বিপ্রতীপ সময়: মাতৃত্বের দিনলিপি

0

সুচিত্রা সরকার:

আমার এখন নীল দুঃখের কাল চলছে। ইংরেজিতে বলে বেবিস ব্লু। প্রসব পরবর্তি দু মাস যে সময়টা মেয়েরা যাপন করে, তার এই অভিধা।

গতকাল ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে লক্ষ্য করলাম ডান পায়ের নখ কাটা। বা পায়েরগুলো কাটা হয়নি।
তিন দিন আগে নখ কাটতে বসেছিলাম। বাবিন কোনো প্রয়োজনে কেঁদে উঠেছিলো। আর কাটা হয়নি। পরে আর মনেও পড়েনি। ফুরসত কই নিজেকে নিয়ে ভাববার!

যারা আমার এখনকার কষ্টটাকে ইগনোর করতে চান, তারা ফুৎকারে এ উড়িয়ে দিতেই পারেন।
আমি তাতে হাসি।
অবশ্য কষ্টটা আমাকে হাসি দেবার অবসরও দেয় না।

কাল স্নান করেছি রাত সাড়ে তিনটায়। পরশু দুপুরের ভাত পাঁচটায়।
চুল আঁচড়াই সপ্তাহে একবার। শ্যাম্পু দিই চুলে গন্ধ হলে।

সারাদিনে ঘন্টা তিনেক হয়তো ঘুম হয়। বাদ বাকি সময় বাবিন।
বাবিন বাবিন বাবিন।

একটু ঠাণ্ডা লেগেছে। চুল ঘন কালো। প্রচুর ঘামে। সাত পাঁচ না ভেবে দিলাম কাঁচি চালিয়ে। বাবিন প্রায় ন্যাড়া এখন। ফিডিং এর আগে চা কফি আর কালো জিরা চিবিয়ে খাই।
ডাব খেতে ইচ্ছে করছিল।
ওর ঠাণ্ডা লেগে যাবে। বাদ দিলাম।

ঠাকুমা বলতো যে ব্যভিচারী হবে, সাত পুত্রের জননী হলেও হবেই।
মাসী এসেছিলো সাহায্য করতে। বাবিনের পঁচিশ দিনে চলে গেল। সাংসারিক কুটচালে আমি বিপর্যস্ত।

তাই স্বমহিমায় আবার ফেরত গেলাম।
বাবিন এক ঘন্টা ঘুমায়। তরকারি কুটি। পরের ঘন্টায় মাছ ধুই। পরের ঘন্টায় রান্না বসাই।
আহা জীবন! বেশ জীবন। নিজের রান্না খাবার মুখে রোচে না। তাই খাওয়া কমেছে। গালের চেকনাইও।

যাদের জন্য এ ব্যবস্থা, সকলের মঙ্গল হোক। ছাব্বিশ বছরে ছাব্বিশ হাজার যুদ্ধ করেছি। হার মানিনি।
সো, অন্য কোথাও দেখুন।

জন্মের তৃতীয় দিনের প্রবল জ্বরেই বাবিন ঘাড় তুলে আছড়ে পড়তো মায়ের বুকে। এখন নিরাপদ আশ্রয় তার খাদ্য তহবিল।

চোখের পল্লব আরেকটু ঘন হয়েছে। রঙটা আর ধবধবে নেই। তবু বিড়ালছানাটা চুকচুক করে দুদু খায়।

আমাদের একটা বাথরুম সঙ্গীত আছে। যেটা শুনলে বাবিন কাঁদে না- আমরা পুছু করি, আমরা পাকু করি…!
হাসে।

আমার দশ মাসের কষ্ট ভুলিয়ে দিতে বাবিনের প্রথম উপহার— হাসি।
ব্যাপক হাসে বাবিন।
মাকে লক্ষ্য করে!

