একেলা নারীর বারোয়ারীকরণ

0

রোখশানা রফিক:

“পুত্রস্য ক্রিয়তে ভার্যা”—অর্থাৎ স্ত্রী পরিগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হলো পুত্রসন্তান লাভ, এটি আমাদের উপমহাদেশীয় সমাজব্যবস্থায় একটি বিপুল আলোচিত ও বহুলচর্চিত সংস্কৃত প্রবাদ বাক্য। আর বাঙালী সমাজে এটাই যেন নারী জন্মের একমাত্র সার্থকতার পরিচয় বহনকারী।

“মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত” কথাটিকে একটু ভিন্নার্থে তীর্যকভাবে বিশ্লেষণ করলেও কিন্তু সন্তান লাভকেই নারী জীবনের মহিমাময় মোক্ষধাম বলে বর্ণনা করা হয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়। পাপ-পূণ্য সমৃদ্ধ একজন নশ্বর মানবীর পদতলে বেহেশতের মতোন মহার্ঘ্য বিষয় শুধুমাত্র মাতৃ্ত্বের মাধ্যমে বজায় থাকার কথা বলা হয়েছে এক্ষেত্রে।

এ দু’টো প্রবাদ এ আলোচনার প্রথমেই তুলে আনার কারণটি যুক্তিনিষ্ঠ। যেহেতু এই উপমহাদেশীয় সমাজব্যবস্থায় বিবাহ-বহির্ভূত সন্তানের সামাজিক পরিচয় অসংখ্য নেতিবাচক প্রশ্নের জন্ম দেয় এবং কারো পিতৃপরিচয় প্রদানের ক্ষেত্রে প্রায় বর্জনীয় একটি উত্তর এটি, সেহেতু সন্তানের পিতৃপরিচয় বহাল রাখার উদ্দেশ্যে হলেও এই উপমহাদেশের বহু নারী এখনো বৈবাহিক জীবন যাপনের বাইরে একা চিরকুমারী/বিবাহবিচ্ছিন্না/বিধবা তথা পুরুষের মুখাপেক্ষী হওয়া ছাড়া অন্য কোনরকম জীবনযাপনের চিন্তা সাধারণ পরিস্থিতিতে মনে আনে না।

কিন্তু কথায় বলে, “Man proposes & God disposes”- মানুষ আশা করে, আর খেয়ালী বিধাতা সে আশা ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়। মোদ্দা কথায়, আমরা আশা করি এক, হয় আরেক। তেমনি সারাজীবন স্বা্মী-সন্তান-পরিবার-পরিজন পরিবেষ্টিত পরিপাটি সংসারের সুখী গৃহিণী হিসেবে জীবনযাপনের স্বপ্নের ছকের বাইরেও ছিটকে পড়ে কখনো কখনো নারীজীবন। আর তখনই তার চারপাশের আবহ জুড়ে শুরু হয় নানা আর্থ-সামাজিক সুযোগসন্ধানী/খবরদারিত্বের টালবাহানার প্রহসন। চলে তার ভরণপোষন ও অভিভাবকত্বের দায়িত্ব নেয়া/না নেয়ার উছিলায় তাকে বারোয়ারীকরণের প্রক্রিয়া।

“গরীবের বউ সকলেরই ভাবী”—এই কথাটিকে একটি আপাতঃ অর্থে নিতান্ত সরল ও চটুল গ্রামাঞ্চলে প্রচলিত প্রবাদবাক্য মনে হলেও এর অন্তর্নিহিত অর্থ এতো গূঢ় যে ভেবে চমকে যেতে হবে আমাদের অনেকেরই। কোন মহিলার স্বা্মী বেচারার আর্থ-সামাজিক অবস্থান নড়বড়ে হলে যদি তার স্ত্রীর প্রতি ভাবীসুলভ আচরণের দেবর বা দ্বিতীয় বর সুলভ সামাজিক অধিকার প্রায় সকলের জন্য অবারিত হয়, তাহলে স্বা্মী পরিত্যক্তা/বিধবা বা চিরকুমারী এমন নারীর সামাজিক অবস্থান কিরকম প্রতিকূল হতে পারে এ সমাজে, তা সহজেই অনুমেয়।

