কাল্পনিক নারীর ফ্যান্টাসি থেকে বের হয়ে আসুন

0

ফারজানা শারমিন রিমি:

পৃথিবীর মানুষের একটা সমস্যা হইলো, মেয়েদের যেগুলি প্রকৃতিগত গুণ, সেগুলিকেই মেয়েদের ‘দুর্বলতা’ হিসেবে ইউজ করা হয়।
– মেয়েরা সাধারণত ছেলেদের তুলনায় কম অ্যাগ্রেসিভ হয়।
– মেয়েরা সাধারণত ‘যুদ্ধ যুদ্ধ’ খেলতে চায় না, বড় বড় যুদ্ধ ডেকে আনে না।
– মেয়েরা সাধারণত বেশি ধৈর্যশীল।
– মেয়েরা সাধারণত কাছের মানুষদের সুবিধার দিকটা বেশি কেয়ার করে।
– মেয়েরা নিজের শরীরের ভিতর একটা (কখনও একাধিক) জীবন ধারণ করতে পারে।
– মৃত্যু যন্ত্রণার কষ্টের পরেই, পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর কষ্টটা হচ্ছে প্রসব ব্যথার কষ্ট। মেয়েরা একবার সেই কষ্ট আস্বাদন করে, আবার সজ্ঞানে, দ্বিতীয়/তৃতীয়/চতুর্থবার সেই কষ্টের মধ্য দিয়ে যাওয়ার দুঃসাহস রাখে।
– সন্তানের জন্মের পর মায়ের ব্রেইনের গঠনই চেইঞ্জ হয়ে যায়। এই চেইঞ্জের কারণে, তাঁর ব্রেইনে সন্তানের ভালোমন্দের চিন্তাটা দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে প্রধান হয়ে যায়। আর এই লেভেল বাবারা ইহজীবনে অ্যাচিভ করতে পারবে না। কারণ, সন্তান পেটে থাকার সময়েই মায়ের সাথে সেই হরমোনাল এবং সেলুলার (কোষীয়) সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
– বাচ্চা জন্মের পর সেই নতুন শিশুটা, পুরো ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের শরীরে তৈরি খাবার থেকেই সমস্ত পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধের উপকরণ পায়। … ইত্যাদি ইত্যাদি।

এখন মানুষের এক্সপেকটেশন হয়ে গেছে: “মেয়েরা সাধারণত কম অ্যাগ্রেসিভ হয়” মানে, কোনো মেয়ে ‘রগচটা’ হতে পারবে না; হলে সে ‘ভাল মেয়ে’ না। “মেয়েরা সাধারণত বেশি ধৈর্যশীল হয়” মানে, তাঁর কখনও রাগে মাথায় আগুন ধরবে না। “সে সাধারণত মারামারি, পিটাপিটি করে না” মানে, সে কখনই মারামারি পিটাপিটি করবে না।

‘মেয়েমানুষ’ সম্পর্কে এইসব ধারণার কারণে, তাঁকে রাগের চোটে রাস্তায় চিল্লাইতে দেখলে, আপনি আর হজম করতে পারেন না। তাঁকে রাস্তায় মারামারি করতে দেখলে, আপনি ভীষণ ‘আচ্চাইয্য’ এবং ক্ষিপ্ত হয়ে যান। আপনি ব্যাপারটা হজমই করতে পারেন না।
একটা মেয়ে রাগের চোটে রাস্তায় চিল্লাচ্ছে, মারামারি করছে মানে, সে অভদ্র মেয়ে, সে বেশ্যা। আপনারা তাঁকে একটু ধর্ষণ করে দিলে, সে ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।

“পরিবার ও বাচ্চাদের প্রতি মেয়েরা বেশি কেয়ারিং হয়” মানে, মেয়েরা নিজের কথা ভেবে কিছু করবে না। তাঁর নিজের পড়াশুনা, নিজের ক্যারিয়ার, নিজের সঞ্চয়ের কথা ভাবতে গিয়ে আপনার ভাগে তাঁর কেয়ার একটু কম পড়লে, আপনি তাঁর এই কাজকর্ম হজম করতে পারেন না।