মা অসহ্য হয়ে উঠলে বাবিনকে ধমক দেয়। বুকে ব্যথা মুচড়ে কাঁদে বাবিন। মায়ের মতো ঠোঁট উলটে। চুমু খেলে ব্যথা ভুলে যায়।

আজ চারটা টিকা দেয়া হলো। বুকে ঝিম মেরে পড়ে আছে।
টানা এক ঘন্টা কেঁদেছে দুপুরে।
বিজ্ঞান কী বলে?
কেন সহ্য হয় না? কেন উথাল পাথাল লাগে?
এই আবিষ্কারটা বাকি রয়ে গেল বিজ্ঞানের।

অথবা একটা ওষুধ দরকার। অন্তত আমার। বাবিন যখন কাঁদবে, ওষুধটা জল দিয়ে পেটে চালান।
ও কাঁদবে, লাফিং গ্যাস খেলে যেমন হাসে, এমন হাসবো।
বুকে কোনো কষ্ট থাকবে না! গলার কাছে কষ্টটা সাইবেরিয়ার বরফের মত জমে থাকবে না।

তাহলে অন্তত বাবিন নামক দুর্বলতা নিয়ে কেউ আমার সঙ্গে রাজনীতি করবে না। শত লাথি ঝাঁটাও আর ব্যাপার মনে হবে না।

ওষুধটা চাই আমার।

২.

ডাক্তারের চেম্বারে এক মা বিরাট জ্ঞানী। বলছেন-“আমি বুঝি না এখনকার মায়েরা কেমন? এই যে বাচ্চাটা দেখেন, পা কাঁথার বাইরে। বুক খোলা। রিকশায় দেখি বাচ্চার মাথা রিক্সার বাইরে বা পা। মা হেসে হেসে গড়িয়ে পড়ছে। কোনো হুঁশ নাই।”

এটুকু বলার পর তার ছেলের দিকে বিশেষ দৃষ্টিতে তাকালাম। এরকম সমালোচক মায়ের পুত্র নিশ্চয়ই ঠিকঠাক হবেই সবদিক থেকে।

আমি নবজাতক মা। তবু বুঝে গেলাম তার ছেলের ফ্ল্যাট হেড সিনড্রোম আছে। শিশু বয়সে ভুল পদ্ধতিতে শোয়ানোর ফল।

জিজ্ঞেস করলাম। বললো, হুম একটু বাঁকা।
কাউন্সিলরের কাছে এসেছে। বাচ্চা পড়ে না। যা চেয়েছে তাই দিয়েছে, ফলস্বরুপ…

সেই।
পারফেক্ট মা হওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। এ জবটা খুব ইজিও নয়। তাই যারা মনে করছেন ‘শালী সুচিত্রা পারছে না কেন’ তারা এ লেখা থেকে বিরত থাকুন।

বাইরে প্রচণ্ড গরম। ঘরে আরো। বাবিনের কাশি। ডাক্তারের নির্দেশে ফ্যান মধ্যম লয়ে ঘুরে চলছে।
গায়ে হাতে ঘামাচি হয়ে গেল। চুলকানির ঠেলায় ফ্রিক লাগে। তবু বৃষ্টি এলে ভেজা যাবে না। আইসক্রিম দূর তফাৎ।

জলপাই ডিপে রেখেছিলাম কেজি দশেক। আচার বানিয়ে বিলিয়ে বেড়াচ্ছি। মুখে এক চামচও নয়।
বাবিনের পেট খারাপ হবে।
কফিটা একটু ধরেছিলাম। ড্রিপ কফির বয়াম আবারও ফ্রিজে গেল।

সাড়ে চারশোয় সরিষা বালিশ কেনা হয়েছিল। চঞ্চল কিশোরের মতো নড়ে বাবিন। সুতরাং মাথা বালিশের বাইরে।

এই শরীরে নিউমার্কেট গেলাম। মাঝখানে গোল গর্তওয়ালা বালিশ কিনলাম। থাইল্যান্ডের। ওয়াশেবল বলে বেচলো।

দুদিন ধরে লক্ষ্য করলাম মাথার পেছনটা খুব গরম হয়ে যায়। তাতেও একটা রোগ হয়ে যায়।

কী করা! কী করা!
আইডিয়া স্যারজি।

কোলবালিশ বানানো হয়েছিলো শিমুল তুলার। সেই একটা বালিশের তুলা বের করে থাইল্যান্ডের বালিশে ট্রান্সফার হলো।
থাইল্যান্ড না ছাই। ইসলামপুরের ফোম গুঁজে দিয়েছে। পুরো দেশটাই না ইসলামপুর হয়ে যায়!