পাক-ভারতীয় উপমহাদেশে বহকাল ধরে হিন্দু-বৌ্দ্ধ-মুসলিম-পার্শী-জৈন এরকম নানাবিধ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পাশাপাশি অবস্থান হলেও, মূলতঃ সনাতন তথা হিন্দুধর্মই এই অঞ্চলে বহুপ্রাচীন কাল থেকে বিদ্যমান। মধ্যযুগে হিন্দু উপাসনালয় তথা মন্দিরে “সেবাদাসী” নামে দেবতার সেবায় জীবন উৎসর্গীকৃত নারী সম্প্রদায় অনেক সময়ই পাথর বা মাটির তৈরি বিগ্রহের সেবার নামে সমাজের বিত্তশালী অংশের ভোগ লালসার শিকার হয়ে বারোয়ারী জীবন যাপনে বাধ্য হতো। এটা ছিলো এই উপমহাদেশের তৎকালীন সমাজব্যবস্থার একরকম “ওপেন সিক্রেট”, যেন প্রদীপের আলোর নিচে জমাট বাঁধা থমথমে অন্ধকারের মতো নিকষ কালো এক ধ্রুবসত্য। আবার বাল্যবিবাহের শিকার অনেক হিন্দু নারীই অকালে বিধবা হয়ে অরক্ষণীয়া অবস্থায় আত্মীয়/অনাত্মীয় নানা পুরুষের অসামাজিক লালসার শিকার হতে বাধ্য হতো প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে।

হিন্দু ধর্মের পরে এই উপমহাদেশে বৌ্দ্ধ ধর্মের কিছু প্রসারের পর ইসলাম একপ্রকার দাপটের সাথেই অনুপ্রবেশ করে এ অঞ্চলে, হিন্দু ধর্মে বিদ্যমান শ্রেণি বৈষম্যের নামে প্রচলিত নিপীড়ন-শোষনের প্রতিবাদস্বরপ। অনেক নিম্নবর্গের হিন্দু ধর্মাবলম্বীই স্বেচ্ছায় পিতৃপুরুষের ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। মুসলিম শাসকদের আমলে রাজা-বাদশাহগণের সুবিশাল হেরেমে স্থান হতো সমাজের বহু ভাগ্যবিড়ম্বিত নিম্ন বা উচ্চ বংশ নির্বিশেষে রূপবতী নারীদের অনেক অবস্থাসম্পন্ন নারীদের পাশাপাশি। তারা কিন্তু কখনোই সম্রাটগণের অন্তঃপুরের রাণীদের সমমর্যাদায় অধিষ্ঠিত হতেন না। অর্থাৎ তারা ছিলেন প্রবল পরাক্রমশালী রাজা-বাদশাহদের প্রমোদসঙ্গিনী মাত্র।

এক্ষেত্রে প্রশ্ন না এসে পারে না, বস্তুতঃই কি স্বেচ্ছায় কোন রমণী এরকম মনোরঞ্জনকারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন হেরেমের চাকচিক্যময় ও সুরক্ষিত জীবনযাপনের লোভে? নাকি সমাজে তাদের অরক্ষণীয় অবস্থার বা তাদের অভিভাবকদের কোনরকম দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাদের এরকম যুথচারী প্রমোদসঙ্গিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে বাধ্য করা হতো? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার জন্য ইতিহাসলব্ধ গবেষণার প্রয়োজন আছে।

এ প্রসঙ্গে দুই বাংলায় প্রচলিত একটি বাল্যকালের খেলা বা ছড়ার প্রাসঙ্গিকতা লক্ষ্য করে অবাক হয়ে যেতে হয়,

“এলাটিং বেলাটিং সইলো,

কীসের খবর আইলো?

রাজা একটি বালিকা চাইলো।

কী বালিকা চাইলো?

(অমুক)বালিকা চাইলো।“

…একজন রাজা যে একজন বালিকাকে চেয়ে পাঠাতে পারেন বা তার দিকে নজর দিতে পারেন, কীভাবে একটি অঞ্চলের শিশুতোষ ছড়া বা খেলার মধ্যেও অতি সহজে সে ঘটনার প্রতিফলন উঠে আসে তা এক্ষেত্রে সহজে অনুমেয়। যদিও নিতান্ত শিশুসুলভ ছড়া মনে করে বিষয়টির গভীরে নিহিত গূঢ় অর্থ খুব সহজেই আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে আমাদের শিশুদের খেলাঘরের রাজত্বে বিরাজমান বহুকাল ধরে।

