‘ত্রিভঙ্গ’ মুভি আর আমার লড়াইগুলো

সুপ্রীতি ধর:

নেটফ্লিক্স প্রযোজনায় নির্মিত বলিউডের কাজল অভিনীত মুভি ‘ত্রিভঙ্গ’ দেখলাম। বর্তমান সমাজের সবচেয়ে আলোচিত, তুমুলভাবে সমালোচিত ‘নারীবাদ’ ইস্যুতে তিন প্রজন্মকে দাঁড় করানো হয়েছে মুভিটাতে। সমাজের প্রচলিত ধ্যানধারণার বিরুদ্ধ লড়াইটা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে কীভাবে প্রবাহিত হয়, তা আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা পেয়ে এসেছি এতোদিন। কিন্তু ছবিটাতে তিন প্রজন্মের তিন ধরনের ভাবনা থেকে টিকে থাকার লড়াই উঠে এসেছে। সেটিও এতোটা নেতিবাচক হিসেবে আমি দেখতে নারাজ। কেন, সেটা আমি পরে বলছি। এখানে আমরা কিছু প্রশ্নের যেমন মুখোমুখি হই, তেমনি খটকাও লাগে যখন মুভির মূল চরিত্রের লড়াইটার সাথে নিজের জীবনের অনেক মিল খুঁজে পেয়েও শেষপর্যন্ত হতাশ হতে হয় কোন কাঙ্খিত সমাধান না পেয়ে। আসলে সমাধান কি সত্যি আছে কোন? যখন প্রতিটি মানুষ হয় ইন্ডিভিজ্যুয়াল, তখন কোনকিছু মেলাতে যাওয়াটাই বোকামি। বরং যা স্বত:সিদ্ধ, তাকে সেভাবে মেনে নেয়াতেই শান্তি। মা-মেয়ের সম্পর্কের বন্ধনটাই এখানে চিরসত্য। ছবিটার শেষে আমরা সেটাই দেখতে পাই।

মুভিটার মূল চরিত্র একজন সাহিত্য একাডেমী এওয়ার্ডপ্রাপ্ত লেখক নয়নতারা আপ্তে, যাঁর এখন আথ্রাইটিস ধরা পড়েছে, লিখতে পারেন না এখন আর, তাঁর জীবনী লিখে যাচ্ছেন একজন পিএইচডি গবেষক। মূলত ওই গবেষণা থেকেই উঠে আসছে মুভিটার বয়ান।

নয়নতারার পুরো জীবন ধরে লেখালেখিই ছিল ধ্যান-জ্ঞান। পরিবারে একটি মেয়ের স্বাধীনভাবে লেখক হয়ে উঠার ইচ্ছা যে কতটা বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে, বিশেষ করে সে যখন কারও স্ত্রী, কারও মা, তখন তার আলাদা সত্ত্বা বলতে কিছু থাকে না আমাদের উপমহাদেশে। নয়নতারার জীবনটাও তাই। প্রতিনিয়ত সংসারে তার গঞ্জনা সইতে হয় শাশুড়ির। সারাদিন চাকরি করে এসে মায়ের মুখে নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে নয়নতারার স্বামী। কিন্তু বিধবা মায়ের বিপক্ষেও যেতে পারে না বলে স্ত্রী-সন্তানকেই জলাঞ্জলি দিতে হয় শেষতক। নয়নতারা দুই সন্তান নিয়ে বেরিয়ে আসে সংসার ছেড়ে। প্রতিদিনের গঞ্জনা থেকে বেঁচে যায় সে। আমার এক বন্ধু প্রশ্ন করেছে, বেরিয়ে আসাটাই কি সমাধান? এমন তো কত সংসারেই হয়! এটা খুবই গতানুগতিক একটা প্রশ্ন। বন্ধুটি তার অবস্থান থেকেই প্রশ্নটি করেছে। কিন্তু সবাই যে সবকিছু সহ্য করে, মেনে নিয়ে জীবন কাটিয়ে দেবে, সেটা প্রত্যাশা করি কীভাবে? সবাই নিজ নিজ জীবনকে যাপন করে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে। তাছাড়া প্রতিটা মানুষই ভিন্ন ব্যক্তিত্বের, তার ওপর সে যদি হয় স্বাধীনচেতা, সেখানে তো সংঘর্ষ অনিবার্য। নয় কী!

