নগ্ন প্রতিবাদে নগ্নতার চেয়ে বেশি আছে বিপ্লব

0

তসলিমা নাসরিন:

‘কাস্টিং কাউচ’ বলে ইংরেজিতে একটি কথা আছে, যেটির মানে তোমাকে আমি সুযোগ দেবো, কিন্তু আমার সঙ্গে তোমাকে শুতে হবে। সিনেমা জগত থেকেই এসেছে ‘কাস্টিং কাউচ’ প্রবাদটি। শুধু সিনেমা জগতে নয়, পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সর্বত্র এই কাস্টিং কাউচ চলছে। বিবাহিত- অবিবাহিত- যুবক- বৃদ্ধ-পুরুষকর্তারা চাকরীপ্রার্থী মেয়েদের সংগে প্রতারণা করবে, এ-ই যেন স্বাভাবিক। মেয়েদের শুধু চাকরি পেতে হলেই নয়, চাকরি বহাল রাখতে হলেও পুরুষ-কর্তাদের কাছে শরীর সমর্পণ করতে হয়। পুরুষ-কর্তার অফিসঘরে বিছানা নেই, কিন্তু কাউচ বা সোফা তো থাকেই আরাম করার জন্য, সেই সোফায় শুয়ে-বসেই অসহায় মেয়েদের শরীর ভোগ করে পুরুষ-কর্তারা।

তেলুগু সিনেমার উঠতি অভিনেত্রী শ্রী রেড্ডি নগ্ন প্রতিবাদ করেছেন তেলুগু সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বড় বড় পরিচালক প্রযোজকদের কাস্টিং কাউচের বিরুদ্ধে। তিনি ‘মুভি আর্টিস্ট এসোসিয়েশান’-এর বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করেছেন। কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রী রেড্ডি, তারপরও তাঁকে এসোসিয়েশনের সদস্যপদ দেওয়া হয়নি। শ্রী রেড্ডি মুভি আর্টিস্ট এসোসিয়েশানের অফিসের সামনের রাস্তায় ওই ‘কাণ্ড’টি করেছেন। নগ্ন হওয়ার ‘কাণ্ড’টি। তিনি সম্পূর্ণ নগ্ন হননি, জামা খুলেই দু’হাতে আড়াল করেছেন স্তন। কিন্তু এটুকুর জন্য যা হওয়ার হয়ে গেছে।

মুভি আর্টিস্ট এসোসিয়েশানের প্রেসিডেন্ট শিবাজি রাজ বলে দিয়েছেন শ্রী রেড্ডি যেহেতু প্রতিবাদ করেছেন, কোনওদিন তাঁকে আর সদস্যপদ দেওয়া হবে না। হুমকি দিয়েছেন, শ্রী রেড্ডির সঙ্গে কোনও শিল্পী যেন অভিনয় না করেন, করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ অবস্থায় এ তো নিশ্চিতই যে শ্রী রেড্ডিকে কোনও পরিচালক বা প্রযোজক কোনও ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ দেবেন না। ওদিকে শ্রী রেড্ডির বাড়িওয়ালাও বলে দিয়েছেন বাড়ি ছাড়তে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়তে চেয়েছিলেন শ্রী রেড্ডি, এখন নিজেই আরও বেশি বৈষম্যের শিকার হলেন! নগ্ন হয়েছিলেন বলে সেই মানুষদের বড় রাগ, যাঁরা তাঁকে আড়ালে নগ্ন করেছিলেন। ধনী এবং প্রভাবশালী পুরুষদের বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলেছেন! তাঁকে অত সহজে বাঁচতে কে দেবে!

নগ্ন প্রতিবাদ নতুন কিছু নয়। পৃথিবীতে বহুকাল মানুষ এভাবে প্রতিবাদ করেছে। নগ্ন প্রতিবাদ করলে মানসিক এবং শারীরিক কিছু ঝুঁকি নেওয়া হয় বটে, যে কেউ তাদের দিকে ঘৃণা ছুঁড়ে দিতে পারে, যে কেউ তাদের শরীরে আঘাত করতে পারে। কিন্তু নগ্নতা একরকম শক্তিও দেয়; হাতে কোনও অস্ত্র নেই, তারপরও নিজেকে মনে হতে পারে শক্তিমান। নগ্নতা সম্ভবত নিজেই একটি অস্ত্র। আটের দশকের বাংলাদেশে নূর হোসেন নামের এক গরিব অটো ড্রাইভার তাঁর শার্ট খুলে ফেলেছিলেন, বুকে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’, পিঠে ‘স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক’ লিখে তখনকার স্বৈরাচারী সরকার এরশাদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছিলেন। নূর হোসেনের বুকে গুলি করেছিল পুলিশ, নূর হোসেনের বুকের রক্তে রাজপথ ভেসেছিল। বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল নূর হোসেনের মৃত্যু। সেই থেকে নূর হোসেন বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের প্রতীক, মুক্তির প্রতীক। নূর হোসেনকে নিয়ে প্রচুর নাটক সিনেমা গান কবিতা লেখা হয়েছে। মিছিলে কত তরুণই তো গুলি খেয়ে মারা যায়। কিন্তু বাহান্নোর ভাষা আন্দোলনের শহিদদের পর নূর হোসেন ছাড়া আর কারো মৃত্যুই গোটা বাংলাকে এত শোকবিহ্বল করেনি।

