‘শকুন্তলা দেবী’ শুধুই কি একজন গণিতজ্ঞ বা একটি চরিত্র?

সুপ্রীতি ধর:

শকুন্তলা দেবী ভারতের খুবই সাধারণ, অর্থাৎ নিম্নবিত্ত ঘরে জন্ম নেয়া একজন অনন্য সাধারণ মেধাবী ব্যক্তিত্ব। ১৯২৯ সালের ৪ নভেম্বর কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালুরুতে জন্ম নেন তিনি। মারা যান ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল। তাঁর এই দীর্ঘ জীবন পরিক্রমায় তিনি একজন লেখক এবং ‘মেন্টাল ক্যালকুলেটর’, অথবা ‘হিউম্যান কম্পিউটার’ হিসেবে বিশেষ খ্যাতি পান। মাত্র ছয় বছর বয়সেই তিনি মাইসোর বিশ্ববিদ্যালয়ে এরিথমেটিক সমাধান করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। তখন থেকেই তাঁর বাবা মেয়েকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে থাকেন, অর্থের বিনিময়ে মেয়েকে দিয়ে কঠিন সব গণিতের সমাধান করাতে থাকেন, ফলে ছোটবেলা থেকেই সংসারের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে তুলে দেয়া হয়।

১৯৪৪ সালে লন্ডনে চলে যান তিনি তাঁর বাবাসহ। সেখানে প্রথমদিকে তাঁকে জায়গা করে নিতে বেশ বেগ পেতে হলেও ধীরে ধীরে স্থান করে নেন প্রাজ্ঞজনের কাতারে। ১৯৫০ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন তাঁর এরিথমেটিক জ্ঞান নিয়ে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি সম্মানিত হন।

এভাবেই একদিন কোনরকম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তাঁর না থাকলেও গণিতশাস্ত্রের তাঁর অসামান্য মেধা আর প্রজ্ঞা তাঁকে জগতজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি গণিতের মতোন বিষয়কে অত্যন্ত সহজ করে দিয়েছিলেন। ১৯৮২ সালে শকুন্তলা দেবী ‘গিনেস বুক অব রেকর্ডসে’ স্থান করে নেন। যদিও সার্টিফিকেটটি তিনি পান ২০২০ সালের ৩০ জুলাই, মাত্র সেদিন।

গণিতে তাঁর এই অসাধারণ প্রতিভা নিয়ে গবেষণাও হয়েছে।
পরবর্তি জীবনে তিনি বেশকিছু বই লিখেছেন, যার একটি ছিল ভারতে সমকামিতা নিয়ে The World Of Homosexuals, এটিকে সমকামিতা নিয়ে ভারতের প্রথম গবেষণা ধরা হয়ে থাকে, তবে এ নিয়ে প্রচুর সমালোচনাও তাঁকে শুনতে হয়েছে। তিনি সমকামিতাকে ইতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন তাঁর বইতে। এছাড়াও তিনি লিখেছেন গণিত, পাজলস এবং জ্যোতিষশাস্ত্র নিয়ে বেশকিছু বই।

ষাটের দশকের মাঝামাঝিতে তিনি ফিরে এসেছিলেন ভারতে এবং বিয়ে করেন পরিতোষ ব্যানার্জী নামের এক বাঙালীকে, যিনি ছিলেন সরকারি একজন কর্মকর্তা। তবে বিয়েটা ভেঙে যায় ১৯৭৯ সালে ব্যক্তিগত কিছু কারণে। ১৯৮০ সালে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে অংশ নেন। কিন্তু হেরে যান। আশির দশকের শুরুতে তিনি ফিরে আসেন ব্যাঙ্গালুরুতে। ২০১৩ সালে ৮৩ বছর বয়সে কিডনি এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ‘হিউম্যান কম্পিউটার’ খ্যাত শকুন্তলা দেবী।

সংক্ষেপে এই হলো ব্যক্তি শকুন্তলা দেবীর জীবনী।
এবার আসি সনি পিকচার্স এর নির্মিত শকুন্তলা দেবী সিনেমাটা সম্পর্কে, যা নাকি গত ৩১ জুলাই আমাজন প্রাইম ভিডিওতে রিলিজ করা হয়েছে।

