স্টকার থেকে সাবধান!

0

সমসেদ স্বপন:

নীলু’র ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে হঠাৎ একটা ম্যাসেজ আসে। সেন্ডার অচেনা, তার একাউন্টটি ফেইক। সেই ফেইক একাউন্টের আড়ালে লুকিয়ে থাকে রহস্যে ঘেরা এক মানুষ , যার নাম আহমেদ সাবেত। অনম বিশ্বাসের “দেবী” সিনেমায় দেখা যায়, কৌতুহলের লোভ সামলাতে না পেরে নীলু সে অজানা রহস্যময় মানুষকে জানার চেষ্টা করতে থাকে।

যথারীতি বার্থ ডে উইশ, সারপ্রাইজ গিফট পৌঁছে যায় নীলুর কাছে সেই রহস্যময় আহমেদ সাবেতের তরফ থেকে। দেখা যায় আহমেদ সাবেত, নীলু’র ব্যক্তিগত সব তথ্য জানে। সারপ্রাইজ গিফট এবং রহস্য উন্মোচনে ধীরে ধীরে নীলু সেই আহমেদ সাবেতের সাথে সম্পর্কে জড়াতে থাকে। সিনেমার শেষে দেখা যায় কীভাবে রহস্যের আড়ালে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষ লুকিয়ে থাকে, যে সর্বনাশের জাল বিছিয়ে রাখে নীলুর জন্য। সেই আহমেদ সাবেত একজন স্টকারের জলজ্যান্ত উদাহরণ।

গত ২৭ এপ্রিল সিলেটের কুলাউড়ায় সামিরা আক্তার নামে ১৫ বছরের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া এক কিশোরী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্থানীয় জুয়েল আহমেদ (২০ বছর) নামের এক বখাটে তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আশংকাজনক অবস্থায় সামিরাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সামিরার মা এবং স্বজনরা জানান, সামিরা ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে জুয়েলের উত্যক্ত করে যাচ্ছিলো। এজন্য সামিরার স্কুল বদলে ফেলা হয়। তবু সামিরা জুয়েলের বখাটেপনা থেকে রেহাই পায়নি।

এই জুয়েল আহমেদ একজন স্টকার।

স্টকার এর বাংলা করলে অনেকটা অবাঞ্ছিত অনুসরনকারী, উত্যক্তকারী বখাটে বলা যায়। পাঠকের সুবিধার্থে আমি ইংরেজি ‘স্টকার’ বিশেষণটি এ লেখায় সর্বত্র ব্যবহার করেছি।
এবার একটু দূর আমেরিকায় যাওয়া যাক।
১৯৮৯ সালের ঘটনা ক্যালিফোর্নিয়ায়। ২১ বছর বয়সী রেবেকা স্কীফার ছিলেন একজন মডেল এবং জনপ্রিয় টেলেভিশন অভিনেত্রী।

ঠিকানা যোগাড় করে একদিন তার বাসায় রবার্ট জন বারডো, ১৯ বছর বয়সী এক পাগল ভক্ত হাজির হয়ে যায়। রেবেকার সাথে আলাপ-পরিচয় হয় এবং রেবেকা তাকে ভালো ভাবে বিদায় দেন। কিন্তু ঘন্টাখানেক পরেই বারডো রেবেকার কাছে আবারো ফিরে আসে এবং বুকে গুলি করে খুন করে।

এর আগে বারডো প্রায় এক বছর ধরে রেবেকার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে যাচ্ছিলো। রেবেকার তৎকালীন টেলেভিশন সিরিজ “মাই সিস্টার স্যাম” এর সেটে উপস্থিত হয়ে দেখা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সিকিউরিটি গার্ডের কারণে তার সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। পরবর্তীতে “ক্লাস স্ট্রাগল ইন বেভারলি হিলস”, একটি ফিকশানে রেবেকার প্রেম দৃশ্য দেখে স্টকার বারডো’র মাথায় রেবেকাকে শাস্তিস্বরূপ তাকে খুন করার পরিকল্পনা জেঁকে বসে। তার-ই ফলশ্রুতিতে রেবেকা বারডোর হাতে খুন হয়ে যান। তৎকালীন আমেরিকান গণমাধ্যমে এই সেলেব্রেটির খুন হয়ে যাবার ঘটনাটি বেশ সাড়া জাগিয়েছিলো। এর পরের বছর ১৯৯০ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় আমেরিকার প্রথম এন্টি-স্টকিং আইন পাশ করা হয়। বর্তমানে এ আইনটি আমেরিকার পঞ্চাশটি অঙ্গরাজ্যে কার্যকরি আছে।

