ধর্মের ব্র্যান্ডিং, ইসলামী আওয়ামী লীগ ও বাঘা যতীন

আলী আদনান:

এক.

অগ্নিযুগের মশাল হাতে যারা ইতিহাস নির্মাণ করেছেন, তাদের একজন বাঘা যতীন। সেই বাঘা যতীন- এর ভাস্কর্য ভাঙ্গা হয়েছে। ভাস্কর্য ভাঙ্গার দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। একজন ‘সভাপতি’ না হয় বহিষ্কৃত হলো। কিন্তু অসংখ্য ‘সভাপতি’ যারা ঘাপটি মেরে আছে, যারা মন থেকে ভাঙ্গাটাকে সমর্থন করে, তাদের বহিষ্কার করবে কে? বা কম্বলের সব লোম বাছাই করতে গেলে শেষ পর্যন্ত কম্বলের চেহারাটা কেমন হবে, তা কী আমরা ভেবে দেখেছি?

রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ম্যানিফেস্টোতে যে বক্তব্য দিয়ে রাখে, তার কর্মীরা কি সে অনুযায়ী পরিচালিত হয়? বাংলাদেশে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। যারা তাদের ঘোষণাপত্রে বাঙালী জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছে। বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে তাদের কার্যালয়ে বড় বড় করে লেখা এ চারটি শব্দ শোভা পাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যতোই দিন যাচ্ছে, তাদের নেতাকর্মীদের অনেকেই কখনও সচেতনভাবে, আবার কখনও অসচেতনভাবে হয়ে উঠছে সাম্প্রদায়িক।

আমরা কখনও দেখি যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি দাবি করে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিচ্ছে আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের কর্মী। আবার কখনও দেখি মিজানুর রহমান আজহারীর সমর্থনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছে একই দলের কোন কোন নেতাকর্মী। কখনও দেখি ভাস্কর্য হারাম- এমন বক্তব্য আসছে এ দলের নেতাকর্মীদের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকেই। অন্যান্য সম্প্রদায়ের বাড়িঘর পোড়ানো, মন্দির ভাঙচুর- এমন ঘটনা এখানে নতুন নয়। বিএনপি’র আমলে যেমন পূর্ণিমা’র মা তার মেয়ে ছোট বলে একজন একজন করে আসতে বলেছিল, তেমনি আওয়ামী লীগ আমলেই দিনদুপুরে প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎ খুন হয়।
ছাত্রলীগ বা যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত কেউ যদি ফেসবুকে কমেন্ট বক্সে ‘মালাউনের বাচ্চা’ সম্বোধন করে গালি দেয়- তখন বুঝি ‘মুক্তিযুদ্ধ’ এখানে মুখস্তবিদ্যা মাত্র। ফেসবুক কাভারে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখেও ” কোরআনের আইন চাই” এমন স্ট্যাটাস এখন এ দলের ছেলেরাই দেয়। এটা কী আওয়ামী লীগের কৌশলগত ভুল, নাকি সচেতনভাবেই নৈতিকতার চরম পরাজয়?

এক যুগ ক্ষমতায় আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। নৃতাত্ত্বিক ভাবেই আমরা সুবিধাবাদী জাতি৷ পলাশীর আম্রকানন থেকে ১৫ আগস্টে ৩২ নাম্বারে হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত সুবিধাবাদীদেরই জয়জয়কার। ফলে দীর্ঘদিনের ক্ষমতার লোভ ও লাভের ভাগীদার বেড়েছে কয়েকগুণ। কিন্তু আদর্শিক কর্মী বাড়েনি। অসাম্প্রদায়িক চেতনার আওয়ামী লীগ হয়ে উঠছে ‘বাংলাদেশ ইসলামী আওয়ামী লীগ’। প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগে কর্মী বাড়ছে। কিন্তু কর্মী কাকে দিয়ে বাড়ানো হচ্ছে- এসম্পর্কে নিশ্চয় হাইকমান্ড ভালো জানেন। সুবিধাভোগী নেতারা নিজের মিছিল বড় করে তৃপ্তি পাচ্ছেন। কিন্তু ভেবে দেখছেন না মিছিলটা কাকে দিয়ে বড় হচ্ছে!

দুই.