নগ্ন প্রতিবাদ কিন্তু বস্ত্রহীনতা নয়, নগ্ন প্রতিবাদ সকলের সামনে বস্ত্র খুলে ফেলা। বস্ত্র খুলে নিরস্ত্র থেকেও অধিক নিরস্ত্র হওয়া। নিরস্ত্র হলে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অনেক তীব্র হয়ে ওঠে। সশস্ত্র আর নিরস্ত্রের মধ্যে যে বৈষম্য, তাও প্রকট হয়। বৈষম্যের বিরুদ্ধে নগ্ন প্রতিবাদ তাই অন্য সব প্রতিবাদের তুলনায় বেশি অর্থবহ। কারণ তখন কে অত্যাচারী আর কে অত্যাচারিত, তা খুব সহজেই চোখে পড়ে। তোমার সব আছে, আমার কিছু নেই; তুমি সবল, আমি দুর্বল; তুমি বিশাল, আমি ক্ষুদ্র – কিন্তু তোমাকে আমি মানছি না, তোমাকে আমি সাবধান করছি, এখনও সময় আছে তোমার বর্বরতা থামাও — এই বার্তাটিই পৌঁছে দেয়।

কামানের নলে খোলা বুক চেপে ধরার মতো রোমহর্ষক দৃশ্য আর কী হতে পারে? মনে আছে ১৯৮৯ সালে চীনের সরকারি ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়ানো সেই যুবককে? বেইজিং-এর তিয়ানানমান স্কোয়ারে আগের রাতে গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলনরত প্রায় ১০ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে পিষে ফেলার পর সকালে আবার যখন ওই স্কোয়ারে ট্যাঙ্ক ঢুকছিল, একটি নিরস্ত্র যুবক ট্যাঙ্ককে আর এক পা এগোতে নিজের শরীর দিয়ে বাধা দিয়েছিল। শরীরটিকে কি তখন শক্তিমান ট্যাঙ্কের চেয়ে শক্তিমান মনে হয়নি? নিশ্চয়ই হয়েছিল। ওই শরীরের পক্ষে তখন বিশ্বের মানুষ দাঁড়িয়েছিল।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিরুদ্ধে মনে আছে ১৯৬৯ সালে বিখ্যাত বিটলস গানের দলের শিল্পী জন লেনন তাঁর স্ত্রী ইয়োকো ওনোকে নিয়ে হোটেলের ঘরে নগ্ন প্রতিবাদ করেছিলেন? যুদ্ধ নয়, শান্তি চেয়েছিলেন। তাঁর প্রতিবাদের নাম দিয়েছিলেন ‘বিছানা-শান্তি’। বলেছিলেন যুদ্ধ কোরো না, ভালোবেসে যৌনসঙ্গম করো। মৃত্যু আর হত্যার দিকে মানুষ যেন না যায়, তার চেয়ে ভালোবাসা আর যৌনতার দিকে ফেরাতে চেয়েছিলেন মানুষকে।

নগ্ন প্রতিবাদ মানুষের এবং প্রচারযন্ত্রের দৃষ্টি কাড়ে। সাধারণ মানুষের সহানুভূতি কাড়ে। কারণ নগ্ন যে হয়, সে প্রতিনিধিত্ব করে অত্যাচারিতের। মণিপুরের মেয়েদের আর্মিরা ধর্ষণ করতো। ধর্ষণে আর হত্যায় অতিষ্ট হয়ে ২০০৪ সালে বয়স্ক মণিপুরি মহিলারা উলঙ্গ হয়ে ‘আসাম রাইফেলস’এর কাংলা ফোর্টের সামনে গিয়েছিলেন, তাঁদের ব্যানারে লেখা ছিল, ‘এসো, ভারতের আর্মি, আমাদের ধর্ষণ করো’। ধর্ষণবিরোধী কোনও আন্দোলনই এর আগে চেতনার পিঠে এমন জোরে চাবুক মারেনি।

