আইন অনুযায়ী মিতুর ‘অপরাধ’ শাস্তিযোগ্য নয়

0

ইমতিয়াজ মাহমুদ:

(১)
রুঢ় ভাষার জন্যে দুঃখিত, কিন্তু যেইসকল গাধা ডা. মিতু পরকীয়া করেছেন বলে তাঁর ফাঁসি দাবি করছেন তাদেরকে বলি, ওহে গাধার দল, তোমরা কি জানো না যে পরকীয়া বা Adulteryর জন্যে আমাদের আইনে নারীর কোন শাস্তির বিধান নাই? অতি আমোদের সাথে লক্ষ্য করছি যে, এইসব কান-লম্বা প্রাণীদের দলে আমার কিছু বিজ্ঞ উকিল বন্ধুও আছেন। তাদেরকে বলতে ইচ্ছে করে যে, হে উকিল বন্ধু, দণ্ডবিধিতে তো স্পষ্ট করে বিধৃত আছে যে, এডাল্টারির জন্যে নারীকে এবেটিং (abeting) এর জন্যেও সাজা প্রদান করা যাবে না। তথাপি আপনারা কীসের ভিত্তিতে তাহার শাস্তি দাবি করিতেছেন?

ডা. মিতুর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। সকলেই বলছেন আত্মহত্যা করেছে, আমি এখনো কোন খবরের কাগজে পোস্ট মরটেম রিপোর্ট বা সেরকম কোন কিছুর কথা পড়িনি যেটা থেকে ধরে নেওয়া যায় যে মৃত্যুটা আত্মহত্যা। তারপরেও ধরে নিলাম সেটা আত্মহত্যা। ডা. মিতুর বিরুদ্ধে ৩০৬ ধারার মামলা হয়েছে। ৩০৬ ধারা কী? ৩০৬ ধারা হচ্ছে abetement to suicide, বাংলায় বলতে পারেন আত্মহত্যায় সহযোগিতা করা, কিন্তু বাংলায় এইরকম বলাটা ঠিক হবে না। কেন? কারণ এই যে abetment কথাটা, সেইটাও দণ্ডবিধিতে সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা আছে। মানে কী কী করলে পরে সেটাকে আত্মহত্যায় এবেটমেন্ট বলা যাবে সেটা ডিফাইন করা আছে। ঐ সংজ্ঞার আওতায় যদি পড়ে কেবল তাইলেই সেটাকে কেবল এবেটমেন্ট বলা যাবে।

সেগুলি আইনের কথা। আইনে এইরকম আত্মহত্যায় সহযোগিতা করার সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে হচ্ছে দশ বছরের জেল আর জরিমানা। মামলা হয়েছে, তদন্ত হোক বিচার হোক। মামলার ফলাফল সম্পর্কে আগাম কিছু বলা ঠিক না, তবে খবরের কাগজে ইত্যাদিতে যত তথ্য দেখেছি, তাতে বুঝাই যাচ্ছে ডা. মিতুর বিরুদ্ধে ৩০৬ ধারার এই মামলা চলবে না। মামলা সম্ভবত খারিজ হবে। আর যদি এর মধ্যে বাড়তি তথ্য প্রমাণ আসে, তাইলে সেটা আলাদা কথা।

তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মিতুকে এর মধ্যে হ্যারাস করা হচ্ছে, আরও হ্যারাস করা হবে। এই সমাজ মিতুকে ছাড়বে না। এই অত্যাচারটা তাকে সহ্য করতে হবেই। মেয়ে হয়ে জন্মেছিস বেটি- অত্যাচার তো তোকে সহ্য করতেই হবে।

(২)
এখন লোকে ডা. মিতুকে স্ক্যান্ডালাইজ করছে, ওর অন্য কারো সাথে সম্পর্ক ছিল কিনা এইসব নিয়ে ফেসবুকে ও অনলাইন পোর্টালে লম্বা লম্বা ফিচার লিখছে। সেই সাথে রয়েছে নারীবাদীদেরকে গালাগালি। এই যে গালি অভিযান, সেখান থেকে ডাঃ মিতুর পরিবারের সদস্যরাও রেহাই পাচ্ছেন না। ওদেরকেও দুর্বৃত্ত প্রমাণ করতে হবে।