নয়নতারা দুই সন্তান নিয়ে বেরিয়ে আসেন ঠিকই, কিন্তু তখনই শুরু হয় নতুন অধ্যায়ের। ছেলেমেয়েরা স্কুলে বুলিয়িং এর শিকার হয় বাবা-মায়ের ডিভোর্সের কারণে। আরও বেশি হয় যখন নয়নতারা নিজের পদবী যুক্ত করে সন্তানের নামের সাথে। এ পর্যায়ে তিনি বলেন, যে বাবা তার সন্তানদের দায়িত্ব নেয়নি, শুধুমাত্র স্পার্ম ডোনার, যে সন্তানদের পুরো দায়িত্ব মাকে কাঁধে তুলে নিতে হয়, সেখানে মায়ের পদবীতে কেন সন্তান পরিচিত হবে না? এখানে এসেই আমি আটকে যাই আমার জীবনের সাথে মিল খুঁজে পেয়ে। মনে পড়ে যায় আমি আমার সন্তানদের বড় করতে গিয়ে দুটো বড় বাধার মুখে পড়েছিলাম ভিন্নধর্মে বিয়ের কারণে। স্কুলে আমি কিছুতেই ধর্ম পড়াতে চাইনি ওদের। চেয়েছি যেন বড় হয়ে নিজেরাই বেছে নেয়। কিন্তু আমাদের দেশে বাবার পরিচয়ে সন্তান পরিচিত হয় বলে সেটা করা কঠিন ছিল আমার জন্য। একমাত্র ইংরেজি মাধ্যমেই আমি বলতে পেরেছিলাম যেন ওরা ধর্ম না পড়ে, আর বাবার নামটাও যেন লেখা না হয় কোথাও। এ দুটো কাজ ছিল আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদ। তখনও আমি আজকের আমি হয়ে উঠিনি, কিন্তু শক্তিটা ছিল। আমি জানি অনেক মেয়েই এই পদক্ষেপটা নিতে পারে না, আমি পেরেছিলাম। যদিও বাবার নামছাড়া ওদের পাসপোর্ট করাতে গিয়ে পারিনি, লিখতেই হয়েছিল আমাকে। ওটা ছিল আমার পরাজয়। হয়তো একদিন মেয়েরা সেই ধাপটাও পেরোতে পারবে।

নতুন এই জীবনে নয়নতারা একা থাকেন না। পরিচয় হয় একজন ফটোগ্রাফারের সাথে, পরিচয় থেকে প্রণয়, পরিণয়। এদিকে মেয়ে অনুরাধা আপ্তে বড় হতে থাকে, আর মায়ের অবর্তমানে খেলার নাম করে সেই স্বামীর যৌন নিপীড়নের শিকার হয় কিশোরী মেয়ে অনু। শুরু হয় আরেক অধ্যায়। বাবার কাছে ফিরতে চেয়েও ফিরতে পারে না। একদম ভেঙে পড়ে ভাইবোন। আর যৌন নিপীড়নের জন্য মেয়ে পুরোপুরিই দোষী করে মাকে। সে তার ছোট ভাইকেও নিজ দলে টানে। মেয়ে অনুর ধারণা হয় যে মা সব জেনেও স্বামীর বিরুদ্ধে যাচ্ছে না। অথচ গবেষকের বরাতে যখন অনুরাধা জানতে পারে যে মা যখন ঘটনাটি জেনেছিল তখন প্রচণ্ড অনুতপ্ত হয়েছিল এবং সে নিজেকেই এজন্য দোষারোপ করেছিল মেয়ের জীবনের এমন ঘটনার জন্য, তখন সে তার ভুল বুঝতে পারে কিনা তা জানতে পারি না, কিন্তু অনুতপ্ত হতে দেখি।  

মেয়ে অনুরাধার সাথে মায়ের খারাপ সম্পর্কের বিষয়টি ছিল সর্বজনবিদিত। বিশেষ করে মিডিয়ায় ‘গালিবাজ’ বা ‘মুখরা রমণী’ হিসেবে অনুরাধার বদনাম ছিল। এদিকে মা ছিলেন নামকরা লেখক। মেয়েও মায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে সবসময়ই চেয়েছে মায়ের ছায়ার তলে না থাকতে, তাকে ছাড়িয়ে উঠে যেতে। মা যখন স্ট্রোক করে কোমায় চলে যান, তখন দেখতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মেয়ে বলেন, ‘মায়ের জীবনী আর কত সেন্সেশনাল হবে, তারটা লেখা হলে তখনই বোঝা যাবে কারটা বেশি সেন্সেশনাল!’ তার এই মন্তব্যে বুঝতে বাকি থাকে না মা-মেয়ের দ্বন্দ্বের জায়গাটুকু। মেয়ে যেন মায়ের লড়াইটাকে হালকা করে নিজের লড়াইটাকেই মুখ্য করে তুলতে চাইছে। অদৃশ্য এক প্রতিযোগিতা মা-মেয়েতে! 