আমি কেন অন্যদল না করে আওয়ামী লীগ করি- এমন প্রশ্ন এখনকার অনেক আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীর কাছে পরিষ্কার নয়। কেন তিনি অন্যদল না করে আওয়ামী লীগ করছেন, আওয়ামী লীগ কেন তাকে করতে হবে, এমন প্রশ্ন নিয়ে আমরা যদি কয়েকটি কাল্পনিক সাক্ষাৎকার নিই তাহলে যে উত্তরগুলো পাবো, সেগুলো সাধারণত এরকম:

প্রথম সাক্ষাৎকার:
প্রশ্ন- ভাই, আপনি কেন আওয়ামী লীগ করেন? উত্তর- “বড় ভাই আওয়ামী লীগ করছে। এলাকার সবাই আওয়ামী লীগ করে। আমি না করলে খারাপ দেখা যায়। তাই আমিও আওয়ামী লীগ করছি।”

দ্বিতীয় সাক্ষাৎকার:
প্রশ্ন- আপনি কেন আওয়ামী লীগ করেন?
উত্তর- “এলাকার অমুক চাচা আওয়ামী লীগ করে। তাকে সবাই মানে, চিনে। অনেকে তাকে ভয় পায়। আমিও নিজেকে সে জায়গায় দেখতে চাই। এজন্য আমিও আওয়ামী লীগ করি”।

তৃতীয় সাক্ষাৎকার:
প্রশ্ন- ভাই, আপনি কেন আওয়ামী লীগ করেন? উত্তর-“কারণ অন্যদলের অবস্থা ভালো না। বিএনপি’র সাংগঠনিক অবস্থা ভাল হলে বিএনপি করতাম। আসলে আমার প্রকৃত ঠিকানা ‘শিবির’। ২০১৩-১৪ সালে শিবির করেছি। কিন্তু ভাংচুর মামলা টামলা খেয়ে জীবন ছ্যাড়াব্যাড়া।  এখন আওয়ামী লীগ না করে উপায় নাই”।

চতুর্থ সাক্ষাৎকার:
প্রশ্ন- আপনি কেন আওয়ামী লীগ করেন? উত্তর-“আমার অনেকদিনের শখ এলাকার কাউন্সিলর হবো৷ কিন্তু বিএনপি করলে সব ম্যানেজ করে ইলেকশান করাটা কঠিন। তাই আওয়ামী লীগের সাথে আছি। তবে কখনও সময় সুযোগ আসলে ইনশাল্লাহ ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যাবো।”

কেউ হয়তো মুখে স্বীকার করে না। কিন্তু অধিকাংশ নেতাকর্মীর মনের সরল স্বীকারোক্তি এমনই হবে। এই যেখানে অবস্থা সেখানে ‘বাঘা যতীন’ ভাঙ্গা পড়বেই। দলের অনেক নেতাকর্মী জানেই না ‘বাঘা যতীন’ কে? ছেলে ছাত্রলীগ করে, যুবলীগ করে। কিন্তু সে চার মূলনীতি বুঝেনা, মুক্তিযুদ্ধ বুঝেনা, ছয়দফা বুঝে না, দ্বিজাতি তত্ত্ব বুঝেনা, বঙ্গভঙ্গ বা বঙ্গভঙ্গ রদ নিয়ে কখনও একটা লাইন পড়েনি, লাহোর প্রস্তাব জানে না, স্বাধীকার আন্দোলন বা স্বায়ত্ত্বশাসন বোঝে না, ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমল নিয়ে পাঁচ লাইন গুছিয়ে বলতে পারে না।

ছেলে ছাত্রনেতা, যুবনেতা। বুক ফুলিয়ে রাস্তায় হাঁটে। সানগ্লাসের আড়াল থেকে পৃথিবীটা তার কাছে রঙ্গিন। কিন্তু সে কখনও মাস্টারদা’র নাম শোনেনি, প্রীতিলতাকে চিনে না, তাজউদ্দিন তার কাছে একটা ছবি মাত্র, ৭৫ পরবর্তী ক্যু পাল্টা ক্যু, তার কাছে ধোঁয়াশা। তার কাছে বাঘা যতীন যা, আমাদের পাড়ার পান সিগারেট বিক্রেতা ‘আবদুল করিম’ও তা। ফলে সে বাঘা যতীন ভাঙছে।

সে তো বাঘা যতীন ভাঙবেই। সে বাঘা যতীন ভাঙবে, বেগম রোকেয়া ভাঙবে, সূর্যসেন ভাঙবে, প্রীতিলতা ভাঙবে, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা রাজা রামমোহন রায়ের নামে আজেবাজে কথা বলবে। শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামালের স্মৃতি নষ্ট করবে। কয়দিন পর তাজউদ্দিন ভাঙবে, জাতীয় চারনেতার স্মৃতিও ভাঙবে।