সিনেমাটা দেখার পর তাৎক্ষণিক এক রিভিউতে তানবীরা তালুকদার লিখেছেন, “আমার কাছে পুরো সিনেমাটাই লেগেছে বেদনা বিধুর। এখানে ছিলো কতগুলো ভাঙাগড়া সম্পর্কের গল্প। শৈশব হারানো এক দুঃখিনী বালিকার নাম “শকুন্তলা দেবী”। অন্য আট দশটা মেয়ের মতো সে স্কুলে যেতে পারেনি, খেলতে পারেনি, তার বাবা তাকে দিয়ে যত বেশি রোজগার করাতে পারে, রেখেছিলো সেই দশায়। একমাত্র সাথী, আদরের বিকলাঙ্গ বড় বোন “সারদা”কে অল্প বয়সে হারিয়ে সে পুরো একা। মায়ের সমর্থন চেয়েছিলো বারে বারে, কিন্তু মা তা দিতে ছিলেন অক্ষম। মায়ের অক্ষমতাকে মানতে পারেনি শকুন্তলা, দারুণ ক্ষোভে মায়ের পাশ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। প্রেমে ব্যর্থ, কারণ সে নির্ভেজাল প্রেম চেয়েছিলো, কারো প্রয়োজন হতেও চায়নি, কাউকে প্রয়োজনীয় বানাতেও চায়নি। যে মেয়েটি পাঁচ বছর বয়স থেকে রোজগার করে পরিবারকে চালাচ্ছে, তার কাছ থেকে অন্য কী আশা করা যায়?
এরপর শকুন্তলা নিজে মা হলো। একাকি শকুন্তলা মাতৃত্বেই নিজেকে পূর্ণ করতে চাইলো। চললো ভাঙা-গড়ার খেলা। বারবার মেয়ের কাঠগড়ায় শকুন্তলা। আর সব মায়েদের মতো সন্তানের কাছে নিজেকে সমপর্ণ করলো। সব স্যাক্রিফাইস মায়েদের কাছেই আশা করা হয়, মেয়েদের কাছেই আশা করা হয়। সমাজের ছকে বড় হওয়া সন্তানরাও তাই চায় যতদিন না তারা নিজেরা মা হয়, নিজেরদের পা সেই জুতোয় গলায়। প্রাণের চেয়ে প্রিয় ম্যাথ ছেড়ে দিলো শকুন্তলা, ছেড়ে দিলো আরও বাকি সব, যা যা মেয়ে চায় না। কালের নিয়মে মেয়ে বড় হলো, মেয়ের প্রেম হলো, মেয়ে বিয়ে করে যখন স্বামীর সাথে চলে যাবে মায়ের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। সর্বস্ব দিয়ে মা চাইলো, মেয়েকে-জামাইকে কাছে রাখতে, পাশে রাখতে। শুরু হলো মা-মেয়ের যুদ্ধ। প্রথমে মা হারলো, মেয়ে জিতলো। কালের নিয়মে মেয়ে যখন মা হলো, তখন আবার ভুল বোঝাবোঝির অবসান।
ম্যাথের জিনিয়াসনেস, পার্টি, প্রোগ্রাম, অডিয়েন্সের তালি, এসব ছাপিয়ে আমার চোখে পড়েছে গিনেস বুক ওফ রেকর্ডসে “পৃথিবীর একমাত্র হিউম্যান কম্পিউটার” এর নিঃসঙ্গতা, আপনজন হারানো, আপনজনকে পাশে রাখার আকুতি। হতে পারে তিনি অনেক কিছুই নিজের টার্মস এন্ড কন্ডিশনে চেয়েছেন, কম্প্রোমাইজে চাননি, পাঁচ বছর থেকে খেটে খাওয়া একজন আত্মনির্ভরশীল মানুষের জন্যে সেটাই অনেক বেশি স্বাভাবিক। ভিদ্যা বালান আমার সব সময়ের খুব পছন্দের অভিনেত্রী। তার কারণে “ডার্টি পিকচারে”র মতো সিনেমাও অনায়াসে দেখা যায়, আর “শকুন্তলা দেবী” তো বারবার দেখা যায়। ভিদ্যা বালান এই সিনেমার জন্যে পার্ফেক্ট চয়েস”।