……এইবেলা আপনার হজম শক্তি বাড়ান। “সর্বাবস্থায় নম্র, মৃদুভাষী, প্রিয়জনের আরাম আর সুবিধার জন্য নিজের জীবন ক্ষয় করে ফেলে” – এরকম কাল্পনিক নারীর ফ্যান্টাসি থেকে বের হয়ে আসুন।
আপনি একজন মেয়েমানুষের পেটে জন্মে, একজন মেয়েমানুষের জীবনসঙ্গী হয়ে, একজন মেয়েমানুষের ভাই হয়ে, কিংবা একজন মেয়েমানুষের প্রিয়তম আব্বা হয়েও, এখনও ‘মেয়েমানুষ’ চিনতেই পারেননি।

জী হাঁ! ‘মেয়েমানুষ’ আসলে এরকমই! তাঁরও রাগে মেজাজ চরমে ওঠে। সেও রাগে-ক্ষোভে রাস্তায় গলা ফাটিয়ে চিল্লাতে পারে। সেও মেজাজ চড়ে গেলে মাইর-পিট, খুনাখুনিও করতে পারে। সেও নিজের পড়াশুনা, ক্যারিয়ার, সঞ্চয়ের ব্যাপারে সচেতন হতে পারে।

রাস্তায় একটা মেয়েকে চিল্লাচিল্লি, মাইরপিট করতে দেখলে খোঁজ নিন। হয়তো তাঁর প্রতি কোন অন্যায় হয়েছে জন্য সে এতো রেগে গেছে। হয়তো অপরপক্ষ তাঁর সাথে বেয়াদবি করেছে, সে মেয়ে বলে তাঁকে কিছু অ্যাবিউজিভ কথা শুনিয়েছে। হয়তো তাঁকে সেক্সুয়ালি হ্যারাজ করেছে।

কিংবা হয়তো কোন ক্ষেত্রে অপরপক্ষের আসলে তেমন দোষ নেই। মেয়েটা হয়তো অন্যায় করেই চিল্লাচিল্লি, মাইরপিট করছে।

টেইক ইট ইজি, ম্যান! সেও মানুষ, জানেন তো? – সে ক্ষেপবে। সে চিল্লাচিল্লি, মারামারি করবে। সে কখনও কখনও অন্যায়ও করবে।

… না, অন্যায়টাকে ইজিলি নিতে বলছি না। আগে বোঝার চেষ্টা করুন, কোন কারণে সে এইরকম ক্ষেপে গেছে। সত্যিই অন্যায় করছে দেখলে, অবশ্যই প্রতিবাদ করবেন।
রাস্তায় অন্যায়ভাবে কারো সঙ্গে রাগারাগি, মারধোর করা ভাল কাজ না। সেইটা একটা ছেলের জন্যও ভাল কাজ না, একটা মেয়ের জন্যও ভাল কাজ না।

আপনি একটা ছেলেকে রাস্তায় কারো সাথে কথা কাটাকাটি করতে বা গায়ে হাত তুলতে দেখলে তাকে বলেন, “এইভাবে একটা মানুষের সাথে চিল্লাচিল্লি করতেসেন ক্যান, গায়ে হাত তুলতেসেন ক্যান?”

অথচ একটা মেয়েকে রাস্তায় কারো সাথে কথা কাটাকাটি করতে বা গায়ে হাত তুলতে দেখলে তাকে বলেনঃ “আপনে মেয়েমানুষ হয়ে এতো কথা বলেন ক্যান? এতো গরম দেখান ক্যান?”
চান্সে মেয়েটাকে, সে ‘মেয়ে’ জন্যই, কিছু স্পেশাল গালি শুনিয়ে দেন। মেয়েটা রাগারাগি করছে, এই চান্সে একটু তাঁর পিঠে, পাছায় হাত বুলিয়ে দেন – যদি এতে সে ‘ঠাণ্ডা’ হয়!

