প্রেমের শাস্তি ও এক বর্বর জাতির উন্মত্ত উল্লাস

0

শেখ তাসলিমা মুন:

তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। আইন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা। প্রথম বর্ষ হেলায় ফেলায় গেছে জন্য এ বর্ষে সবাই খুব সিরিয়াস। অবশ্যই সহপাঠীদের ভেতর একে অপরকে সহযোগিতা করে যাই যতটা পারি। আমরা যারা আবাসিক হলে থাকি, বিকেলে ক্যাম্পাসে সবুজ চত্বরে বসি। যার যেখানে সমস্যা আলোচনা করি। কিন্তু যারা আবাসিক হলে থাকে না তারা বেশির ভাগ সময় আইসোলেটেড থাকে আমাদের এ আলোচনা থেকে। বেশকিছু বন্ধু হলে সিট পাওয়া সমস্যা, রাজনৈতিক ক্যাওস এবং পড়াশুনো নির্বিঘ্নে করার জন্য শহরে মেস করে থাকে। খাবারটাও তারা ফ্রেশ খেতে পারে।

আমার বন্ধু মিলি (ছদ্মনাম), তার বাড়ি শহরেই। ওরা স্থানীয়। মায়ের সাথে থাকে। বাপ দাদার শেকড় এখানে।

পরীক্ষা দিতে হলে গিয়ে দেখি মিলির মুখ অসম্ভব রকমের শুকনো। অসুস্থ চেহারা। জামাকাপড়ে অযত্নের ছাপ। আমাদের অনেকেরই পরীক্ষার টেনশনের ছাপ চোখে মুখে। ওর চেহারার অবস্থা তার থেকে বেশি। কাছে গেলাম।

– কিরে, অসুস্থ নাকি?

– অসুস্থ না, কাল আমি আমার বাবার সম্মানটি কবর দিয়ে এসেছি। চোখে-মুখে কান্না নাই। একটি ক্রোধ ও অসহায়ত্বের সন্নিবেশ, সেইসাথে সব হারানো মানুষের হাহাকার।

বুকটা ধক করে উঠলো। গভীর দু:শ্চিন্তা নিয়ে পরীক্ষায় বসলাম।

পরীক্ষা শেষে মিলিকে রুমে নিয়ে আসলাম।

বন্ধু মিল্টন (ছদ্মনাম)শহরেই একটি মেসে থাকে। দুজনই মেধাবী ছাত্রছাত্রী। কোন কোন বিষয়ে মিলি বেশি মেধাবী। কোনও সাবজেক্টে মিল্টন। একসাথে পড়াশুনা করে। মিলির বাড়ি মিল্টন যায়। সেদিন খুব সম্ভব ওদের বাড়িতে আত্মিয়রা ছিল। পরের দিন পরীক্ষা, কোনও একটি বিষয়ে নোট দিতে হবে মিল্টনকে। তখন মোবাইল ছিল না। মিলি শহরের একটি দোকান থেকে একটি নোট ফটোকপি করে মিল্টনের মেসের দিকে রওয়ানা হয়।

মেসে ওরা চারজন থাকে। দুটো রুম। একটি রান্নাঘর, খালা এসে রান্না করে দিয়ে যায়। সেদিনও খালা রান্না করছিল। মিলি মেসে এসে মিল্টনের জন্য অপেক্ষা করছে। মেসের অন্যরা ইউনিভার্সিটিতে। মিলি বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর মিল্টন এসে ঘরে ঢুকে। কপি করা নোটটি মিল্টনের দিকে এগিয়ে দেয়। মিল্টন নোটটি একমনে পড়ছে, মিলি ঝুঁকে আছে নোটের দিকে। হঠাৎ রুমের দরোজা বন্ধ হয়ে গেল। দুজনই দরোজার দিকে তাকিয়ে। এগিয়ে যেতেই দেখে দরোজার ওপাশে কিছু মানুষ এবং তারা দরোজায় তালা দিয়ে দিয়ে বাইরে উল্লাস করছে। নানান গালাগাল করছে। ‘ধরছি’ ‘ধরছি’ ‘এবার রক্ষা নেই’! এরা ‘অসামাজিক কাজে লিপ্ত’ ‘রোজ রোজ এ মেয়ে আসে এখানে’। ‘এদের ধরে বিয়ে দাও!’