এবার আরেকটু পেছনে ১৯৮৪-৮৫ সালের ঘটনা।

ম্যাক্সিকান-এমেরিকান রিচার্ড রামিরেজ একজন সিরিয়াল কীলার। ১৯৮৫ সালে পুলিশের হাতে ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত তার হাতে কম করে হলেও চৌদ্দটি খুন, দুই ডজনেরও বেশি টর্চার, ধর্ষণ, ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সাধারণ রাতের বেলা সে এই খুন, অপকর্মগুলো করতো। সেজন্য গণমাধ্যম চাঞ্চল্যকর এই খুনী রামিরেজের নাম দিয়েছিল ‘নাইট স্টকার’। বিচারে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়, যদিও পরবর্তীতে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে রামিরেজ মারা যায়।

এই সিরিয়াল কিলার রিচার্ড রামিরেজ অবলম্বনে ২০১৬ সালে “দ্য নাইট স্টকার” নামে মেগান গ্রিফিথের একটি সিনেমা পরবর্তীতে আমেরিকায় বক্স অফিসে মুক্তি পায়।

মানসিক বিকারগ্রস্ততা, বখাটে, সিরিয়াল কিলার, এসব ধূসর কথকতা থেকে বেরিয়ে একটু সঙ্গীতে মন দেয়া যাক।

১৯৮৩ সালে রিলিজ হয় রক ব্যান্ড ‘দ্য পোলিস’ এর এলবাম “সিনক্রনোসিটি” । এলবামে
বৃটিশ গুণী শিল্পী স্টিং এর কথা ও সুরে “Every breath you take” গানটি তখন বেশ জনপ্রিয়তা পায়। গানের কথাগুলো ছিল এমন-
“Every breath you take/ Every move you make/ Every bond you break / Every stop you take/ I’ll be watching you”

কী? বাস্তবে যদি কেউ আপনাকে সর্বক্ষণ অযাচিত অনুসরন করে যায়, কেমন লাগবে আপনার? এসবই হচ্ছে একজন স্টকারের বৈশিষ্ট্য।
আমেরিকা, ব্রিটেন ছেড়ে আমরা বাংলাদেশে ফিরে আসি। খুরশিদ আলমের গাওয়া বাংলা সিনেমার একটা জনপ্রিয় গান হচ্ছে-
“চুমকি চলেছে একা পথে, সঙ্গী দোষ কী তাতে, রাগ করো না সুন্দরী গো রাগলে তোমায় লাগে আরো ভালো।”

এখানেও অনুসরণ! সাথে যোগ হয়েছে ইভ-টিজিং। হ্যাঁ, যদি চুমকি’র সম্মতি না থাকে তাহলে সঙ্গী হওয়া অপরাধের মধ্যে পড়ে। ইভটিজিং তথা যৌন নিপীড়নজনিত অপরাধ বলে গণ্য হবে। একা চুমকির সঙ্গী হতে চাওয়া অবাঞ্ছিত সে অনুসরণকারী সে ক্ষেত্রে একজন স্টকার।

স্টকিং কী?

স্টকিং হচ্ছে কোনো একজন ব্যক্তিকে টার্গেট করে ব্যক্তির ইচ্ছাবিরুদ্ধ মনোযোগ আকর্ষণের প্রচেষ্টা, তার সাথে অপ্রয়োজনীয় যোগাযোগের চেষ্টা করে উত্যক্ত করা, যা শারীরিক আঘাত বা দীর্ঘমেয়াদী মানসিক ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দেখা যায় স্টকারদের কারণে অনেক সময় ভিক্টিম তার চাকুরী হারায়, ব্যক্তিগত সম্পর্কে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

স্টকারদের বৈশিষ্ট্য কী?

স্টকাররা টার্গেট ব্যক্তির সাথে অপ্রয়োজনীয় যোগাযোগের চেষ্টা করে থাকে। ভিক্টিমকে ঘন ঘন ফোন করে বিরক্ত করা বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ম্যাসেজের পর ম্যাসেজ দেয়া, এমনকি চিঠি বা উপহার পাঠানো পর্যন্ত গড়ায়। যদি তাতে উদ্দেশ্য হাসিল না হয়, তবে স্টকার তার টার্গেট ব্যক্তিকে গোপন অনুসরন করে যায়। এমনকি স্টকার টার্গেট ব্যক্তির বাসা বা কর্মস্থলে অপ্রত্যাশিত হাজির হয়ে যায়।

স্টকিং কি মানসিক অসুখ?