বিশ্ব জোড়া নগ্ন প্রতিবাদ হয়েছে বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে। গত বছর আর্জেন্টিনার ১০০ মেয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে প্রতিবাদ কয়েছে প্লাজা দ্য মায়োর আদালতের সামনে। মেয়েদের ওপর যত রকম অন্যায় অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ। প্রতিদিন একটি করে নারী- হত্যার প্রতিবাদ। সম্পূর্ণ নগ্ন মেয়েরা ফুটপাতে শুয়ে পড়েছে, এক শরীরের ওপর আরেক শরীর পেঁচিয়ে রয়েছে। না, ওই দৃশ্য দেখে কারো যৌন উত্তেজনা হবে না, বরং নারীর ওপর হওয়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে চোয়াল শক্ত হবে। অন্তত হওয়ারই কথা। আর্জেন্টিনায় কয়েক বছর আগেও মেয়েরা দিব্যি গায়ের সব কাপড় খুলে বসে ছিল সংসদ ভবনের সামনে , মেয়েদের যে যৌনবস্তু হিসেবে দেখা হয়, তার বিরুদ্ধে।

পশু অধিকারের জন্য লড়াই করা ‘পেটা’র মেয়েরাও নগ্ন প্রতিবাদ করেছে ফ্যাশান ইন্ডাস্ট্রির বিরুদ্ধে, যেহেতু তারা পশুর লোম দিয়ে পোশাক তৈরি করে। ‘ পশুর লোম পরার চেয়ে উলঙ্গ থাকাই ভালো’, এই বলে মুখে পশুর মুখোশ পরে মেয়ে-পুরুষ সবাই শুয়ে পড়েছে রাস্তায়।

সারা পৃথিবীতে ফেমেন নামের এক নারীবাদী সংগঠন নগ্ন প্রতিবাদ করে চলেছে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তাদের প্রতিবাদ ধর্ম, পুরুষতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র, দূর্নীতি, ধর্ষণ, নারী-নির্যাতনের বিরুদ্ধে। যে কোনও জায়গায় ফেমেনের মেয়েরা প্রতিবাদের স্লোগান লেখা খোলা বুক-পিঠ নিয়ে সবাইকে চমকে দিয়ে সবাইকে ঘাবড়ে দিয়ে আচমকা উপস্থিত হয়। এই সেদিনও বিল কসবিকে যখন আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, ফেমেনের মেয়েরা বস্ত্র খুলে দাঁড়িয়ে পড়েছে, সারা গায়ে স্লোগান লেখা, মেয়েদের জীবনের গুরুত্ব আছে, ‘উইমেন’স লাইভস ম্যাটার’। বিল কসবিরা তো মেয়েদের যৌনবস্তু হিসেবেই মনে করে আসছে। এই নারী-বিদ্বেষী আচরণের প্রতিবাদই করে ফেমেন।

নগ্ন প্রতিবাদের সময় মেয়েরা যখন শরীরের ওপরের অংশের কাপড় খুলে ফেলে, সবার চোখ যায় মেয়েদের স্তনে। স্তন আছে বলেই ফেমেনের মেয়েদের চ্যাংদোলা করে পুলিশ দ্রুত সরিয়ে নেয়। প্রতিবাদরত পুরুষকে কিন্তু পুলিশ চ্যাংদোলা করে সরায় না। স্তন প্রাকৃতিক জিনিস অথচ একে কী ভীষণ অপ্রাকৃতিক বলে ভাবা হয়! স্তন স্বাভাবিক, অথচ এর প্রদর্শনকে কী ভয়ঙ্কর অস্বাভাবিক বলে দেখা হয়। অস্ত্র সস্ত্র আর ক্ষমতার বিরুদ্ধে সেই সম্পদ নিয়ে মেয়েরা প্রতিবাদ করে, যে সম্পদ প্রকৃতি তাদের দিয়েছে।

নগ্ন প্রতিবাদে যতটা নগ্নতা আছে, তার চেয়ে বেশি আছে বিপ্লব। নারীর নগ্নতা মানুষকে অস্বস্তি দেয়, কারণ নারীর শরীরকে চিরকাল পুরুষের সম্পত্তি ভেবে এসেছে মানুষ, এ শরীরকে রাস্তা ঘাটে খোলা অবস্থায় দেখলে তাই সবার অস্বস্তি হয়। নারীই যে নারীর শরীরের আসল মালিক, এ শরীর নিয়ে যা কিছু করার অধিকার যে তার আছে, এটি স্বীকার করার লোক খুব বেশি নেই কোথাও। নগ্নতা, কেউ মানুক আর না মানুক, প্রতিরোধের প্রতীক।

