কওমি মাদ্রাসায় শিশুধর্ষণ: চিন্তার বর্ণবাদ এবং বিবেকের দায়

আবদুল্লাহ আল মাসুদ:

ইদানিং মাদ্রাসার মধ্যকার ধর্ষণ নিয়ে কিছু খবর প্রকাশ করা হচ্ছে, কিন্তু এই ধর্ষণ কি আগে হতো না? আগে অবশ্যই হতো, কিন্তু আগে এসবের খবর প্রকাশ করা হতো না মূলত তিনটি কারণে :

১) সমাজের সাধারণ মানুষ ছেলেশিশুদের ধর্ষণকে ধর্ষণই মনে করতো না;

২) তখন মিডিয়ার এতো দাপট ছিল না, তাই মিডিয়ার কাছে খবর যাওয়ার আগেই সেটাকে মাদ্রাসার হুজুর এবং মাদ্রাসার কমিটির লোকেরা ধামাচাপা দিয়ে ফেলতো;

৩) তখন ধর্ষণ বিষয়ে ছাত্রদের অভিভাবকদেরও সচেতনতা ছিল না। এখনও যে তাদের সচেতনতা আছে, আমার কিন্তু তা মনে হয় না।

মুফতি আবদুল্লাহ আল মাসুদ

মনে পড়ে আমি যখন মাদ্রাসায় পড়তাম তখন আমার বাবা এবং আমার ক্লাসমেটদের বাবারা সবাই এসে হুজুরদেরকে বলতেন, ‘‘গোশত আপনার হাড্ডি আমার”, অর্থাৎ আপনি আমার সন্তানকে পেটাতে পেটাতে শরীরের সমস্ত মাংস খসিয়ে ফেলুন তাতে সমস্যা নেই, আমাকে শুধু হাড়গোড় ফেরত দিলেই চলবে! ভাবতে পারেন কতোটা রোহমর্ষক, কতোটা বর্বর ও বেহেশত-লোভী ছিল আমাদের পিতারা! ভাবতে পারেন কতোটা নিষ্ঠুর হয়ে গিয়েছিল আমাদের মায়েরা! ভাবতে পারেন আজকের যুগে দাঁড়িয়েও এমন নিষ্ঠুর মা-বাবা আমাদের দেখতে হয়!

তো, মা-বাবাদের এই নিষ্ঠুরতা ও ওই ইসলামিক অনুভূতি তৈরি হয় কোত্থেকে জানেন? যে শিশুটির বাবা মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং ইমাম সাহেবের বক্তব্য শোনে, যে শিশুটির বাবা তাবলীগের বয়ান শোনে, যে শিশুটির বাবা ওয়াজ-মাহফিলের হুজুরের ওয়াজ শোনে সে-ই এমন নিষ্ঠুর হয়ে যায়; কারণ তার দরকার বেহেশত, হোক না তা ছেলের প্রাণের বিনিময়ে!

আমাদের সমাজের গণ্যমান্য-জঘন্য বা গুণীজনেরা মাদ্রাসা এবং সিস্টেমকে টিকিয়ে রাখার জন্য কয়েক রকমের মনো-সাইকোলজিক্যাল টোটকার আশ্রয় নেয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দুটো –

১) শয়তান টোটকা: একটি শিশুকে মাদ্রাসায় দিলে মাদ্রাসার অবর্ণনীয় নির্যাতন, বদ্ধ পরিবেশ, সর্বোপরি শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষণ ইত্যাদি কেউই মেনে নিতে পারে না। এ সময়ে ছাত্ররা মাদ্রাসা ফাঁকি দেয়ার জন্য বহু রকমের কৌশলের আশ্রয় নেয়। সে চেষ্টা করে যেকোনোভাবে মাদ্রাসার জেলখানা থেকে বের হতে, মাদ্রাসা ফাঁকি দিতে। এ সময়ে মাদ্রাসা ছাত্রের বাবাকে হুজুররা বোঝায়, আপনার ছেলেকে শয়তান ধরেছে, আপনার ছেলেকে জিনে ধরেছে, ওকে কোনভাবেই ঘরে রাখবেন না, ওকে মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দেবেন, বাড়িতে গেলে মায়ের আদর পেয়ে ও নষ্ট হয়ে যাবে, শয়তান ওর মাথায় চড়ে বসবে। হুজুর কর্তৃক এই ব্রেনওয়াশড পিতাকে ছেলে যতোই বলুক, হুজুর আমাকে অতিরিক্ত পেটায়, হুজুর আমাকে বিছানায় ডাকে, হুজুর আমার সাথে দুর্ব্যবহার করে, সেসব কথা নিষ্ঠুর এবং বেহেশত-লোভী বাবার কর্ণকুহরে প্রবেশ করে না। হুজুররা যেহেতু বলে মাদ্রাসা ছাত্রদের শয়তান বেশি ধরে, তাই শয়তান তাড়ানোর জন্য হুজুররা ছাত্রকে যতোই পেটাবে ততোই সোয়াব (পূণ্য) হবে। হুজুররা যেখানে পেটায় সে জায়গা নাকি দোজখে যাবে না, সে জায়গা নাকি শহীদের মর্যাদা লাভ করে!

