নারীর অপরাধের দায়মুক্তি নয়, পুরুষের অপরাধকেও সমান চোখে দেখা হোক

সালমা লুনা:

আমাদের সিনেমার পরীমণি রূপকথার পরীদের মতোই সুন্দর। এমন অপূর্ব সুন্দরী, সুন্দর দেহসৌষ্ঠবের অধিকারী নায়িকা বাংলাদেশের সিনেমা জগত হাতেগোনা কয়েকজন পেয়েছে। অল্প শিক্ষিত, সুন্দরী, উচ্চাকাঙ্খী মেয়েটির স্বপ্ন ছিল রূপালি জগতের ডানাকাটা পরী হবে। এরপর যা হবার কথা ছিল তাই হয়েছে। সে তার লক্ষ্যে পৌঁছুতে শর্টকাট বেছে নিয়েছিল।

মেয়েটি নানান পথ ঘুরে সিনেমা জগতের মাধ্যমে এমন একটি জায়গায় পৌঁছে গেছে যেখানে ঢাল হিসেবে সিনেমার নায়িকার তকমার আড়ালে পেয়েছে এক বর্ণাঢ্য জীবনের খোঁজ। দেশের তাবড় ক্ষমতাশালী পুরুষ তার সাহচর্য পাবার আশায় ব্যাকুল, তাকে পেতে অকৃপণ হাতে অর্থ বিলিয়ে দিতেও কার্পণ্য নেই কারোর।

বিনিময়ে মেয়ে পেয়েছে অভিজাত জীবনযাপনের সুযোগ।

নীতিহীন একটা সমাজের প্রডাক্ট হিসেবে মেয়েটা আর কীইবা করতে পারতো! তার যা আছে তাই সে বিনিয়োগ করেছে। এসব করেই সে মানসম্মান, আত্মগরিমা, চোখ তুলে, কাঁধ সোজা রেখে গটগটিয়ে হেঁটে যাবার মতো সাহস – সবকিছুই অর্জন করেছে।
সমাজের সেইসব উচ্চশিক্ষিত, সুরুচিবান, ধনবান, ক্ষমতাবান মানুষগুলোর সাথে চলাফেরা উঠাবসা করতে গিয়ে পরীমনি দেখেছে, কে কতটা সত্যবাদী, কত ভণ্ড, কত ধার্মিক, কত দুর্নীতিবাজ, কত ঘুষখোর, কত অশ্লীল, কতোটাই বা নারীমাংসলোভী লম্পট।
তার বাড়ির দরজা দিয়ে বেরিয়েই মুখোশ পরে কারা নিজেদের চেহারা ঢাকে।
মেয়ে দেখেছে এসব করেও ওরাই সমাজের মাথা। সবচেয়ে বড় পদ পদবী, সবচেয়ে উঁচু চেয়ার, সম্মান প্রতিপত্তি তাদেরই। মাথা উঁচু করা ভদ্রজনও তারাই।

এমন বাঘা বাঘা অপরাধীদের সাথে উঠাবসা করে পরীমণির কি রাবেয়া বসরী হবার কথা ছিল?

পরীমনি তাই মিথ্যে কথা বলা, অভিনয় করাই শিখেছে। ছলচাতুরী করা শিখেছে।

নিজের নামে মদের লাইসেন্স থাকলেও সে সাংবাদিক ডেকে, লক্ষ-কোটি মানুষের কাছে মেসেজ দিয়েছে মদ সে খায় না। কিছু লম্পট মদ তার গলায় ঢেলে দিলে তার গলা কীভাবে জ্বলে যায়, সেটা সে অনুপুঙ্খ অভিনয় করে দেখিয়েছে। মদের জন্য ক্লাবে ক্লাবে গিয়ে ভাঙচুর করার ক্যামেরা চিত্র থাকলেও সে কেঁদে-কঁকিয়ে জানিয়েছে, সে কতোটা নিষ্পাপ।
সে ওই ক্লাব চেনে না। ক্লাবে তাকে লোকজন ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে গেছে। গ্রেফতারের সময়ও লাইভে এসে মিথ্যাচার করেছে দরজা ভেঙে বাড়িতে লোক ঢুকছে। অথচ তেমন কোন কিছু দেখা যায়নি।

পরীমনি গ্রেফতার হয়েছে।

পরীমনির অপরাধ করেছে কী করেনি এই আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে পরীমণি নারী হয়ে মদ খেতে পারে কী পারে না। যার সাথে ইচ্ছে তার সাথে শুতে পারে কী পারে না।