এতে অবাক হওয়ার কিছু নাই, কারণ এইটাই আমাদের সমাজ- পুরুষতান্ত্রিক সমাজ। এইখানে নারীকে মানুষ হিসেবে গোনা হয় না, মানুষ হচ্ছে পুরুষ আর নারী হচ্ছে পুরুষের মালিকানার ধন। না, নারী মানুষের মতোই বটে, কিন্তু পুর্নাঙ্গ মানুষ হিসাবে তাকে আমরা মানি না। কেউই মানি না। এমনকি যাদেরকে আপনি নারীর প্রতি সহনাভুতিসম্পন্ন দেখেন, নারী উন্নয়ন ইত্যাদি কথা বলেন এরাও না। এই যে এরা নারীর প্রতি সহানুভুতিসিম্পন্ন ভদ্রলোকেরা এরাও নারীর প্রতি সহানুভূতি দেখায় কারণ এর মনে করে নারী হচ্ছে অবলা, মায়ের জাত, দুর্বল। এরাও মনে করে না যে নারী আর পুরুষ দুজনেই সমান মানুষ।

এটা কী করে বুঝবেন যে নারী ও পুরুষকে এরা সমান নজরে দেখেন কিনা? নারীর সম্মতি নারীর ইচ্ছা এইসবের ব্যাপারে এদের মতামত কী, সেটা জিজ্ঞাসা করেন। বেরিয়ে আসবে নারীর প্রতি ওদের আসল দৃষ্টিভঙ্গি। আপনি ওদেরকে যখন বলবেন যে নারীটি কী করবে না করবে সে তো তার নিজের ইচ্ছা। তখন দেখবেন এই ভাইজানেরা একটু অস্বস্তিতে পড়ে যান। তখন উনারা আমতা আমতা করতে থাকে, বলে কিনা যে না, নারীরই যা ইচ্ছা সেটা তো করবে, সেটা তো ঠিক আছে, তবে কিনা মেয়েমানুষ হয়ে…।
ঐ মেয়েমানুষ হয়ে এটা করা ঠিক না, ওটা করা ঠিক না এইরকম লিস্টি করতে থাকবে।

এইসব ভদ্রলোকেরা নারীর মঙ্গল চান, যেভাবে আমরা পশুপাখির মঙ্গল চাই, পাখি রক্ষা করতে চাই বা কুকুরের প্রতি মহব্বত দেখাই- ঐভাবে।

(৩)
যৌনতার কথা উদাহরণ হিসাবে চলে আসে চট করে, তার কারণ এইখানেই পুরুষের পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিটা সবচেয়ে সহজে দৃশ্যমান হয়, এইখানে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি মানুষ চট করে লুকোতে পারে না। কেন? কারণ এইখানেই পুরুষ নারীর উপর মালিকানাটা সবচেয়ে প্রবলভাবে প্রয়োগ করে। কারণ পুরুষ নারীকে কেবল যৌনতার সামগ্রী হিসাবেই দেখে এবং পুরুষের মালিকানাধীন সামগ্রী মনে করে। প্রকৃত প্রস্তাবে নারীকে পুরুষ কেবল একটি যোনী বা ভ্যাজাইনা বা কান্ট এর বেশি কিছু মনে করে না। একটি নারীর ব্যক্তিত্ব বুদ্ধিমত্তা রূপ বুন বিদ্যা শিক্ষা যতকিছুই আছে সব হচ্ছে যেন ঐ যোনীটিরই অলঙ্করণ। শেষ বিচারে নারী মাত্রই কেবল ঐটাই।

এবং কেবল ঐটাই, কেবল একটি অঙ্গ যেটি পুরুষকে বিনোদন দেবে এবং একটি ক্ষেত্র যেখানে পুরুষ সন্তান চাষ করবে। ব্যস। মানুষ নয়। আর যেহেতু নারীটি মানুষ নয়- কেবল একটি জিনিস বা মাল, তাইলে তো এর মালিক থাকতে হবে। জিনিসের তো মালিকানা লাগে- সুতরাং প্রতিটি নারীরই একটি মালিক লাগবে। স্বামীটি হচ্ছেন সেই মালিক। পিতা? না, পিতা হচ্ছেন কাস্টডিয়ান। পিতা জন্মদাতা বটে, তবে কিনা পিতা নাকি কন্যাটিকে রক্ষা করেন, লালন পালন করেন কেবল তাকে তার প্রকৃত মালিকের কাছে তুলে দেওয়ার জন্যে। কন্যা হচ্ছে আমানত।

আর মালিক হচ্ছে তার স্বামী। স্বামী মানেই তো মালিক। যথার্থ। এখন বিকাশের এই পর্যায়ে এসে আমরা এই মালিকানার একটি প্রিন্সিপাল প্রতিষ্ঠা করেছি- মনোপলি। নারীর শরীরের উপর তার স্বামীটির মনোপলি। শরীরের উপর বললে ভুল হয়- আসলে নারী শরীর ফরির বলতে তো ঐটাই, যোনী। আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি যে নারীর যোনীর উপর একটি পুরুষের মনোপলি থাকবে। আর যে নারীটি এই মনোপলি ভাঙবে, ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়, সে আর সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকলো না। তখন তাকে সমাজের ইয়ে থেকে পড়ে যায়- পতিতা।