২) বেহেশত ওয়াজিব হওয়ার টোটকা:

আমাদের মা-বাবারা আরো বেশি লোভে পড়েন যখন তারা জানতে পারেন, একটি শিশু মাদ্রাসায় পড়ে হাফেজ হলে সে কেয়ামতের দিন তার পরিবারের এমন দশজনকে বেহেশতে নিতে পারে যে দশজনের জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গিয়েছিল। সুতরাং চিরস্থায়ী জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশায় একজন মা কিংবা বাবা যদি কল্পনা করেন যে, আমার সন্তান মাদ্রাসায় গিয়ে পিটুনি খেলে, আমার সন্তান মাদ্রাসার ভেতরে আটকে থেকে গুমড়ে মরলে এর বদলে আমি জাহান্নামের ভয়ংকর আগুন থেকে বাঁচতে পারবো, তবে এমন দৃষ্টিভঙ্গিকে আপনি কোন যুক্তিতে ফেলে দেবেন?

ভারতের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন, “ভারত সরকার মুসলিমদের অধিকার হননের ব্যাপারে অতিমাত্রায় তৎপর।”

গত বছর ভারতের বুদ্ধিজীবী অরুন্ধতী রায় ডয়চে ভেলের কাছে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ভারত সরকার মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা শুরু করেছে।” উল্লিখিত দুজন বুদ্ধিজীবীর এই বক্তব্যের কাটাছেঁড়ায় আমি যাচ্ছি না। আমি কেবল বলতে চাচ্ছি, ভারতে যে লক্ষ লক্ষ কওমি মাদ্রাসা আছে, আর সেই কওমি মাদ্রাসায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ শিশুদের ধর্ষণ করা হয়, প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ শিশুর উপর অত্যাচারের খড়গ নেমে আসে, তা নিয়ে কি আপনাদের মাথাব্যথা আছে হে বুদ্ধিজীবী? নেই।

বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চুপ, কারণ তাদের মধ্যে দুই ধরনের সাইকোলজি কাজ করে –

১) ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সহানুভূতি;

২) সস্তা বক্তব্য দিয়ে জনপ্রিয়তা ধরে রাখার চিন্তা। বাংলাদেশে ইদানিং মাদ্রাসার ভেতরের ধর্ষণ নিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়, কিন্তু ভারতে? সেখানে কিছুই হয় না। ভারতের কওমি মাদ্রাসার হুজুররা কি এতো বেশি সৎ হয়ে গেল যে সেখানে তারা কাউকে কখনও ধর্ষণ করে না? ভারতের কওমি মাদ্রাসার হুজুররা বাংলাদেশের হুজুরেরা যে সংখ্যক ধর্ষণ করে সেরকম সংখ্যকই ধর্ষণ করে। কারণ দুটি দেশেরই কওমি মাদ্রাসার একরকম চেহারা। দুটি দেশেরই কওমি মাদ্রাসা নিয়ে চলে একইরকম রাজনীতি।

কিন্তু ভারতীয় মিডিয়ায় কেন মাদ্রাসার শিশু ধর্ষণ নিয়ে নিউজ হয় না?

এর প্রধানত দুটি কারণ:

১) মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বিরাগভাজন হতে না চাওয়া;

২) মুসলিম বিদ্বেষী বা ইসলামবিদ্বেষী তকমা পাওয়া থেকে সতর্কতার সাথে দূরে থাকা।

একটি প্রশ্ন :

বুদ্ধিজীবীরা একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে মুখে ঢিলা-কুলুখ পরে থাকে কেন?