এসব প্রাধান্য পাচ্ছে কারণ প্রশ্ন উঠেছে, এসব পুরুষরা করে, সে নারী হয়েছে বলে কেন করতে পারবে না?
আসতেই পারে এমন প্রশ্ন।
সত্যিই তো, রুচি হলে যে কেউ মদ গাঁজা সিগারেট খেতেই পারে। ভালোবেসে শুতেই পারে কারো সাথে।

কিন্তু এও তো ঠিক যে নায়িকা, মডেল, গায়িকা কবি বা যেকোন পেশাজীবী মানুষ কার সাথে শোবে, কার সাথে শুয়ে টাকা নেবে বা দেবে, কার সাথে শুয়ে গাড়ি কিংবা বাড়ি আদানপ্রদান করবে এটা অবশ্যই যেমন তাদের সিদ্ধান্ত তেমনি কেউ মন চাইলেই বা প্রয়োজন পড়লেই শুয়ে পড়ার স্বাধীনতা চাইলে সেটা সমাজ সংসারের আর কারও প্রতি অন্যায় হয় কীনা, কোন পেশার প্রতি অবিচার কীনা সেটাও ভাবতে হবে।

পেশাটা যদি ফার্মগেট, রমনা এলাকা কিংবা টানবাজারে রঙ মেখে দাঁড়িয়ে থাকা কোন নারীর পেশা হতো তাহলে কথা উঠতো না। ওইটি স্বীকৃত।

পরীমনির সাথে যারা শুয়ে টাকা বাড়ি গাড়ি দিচ্ছেন তারাও কি নিজেদের এই যৌনতা উপভোগ করাকে স্বাধীন রুচি বলে পার পেতে পারবেন!
তাদের শিক্ষিতা রুচিশীল ভদ্র-সভ্য স্ত্রীরা, তাদের প্রিয়জনরা, উন্নত শিক্ষালয়ে অধ্যয়নরত তাদের সন্তানসন্ততিরাও কি অনায়াসে বলতে পারবেন, এটা তাদের স্বাধীন জীবনাচার, তুমি কথা বলার কে হে?
যদি না পারেন তবে এই স্বাধীন যৌনাচারে ভালো রকম সমস্যা আছে।
তবে এসব ক্ষেত্রে আইনি অপরাধ হচ্ছে কীনা এসম্পর্কে আমাদের আইনে তেমন কিছুই বলা নাই, যতদূর জানি।
ফলে আপাতত পুরো বিষয়টিই ব্যক্তির শিক্ষা, রুচি, সংস্কার এবং নীতির উপর নির্ভর করে।

আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ নারীকে কী চোখে দেখে আমি একজন নারী হয়ে বেশ জানি। কাজেই পরীর পোশাক, পরীর পেশা, পরীকে গালাগালের ধরন নিয়ে তাই আর কথা না বলি। নারী ঢাকনা দেয়া মিষ্টি, খোসাওয়ালা কলা এমন মনোভাব যেমন বদল হচ্ছে না সহসাই। তেমনি নারী মানেই যৌনতার প্রধান উপাদান, নারী কেবলই একটি যৌন বস্তু এই মানসিকতারও পরিবর্তন হবার লক্ষ্মণ নেই।

যৌনতার প্রতি শতভাগ আগ্রহী কিন্তু সেটা যে সুস্থ স্বাভাবিক বিষয়, এবং সেই যৌন সম্পর্ক যাপনে যেমন অন্যের নাক গলানো শোভা পায় না তেমনি স্বাধীন যৌন সম্পর্ক স্থাপনের নামে নীতিহীন হওয়াও অনুচিত- সেটা না জানা বেশিরভাগ শিক্ষিত নারী-পুরুষকে রাতারাতি বদলে ফেলাও অসম্ভব।

তবে কি পরীমনি নারী বলেই তাকে কঠোরতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে – এই অভিযোগ মিথ্যা ?

না। অবশ্যই না।

আর এরজন্য দায়ী দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে নারীকে হেয় করার প্রচেষ্টা, তাকে পর্দার অন্তরালে রাখার চেষ্টা, আছে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ, রাজনৈতিক ক্ষমতা বলয় তৈরি করে পেশীশক্তির খেলা।

যখন দায়িত্বশীল কোন পুলিশকর্তা নারী হিসেবে পরীমনি সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর একটি উপমা ব্যবহার করেন। যখন টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক বলেন, পরীমনি চৌদ্দশিকের ভেতরে যাবেন কোনদিন ভাবেননি।
রাতের রানী, মক্ষীরানী শব্দগুলো খুব জোর দিয়ে ব্যবহার করছেন দায়িত্বশীল লোকজন, তখন বোঝা যায় জবাবদিহিতা বলে তেমন কিছু নেই। আর এই অভিযোগের সত্যতা আপনাতেই মিলে যায়।

আর এইখানেই আমাদের আলোচনার ফোকাসটা থাকা উচিত। পরীমনি যদি মক্ষিরানী, তাহলে সেই মৌমাছিরা কই?
পরীমনি যদি রাতের রানী, তাহলে রাতের রাজাও নিশ্চয়ই আছে। তারা কোথায়?