টিকা কি রোগের প্রতিষেধক না আগমনী গান? তারপর থেকে লেগেই আছে কিছু না কিছু।

সেদিন রাত দুটায় শ্যামলী গেলাম। ডাক্তার ছ মাসের বাচ্চার ওষুধ লিখে দিলো।
সমাধান দিলো আমার কাউন্সিলর মুন্নী আর বন্ধু খেয়া। পরে ডাক্তারও একই ওষুধ বললো!

কী একটাবস্থা! বাবিন কথা বলে না এখনও। কান্নাই ওর ভাষা। কান্নাতেই বুঝেছি ওর পেটে ঝামেলা।
দুদিন পর আবার ঢামেক চলো।
ব্রোঙ্কাল ধরেছে এই বেলা।
মধ্যরাত তখন।

চব্বিশ ঘন্টা খোলা ফার্মেসিগুলো ছিলো ভাগ্যিস!

সকালে এক ডোজ দিলাম। ঘন্টা পর থেকে ডায়রিয়া।
না আমি তেমন কিছু খাইনি। মা পই পই করে বলেছে বাচ্চার মায়ের মুখ বাঁধতে হয়। সেই থেকে বাঁধাই আছে।

ওষুধের বাক্সটা থেকে নির্দেশিকার চোথাটা খুঁটিয়ে পড়লাম। সাইড ইফেক্ট মেলাগুলো। তবে ডোজ কমালে বা বন্ধ করলে প্রতিক্রিয়াও চলে যাবে।
ডোজ অর্ধেক করলাম।
আর দুটো স্যালাইন নিজে খেলাম।

পাকুর গন্ধ শুঁকলাম সন্ধ্যায়। না, নেই গন্ধ! ভালো হয়ে গেছে বাবিন।

আগে যদি কেউ বলতো টানা দু মাস না ঘুমিয়ে, ঘণ্টায় ঘন্টায় ব্রেস্ট ফিডিং, রান্না, টুকটাক কাপড় ধোয়া, দিনে তিনবার ফিডার পরিষ্কার ইত্যকার কাজ করার পরও বাচ্চা হাসলে সুখ লাগে— চাপাবাজ বলে উড়িয়ে দিতাম।

এখন বুঝি বাচ্চার জন্য দুঃশ্চিন্তায় বিপন্ন মায়েরা কতটা অসহায়! আবার বাচ্চার নয়া নয়া কার্যকলাপে মায়েরা কতটা সুখী।

বাবিন এখন হাসে আর হাসে। আমার মতো আদ্ধেকখান টোল তার। মেজাজ খারাপ করে বকলে মিষ্টি হাসি ঘুষ দেয়।

কাঁচি চালানো চুলগুলো খানিক বড়। আগে বুকে ঘুমাতো। এখন পেটেও।
পাকু পরিষ্কার করতে গিয়ে এক পা উঁচু করলে সে নিজেই আরেক পা তুলে দেয়।

ক্ষুধা পেলে ‘আই আই’ করে জানান দেয়। একা থাকা বিরাট অপছন্দ তার। গুরুত্ব আদায় করতে শিখে গেছে বিল্লিটা।

৩.

কেন বাবিনের সংগঠন করা জরুরি……..!