তাই বলছিলাম যে, এখনও সময় আছে। সেদিন খুব বেশি দূরে নয়, তারা বলবে, জাদুঘর থাকার দরকার নেই। জাদুঘরের জায়গায় মসজিদ হোক। লাইব্রেরির জায়গায় মাদ্রাসা হোক। এভাবে চলতে থাকলে এমন দাবি কয়েক বছরের মধ্যেই উঠবে।

কারণ আমরা আমাদের কর্মীদের, আমাদের তরুণদের কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে পারিনি। রাজনৈতিক দলগুলো যেমন পারেনি, তেমনি রাষ্ট্রও পারেনি। রাষ্ট্র কেরানি বানানোর জন্য, থুক্কু এক্সিকিউটিভ বানানোর জন্য বস্তায় বস্তায় বই মুখস্ত করাচ্ছে। কিন্তু দেশপ্রেমিক নাগরিক বানানোর কোন উদ্যোগ গত পঞ্চাশ বছরে নেওয়া হয়নি।

আমাদের ঘরে ঘরে আমরা সূর্যসেন বা বেগম রোকেয়ার জীবনী রাখিনি। আমরা ইতিহাসকে ট্রল করি “মরা মানুষের জীবনী” বলে। দর্শন আমাদের কাছে “ঘুম পাড়ানির গান”। আর সাহিত্য আমাদের কাছে “বানোয়াট গল্প”। বিজ্ঞান আমাদের কাছে ” ইহুদি- নাস্তিকদের ষড়যন্ত্র”। (ইহুদি ও নাস্তিক যে এক বিষয় নয় সেটাও আমরা পার্থক্য করতে পারিনা।) আমাদের সন্তানেরা বেগম রোকেয়ার ‘অবরোধবাসিনী’ পড়ার সুযোগ পায় না৷ তাদের পড়তে হয় ‘মকছুদুল মোমেনিন’, ‘স্বামীর প্রতি স্ত্রীর দায়িত্ব’। আমাদের সন্তানরা ‘সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ পড়েনা। তারা পড়ে ঘরে সাজিয়ে রাখা ‘বারো চান্দের ফজিলত’, ‘কবর ও হাসরের আযাব’। দেশে যে ইসলামীজম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে সেই ইসলামের ইতিহাসটাও আমরা আমাদের তরুনদের পড়াচ্ছি না৷ খোলাফায়ে রাশেদীন, আব্বাসীয় খেলাফত, উমাইয়্যা খেলাফত, ফাতেমীয় খেলাফত- যে রক্তারক্তির ইতিহাস তা এদের অজানা।

যে কর্মী আমার সাথে আছে সে কেন আছে, এই কনসেপ্ট ক্লিয়ার হওয়া দরকার। একইভাবে যে প্রজন্ম গড়ে উঠছে তাকে অসাম্প্রদায়িক ও দেশপ্রেমিক করার জন্য কী উদ্যোগ নেওয়া দরকার, তা রাষ্ট্রকেই ভাবতে হবে। ‘সাম্প্রদায়িকতা’ ও ‘দেশপ্রেম’ একসাথে বসবাস করতে পারে না- এ বক্তব্য রাষ্ট্রকেই জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। রাজনৈতিক কর্মীদের চিন্তার জগৎ পরিবর্তনের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলকেই নিতে হবে। আমার চিন্তার জায়গা যদি পরিবর্তন না হয় ধরাও পাকড়াও, মামলা মোকাদ্দমা, লাটিচার্জ করে গত পঞ্চাশ বছরেও আগানো যায়নি, এখনো যাবে না।

তিন.

ভোট নির্ভর রাজনীতিতে আদর্শ বাস্তবায়ন করা কঠিন। একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রনায়ক অনেক বিষয়কে পদদলিত করার মানসিকতা রাখতে হয় রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থে। আমরা সেটা পারিনি। আমরা সবসময় মৌলবাদি শক্তির সাথে একটা আঁতাত রাখার চেষ্টা করেছি৷ কখনও ভোটের স্বার্থে, কখনও জোটের স্বার্থে। আমাদের এমপিরা ভোটের আগে বিভিন্ন হুজুরদের কাছে দৌড়ান দোয়া নেওয়ার জন্য। শতকোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আছে যে নেতার নামে, মাদক জগতের ডন উপাধি পায় যেসব নেতা, অস্ত্র চোরাচালান বা খুন করে যারা হয়ে উঠে অপরাধ সাম্রাজ্যের অধিপতি, তাদেরও দোয়া দরকার হয়।