– বিশ্বাস করুন, তখন মেয়েটা হাত ঘুরিয়ে, গদাম করে যে কিল-থাপ্পড়গুলি আপনাকে দেবে, অত তিক্ত পরিস্থিতিতে যাওয়ার কোন ইচ্ছাই তাঁর ছিল না।
তাঁর সঙ্গে কথা কাটাকাটির সময় রাস্তার একজন লোক তাঁর চোখের সামনে আঙ্গুল তুলে শাসাতে থাকবে, বলতে থাকবে, “মেয়েমানুষ হইয়া এতো কথা কন ক্যান?”… আর সে তখন সেই বেয়াদ্দবকে ঘুরিয়ে কিল-থাপ্পড় মারলে মানতে পারবেন না – এটা কেমন কথা??

আপনারা তাঁর স্বাভাবিক, ন্যায়সঙ্গত রাগ বা প্রতিবাদটাকে স্বাভাবিক হিসেবে নেননি। সে কখনো ‘অন্যায়’ করলে, তার ‘অন্যায়টা’কে আপনাদের আপত্তি হিসেবে ফোকাস না করে, “সে ‘মেয়েমানুষ’ হয়ে কেন এটা করলো” – এইটাকে আপনাদের আপত্তির ফোকাস বানিয়েছেন।

গ্যারান্টি দিলাম, আপনাদের এই অন্যায্য শাসানির উত্তরে এরপর সে যা যা করবে, সেটা সত্যিই আর ‘স্বাভাবিক’ লেভেলে থাকবে না। সেটা সত্যিই ‘অতিরিক্ত’ হবে। দিন দিন আরও বেশি বেশি মাইর খাবেন। দিন দিন মেয়েরা আরও বেশি অ্যাগ্রেসিভ হবে।
‘বেশ্যা’, ‘খারাপ মেয়ে’ বলে গালি দিয়ে, আর ধর্ষণ করে ঠেকাতে পারবেন না।

মেয়েরা সন্তান ধারণ করা, মৃত্যুর কাছাকাছি কষ্ট সহ্য করে সন্তান জন্ম দেওয়া, সন্তান জন্মের পর ৬ মাস নিজের শরীর থেকে সন্তানের সম্পূর্ণ পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধের উপকরণ দেওয়ার মত যেই কাজগুলি করার ক্ষমতা রাখে, সেই কাজগুলি কোন ছেলে, পৃথিবীর কোন যোগ্যতা দিয়েই করার ক্ষমতা রাখে না।

অনেক মেয়েই এই সন্তান ধারণ, লালন-পালন এবং পরিবারের কেয়ারের জন্য, নিজের ক্যারিয়ারের চিন্তা বাদ দিয়ে ঘরে থাকে। আর সেই অবস্থায় তাঁকে,
“অন্যের ঘাড়ে বসে খাও তো, তাই বুঝো না, বাইরের জগত কতো কঠিন!”
– এই ধরণের খোঁটা দেন নি, এই দাবী কয়জন স্বামী করতে পারবেন??
আসলে ভাই, আপনি অন্যের ঘাড়ে বসে সন্তান পান তো, তাই বুঝেন না, ওই কাজটা কতো কঠিন।

আবার সে যখন বলবে, তাঁর কাজের জন্য আপনার নিজের আরাম-সুবিধা একটু কমপ্রোমাইজ করতে হবে, তখন আপনি সেটা হজম করতে পারবেন না।
”মেয়েমানুষের এতো ‘ক্যারিয়ার ক্যারিয়ার’ করার দরকার কী” – এই বলে ছড়ি ঘোরাবেন।