একথা ঠিক,  বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিশুকে ধর্ষণ করলে সেটি নিয়ে আগে যেমন অভিভাবকেরা একেবারে চুপ থাকতো, এখন তারা কিছুটা হলেও নিরবতা ভেঙেছে। ভারতে এখনও পর্যন্ত সেটি হয়নি কারণ ভারতের কোন মাদ্রাসায় কোন ছাত্রকে ধর্ষণ করা হলে তার অভিভাবককে বারবার বোঝানো হয়, আমরা মুসলিমরা এ দেশে সংখ্যালঘু, আমরা এখানে অত্যাচারিত, এ দেশের হিন্দুরা আমাদের মাদ্রাসা বন্ধ করে দেবে, ইসলামের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করবে, সুতরাং তোমরা চুপ থাকো। এই কাজটাতে তারা বেশ সফল হয়।

কিন্তু আসলে কি তারা সফল? না। আমি তো দেখি তারা ব্যর্থ। মাদ্রাসার হুজুরেরা এবং ছাত্ররা সবসময় সমাজের নিম্নস্তরে অবস্থান করে। তাঁরা সমাজের সনিম্নবর্গীয় প্রাণী হিসেবে বিবেচিত হয়। উচ্চবর্ণের লোকেরা – তথা সমাজের বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদরা তাদের নিয়ে কথা বলে না। তাদের কোথাও ডাকে না। তাদের রাখা হয় পাদপ্রদীপের অন্ধকারে। একজন ব্রাহ্মণ যেমন তার সন্তানের সাথে শূদ্রের বিয়ে দিতে লজ্জা পায়, ঠিক তেমনিভাবে সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক ব্রাহ্মণ তথা বুদ্ধিজীবীরাও মাদ্রাসার মতো ব্যাপার নিয়ে, হুজুরদের মতো ব্যাপার নিয়ে, সমাজের সাধারণ কোন বিষয় নিয়ে, সাধারণ কোন মানুষ নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পায়, দ্বিধা করে বা আমলেই নেয় না।

বুদ্ধি-ব্রাহ্মণ অমর্ত্য সেন, বুদ্ধি-ব্রাহ্মণ অরুন্ধতী রায়ের মতো মানুষেরা নিম্নবর্গীয় জাত মাদ্রাসার হুজুর নিয়ে কথা বলবে কেন? তাতে জাত যায় না? আমরা কেবল গায়ের রং কিংবা বংশের নাম দিয়ে যে জাতপাত ভেদ করা হয়, সেটার বিরুদ্ধে কথা বলি, কিন্তু আপনার আমরা চিন্তাভাবনার বর্ণবাদ নিয়ে কথা বলি না।

চিন্তাভাবনার বর্ণবাদ কি জানেন? চিন্তাভাবনার বর্ণবাদ হচ্ছে চিন্তার ক্ষেত্রে আমি আমার নিজের লেভেলের নিচে নামবো না, অর্থাৎ আমি অমর্ত্য সেন নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করতে পারি, তাতে আমার চিন্তার জাতপাত ঠিক থাকবে। কিন্তু আমি মাদ্রাসা নিয়ে কথা বললে জাত থাকবে? মাদ্রাসার নাম নিলে বুদ্ধির গঙ্গাজলে স্নান না করা পর্যন্ত শুদ্ধ হওয়া যাবে না! বুদ্ধির এই ব্রাহ্মণ্যবাদের কারণেই মুসলিম নারীরা, তিন তালাকের শিকার হয়ে যাদের জীবন তছনছ হয়ে গেছে, তাদের আলোচনা অরুন্ধতীর টেবিলে অস্পৃশ্য।

যারা মাদ্রাসা পরিচালনা করে তাদেরকে বলা হয় মাদ্রাসার কমিটির লোক। যারা মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা করে তাদের কেউ ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় সভাপতি, কেউ সেক্রেটারি, কেউ প্রচার সম্পাদক, কেউ অর্থ সম্পাদক, কেউবা কর্মী। যে যত বড় দুর্নীতিবাজ ও মাস্তান সে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির তত বড় হোমরা চোমরা। এরা সাধারণত নিম্নমানের মূর্খ হয়, যেমনটি বাংলাদেশের রাজনীতির চিরায়ত সৌন্দর্য (?)। এই মূর্খ রাজনীতিকেরাই ইসলামের রক্ষক। ওরা ওয়াজ-মাহফিলের আয়োজন করে, ওয়াজ-মাহফিলে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করে, ইসলামের জন্য জান কোরবান করে। পাবলিককে খুশি করার জন্য এরা কখনও বলে, ‘নাস্তিকদের কল্লা নামিয়ে ফেলবো!’ কখনও বলে, ‘অমুক দেশের ইসলামবিদ্বেষী প্রেসিডেন্টকে হত্যা করে আমি ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে চাই!’