কিছুক্ষণের ভেতর তারা একজন কাজী নিয়ে হাজির হলো। জোর করে মিলি ও মিল্টনের বিয়ে দেবে। তারা রুমের ভেতর ‘ফষ্টিনষ্টি’ করছিল, তাই তাদের এ শাস্তি ‘বিয়ে’। মিলি-মিল্টন হা হয়ে থাকার থেকে বিপদ থেকে কিভাবে রক্ষা পাবে সে চিন্তায় সে মুহূর্তে আকুল।

মিল্টন সে শহরে আগন্তুক হলেও মিলি নয়। সে থর থর করে কাঁপছে। তার মৃত বাবার নাম বলছে বারবার এবং বলছে ‘আমি তার মেয়ে। আমাদের কাল পরীক্ষা।’ তার বাবার নাম অনেকে চেনে। সেটা পরীক্ষা করতে তাদের বাড়িতে লোক পাঠানো হলো। ভরা আত্মিয় ঘরে তার মাকে বলা হলো, আপনার মেয়ে কোথায়? ব্যাপারটা শুনে মিলির মা অজ্ঞান হয়ে গেল। মিলিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রকৃতপক্ষে মিলির মামা গিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনলো।

মেঝের দিকে চোখ রেখে নিবিষ্ট হয়ে আছে। নীরব। শুধু একটি কথা আওড়াচ্ছে মাঝে মাঝে।

– আমার আব্বার সম্মান আমি কবর দিয়ে এসেছি কাল।

– চুপ কর! আর নয়। একদল নেকড়ে কুকুরের উন্মত্ততার শিকার তুই। সে দায় তোর নয়, নিজের উপর সকল দোষ চাপাচ্ছিস কেন? তুই কিভাবে তোর আব্বার সম্মান কবর দিয়েছিস? ওরা যা করেছে তাতে তোদের উচিত মামলা দায়ের করা। দোষ শুধু নয়, এটি অপরাধ। আইনের ছাত্রছাত্রী হিসেবে এ কাজটি আমাদের করা উচিত।

– তাহলে আমার মা আত্মহত্যা করবে।

মিলি-মিল্টনের ঘটনাটি বুকে রক্ত ঝরায় আজও।

আবার মনে পড়লো সম্প্রতি আরেকটি ঘটনায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক নাকি তার কলিগের সাথে প্রেম করছিলেন। এ খবর পেয়ে তার স্ত্রী শিক্ষকের রুমে ঢুকে স্বামীকে হিড়হিড় করে টেনে বের করে নিয়ে যায়, কিন্তু শিক্ষিকাকে সে রুমে তালাবন্ধ করে রেখে চলে যায়।

এ ধরনের ঘটনা আজও ঘটে যাচ্ছে, সেটিই গভীর উদ্বেগের। আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের যে ঘটনাটি উল্লেখ করলাম, সেটি ২২ বছর আগের। আর শিক্ষিকাকে রুমে আটকানো ঘটনা মাত্র কয়েক সপ্তাহের। এতো সময়ের ব্যবধানে কিছুই বদলায়নি। বরং সমস্যা আরও গভীর হয়েছে।

আমার সহপাঠীদের জীবনে যে ট্রমা সেদিন নেমে এসেছিল, সেটি স্থানীয় অশিক্ষিতদের কাজ বলে সান্ত্বনা নেওয়ার চেষ্টা করেছি অনেক সময়। কিন্তু সে সান্ত্বনা বেশিক্ষণ টেকেনি। মিলির সেদিনের মুখটি মনে করে অনেকদিন রাত দুপুরে জেগে উঠেছি। বুকের ভেতরটা কাঁপিয়ে দিয়ে গেছে। কী ভয়ানক পরিস্থিতি! দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রছাত্রী একটি রুমে পরীক্ষা বিষয়ক পড়া নিয়ে ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ তাদের একটি রুমে আটকে ফেলে সমস্ত মহল্লার মানুষ এক করে ফেলে কাজী ডেকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন এবং হেনস্থা করার সকল অরাজকতা তাদের উপর চাপিয়ে দিয়ে দিব্যি সমাজে বুক ফুলিয়ে বাস করে যাচ্ছে। আর এর সকল ফল বহন করে যাচ্ছে মেয়েটি। পরীক্ষা শেষে দুমাস বাড়ি থেকে বের হয়নি মিলি।

