি ও আমরা যৌন সংখ্যালঘু হয়ে বাঁচতে চাই না।

একদল বলে, নিজেকে সংখ্যালঘু মনে করো না। কেন করবো না? যখন খাবারের অভাবে, ওষুধের টাকার অভাবে, যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করতে হয়, তোমরা যারা এসব বলো, কদিন না খেয়ে থেকেছি খোঁজ নিয়েছো? একটা কাজের ব্যবস্থা করেছো? একটা কাজ দিয়েছো? একটা প্যারাসিটামল কিনে দিয়েছো? আমায় হিজড়া ট্যাগ ব্যবহার করে, যৌনকর্মী হিসেবে পরিণত করেছো, আমায় প্রগতিশীলওয়ালারা জ্ঞান দিতে এসো না। যদি মুরোদ থাকে তো একবেলা খাবার কিনে দিও। আমায় নারী-পুরুষের সমতার জ্ঞান দিতে এসো না। যদি পারো একটা কাজ জুটিয়ে দিও। আমরাও যেনো পরিশ্রম করে এর সমান মজুরি, সমান অর্থ পাই। আমাদের যদি বেশি খেটে, পরিশ্রম করে, সমান মজুরি না পাই, বৈষম্য করা হয়, অবজ্ঞা করা হয়, নাকে মুখে দড়ি দিয়ে অতিরিক্ত খাটানো হয়, এসব সমতার হিসাব কষে আমার বা আমাদের কি লাভ?

“আমরা সবাই স্বাধীনভাবে এবং সমমর্যাদা ও অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছি” – মানবাধিকারের এই বাণীটি আমার কাছে মিথ্যার মতো শোনায়।

অনেকে পুরুষের অধিকার নিয়ে কথা বলে, নারী অধিকারের কথা বলে। কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, আমাদের বৈষম্যের কথা ক’জন বলেন? আমাদের স্বাধীন ভাবে বেঁচে থাকার কথা ক’জন বলেন? আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে ক’জন ভাবেন? সংখ্যায় নেই বললেই চলে। তবুও আমাদের কি স্বাধীনভাবে চলতে, নিরাপদ ভাবে বাঁচতে ইচ্ছা করে না?

আমি নারী হতে চাইলে, নারীত্বের অনুভূতি প্রকাশ করলে, অনেকেই বলে এসব বাদ দিয়ে মানুষ হও। আমি মানুষ, ঠিকাছে, কিন্তু অবশ্যই মেয়ে মানুষ। কারণ প্রকৃতি তো আমায় শুধু মানুষ নয়, বরং মনে প্রাণে অনুভূতিতে, অস্তিত্বে, বোধোদয়ে মেয়ে মানুষই করেছে। আমি এভাবেই থাকবো। আমার এই নারী অনুভূতিকে, মানুষ অনুভূতি দ্বারা অবমূল্যায়ন করার মানে দেখি না। বরং এটা বলে তারা তাদের মনের অজান্তেই আমার “জেন্ডার ডিসফোরিয়া” বাড়িয়ে দিচ্ছেন। শারীরিক ও মানসিকভাবে জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছেন।

আমার প্রথম এবং শেষ পরিচয় আমি একজন নারী। আর হ্যাঁ আমি নারী, আমিও মানবিক হতে চাই, প্রাণবিক হতে চাই। প্রকৃতি আমার অনুভূতিতে, লৈঙ্গিক নিরপেক্ষভাবে তৈরি করেননি। আমি আমার নারীত্ববোধ নিয়েই থাকতে চাই এবং বাঁচতে চাই। আমি মেয়ে মানুষ, তাই আমারও মনুষ্যত্ববোধ রয়েছে। তাই বলে আমি শুধুমাত্র মানুষ অনুভূতি নিয়ে বাঁচতে চাই না। কারণ প্রকৃতি আমায় সেভাবে, লৈঙ্গিক নিরপেক্ষভাবে ভাবায় না। যারা নারী পুরুষের উর্ধ্বে, মানুষ পরিচয়ে বাঁচাতে চায়, মনুষ্যত্ববোধ নিয়ে বাঁচতে চায়, কই, আমি তো তাদের গিয়ে, মানুষ না ভেবে নিজেকে নারী ভাবতে বলি না। তাহলে আমি আমার নারীত্ব অনুভূতি এবং ভাবনায়, তাদের এতো বাধা আসে কেন? তারা কেন মানুষ শব্দটি দ্বারা, নারী শব্দটিকে বার বার অবমূল্যায়ন করতে আসেন? আমি তো এটা নিয়ে তর্কে জড়াই না। তাহলে কেন তারা এটা নিয়ে তর্কে জড়াতে আসেন?

একজন পুরুষ বা নারীর তার ওপর অন্যায় আচরণ হলে তার বিচার হয়। আইনের দৃষ্টিতে আমাদের সমতা কোথায়? আমাদের ট্রান্স নারীদের জন্য কি আইন সেভাবে লিপিবদ্ধ আছে? এর কার্যকারিতা কোথায়? আমাদের জন্য স্বামীর ঘর নেই। মায়ের ঘর নেই। বাবার ঘর নেই। হিজড়াপল্লী ছাড়া আমাদের যাওয়ার জায়গা কোথায়? কেন ঘর ছাড়া বেশিরভাগ ট্রান্স নারীদের যৌনকর্ম বেছে নিতে হয়? যার ভুক্তভোগী, চরম নিষ্ঠুরতার উদাহরণ আমি নিজে।

শেয়ার করুন:
  • 133
  •  
  •  
  •  
  •  
    133
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.