সংগঠন করেছি বলে আমি মানবিক মানুষ নই। মানবিক বলে সংগঠন করেছি।

দেশে সেবার প্রচণ্ড বন্যা। ভেসে যাচ্ছে সব। ক্লাস এইটে স্কুলের বন্ধুদের কাছ (ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে তুলেছি, কেউ দিতে চায়নি) থেকে তিনশ আঠারো টাকা আর পাঁচটা ওরস্যালাইন (একজন টাকা মেরে দেব ভেবে) নিয়ে ক্লাস এইটে ডাকসুতে চলে গেছিলাম। ওরস্যালাইন, রুটি বানিয়ে হাত পাকিয়েছি।
তারপর সিডর, আইলা, বন্যা, খরা, বোমা হামলাসহ কত মানবেতর জীবনে শহর ভেসেছে।
ক্লাস এইটের মতোই বিবেকের তাড়নায় ছুটে গেছি।
কনকনে শীতে এলাকা থেকে শীতের কাপড় সংগ্রহ করে নিজেই অ্যাজমায় পড়েছি।

এই করতে করতে সংগঠনে আমার চৌদ্দ বছরে প্রবল ঠোকনা খেলাম। ছোট ছোট বাঁদরের বড় বড় ল্যাজের কাছে পরাস্ত হলাম বা নিজেকে নোংরামো থেকে সরিয়ে নিলাম।

নেয়াটা খুব সহজ ছিল না। চৌদ্দ বছরে নিজেকে একটা গণ্ডিতে আবদ্ধ রাখলে যা হয়।
বন্ধু বলো, চায়ের দোকান বলো, আড্ডাবাজি বলো- সব একটা এলাকাজুড়েই।

তাই প্রথম ছাড়লাম এলাকা। তারপর লাল চা। আড়াইশ জনকে ফেসবুকে ব্লক। মিছিলের বদলে লাইব্রেরি। সাহিত্য, সাংবাদিকতা, গবেষণা, সিনেমা, গান, চলতি ফ্যাশনে পোশাক, প্রেম।
নিজের প্রতি কনফিডেন্স কমে গিয়েছিল।

দেখলাম সংগঠনের বাইরে আরও অনেক কিছু আমি চেষ্টা করলেই পারি।

একটা মানুষ সেসময় যদি পাশে না থাকতো, জানি না চৌদ্দ বছরের ভ্যাকুয়াম কীভাবে দূর করতাম পজিটিভ ওয়েতে।
যাই হোক।

তারপর ভেবেছি, প্রায় শপথের মতো, সন্তানকে কখনো সংগঠন করতে দেবো না।
প্রেম ভেঙে যাবার পর প্রবল কান্নার কষ্ট সন্তান পাক, মা হিসেবে মেনে নিতে পারবো না।
রাত জেগে কাঁদুক, শহরে অথৈ কষ্ট নিয়ে দিন রাত হেঁটে বেড়াক- চাই না।

সিদ্ধান্ত এইমত ছিল।
সিদ্ধান্ত পাল্টালাম।
কারণ আর কিছু নয়।

শহরে হরতাল, ঈদ, বৃষ্টি, খরায় একটা জাতি জনগণকে পেয়ে বসে। রিকশাওয়ালা।

রিকশায় চড়তেই হয়। এবং লুম্পেনদের বকতে বকতে পথ চলি। চল্লিশ টাকার ভাড়া একশ চল্লিশ। তাও চেহারা নির্বিকার। কেমন করে পারে এরা?

বিবেক বলে কিছু নেই এদের! যেই দেখেছে জনগণের প্রয়োজন বেশি রিকশার, ভাড়াটা বাড়িয়ে দিয়েছে। নৈতিকতা কিচ্ছু নেই।

জনগণও তেড়ে ফুঁড়ে তেতে থাকে এদের প্রতি। রিকশাওয়ালা খুব খারাপ, তাই মেরেই এদের শায়েস্তা করা প্রয়োজন, প্রায় সকলের সিদ্ধান্ত এই।

কিন্তু কতজনকে মারবো? আজ দেখছি পুরো সমাজটাই ওই রিকশাওয়ালা স্ট্যান্ডার্ড!
সুযোগে লোকের থেকে হাতিয়ে নেবার ধান্ধা। সেটা রিকশাওয়ালাদের চে অনেক নিপুণ উপায়ে করছে হরহামেশা।

চালের সংকট। বাতামতলীতে বস্তা প্রতি চারশ টাকা বেড়ে গেল!