সেই প্রশ্ন যে উঠছে না, তাও নয়। কিন্তু প্রশ্নগুলো হারিয়ে যাচ্ছে প্রবল জনসম্পৃক্ততার হট্টগোলে। এই প্রশ্নগুলো যাদের তোলার কথা ছিল তারা নিজেদের স্বার্থেই এ আমার লোক নয়, ইনি মডেল নন, ইনি অভিনয় শিল্পী নন, তার অপরাধের দায় আমরা নেব না, তার সদস্যবপদ বাতিল, সে কেন এমন করলো বলে পার পেতে চাইছেন।

প্রশ্ন তবে আমরাও করি, এই গা বাঁচাতে চাওয়া প্রতিষ্ঠান সংঘ বা ব্যক্তিরা তখন কোথায় থাকেন যখন এই মেয়েগুলি এইসব অপরাধে জড়িয়ে পড়তে থাকেন? পরীমনি, পিয়াসা, মুনিয়া, পাপিয়ারা তো গর্তে বসে বা ভিনগ্রহে বসে আপনাদের মত নিষ্পাপদের ভাষায় ‘ওইসব পাপ’ কাজকর্ম করেন না। যা করার একটু আড়াল রেখে সমাজে বসেই করেন। তখন সবাই চুপ করে থাকে কেন? কাদের ভয়ে, কোন লজ্জায়?

আর পরীমনিরা যাদের টাকায় এমন জীবন যাপন করে, তারাই বা কোন যোগ্যতাবলে সমাজের গণ্যমান্য থাকে? একই কাজ করে তাদের শরীর মন, সততা, ভদ্রতা কৌমার্য্য অক্ষুণ্ণ থাকে আর পরীমনিরা হয়ে যায় অসতী, অভদ্র, বেশ্যা?

আমরা বুঝি, সবকিছু রাজনীতিকরণের এই সময়ে তাদের গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে, তাদের টাকায় খেয়ে পরে তাদের বিরুদ্ধে যাওয়া যায় না। পরীমনিকে খেয়ে দিল যারা তাদের চিনলেও গালি দেয়া যায় না।
তাদের খুশি করতেই এই চুপ থাকা। তাদের বাঁচাতেই পরীমনিকে বেশ্যা বানাতে হয়।
তাদের পারপাস সার্ভ করতেই রাতারাতি পরীমনিকে বাতিলের ঝুড়িতে ফেলতে হয়।

এইজন্যই হয়তো সাধারণ মেয়ে স্মৃতির পরীমনি হয়ে উঠার গল্পটা শেষ হয় না। আর তাই অভিযুক্ত ব্যক্তি নারী বলেই তার উপর খড়্গ নেমে আসছে কীনা এই প্রশ্ন তোলা জরুরি হয়ে যায়।
তখন প্রকৃত ঘটনার চেয়ে, প্রকৃত অপরাধ ও অপরাধীর চেয়ে মুখ্য হয়ে যায় সেই চিরকালীন ভালো নারী মন্দ নারী বিতর্ক।

পরীমনি অপরাধ করেছে কী করেনি সেটি দেখবে দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থা।

অপরাধ করলে যে কেউ আটক হতেই পারে। নারী বা পুরুষ যেই হোক মাদক ব্যবসা করলে, বাণিজ্যিক ভাবে ঘরে নিয়মিত জুয়ার আসর বসালে, ঘরে বার খুলে অবৈধভাবে আনা মদ খাওয়ানোর ব্যবসা করলে, মানববিধ্বংসী মাদকের চোরাকারবার করলে, অন্য নারীদের দিয়ে জোরপূর্বক বা ফাঁদে ফেলে দেহব্যবসা করালে সে অবশ্যই অপরাধী গণ্য হবে। আইনেও আছে তা।
সেক্ষেত্রে নারী নাকি পুরুষ এটা দেখার সুযোগ নেই।