মায়ের জীবনে আরও পুরুষ আসে। এবার যিনি আসেন তিনি ভাস্কর রায়না, খুবই স্নেহময়, পিতৃবৎসল। মা এবং ছেলেমেয়ের মাঝে সেতুবন্ধন করতে সক্ষম হোন এই রায়না। এমনকি নাতনি মাশাকেও তিনি কোলেপিঠে বড় করেন। কিন্তু এই সম্পর্কটাও একসময় শেষ হয়ে যায় যেহেতু তিনি বিয়ে প্রথাতে বিশ্বাসী ছিলেন না। শুধু রায়নাই নন, নয়নতারা, অনুরাধা সকলেই বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানকে চ্যালেঞ্জ করেছেন ছবিটাতে এবং যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে এতে, সেই সময়ের জন্য এটা বিশাল একটা চ্যালেঞ্জই ছিল সমাজে। 

অনুরাধা নিজেই বলে যে, একসময় সে খেই হারিয়ে ফেলে, নিজের গন্তব্য নির্ধারণ করতে পারে না। তখন মায়ের বন্ধু ভাস্কর রায়নার মাধ্যমে পরিচয় হয় ওডিশি নৃত্যের সাথে। এই রায়নাই হয়ে উঠেন মা-সন্তানের যোগসূত্র। ক্রমেই অনুরাধা জনপ্রিয় হয়ে উঠেন নৃত্যে, পাশাপাশি অভিনয়ও করেন। নামডাক হয় তারও। নিজের কিশোরীবেলার যৌন হয়রানির কথা তখনই সে একবার সাক্ষাতকারে বলার পর মাও জানতে পারে। একজন বলে হালকা হতে চেষ্টা করে, আরেকজন নতুন করে বিষয়টা জেনে গভীর হতাশায় ডুবে যায়। কী এক মনস্তাত্ত্বিক লড়াই দুটি মানুষের! যেন চোখের সামনে নিজেকেই দেখতে পাই আমি!

আরও আশ্চর্য যে, যে মাকে সে ঘৃণা করেছে, যে মাকে সে তার আশপাশেই ভিড়তে দেয়নি, সেই মা কিন্তু ছেলেমেয়ের পাশেই থেকেছে আজীবন। সেই মা-ই মেয়ের পছন্দের প্রেমিকের সাথে লিভ ইনের জন্য বাসা ভাড়া পর্যন্ত করে দেয়, যেহেতু ওই সময়টাতে এরকম একটি ঘটনার জন্য সমাজ প্রস্তুত ছিল না। অজান্তে হলেও মায়ের পদাঙ্কই অনুসরণ করে গেছে অনুরাধা। এতোটুকু ছাড় দেয়নি রুশ প্রেমিক যখন তার গায়ে হাত তোলে। তখন সে ছিল অন্ত:সত্ত্বা। সিঙ্গেল মা হয়ে মেয়েকে বড় করার কাজেও সে মাকেই পাশে পায়, তারপরও মাকে মেনে নেয়নি সে। সেদিন সে তার মাকেও ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় ঘর থেকে এবং অনবরত দোষারোপ করতে থাকে তাদের দুই ভাইবোনের এবং বাবার জীবন ধ্বংসের জন্য। মায়ের সাথে যোগাযোগই বন্ধ করে দেয় সে।

পুরো ছবিটাতেই উঠে এসেছে দুজনের সম্পর্কের এই উত্থান-পতনের বিষয়টি। ছেলেমেয়ে দুজনের কেউই মাকে মা বলে ডাকেনি, তারা তার নাম ধরেই ডাকতো। দুজনই স্বাধীনচেতা মানুষ, দুজনই এককেন্দ্রিক বলা চলে কোন না কোন সময়, আবার মেয়ে তখনই তার ভুলটা বুঝতে পারে যখন তার মেয়ে মাশাও একই অভিযোগ আনে মায়ের বিরুদ্ধে, যদিও সে তার মায়ের মতোন সম্পর্কচ্ছেদ করেনি কখনও, বরং সবসময় মাকেই সে আগলে রেখেছে পরম নির্ভরতায়। মাশাও জানায়, বাবাহীন বড় হওয়াটা কতোটা লড়াইয়ের ছিল যখন সে স্কুলে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতো। তাছাড়া মায়ের শোবিজ স্ক্যান্ডাল কীভাবে তার জীবনকেও বিপর্যস্ত করতো! 