আপনার মহিলা কলিগের ম্যাটারনিটি লিভ, সন্তান ধারণ ও লালন-পালনের বাড়তি দায়িত্বের কারণে, আপনি তাঁকে কাজের ক্ষেত্রে আপনার চেয়ে কম কম্পিটেন্ট বলে মনে করেন না, – এই দাবী কয়জন পুরুষ করতে পারবেন??
অথচ একজন মহিলা যখন সন্তানকে অন্যের কাছে বা ডে কেয়ারে দিয়ে কর্মক্ষেত্রে আসে, কিংবা সেই সন্তান কখনো অসুস্থ হয়, তখন এই আপনারাই, একমুহূর্ত দেরি না করে মায়ের দিকেই আঙ্গুল তোলেন,
– “সে কেমন মা? সন্তানের চেয়েও কি ক্যারিয়ার বেশি গুরুত্বপূর্ণ? আরে এইসব হইল খারাপ মেয়ে, খারাপ মা।”…

শোনেন ভাইসাবেরা! মেয়েরা সন্তান আর পরিবারের জন্য পৃথিবীর যে কঠিনতম কাজগুলি করে, যে স্যাক্রিফাইসগুলি করে, এগুলি সে প্রকৃতিগতভাবেই করে। এগুলি তাঁর স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য।
আবার সে যখন নিজের পড়াশুনা, ক্যারিয়ার, নিজের সুবিধা-অসুবিধার ব্যাপারে সচেতন হয়, সেটাও তাঁরই স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য।

“মেয়েরা শুধু ত্যাগী, সর্বংসহা হবে। কিংবা অতিমানবীর মতো সংসার ও ক্যারিয়ার সবই একেবারে নিখুঁতভাবে সামলাবে” – এই কাল্পনিক নারীর ধারণা থেকে বের হয়ে আসুন। নতুবা পদে পদে উশটা খেতে হবে।

তাঁর একটু বেশি স্যাক্রিফাইস করার ক্ষমতা, একটু বেশি সহ্য করার ক্ষমতা, সন্তান ধারণ ও জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা – এগুলি তাঁর প্রকৃতির দেওয়া ক্ষমতা, প্রকৃতির দেওয়া গুণ। এগুলি আপনার নিজের সুবিধা আর প্রভুত্ব বজায় রাখার জন্য ‘ইউজ’ করার জিনিস না কিন্তু!

একটা মেয়ে নিজের সুবিধা-অসুবিধা, পড়াশুনা-ক্যারিয়ারের প্রতি গুরুত্ব দেবে, – তাঁর এই স্বাভাবিক স্বভাবটাকে আপনাদের কাছে অস্বাভাবিক লাগে। তাঁকে ‘খারাপ মা, খারাপ মেয়ে” বলে আঙ্গুল তোলেন। সে নিজের প্রয়োজনে, এবং মানুষ হিসেবে পৃথিবীর প্রতি তাঁর দায়িত্বের প্রয়োজনে রাস্তায় বের হচ্ছে দেখলে আপনারা বলেনঃ “এইসব খারাপ মেয়েকে রাস্তায় ফেলে রেইপ করলে সোজা হয়ে যাবে। এতো রাস্তায় বের হওয়ার শখ মিটে যাবে।”

… গ্যারান্টি দিলাম, আপনাদের এই অন্যায্য শাসানির উত্তরে এরপর সে যা যা করবে, সেটা সত্যিই আর ‘স্বাভাবিক’ লেভেলে থাকবে না। সেটা সত্যিই ‘অতিরিক্ত’ হবে। দিনে দিনে প্রচুর মেয়ে, সন্তান ধারণ, লালন-পালন ও পরিবারের কেয়ার করতে গিয়ে নিজের সুযোগ-সুবিধা, পড়াশুনা, ক্যারিয়ার স্যাক্রিফাইস করার ধকল নিতে বিমুখ হয়ে যাবে। দিন দিন মেয়েরা সন্তান নিতে অনাগ্রহী হয়ে উঠবে।
আপনারা ঘরে-বাইরে ছড়ি ঘুরিয়ে, “খারাপ মা, খারাপ মেয়ে” বলে আখ্যা দিয়ে, ‘বেশ্যা’ বলে গালি দিয়ে, আর ধর্ষণ করে তাদের ঠেকাতে পারবেন না।