এইখানে দেখবেন নারীর আনন্দ বা প্লেজারের কথা মোটেই প্রাসঙ্গিক নয়। সে যে একটি মানুষ, তার শরীর যে একটা মানবদেহ এবং সেই শরীরটিতে পুলক হতে পারে এইটা আর গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না।

(৪)
ব্যাভিচার সংক্রান্ত আইনটাও ঐভাবেই করা হয়েছে। একজন বিবাহিতা নারীর সাথে যদি আরেকজন পুরুষ শারীরিকভাবে মিলিত হয়, তাইলে পুরুষটির শাস্তি হবে। কিন্তু তার জন্যে প্রবিষ্টকরণ হতে হবে। অর্থটা কী? অর্থটা হচ্ছে যে পুরুষকে লক্ষ্য রাখতে হবে সে যেন আরেকজনের মাল খেয়ে না ফেলে। নারীটি এইখানে কেবলই একটা মাল, ওর সম্মতির কোন দাম নাই। স্বামীটির সম্পদই গুরুত্বপূর্ণ। স্বামীর সম্মতিতে যদি আরেকজন পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, তাইলে কিন্তু এডাল্টারি হবে না। কেন? কারণ স্বামীটি তো মালিক, আর স্ত্রী হচ্ছে ওর জিনিস, জিনিসের আবার আবার সম্মতি কী, আর অসম্মতি কী? এইজন্যেই এডাল্টারির জন্যে নারীর কোন সাজাও নাই। নারী তো জিনিস, জিনিসের আবার দোষ কী?

এইখানেই নারীর স্বাধীনতার কথাটা আসে। নারীকে যদি মানুষ মনে করেন, তাইলে তো তার নিজের শরীরের মালিক সে নিজেই। নাকি? তার সেই প্রত্যঙ্গের মালিকও সে নিজেই। যে যদি মিলিত হতে চায়, তাইলে তো সেটা হতে হবে তার নিজের ইচ্ছাতেই। নাকি? কিন্তু না। আমরা তো নারীকে মানুষই মনে করিনা, তার শরীরের মালিক সে কি করে হবে? তার শরীরের মালিক হচ্ছে তার স্বামীটি। এজন্যে দেখবেন আমাদের আইনে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হয় না। স্ত্রীটি যদি সম্মতি নাও দেয় স্বামী জোর করে তার সাথে মিলিত হতে পারবে। আইনের চোখে এটা কোন অপরাধ নয়।

এখন তো তবু সমাজ খানিকটা অগ্রসর হয়েছে। প্রচলিত আইনে ধর্ষণ এখন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু ধর্মগ্রন্থগুলিতে কি ধর্ষণকে অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করা হয়? আমাদের দেশের সংখ্যাগুরুর যে ধর্ম সেটি আমি জানি। মূল ধর্মগ্রন্থে ধর্ষণের জন্যে কোন শাস্তির বিধান নাই। ব্যাভিচারের জন্যে শাস্তি আছে- কিন্তু ধর্ষণের জন্যে কোন শাস্তি নাই। পার্থক্যটা তো বুঝতেই পারছেন। বিবাহ ছাড়া নারী ও পুরুষ যদি শারীরিকভাবে মিলিত হয়, সেটা হচ্ছে জেনা। দুজনের সম্মতি থাকলেও সেটা অপরাধ। দুজনেরই শাস্তি হবে। কিন্তু নারীর সম্মতির বিপরীতে যদি কেউ তাকে ধর্ষণ করে সেখানে? সেখানে তো নারীর কোন অপরাধ নাই? তার কেন শাস্তি হবে?