সাধারণত ব্যক্তিত্বের বিপর্যয় বা অস্বাস্থ্যকর মানসিকতা স্টকারদের ক্ষতিকর আচরণের গোড়ার কারণ। স্টকাররা মানুষের সাথে যোগাযোগ, মেলামেশায় এবং সামাজিকতা রক্ষায় অদক্ষ হয়ে থাকে। এরা বুদ্ধিমান হয়ে থাকে এবং খুব সাবধানে ভিক্টিমকে স্টকিং করার পরিকল্পনা করে থাকে। স্টকিং মানসিক রোগ নয় বরং এক ধরনের অস্বাস্থ্যকর মানসিক আচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্টকার হবার কারণ:

২০০৯ সালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জাস্টিস, ওয়াশিংটন এর উদ্যোগে গবেষক ক্যাট্রিনা বম স্টকিং এর শিকার হন এমন ৩৪,১৬, ৪৬০ জন ব্যক্তির মধ্যে একটি সমীক্ষা চালান । যে কারণগুলো তাদের স্টকারকে প্রেষণা যুগিয়েছিল বলে তারা মনে করেন, তার মধ্যে ৩৬. ৬% এর মত হচ্ছে প্রতিশোধস্পৃহা এবং ঘৃণা ছিল স্টকিং এর নেপথ্য কারণ। ৩২.৯% এর মত দেন, টার্গেট ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা ছিল মূল উদ্দেশ্য আর ২৩. ৪% মনে করেন, মানসিক অসুস্থতা বা মানসিক স্থিতিশীলতা’র অভাব স্টকিং করার নেপথ্যে কাজ করেছে।

বাস্তবে স্টকার’রা মানসিক হ্যালুসিনেশান বা ডিল্যুশানের শিকার না হলেও তাদের মধ্যে সাধারণত বিষণ্ণতা, মাদকাসক্তির প্রভাব অথবা ব্যক্তিত্বের মানসিক বিপর্যয় লক্ষ্য করা যায়।

১৯৯৩ সালে অস্ট্রেলিয়ান মনোরোগ চিকিৎসক, স্টকিং বিশেষজ্ঞ পল ম্যুলেন এবং তাঁর সহকর্মীরা ১৪৫ জন স্টকার রোগীর আচরণ বিশ্লেষণ করে স্টকিং কে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করেন। এগুলো হচ্ছে-

১) প্রত্যাখ্যাত
সাধারণত অপ্রত্যাশিত সম্পর্ক বিচ্ছেদ থেকে এ ধরনের সটকারের সূত্রপাত হয়ে থাকে। প্রেমিকা বা প্রেমিক, পিতা-মাতা, কলিগ বা বন্ধুর সাথে বিচ্ছেদ থেকে এ ধরণের স্টকার হবার গোড়ার কারণ। সম্পর্ক পুনর্স্থাপনের সুপ্ত বাসনা থেকে এরা ভিক্টিমকে স্টক করে যায়। প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে তারা প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করে থাকে।

২) ঘনিষ্টতা কামনাকারী
এ ধরনের স্টকারদের বদ্ধমূল ধারণা থাকে, যে ভিক্টিমও তাকে তার নিজের মত ভালোবাসে। অথচ এমন হতে পারে যে, ভিক্টিম তাকে চেনে না। সাধারণত সেলেব্রেটি, গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের ব্যক্তিরা এ ধরণের স্টকারের শিকার হন।
২০০৯ সালে সেলেব্রেটি গায়িকা শানিয়া টোয়াইন এরকম একজন স্টকারের শিকারে পরিণত হন। তিনি অসংখ্য প্রেমপত্র পান অচেনা সে স্টকারের কাছ থেকে। এমনকি সে ব্যক্তি শানিয়া টোয়াইনের দাদীর মৃত্যুকেন্দ্রিক শোক অনুষ্ঠানে বিনা আমন্ত্রণে উপস্থিত হয়ে যান।

৩) অযোগ্য প্রার্থী
ড. ম্যুলেনের মতে এ ধরনের ব্যক্তিরা কিছুটা ঘনিষ্টতা কামনাকারী স্টকারদের মত। তবে এরা সামাজিকভাবে তুলনামূলক পিছিয়ে পড়া এবং সীমিত বুদ্ধিমত্তার লোক হয়ে থাকে। সম্পর্ক করার বিষয়ে সামাজিক অদক্ষতা থাকে। ২০০৪ সালে বৃটিশ গায়িকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স এরকম একজন স্টকারের শিকার হন। স্টকার ব্রিটনি’র কাছে অসংখ্য প্রেমপত্র, ইমেইল এবং নিজের ছবি পাঠায় সাথে এটাও উল্লেখ করে যে, সে ব্রিটনিকে অনুসরণ করে যাচ্ছে।

৪) প্রতিশোধপরায়ণ
এ ধরনের স্টকাররা সম্পর্ক করার চেয়ে বরং প্রতিশোধ নেয়ার জন্য ভিক্টিমকে অনুসরন করে যায়। তারা মনে করে তাদের সাথে অন্যায় করা হয়েছে এবং এর উপযুক্ত শাস্তি ভিক্টিমকে দিতে হবে। সাধারণত দেখা যায়, এদের শৈশবে এরা কঠোর পিতার শাসনে বেড়ে ওঠে। বৃটিশ শিল্পী জন লেননের কুখ্যাত খুনী মার্ক চ্যাপমান এ ধরনের স্টকারের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