… ভাই! পৃথিবীতে ‘এক্সট্রিম নারীবাদ’এর উত্থান দেখে, আপনারা দেখি আজকাল কথায় কথায় নারীবাদীদের ‘দুচে’ দেন। কখনও আবার খুব জ্ঞানীলোকের মতো চক্ষু মুদে, নারীবাদীদেরকে প্রকৃতির সীমালঙ্ঘন করার খারাপ দিক সম্পর্ককে নসিহত করেন।

টের পান না কি, – শত শত বছর ধরে আপনারা নিজেরা কেমন পৃথিবী তৈরি করেছেন? উগ্র অনাচার আর অন্যায় প্রভুত্ব চালিয়ে যেতে গিয়ে, প্রকৃতির সাম্যাবস্থার সীমা কবেই লঙ্ঘন করে বসে আছেন??
কারণ প্রকৃতি আপনাদেরকে নারীর ‘প্রভু’ বানিয়ে, বা তাঁর উপর অসভ্যতা করতে পাঠায়নি। পাঠিয়েছিলো, আপনাদের আর নারীদের, নিজেদের স্বাভাবিক গুণাবলী আর ক্ষমতা শেয়ার করে, সহযোগিতা আর সম্মানের সম্পর্ক নিয়ে বাস করতে।

এখন যখন মেয়েরা তাঁদের এতোকালের অবমাননা আর অত্যাচারের জায়গা থেকে বের হয়ে আসতে চাচ্ছে, তখন তাঁরা সবাই ঠিক ঠিক সাম্যাবস্থায় গিয়ে লাগাম টানতে পারবে, এই আশা করা তো কঠিন। কারণ তাঁরাও মানুষ।
তাঁরাও অনেকেই সাম্যাবস্থা পার করে, অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করবে। উগ্রতা দেখাবে। সুযোগ বের করে আপনার উপর প্রভুত্ব করবে।

কারণ, সবকিছুর প্রতিক্রিয়া হয় “সমান ও বিপরীত”। এটাই প্রকৃতির নিয়ম!

দিনশেষে অবস্থাটা আপনাদের বা মেয়েদের – কারো জন্যই ভালো কিছু হবে না।
মেয়েরা অধিকার বুঝে নিতে গিয়ে, একসময় প্রকৃতির সাম্যাবস্থার সীমা লঙ্ঘন না করুক, এটা যদি চান, তাহলে আগে নিজেদের বহুকালের সীমালঙ্ঘনের অভ্যাসে লাগাম টানুন।
“মেয়েদেরকে শুধু আপনাদের সেবা করার জন্য, আর মুখ বুঁজে আপনাদের অভব্যতা মেনে নেওয়ার মতো করেই তৈরি করা হয়েছে”, – এমন ফ্যান্টাসি থেকে বের হয়ে আসুন।

কিন্তু তাঁদের ফুঁসে ওঠাকে, আপনারা আরও দ্বিগুণ তর্জন-গর্জন দিয়ে চুপ করাবেন – এই বোকার স্বর্গে বাস করে ফায়দা হবে না।

আজকালকার মেয়েরা খুব বাড় বেড়েছে? উগ্র হয়েছে?
তাই “খারাপ মেয়ে, বেশ্যা-মাগী” বলে তাঁর দিকে আঙ্গুল তুলে, কিংবা রাস্তায় ফেলে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে বা ধর্ষণ করে, আপনারা তাঁকে ‘ভদ্র’ হওয়ার শিক্ষা দেবেন??
হা হা হা!!! তাহলেই হয়েছে! …… মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য আমার এক বালতি করুণা রইলো।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 2.5K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2.5K
    Shares

লেখাটি ৮,৫৪৬ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.