(৫)
তাইলে নারীর স্বাধীনতার মানে কী? নারীর স্বাধীনতার মানে কি এই যে একজন নারী যার সাথে ইচ্ছা তার সাথেই শুয়ে পড়বে? না, নারী স্বাধীনতার এইটা একটা অংশ বটে, কিন্তু কেবল এইটাই নারী স্বাধীনতা নয়। আপনার যেহেতু নারীকে কেবল যৌন সামগ্রী মনে করেন সেজন্যে নারী স্বাধীনতা বলতে আপনার কেবল শোয়ার স্বাধীনতাই মনে করেন। কিন্তু একজন নারীর জীবন তো কেবল মাত্র ঐটাই না? শারীরিক মিলন বা প্রেম একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ বটে, কিন্তু এইটাই তো জীবন না। সুতরাং স্বাধীনতাও কেবল এইটার মধ্যেই সীমিত নয়। তবে নারী কার সাথে শোবে কার সাথে শোবে না এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারটা তার স্বাধীনতারই একটা অংশ, গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এর মানে কি পরকীয়া উৎসাহিত করা? নারী একজন সাথে বিবাহিত থাকবে বটে, কিন্তু শোবে যার সাথে ইচ্ছা তার সাথে? না, বিবাহ শারীরিক সম্পর্ক এইসব তো একজন মানুষের নিতান্ত ব্যক্তিগত জীবন যাপনের ব্যাপার। বিবাহিত থাকা অবস্থায় যদি আরেকজনের সাথে প্রেম করে সে তো তাইলে একজনের সাথে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। কিন্তু এইটাও ওদের নিজেদের ব্যাপার। এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্যে যদি তার পার্টনার ওদের পার্টনারশিপ ভেঙে দিতে চায়, দিবে। সে তো তাদের নিজেদের ব্যাপার আপনার আমার ব্যাপার না। রাষ্ট্রেরও সেখানে হস্তক্ষেপ করার কিছু নাই।

কিন্তু যখনই কোন নারীর বিরুদ্ধে এইরকম কোন কথা ওঠে, সাথে সাথে আমরা চিৎকার করে উঠি- গেল গেল গেল। ওকে গালি দেওয়া শুরু করি। কী গালি দিই? বেশ্যা। এই গালিটা শুনলেই আমার হাসি পায়। কেন হাসি পায়, এইটা বলেই শেষ করছি।

বেশ্যাপ্রথা নামে আমরা একটা জিনিস চালু রেখেছি। টাকা দিয়ে নারীর দেহ ভোগ করি। নারীর দেহ মানে আমরা কী বুঝি সেটা তো আগেই বলেছি। এইটা বহু বছর ধরেই চলছে। মানে কী? মানে হচ্ছে যে পুরুষ তার শারীরিক প্রয়োজনে বা বিনোদনের জন্যে স্ত্রী বা প্রেমিকা বা পার্টনার ছাড়াও অন্য যে কোনো নারীর সাথে মিলিত হবে, তার জন্যে টাকাও দিবে। কিন্তু তাতে পুরুষটি পতিত হচ্ছে না, ঐ বেচারা মেয়েটিকেই আমরা বলি পতিতা। আবার অন্যদেরকেও আমরা বেশ্যা বলেই গালি দিই! যেই ব্যবসাটা আমরা যত্নের সাথে বৈধ ব্যবসা বলে চালু রেখেছি, এই সেবাটি আমরা মাঝে মাঝেই গ্রহণ করি, তাইলে এইটা আবার গালি হয় কেমনে?

(৬)
এই ডাক্তার দম্পতির বিষয় নিয়ে আর কিছু লিখবো না ভেবেছিলাম। তবুও লিখে ফেললাম। এলোমেলো এবং লম্বা হয়ে গেল। শেষ করি। হুমায়ুন আজাদ স্যারের একটা ঘটনা বলে শেষ করছি।

এটা ১৯৯৭ বা ১৯৯৮ সনের কথা। হুমায়ুন আজাদ সন্ধ্যার সময় ঐ ক্যাফেগুলির সামনে এসে বসতেন, অন্যরা এসে বসতো, স্যারের কথা শুনতো, আড্ডা হতো। সেখানে ছাত্রদল ছাত্রলীগ দুইদলের ছেলেরাই আসতো। একবার ছাত্রদলের এক নেতা এসে বসেছে স্যারের সামনে। এই কথা সেই কথার পর সে শুরু করেছে সেসময়ের একজন মহিলা এমপির বদনাম করা। তিনি নাকি মতিঝিলে কোন ব্যাবসায়ির অফিসে যান, ব্যাবসায়ির সাথে … ঐসব। হুমায়ুন আজাদ প্রথম থেকেই এই কথাগুলিতে বিরক্ত হচ্ছিলেন। শেষে বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘তিনি তার নিজের জীবনে কী করবেন বা না করবেন তাতে তোমার কী যায় আসে হে? তিনি কি তোমার কোন প্রত্যঙ্গ ব্যবহার করেছেন?’

একান্ত নিজস্ব জীবনে একজন নারী বা পুরুষ বন্ধ দরোজার পিছনে কী করছে বা না করছে সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। আপনি নিজে যদি তাতে সংশ্লিষ্ট না থাকেন, তাইলে এইসব নিয়ে লেকচার মারার কি অধিকার আপনার আছে? তবুও আপনারা মারবেন। কেন? কারণ তিনি তো একজন নারী।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 1.9K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1.9K
    Shares

লেখাটি ৬,৭৮৮ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.