এরপর আসি পৃথিবীর আদিমতম পেশা পতিতাবৃত্তির প্রসঙ্গে। যৎসামান্য চরিত্রভ্রষ্টা নারী ছাড়া আর কোনো রমণীই সম্ভবত শখ করে এ পেশায় যোগদান করেনি কোনো কালেই। পতিতালয়গুলোর অন্ধকার গহ্বরের অধিবাসিনীদের নিয়ে যারা যতোবারই গবেষণা করতে বা রিপোর্টিং করতে গিয়েছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব ভাগ্যবিড়ম্বিতা নারীদের অতীতের আলাপচারিতার প্রসঙ্গে উঠে এসেছে তাদের দুর্বল সামাজিক অবস্থান এবং অভিভাবকহীন বা ক্ষেত্রবিশেষে অভিভাবকের লোভের শিকার হয়ে এই অন্ধকার জগতে পা রাখার করুণ কাহিনী। এই জগতের অধিবাসিনীদের অধিকাংশই তাদের অভিভাবকদের দারিদ্র্যের অসহায়তার সুযোগে দালালচক্রের খপ্পরে পড়ে এই অন্ধকার জগতে প্রথম পা রাখতে বাধ্য হয়।

কেউ কেউ আবার প্রেমে প্রতারণার শিকার হয়ে বা তথাকথিত স্বামী নামধারী কোনো ভণ্ডের অর্থ লোভের মাশুল দিতে বাধ্য হয় এ পেশায় আসতে। আবার এদের্ কারো কারো জন্মই হয় এই অন্ধকার গলিরই কোনো বারবনিতার গর্ভে, বংশানুক্রমিক পেশা হিসেবে পতিতাবৃত্তিকে বেছে নেয়া ছাড়া আর কোনো পথই খোলা থাকে না তাদের সামনে। যদিও আজকাল কিছু কিছু এনজিও এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছে এদের পুনর্বাসনের।

এ আলোচনায় এসব মুখরা অবতারণার প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, যেসব নারী মূলতঃ অভিভাবকহীন একা বা অরক্ষিত অবস্থায় পতিত হয় ভাগ্যের বিড়ম্বনায়, এ সমাজের প্রচলিত ব্যবস্থায়ই নানা অলিগলি-চোরা ফাঁদ আছে তাদের জীবনকে বারোয়ারী পণ্য তথা ভোগ-লালসার সামগ্রীতে পরিণত করার।

এরপর আসি পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যের প্রসারের ফলে শ্রম বিভাজিত না হয়ে বরং নারীকে ঘরের এবং বাইরের দুই ধরনের কর্মক্ষেত্রেই কম্প্যাটিবিলিটি/কম্পিটিশন এর মুখোমুখি করে তোলা। কনজিউমারিজম বা ভোগবাদীতার যুগে পণ্যমুখী মানসিকতার কারণে কিছু ছকে বাঁধা পণ্যসামগ্রী যাপিত জীবনে ব্যবহার করতে না পারলে, আধুনিক সময়ে মানবজন্ম একরকম বৃথা বলে পরিগণিত করার মানসিকতা বাসা বাঁধে অধিকাংশ মানুষের মননে, তার নিজেরই অগোচরে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা ও প্রতিযোগিতার যুগে আধুনিক সমাজব্যবস্থায় পরিবারের একজনের উপার্জনে এসব ভোগবাদী পণ্য কেনা এবং ছকেবাঁধা উন্নত জীবন যাপনের তথাকথিত মান বজায় রাখা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে বহু পরিবারের পক্ষে। ফলশ্রুতিতে প্রচুর নারীকে ঘরের বাইরে বেরিয়ে কর্মক্ষেত্রে যোগদান করতে হয় ইচ্ছায়/অনিচ্ছায়।

আবার নারীশিক্ষার প্রসারের ফলে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও প্রাসঙ্গিকতায় আবারো উঠে আসে আধুনিক সমাজে। (প্রাচীন মাতৃ্তান্ত্রিক সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন স্বাভাবিক বিষয় ছিলো। মধ্যযুগে তা পরিবর্তিত হয়ে নারী গৃহের চৌহদ্দিতে আবদ্ধ হয়।)

আজকের যুগে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একজন গৃহিণী বা হোমমেকার নারীর চেয়ে একজন কর্মজীবী নারীর কর্মদক্ষতাকে অধিক সম্মানের চোখে দেখা হয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমজীবী নারীকেও তাদের চেয়ে বেশি কর্মদক্ষ মনে করা হয়। আর কর্মক্ষেত্রে নারীকে ঘরের বাইরের পরিবেশ মোকাবেলা করতে শিখতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কি আদৌ নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ বজায় থাকছে কিনা তা নিয়ে সমাজের মাথাব্যথা কম।