শ্রী রেড্ডি অনেক দিন যাবৎ কাস্টিং কাউচের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিলেন। প্রতিবাদ তীব্র হয়ে উঠেছে যখন তিনি এক এক করে পরনের কাপড় খুলে ফেলেছেন। যে কথা বলতে চেয়েছেন তিনি, সে কথা আগে কেউ শোনেনি। কাপড় খুলেছে বলেই শুনেছে। শরীরের ওপর হওয়া অন্যায় হয়তো শরীর দিয়েই রুখতে হয়। রেড্ডিকে নগ্ন প্রতিবাদ থেকে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গেছে দ্রুত। রেড্ডির প্রতিবাদ প্রভাবশালী আর প্রতাপশালীরা পরোয়া করেনি। পুরুষতন্ত্রের গায়েও কোনও আঁচড় লাগেনি সম্ভবত পুরুষতন্ত্র এই অঞ্চলে অত্যন্ত শক্তিশালী বলেই। রেড্ডির মতো আরও মেয়ে যদি প্রতিবাদ করতো, তাহলে হয়তো তারা পারতো অবস্থা বদলাতে। দিল্লিতে নির্ভয়াকে ধর্ষণের প্রতিবাদে হাজারো মানুষ পথে নেমেছিল, পথে নেমে কিছুটা তো আইন বদলে দিতে পেরেছে।

শ্রী রেড্ডি জানিয়েছেন তিনি কাস্টিং কাউচের শিকার হয়েছেন। কোন বিখ্যাত পরিচালক আর প্রযোজক তাঁকে যৌনতার কাজে ব্যবহার করেছেন, কারা তাঁকে সুযোগ দেবেন এই লোভ দেখিয়ে শুতে চেয়েছেন— সবার নামই বলে দিয়েছেন রেড্ডি। ঠিক এভাবে বলিউডে, এবং অন্যান্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যদি মুখোশ খুলে পড়তে থাকে সেইসব ধর্ষকদের যাঁরা দেবতার ভাব দেখিয়ে মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা কাড়েন, আর গোপনে গোপনে ইন্ডাস্ট্রির অসহায় মেয়েদের ধর্ষণ করেন, তাহলে সমাজের জন্য সত্যিকার একটি ভালো কাজ হবে।

মেয়েদের প্রতিভা যোগ্যতা সব কিছু থাকা সত্ত্বেও যৌনস্বার্থে মেয়েদের ব্যবহার করেন পুরুষ-কর্তারা। মেয়েদের যৌনবস্তু হিসেবেই দেখেন তাঁরা। শিল্পী সাহিত্যিকরা, সকলে ভাবে, যে, অন্য যে কারো চেয়ে বেশি প্রগতিশীল, বেশি উদার, নারী- পুরুষের সমতায় অন্যদের চেয়ে তাঁরাই বেশি বিশ্বাস করেন। অথচ তাঁরা কিন্তু যে-কোনও অশিক্ষিত অসংবেদনশীল অমানবিক পুরুষের মতো ধর্ষক হতে পারেন। মেয়েদের অসহায় পেয়ে তাঁরাও মেয়েদের যৌনদাসি হতে বাধ্য করতে পারেন।

হলিউডে যৌনপ্রতারকদের মুখোশ ধীরে ধীরে খুলে পড়ছে। হার্ভি উইন্সটেন, ব্রায়ান সিংগার, ম্যাট লয়ার, গ্যারিসন কেইলর, কেভিন স্পেসি– সবার মুখোশ। বলিউড, টলিউড, কলিউড, ঢালিউড, – যত উড আছে পৃথিবীতে, সবখানেই যৌনপ্রতারকদের মুখোশ খুলে পড়লেই শুধু হবে না, হলিউডের বিখ্যাত সেইসব প্রভাবশালীদের যেমন পায়ের তলার মাটি সরে গেছে, অন্যান্য যৌনপ্রতারকদের বেলায় সেটিই হওয়া চাই। মেয়েদের শুধু মেয়ে হওয়ার কারণে অপমান অপদস্থ, নিগ্রহ নির্যাতন করেও উচ্চপদে আসীন যেন কোনও পুরুষ-কর্তাই আর না থাকতে পারেন। তাঁদের সুনাম যেন সুনামির আঘাতের মতো আঘাত খেয়ে নিরুদ্দেশে চলে যায়।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 296
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    296
    Shares

লেখাটি ১,৫৫৩ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.