এবার আসি সিনেমাটি সম্পর্কে আমার পর্যবেক্ষণ নিয়ে। খুব সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম কিছু কথা মনে দাগ কেটে আছে। পাঁচ বছর বয়সে শকুন্তলাকে যখন প্রতিবন্ধী বোন সারদা বলে যে, তুমি একদিন বড় ‘আদমি’ হয়ে যাবে, সাথে সাথেই ওইটুকুন মেয়ে বলে উঠে, ‘আদমি’ কেন হবো? ‘আওরাত’ হবো আমি। এখানেই শুরু আমার সিনেমা দেখা পর্বের। তখনই বুঝে যাই, এই মেয়ে বড় হয়ে ‘হিউম্যান কম্পিউটার’ এর বাইরেও অন্যকিছু হয়ে উঠবে। তাকে দিয়ে তার বাবা যখন অর্থ উপার্জন করান, বাবার প্রতি একধরনের অশ্রদ্ধা গড়ে উঠে তার ভিতরে। তিনি স্কুলে যেতে চাইলেও অনুমতি মেলেনি। বাবাকে সে গোণাতেই ধরে না ঠিক তখন থেকে। আর মায়ের নীরবতা তাকে ভেঙেচুরে দেয়। কেন মা নীরব থাকে সবসময়, এটা ছোট্ট শকুন্তলা বুঝে উঠতে পারে না, কেন বোন সারদা বিনা চিকিৎসায় মরে যাবার পরও মা কিছুই বলে না, মায়ের শূন্য ও অসাড় দৃষ্টি একধরনের অভিমানের জন্ম দেয় শকুন্তলার মনে। মাকে বার বার প্রশ্ন করে শকুন্তলা, উত্তরে মা শুধু একটি কথাই বলেন, নিজে মা হও, তখন বুঝবে। চিরায়ত একটি কথা, অথচ কত শক্তিশালী! ছবিটির পরবর্তিতে আমরা দেখতে পাই যে মায়ের স্পর্শের বা গন্ধের খোঁজে শকুন্তলা ফিরে যান শৈশবের বাড়িটাতে এবং চিৎকার করে কাঁদেন মায়ের ছবি আর কাপড় জড়িয়ে ধরে। মা ও মেয়ের অনবদ্য এক সম্পর্ক দেখা যায় ওই দৃশ্যে।

শকুন্তলা বেড়ে উঠতে থাকেন চল্লিশের দশকে ভারতীয় এক সমাজে, যেখানে পিতাই সর্বসময় কর্তা। অবশ্য আজকের যুগেও এর অন্যথা হতে তো দেখি না খুব একটা। তদুপরি সেই সমাজ থেকেই এমন একজন জিনিয়াসের বের হয়ে এসে বিশ্বের বুকে জায়গা করে নেয়াটা চাট্টিখানি কথা না। লন্ডনে চলে আসার পর যে তাকে সবাই সাদরে অভ্যর্থনা জানিয়েছিল, তা নয়। প্রচুর ব্যাঙ্গোক্তি তাকে শুনতে হয়েছে পুরুষপ্রধান জগতে। একে তো ভারত থেকে আসা, যা নাকি ব্রিটিশদের কলোনি তখন, তার ওপর তার ভাঙা ভাঙা ইংরেজি, সবমিলিয়ে শকুন্তলা দেবীর স্থান করে নেয়াটা কঠিনই ছিল। কিন্তু পেরেছেন তিনি। ভিদ্যা বালান অসাধারণ অভিনয় প্রতিভা দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন কিংবদন্তিতুল্য প্রতিভা শকুন্তলা দেবীর চরিত্রটিকে।

চলার পথে প্রেম এসেছে, ক্ষণিকের জন্য দুর্বলতাও কাজ করেছে আর দশজন স্বাভাবিক মানুষের মতোনই, কিন্তু ওই যে ছোটবেলা থেকে নিজের পায়ে চলার যে শক্তি অর্জন করেছেন শকুন্তলা, সেই ভুবনে বাইরের একজন কারও পক্ষে জায়গা করে নেয়া কঠিন। তাই ওসব ক্ষণিকের মোহ হিসেবেই রয়ে গেছে। কিন্তু বাদ সাধে মাতৃত্বের আকাঙ্খা। তিনি মা হতে চেয়েছিলেন। হয়তো নিজের মায়ের সাথে তার যে দূরত্ব ছিল তা কাটিয়ে উঠতেই তিনি একটি মেয়ের মা হতে চেয়েছিলেন। হয়েছিলেনও। এখানে স্বামীর চরিত্রে যীশুও অসাধারণ অভিনয় করেছেন। ছবিটিতে বেশ ইতিবাচক স্বামী আর বাবা তিনি। স্ত্রী এবং মা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মাথায় আবার ভর করে গণিতের প্রতি প্রীতি আর মঞ্চের হাততালি, প্রশংসা আর সম্মানপ্রাপ্তির প্রতি দুর্বলতা। নিজের সাথে লড়াইয়ে নামেন শকুন্তলা। স্বামী এগিয়ে আসেন এবার। বলেন যে, মেয়ের দায়িত্ব তিনি নিচ্ছেন, কাজেই শকুন্তলার সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা হয় না। বেরিয়ে পড়েন আবার সারাবিশ্বে। কিন্তু যখনই তিনি শুনতে পান যে মেয়ের মুখে প্রথম বোল ‘বাবা’ শব্দটা, স্থির থাকতে পারেননি। চিরায়ত ‘মা’ ডাকের প্রতি নারীমাত্রই দুর্বলতার ঊর্ধ্বে তিনি নন। ফিরে আসেন তিনি, এবার সপরিবারে তার সাথে যাওয়ার আব্দার করেন। প্রশ্ন তোলেন, আজ যদি তার স্বামী গণিতজ্ঞ হতেন, তাহলে কি স্ত্রী, সন্তান তার সাথে সাথে থাকতো না? তিনি নারী বলে কেন তাকে সব ছেড়ে আলাদা থাকতে হবে? স্বামী অনেক ইতিবাচক থাকলেও এক্ষেত্রে হয়তো তার পুরুষালি অহমে বাদ সাধে। শকুন্তলা নিজ সিদ্ধান্তে অটল। মেয়েকে নিয়ে পাড়ি জমান লন্ডনে। একা মা এর নতুন লড়াই শুরু হয় তখন থেকেই।