৫) আক্রমণকারী

এ রকমের স্টকারদের তাদের ভিক্টিমের সাথে কোনো রকম সম্পর্ক জড়ানোর কোনো উদ্দেশ্য থাকে না বরং এক ধরনের কর্তৃত্ব খাটানোর প্রবণতা থাকে। ড. ম্যূলেনের মতে, এরা শারীরিক নির্যাতন, বিশেষ করে যৌন অত্যাচার করে থাকে ভিক্টিমকে। প্যারাফিলিয়া নামক যৌন মানসিক অসুস্থতা এ ধরনের স্টকারের গোড়ার কারণ হয়ে থাকে।

এবার মিলিয়ে নিন, দেবী সিনেমায় নীলুর স্টকার আহমেদ সাবেত কোন ধরনের স্টকারের বৈশিষ্ট্য বহন করে?
আপনি কি স্টকিং এর শিকার হচ্ছেন?

প্রশ্নগুলোর উত্তর মিলিয়ে নিন।

১) সম্প্রতি কোনো ব্যক্তির কারো আচরণ কি আপনার জন্য ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে?
২) আপনি কি সে ব্যক্তি দ্বারা কখনো অপদস্থ হয়েছেন?
৩) সে ব্যক্তি কি কখনো আপনার কোনো ধরনের সম্পদ নষ্ট করেছে?
৪) সে ব্যক্তি কি আপনার বাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলে অযাচিত উপস্থিত হয়ে যায়?
৫) সে ব্যক্তি কি আপনার বাসা বা কর্মস্থলের আশেপাশে ঘুরঘুর করে?
৬) সে ব্যক্তি কি কখনো আপনাকে শারীরিক নির্যাতন বা যৌন নিপীড়ন করার চেষ্টা করেছিল?

কী করবেন স্টকিং এর শিকার হলে?

বিবিসি’র মতে, ব্রিটেনে প্রতি বছর প্রায় ১০ লক্ষের অধিক নারী-পুরুষ স্টকিং এর শিকার হয়ে থাকে, যাদের বেশির ভাগ নারী। যদিও বাংলাদেশে এ বিষয়ে সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নাই। দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন জার্নালে চোখ রাখলে দেখা যায় বাংলাদেশে তরুণী, নারীরা ইভ-টীজিং এবং যৌন নিপীড়নের দৈনিক ঘটনা। এ থেকে কিছুটা অনুমান করা যায় মাত্র এর ভয়াবহতা।

যদি বোঝেন কেউ আপনাকে স্টক করছে, তাহলে যে পদক্ষেপগুলো নেবেনঃ

১) পরিচিত কাউকে স্টকিং এর ঘটনা জানাবেন। সটকাররা ভিক্টিমের গোপনীয়তার সুযোগ নিয়ে থাকে। যদি সে বোঝে ঘটনা জানাজানি হয়ে যাচ্ছে, সে পিছিয়ে যায়।

২) স্টকারের আপনার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা বা ঘটনাগুলোর তথ্য-প্রমাণ রাখুন। যাতে প্রয়োজনে পুলিশের কাছে এগুলো সাক্ষ্য দলিল হিসেবে দাঁড় করানো যায়।

৩) অধিকাংশ স্টকিং এর ঘটনা ফটে ভার্চুয়াল যোগাযোগ মিডিয়ার মাধ্যমে। তাই নিজের সোস্যাল নেটওয়ার্ক একাউন্ট যতটা সম্ভব নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবেন।

৪) ক্লাসের বন্ধু, পরিবারের সদস্য এবং কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সাথে ঘটনাগুলো শেয়ার করুন যাতে সবাই মিলে আপনার নিরাপত্তা বলয় আরো মজবুত করতে পারে।

৫) যদি আপনি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে দেরি না করে পুলিশকে স্টকিং এর ঘটনা জানান। প্রয়োজনে ৯৯৯ এ কল করুন।

লেখার সোর্সঃ
১) https://somoyekhon.com/news/45449
২) https://www.goodhousekeeping.com/life/amp27116831/rebecca-schaeffer-murder/? ৩)https://www.psychologytoday.com/us/blog/talking-about-trauma/201306/in-the-mind-stalker
৪) www.biography.com
৫) www.thepolice.com
৬) https://doctor.ndtv.com/emotions/is-stalking-a-mental-illness
৭) https://www.bbc.com/news/newsbeat
৮) www.telegraph.co.uk
৯) ইন্টারনেট

[email protected]

শেয়ার করুন:
  • 136
  •  
  •  
  •  
  •  
    136
    Shares

লেখাটি ৮৬৩ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.