এসব ক্ষেত্রে নারী বলে কাউকে পার পাইয়ে দেয়া যেমন অন্যায় তেমনি নারী বলেই তার অপরাধ হাইলাইট করাও আরো বড় অপরাধ হবে।
পরীমনির ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে এই শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পরীমনির কাছে মদ ছাড়াও দেশে নিষিদ্ধ ভয়াবহ মাদক পাওয়া গেছে। আর এখন জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া যাচ্ছে দেশের সৎ, চরিত্রবান, ধার্মিক, অবুঝ নাক টিপলে দুধ বের হয় এমন কিছু পুরুষদের নামধাম। যাদের পরীমনি জোর করে বস্ত্র খুলে নিয়েছেন। বাধ্য করেছেন মদ খেতে, জুয়া খেলতে, এবং কিছু শরীরচর্চা করতে। পরীমনি উচ্চশিক্ষিত, নিজেকে সমাজে ভদ্রলোক বলে জাহির করা ব্যাংকার, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সফল ব্যবসায়ীদের ধরে ধরে নিয়ে গিয়ে ইজ্জতে হামলা করেছে আর গাড়ি বাড়ি আদায়ের পাশাপাশি ফরেন ট্রিপ করিয়ে নিয়েছে।

সালমা লুনা, লেখক

পরীমনি প্রকাশ্যে এলেও এই অবুঝদের সবার নাম হয়তো দেশের মানুষ জানবে না। কারণ তাদের মহামুল্যবান ইজ্জতের দাম পরীমনির জানের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
সেই ইজ্জত বাঁচাতে দুএকটা পরীমনিকে কোরবান করাই যায়।

তাই পরীমনির ঘরে মদের অজস্র বোতল পাওয়া যায়। যদিও তার উকিল বলেছেন ওগুলো সাজিয়ে রাখতেই তিনি রেখেছেন।

কিন্তু পরীমনির মদ খাবার, ঘরে মদ রাখবার লাইসেন্স থাকলেও সেটা নবায়ন হয়নি। তাই মদসহ ধরা পড়লে এজন্য যা শাস্তি জরিমানা তা নাগরিক হিসেবে তাকে মানতেই হবে।
শুধু নারী বলে সে হেনস্থা হচ্ছে এই আওয়াজ অবশ্যই উঠতে পারে। কিন্তু নারী বলে তার দোষ বলা যাবে না, তাকে অবৈধ মদ রাখার প্রচলিত আইনের শাস্তির হাত থেকেও বাঁচাতে হবে এ আবদার ধোপে টেঁকে না।

নারীর অপরাধকে উপেক্ষা করা, নারী অধিকারের নামে তার অপরাধকে লঘু করেও দেখা, নারী বলে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিতে চাওয়া নারীবাদ নয়।
নারীবাদ নারীর অপরাধের দায়মুক্তির ছল খোঁজে না।

নারী পুরুষ অপরাধ যেই করুক তাকে দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তি দেয়া হোক।
একই দোষে দোষী সবারই নাম প্রকাশ হোক।

নিজের শরীর, সৌন্দর্যকে পুঁজি করে টাকা রোজগার করতে চাওয়া যেমন নারীর আইনি অপরাধ না, তেমনি এটা স্বীকৃত স্বাধীনতাও না। কিন্তু ছল করে নারীকে ভোগ করার জন্য ফাঁদ পাতা তার চেয়েও বড় অপরাধ।

নিজের শরীরের মালিক এই কথার অর্থ ইচ্ছে হলেই যে কারো সাথে শরীর বিনিময় করার স্বাধীনতা না, শরীর বিক্রি করে উপার্জন করা না।
নারী যখন তার শরীর বিক্রি করতে বাধ্য হয় তখন সেখানে তার স্বাধীনতা থাকে না। মর্যাদাও থাকে না। তাদের বাহবা দিলেই নারীবাদ হয়না একথাও নারীবাদকে বুঝতে হবে ।

নারীর মর্যাদা রক্ষার গল্প শুধু কাগজে কলমে আর টক শোতেই থাকবে সেটাও নারীবাদের উদ্দেশ্য না। সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ, এমনকি শরীর বেঁচে খাওয়া মানুষটি যাদের নাম দিয়েছি আমরা পতিতা তারা কিংবা রেগে গেলে যারা নারীকে বেশ্যা ডাকে সেই মানুষগুলিও যাতে নারীর মর্যাদা বোঝে, সম্মান করে সেই লক্ষ্যে চালিয়ে যাওয়া নিরন্তর লড়াইটার নাম নারীবাদ।

সম-অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে নারীবাদ নারীর অপরাধকে ক্ষমা করতে বলে না, অপরাধ হিসেবেই দেখে। সেইসাথে সঙ্গী পুরুষদেরকেও অপরাধের কাঠগড়ায় দেখতে চায়।

পরীমনির সাথে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলুক। শুধু নারী বলে পরীমনিকে হয়রানি করা না হোক।
তার দোসররাও শাস্তির আওতায় আসুক।
নইলে কুল রক্ষা হবে না কোনদিকেই।

শেয়ার করুন:
  • 632
  •  
  •  
  •  
  •  
    632
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.