আবার এক্ষেত্রেও কিছু ব্যতিক্রম বাদে যেসব নারী ব্যক্তিজীবনে একা/অভিভাবকহীন, তাদেরকে অনেক বেশী প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় পুরুষ সহকর্মীদের লালসা বা তীর্যক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, অথবা নারী সহকর্মীদের নেতিবাচক মনোভাবের কারণে। ইশারা-ইঙ্গিতে বা সরাসরি কোনো একা নারীকে যৌনসামগ্রী হিসাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে কিংবা তার সাথে অনৈতিক আচরণের প্রচেষ্টার মাধ্যমে, বস্তুতঃ অবস্থার সুযোগ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে তার মেধা ও দক্ষতাকে খাটো করে দেখার চেষ্টা করা হয় অনেকক্ষেত্রে। এসব ক্ষেত্রে কোনো নারী প্রতিবাদী ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেও অনেক সময় নানাভাবে অপদস্থ করার চেষ্টা করা হয় তাকে। এরকম প্রতিকূল পরিস্থিতে বহু একা/সিঙ্গেল নারী হয় আপোষ করতে নতুবা কর্মস্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

সর্বশেষে যে বহুল আলোচিত বিষয়ের অবতারণা করতেই হয় তা হলো, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব অথবা প্রতিবেশী আজকের যুগেও কোনো নারীকে একা দেখলেই নানাভাবে উপদেশদান/আলোচনা করতেই থাকে শীঘ্রই একটি সম্পর্ক তৈরি করে নেয়ার। নারীটি সেজন্য শারীরিক/মানসিকভাবে প্রস্তুত কিনা, কোনো সুযোগ্য পুরুষসঙ্গী তার নাগালের মধ্যে আছে কিনা, এসব প্রয়োজনীয় বিষয় বিন্দুমাত্র মাথায় না রেখেই একধরনের সামাজিক/মানসিক চাপ পরোক্ষে তৈরি করা হয় একজন একেলা নারীর উপর। খতিয়ে দেখলে এটিও একজন নারীর জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টির বারোয়ারীকরণের প্রক্রিয়া মাত্র।

এভাবে আজকের এই ব্যক্তি স্বাতন্ত্রের যুগেও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী যদি একেলা হয় জীবনের যেকোনো সময়ে, যেকোনো পরিস্থিতিতে, তবে তার ব্যক্তিমর্যাদা ক্ষুন্ন করা বা তার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার মাধ্যমে অব্যাহত থাকে তাকে বারোয়ারীকরণের প্রক্রিয়া।

বহু পুরুষ আবার এদের “রক্ষকের বেশে ভক্ষক” সেজে বসতেও পিছপা হোন না। একজন একেলা নারীর জীবনযাপনে এসকল প্রতিকূল অবস্থার অবসানে মূলতঃ সচেনতার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে নারীসমাজের নিজেদেরই। সেইসাথে সমাজের অন্যান্য সচেতন অংশেরও এ বিষয়ে মনোঃযোগ দেয়া প্রয়োজন। “মড়ার উপর খাড়ার ঘা” এর মতোন তাদের কোনো আচরণ বা সিদ্ধান্ত যেন একজন একা মেয়েমানুষের জীবনে আরো প্রতিকূল পরিস্থিতি বয়ে নিয়ে না আসে।

তবে এক্ষেত্রে নারীসমাজের নিজেদের সচেতনতাই বেশি জরুরি। তাদেরকে অনুধাবন করতে হবে, সমাজের আর কোনো সুবিধাবাদী অংশের প্রতিনিধিই যেচে এসে তাকে একজন স্বতন্ত্র সত্ত্বা হিসেবে সম্মানের সাথে বাঁচার নিশ্চয়তা, বেহেশতী মেওয়ার মতো তার হাতে তুলে দেবে না।

তাই সময় এসেছে এখন প্রতিটি নারীর নিজের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও আত্মমর্যাদাবোধকে চিনে নিয়ে নিজের ভিতরের অদম্য শক্তিকে জাগ্রত করা। এ আলোচনার শেষ হোক তাই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের কালজয়ী আহ্বান “জাগো নারী জাগো, বহ্নিশিখা” র মূলমন্ত্র প্রতিটি নারীর মননে জাগ্রত করার দৃঢ় প্রত্যয়ে।

:: ফিচারের ছবিটি ইন্টারনেট থেকে নেয়া।

শেয়ার করুন:
  • 181
  •  
  •  
  •  
  •  
    181
    Shares

লেখাটি ৮৪২ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.