যারা মসজিদ ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারি, মোতোয়াল্লী হয় এবং তারা দুর্নীতিবাজ, লম্পট এবং চরিত্রহীন হয়। দুর্নীতি ও সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি করে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হওয়ার পর বিত্তের জোরে ওরা বেহেশত এবং চারিত্রিক সার্টিফিকেট দুটোই কিনতে চায়।

এই সময়ে তারা দুটি বিষয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে :

এক) বেহেশতের ঘোষিত টিকেট;

২) চরিত্রের ঘোষিত সার্টিফিকেট। এই সার্টিফিকেট সমূহ দেয়ার জন্য তাদের দরকার একদল নিষ্পাপ মানুষ, যাদেরকে বলা হয় আলেম বা হুজুর। অবশ্য হুজুরদের চরিত্র কেমন হয় সেটা আমাদের এখন আর অজানা নয়! আমাদের দুর্নীতিবাজ নেতাদেরও সেটি অজানা নয়। দুর্নীতিবাজ নেতাদের বেহেশতের সার্টিফিকেট এবং চারিত্রিক সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য এবং এর পাশাপাশি মাদ্রাসা ছাত্রের মা-বাবারও বেহেশত নিশ্চিত করার জন্য যে অশুভ প্রক্রিয়া তৈরি হয়েছে, তারই নাম মাদ্রাসা। সুতরাং মাদ্রাসায় ধর্ষণ হোক, খুন হোক, নির্যাতন হোক তা নিয়ে আমাদের বেহেশত-লোভী মাতাপিতা এবং সার্টিফিকেট লোভী নেতাদের মাথা ঘামানোর টাইম কই?

ওয়াজে, চল্লিশায়, মৃত্যুবার্ষিকীতে, সুন্নতে খতনায় হুজুররা যেভাবে দুর্নীতিবাজ নেতাদের মাতাপিতা, ভাইবোন, শ্বশুর-শাশুড়ি, শালা-শালীসহ চৌদ্দ গুষ্টিকে বেহেশতে পাঠায় তার নমুনা জগতে আর কোথায়ই বা আপনি পাবেন? কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করে, শত শত মানুষ খুন করে, হাজার মানুষের জমি দখল করার পর যদি হুজুরদের সামান্য দিলেই বেহেশতের সার্টিফিকেট চারিত্রিক সার্টিফিকেট সব পাওয়া যায়, তবে কেন বন্ধ হবে এ আয়োজন? বরং মাদ্রাসার এই আয়োজিত ধর্ষণের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাঁকেই তো মেরে ফেলতে হবে, তাই নয় কি?

লেখক ও গণমাধ্যম কর্মী সাইফুল বাতেন টিটো সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, যেখানে তিনি পত্রিকার নিউজের সূত্র ধরে বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসায় ঘটা গত একমাসের খতিয়ান তুলে ধরেছেন। টিটোর লেখার কিছু অংশ তুলে ধরেই আমার দুই পর্বের এই লেখার  ইতি টানছি :

“অক্টোবর ২০২০ মাসে কওমি মাদ্রাসা, মক্তব, মসজিদে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষণ চেষ্টা ও শারিরীক নির্যাতনের মোট ৩৩ টি ঘটনা আমরা জানতে পেরেছি জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকাগুলো থেকে। সেখানে দেখা যায় ১ অক্টোবর ২০২০ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২০ এই পুরো এক মাসে ৩৩ টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যার মধ্যে ২৪ টি ছেলে শিশু আর ৯ টি মেয়ে শিশু। একটি শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণ চেষ্টা ও যৌন নিপীড়ন চালানো হয়েছে সাতটি শিশুর উপর। অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে ৬৬ টি শিশুর উপর। সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম আর সিলেট অঞ্চলে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের যে সকল এলাকা থেকে বেশিসংখ্যক লোক দেশের বাইরে থাকে এবং ধার্মিক ও অপরাধপ্রবণ হয়, সেইসব এলাকার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগ ও সিলেট বিভাগ উল্লেখযোগ্য।”

প্রথম পর্বটির লিংক:

https://womenchapter.com/views/36370

শেয়ার করুন:
  • 710
  •  
  •  
  •  
  •  
    710
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.