এই জায়গাটায় ভাবনার অবকাশ থাকে। তিনি সবকিছু দেয়ার চেষ্টা করেন মেয়েকে, কিন্তু বাবার প্রতি মেয়ের ভালবাসার কাছে কেন জানি একটু একটু করে হেরে যেতে থাকেন, দূরত্ব তৈরি হতে থাকে মা-মেয়েতে। জীবনভর অর্থের পিছনে, যশের পিছনে ছুটতে বাধ্য হওয়া শকুন্তলা মা হিসেবে অনন্য হতে গিয়ে হোঁচট খান। মেয়ে যে আলাদা এক সত্ত্বা, সেখানেই তৈরি হয় বিভেদ। নিজে কখনও কোনো বন্ধনে আটকাননি শকুন্তলা, কিন্তু মেয়ে চায় একটি ঠিকানা, একটি ঘর। একজন নারীর ক্যারিয়ারিস্ট হওয়ার পথে সন্তানও যে প্রতিবন্ধক হয়ে উঠে তা খুব সুক্ষ্মভাবেই দেখানো হয়েছে মুভিটাতে। মেয়ে ঘৃণা করতে শুরু করে মাকে এবং মায়ের ক্যারিয়ারকে। বড় হতে হতে সেই ঘৃণা ভয়াবহ আকার নেয়, অন্যদিকে শকুন্তলা মাতৃত্বের পিছনে ছুটতে ছুটতে একসময় প্রিয় গণিতশাস্ত্রও ভুলে যেতে থাকেন।

সবশেষে মেয়ে যখন মা হয় তখনই বুঝতে পারে নিজ মাকে, মায়ের লড়াইকে। মিলন হয় দুজনের। এই যে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মা-মেয়ের সম্পর্কের রসায়ন, অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে শকুন্তলা দেবী ছবিটাতে।

ছবির প্রতিটা বাঁক মনে দাগ রেখে যায়। মূলত খ্যাতিমান একজন গণিতজ্ঞের মাতৃত্ব, একাকিত্ব, নি:সঙ্গতা ছাপ রেখে যায় আর সবকিছুকে তুচ্ছ করে। একজন নারী, একজন মা, সেইসাথে মেয়ে, স্বামী এসবগুলো চরিত্রের ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে পারস্পরিক বোঝাপড়ার উঠানামা মনের মাঝে একটা ভারী বোঝা যেন তৈরি করে, যা কিনা ছবিটা দেখার পর চারদিন পেরিয়ে গেলেও বের হয়ে আসতে পারি না একজন দর্শক হয়ে। নিজেকে খুঁজে পাই প্রতিটা বাঁকে বাঁকে। বিশেষ করে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে একজন নারীর ক্যারিয়ার গড়তে চাওয়া, মাতৃত্বের আকাঙ্খা, অবশেষে মাতৃত্বের স্বাদ, আবারও কর্মের প্রতি প্যাশন, সন্তানের সাথে দূরত্ব, ভুল বোঝাবুঝি, সব মিলিয়ে শকুন্তলা দেবী যেন আমার নিজের জীবনেরই উপাখ্যান।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.