এদেশে কেজি দরে দোয়া বিক্রি হয়। গ্রামের মক্তবের হুজুর যেমন অল্পশিক্ষিত নারীকে সন্তান হওয়ার জন্য দোয়া দেন তেমনি চরমোনাই, বাবুনগরীরা দোয়া দেন শতকোটি টাকার মালিকদের, এমপি মন্ত্রীদের। তেঁতুল হুজুর খ্যাত শফি হুজুরের পা ছুঁয়ে দোয়া নিয়েছেন আমাদের জাঁদরেল মন্ত্রী- এমন দৃশ্য খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। চরমোনাই ভোটের রাজনীতিতে কার ‘বি’ টিম, কার ‘সি’ টিম, এসব নিয়ে গ্রামের চায়ের দোকানেও তর্ক হয়। জামাত ঠেকানোর জন্য আমরা তাবলীগের পৃষ্ঠপোষকতা করি, তাবলীগ ঠেকানোর জন্য তাদের ভেতরের গ্রুপিং উস্কে দিই- এগুলো এখানে অনেক পুরানো খেলা।

আমরা জিতে যাচ্ছি এমন সান্ত্বনা যতোই নিজেদের দিই না কেন- বাঘা যতীনের ভাস্কর্য যখন ভাঙ্গা হয়, মিজানুর রহমান আজহারীর পক্ষে যখন স্ট্যাটাস দেওয়া হয় বা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি দাবি করে যখন অনলাইনে আওয়াজ উঠে- তখন নিশ্চয় আমরা বুঝতে পারি রাজনীতিতে ‘পলিটিক্স’ খাটানো এককথা, আর সুদূরপ্রসারী ভাবে আদর্শবোধ সম্পন্ন একটি অসাম্প্রদায়িক সমৃদ্ধ প্রজন্ম গড়া ভিন্ন কথা।

এ সরকারের আমলে উন্নয়ন ব্র্যান্ডিংয়ের ধারাবাহিকতায় ধর্মের পেছনে ব্যয় অনেক বেশি, এটা যেমন সত্যি, তেমনি গত দশকের তুলনায় এ দশকে মৌলবাদও কয়েকগুণ বেড়েছে- এটাও সত্যি। গত দশকে বাংলা ভাই একজন ছিল বা জেএমবি একটি দল ছিল৷ কিন্তু এ দশকে শুধুমাত্র ফেসবুকই আমাদের প্রমাণ দেয় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে৷ অন্য ধর্মাবলম্বীদের বা নাস্তিকদের খুন করা অপরাধ নয় এমন ধারণায় বিশ্বাসী তরুণের সংখ্যা এদেশে হু হু বাড়ছে। গত দশকে নিশ্চয় এমনটি ছিল না৷ গত দশকে যেমন সিরিজ বোমা হামলা হয়েছে, তেমনি এ দশকে সিরিজ ব্লগার হত্যা হয়েছে। ২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে বিএনপিকে ভোট না দেওয়ার অপরাধে হিন্দু বাড়িঘরে হামলা হয়েছে। এ দশকে ফেসবুকে কে কী মন্তব্য করলো বা কে কার আইডিতে ধর্মের বিরুদ্ধে কী লিখলো, তা নিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এবং দুই দশকেই সংখ্যালঘুরা দলে দলে দেশত্যাগ করেছে। তাহলে পার্থক্যটা কোথায়?

আমরা নামাজ পড়ি। সেই ছবি ব্র্যান্ডিং করি। কাবা শরীফ তাওয়াফ করছি। সেই ছবি ব্র্যান্ডিং করছি। কোরআন পড়ছি। সেই ছবি ব্র্যান্ডিং করছি। কাকে খুশি করার জন্য ব্র্যান্ডিং করছি? আমরা কি ভেবেছি এই ব্র্যান্ডিংয়ে আমাদের ভোট বাড়বে? মরীচিকা! একদিকে আমরা শত্রুপক্ষকে খুশি করছি, অন্যদিকে আমাদের তরুণদের বিভ্রান্ত করছি। আর এই বিভ্রান্তির খেসারতে বঙ্গবন্ধু থেকে বাঘা যতীন কেউ বাদ পড়ছে না।

(লেখক: আলী আদনান, লেখক, সাংবাদিক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিটিস্ট।
ই মেইল: [email protected])

শেয়ার করুন:
  • 384
  •  
  •  
  •  
  •  
    384
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.