মা নয়নতারা এবং মেয়ে অনুরাধার এই যে পিতৃতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই, স্বাধীন হওয়ার লড়াই, নারীর এজেন্সি সম্পর্কে অনবরত বলে যাওয়া, এটা যেন এসে মুখ থুবড়ে পড়ে মাশার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে। মাশা বিয়ে করে এমন এক পরিবারে যেখানে সবাই পুরুষের সামনে মাথায় কাপড় দিয়ে চলে। যেখানে গর্ভস্থ সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে সেটা জানাটাই মুখ্য থাকে। ছেলে হবে বলে মাশা নিজেকে ‘লাকি’ মনে করে, কারণ এতে করে তাকে অযথা চাপের মধ্যে পড়তে হবে না। মেয়ের এরকম আচরণে মা অনুরাধা স্তম্ভিত হয়। কী করে সম্ভব যে তারই মেয়ে এমনভাবে মেনে নিচ্ছে বিষয়টা? কন্যা সন্তান কাম্য নয় সংসারে, আর নিজের শরীরের সিদ্ধান্তও নিজে নিতে পারবে না, মাশার পক্ষে এরকম কিছু মেনে নেয়ার বিষয়টিই বিস্ময়কর ঠেকে অনুরাধার কাছে।

সুপ্রীতি ধর, সম্পাদক, উইমেন চ্যাপ্টার

শেষপর্যন্ত আমরা মায়ের শেষ ইচ্ছানুযায়ীই তাকে দাহ করে গঙ্গায় ভাসিয়ে দিতে দেখি দেহভস্মকে। এবং সেটি করে দুই ছেলেমেয়ে আর গবেষক মিলন, যে কিনা পরম আস্থার জায়গাটি তৈরি করে নিয়েছিল লেখক নয়নতারার প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই। সেইসাথে মেয়ের সাথে মায়ের বন্ধনের জায়গাটাও সেই তুলে ধরার চেষ্টা করে গেছে পুরো ছবিটাতে। বার বার তাকে বলতে শুনি যে ‘তোমাদের দুজনের বক্তব্য ছাড়া জীবনীটা সম্পূর্ণ হবে না’। কারণ সেই একমাত্র জানে যে নয়নতারার ভাষ্যে ছেলেমেয়ের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েনটা কতটা জায়গা করে নিয়েছে!

একজনকে দেখলাম লিখতে যে মুভিটাতে বিজেপি’র স্বত:সিদ্ধ বিষয়গুলো উঠে এসেছে, ধর্মকে প্রমোট করা হয়েছে, ফেমিনিজমের বিরোধিতা করে শেষপর্যন্ত ধর্মের কাছে নতি স্বীকার করানো হয়েছে। সত্যি বলতে কী, আমার চোখে এগুলো উঠে আসেনি। কী জানি হয়তো কম বুঝি বলেই। আর আমি এই জীবনটা নিজে যাপন করেছি বলেই হয়তো অন্যভাবে দেখতে পারছি বিষয়গুলো। দেখুন, প্রথম প্রজন্মের সাথে মতবিরোধ দ্বিতীয় প্রজন্মের, একটা পরিবারের আক্ষেপ, আবার পরিবার সিস্টেমকে ভেঙে দিয়েছে দুই প্রজন্মই। তারা কেউই আপোস করেনি। কিন্তু তৃতীয় প্রজন্ম এসে একটা পরিবার চাইছে, সেজন্য সে আপোস করছে। আমরা কি দোষ দেবো এতে? আমি অন্তত দেবো না। কারণ আমি জানি পরিবারের জন্য এই আক্ষেপটা কী, এবং কতোটা শক্তিশালী হতে পারে। এখন তৃতীয় প্রজন্ম যদি আগের দুই প্রজন্মের ঝামেলাগুলো আর নিতে না চায় এক আপোসের মাধ্যমে, আমরা তাকে কি কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারি? তাহলে কি মা এবং তার মায়ের নিয়ত লড়াই মিথ্যে হয়ে যাবে?

যাবে না। আমরা সন্তানদের যতকিছুই দেই না কেন, তারা কিন্তু সেটুকুই নেয় বা নেবে, যতটুকু তারা নিতে চাইবে। এর বেশি একটুও না। কাজেই এক প্রজন্মের কর্ম দিয়ে অন্য প্রজন্মের লড়াইকে মিথ্যা বলে আখ্যায়িত আমরা করতে পারি না।

ছবিটা যে ভাবিয়েছে বা ভাবাচ্ছে মানুষকে, এখানেই এর সার্থকতা। ছবিটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন রেনুকা সাহানে। আর মেয়ে অনুরাধার চরিত্রে কাজল বরাবরের মতোনই অভিনয় দক্ষতা দেখিয়েছে। মা নয়নতারার ভূমিকায় তানভি আজমি আর অনুর মেয়ে মাশার ভূমিকায় অনবদ্য অভিনয় করেছেন মিথিলা পালকার।

শেয়ার করুন:
  • 152
  •  
  •  
  •  
  •  
    152
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.