দেশি আদার চে ইন্ডিয়ান আদার চাহিদা বেশি। হোক কম স্বাদের। দাম আগুনের কাছাকাছি।

ঈদ আসছে, কাপড়ের দোকানদার বোনাসের পুরোটাই রেখে দেবার জোগাড় করেন আরকি!

সিনেমা হলে নতুন সিনেমাটার ব্যাপক কাটতি! ব্যস! ব্ল্যাকে ডাবল দামে!

এখন তো শুনি নামকরা স্কুলের বেতন দু হাজারের নিচে নয়। অথচ শিক্ষার দাম হওয়া উচিত মূল্যহীন!
ওই যে চাহিদা!

এরকম যতগুলো পর্যায় আছে জীবন যাপনের, সেখানে চাহিদা বৃদ্ধি বা সংকট তৈরি হলেই দাম বেড়ে যায়।
মানবিকতা, সেবাব্রত এখানে শুধু মাদার তেরেসার ধর্ম!

এবারের ডেঙ্গুতেও তাই। ভারতের অডোমস ক্রিম আর রোল অন বেশ কার্যকরি। দাম পঞ্চাশের মধ্যেই।
এগুলো কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না।
দেখতে পাচ্ছি কিছু কিছু দোকান আর মানুষ রীতিমতো দ্বিগুণ, চারগুণ, দশগুণ দামের বিনিময়ে বিক্রি করছে এসব।
সুন্দর পৃথিবীতে আরো বাঁচিবারে চাই। তাই দাম দিয়েই কিনতে বাধ্য সকলে।
অথচ হওয়া উচিত ছিল এই, এই পণ্যগুলো নিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে মানুষ, মানুষের সেবায়।

ডেঙ্গু টেস্টের জন্য হাসপাতালগুলো উচ্চমূল্য ধার্য করেছে রীতিমতো।

তার বিপরীতেও দৃশ্য আছে। মানবিকতার দৃশ্য। কিছু সংগঠনের ছেলেরা রাস্তা পরিষ্কারের দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছে। শহীদ মিনার, সংসদ ভবন, নিজ পাড়া মহল্লার অলিতে গলিতে ঝাঁট দিচ্ছে মশা তাড়াতে। জনগণকে সচেতন করছে।

আগে যেমন আমরা বন্যায় চিড়া, গুড়, ম্যাচ, মোমবাতি নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দিতাম (আগে মানে আবার বলবেন না যে, নিজেকে পাকা বুড়ি বানাচ্ছি। এখনও একদল ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ায়)।

তাই কল্পনা করতে ভালো লাগে আমার বাবিন, বন্যা, খরায় বা রোগাক্রান্ত শহরের সেবক হয়ে দৌঁড়ে বেড়াবে শহরময়!

কষ্ট হয় এই ভাবতে যে, শহরের দুঃসময়কে তার আখের গোছাতে কাজে লাগাবে।

মানবিক মানুষ নির্মাণে তাই বাবিনের সংগঠন করা জরুরি। মা হয়ে স্বার্থপরের মতো বাঁচুক বাবিন, চাই না।

লড়াই করো, লড়াই করো, লড়াই করো, লড়াই
যতদিন না বিজয়ী হও।

(তবে সংগঠনে লুম্পেন, হিপোক্রেট আর অসাধুদের টাইট করার শক্তিও তৈরি হোক বাবিনদের মধ্যে।)

শেয়ার করুন:
  • 293
  •  
  •  
  •  
  •  
    293
    Shares

লেখাটি ৯৯২ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.