কিন্তু এটা কি কেবল একদল অপেক্ষাকৃত অশিক্ষিত মানুষেরই বর্বরোচিত উল্লাস? আমার দেখা এ ঘটনা আমি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখেছি দু থেকে তিনবার। একবার ছাত্র হলে একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে রুমে আটকানো হয়। মেয়েটি কেন ছেলেদের হলে গেল সে কারণে। আর একবার একজন শিক্ষক ও ছাত্রীকে আটকানো হলো শিক্ষকের রুমে। বিরাট হৈ চৈ ঘটনায় পর্যবসিত হলো।

সবচাইতে উন্মত্ত ঘটনা দেখেছিলাম, এক জুনিয়র বোন ও ভাইকে অপেক্ষাকৃত নির্জন একটি জায়গা থেকে টেনে হিঁচড়ে একটি ক্লাসরুমে তালা দিয়ে দেওয়া হয়। অপরাধ তারা একে অপরকে চুমু খেয়েছিল। সময়টি দুপুর। বিষয়টি এমনভাবে কানে আসলো, ‘অমুক অমুককে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছে’ – চিন্তায় পড়ে গেলাম এটি রাজনৈতিক ঘটনা কিনা! কারা করেছে?

জায়গাটি আমার হল থেকে খুব কাছে। যেমন ছিলাম তেমন দৌড়ে গেলাম। নিচের তলার একটি ক্লাস্রুম।

মনে হলো, সমস্ত ক্যাম্পাস ভেঙে পড়েছে সেখানে। ভিড়ের ভেতর জানালায় হাত রাখা মেয়েটিকে আমি দেখতে পেলাম। দুপুরবেলা প্রেমিক ছেলেটিকে চুমু খেতে পারা মেয়েটি দুর্বল চিত্তের নয়। মিলির মতো সে ভেঙে পড়া মেয়ে নয়। সে কি বলছে জানি না, চিৎকার করে কাকে যেন কিছু বলছে। পাকা তিন ঘণ্টা আটকে রাখার পর তাদের মুক্ত করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রক্টরের হস্তক্ষেপে। মুক্ত তারা হয়েছিল, কিন্তু অপবাদ, কুৎসা, ছি: ছি:র হাত থেকে তারা রেহাই পায়নি। কিছুদিন এ কাপলের জীবনে নেমে এসেছিল এক অভিশাপ।

বিষয়টি সর্বত্রে ঘটে যাচ্ছে আজও। এ বিচার তারা হাতে তুলে নিয়েছে। শিক্ষিত-অশিক্ষিত গ্রাম-গঞ্জ কোথাও এ থেকে বর্বরতা থেকে মুক্ত নয়। বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে একটি সর্বোচ্চ শিক্ষালয়, সেখানে যদি এসব ঘটতে পারে তাহলে গ্রামে গ্রাম্য সালিশি করে একটি বাচ্চা কিশোরীকে দোররা মেরে হত্যা করা কতোটা স্বাভাবিক কালচার ভাবলে শিউরে উঠতে হয়।

আমার বন্ধু মিলি ও মিল্টন সহপাঠি ছিল। কিন্তু যদি তারা প্রেমিক-প্রেমিকাও হতো, তাদের প্রেম তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। সম্পূর্ণভাবে প্রাপ্তবয়স্ক অধিকার তাতে। তারা কখন বিয়ে করবে সেটি হতে হবে তাদের সিদ্ধান্ত। এটি অন্য কারও বিজনেস হতে পারে না। কিন্তু আমাদের সমাজ সকল আইন আদালতের তোয়াক্কা না করে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে এভাবে ফান্ডামেন্টালি খুন করতে পারে, তাঁদেরকে সারা জীবনের জন্য এমন একটি ট্রমার ভেতর জীবন-যাপন করতে বাধ্য করতে পারে, সে অপমান, সে বেদনার কোনো ভাষা কারও পক্ষে প্রকাশ করা সম্ভব বলে আমার জানা নেই।

একটি সুস্থ ছেলে ও সুস্থ মেয়ে প্রেমের বহিঃপ্রকাশে যা করতে পারে সে হলো চুমু। চুমু একটি আনন্দ দৃশ্য। এটি ক্রাইম নয়। এটি দণ্ডনীয় অপরাধ নয়। একটি দেশে অসংখ্য অন্যায় অপরাধ অরাজকতা দুর্বৃত্তায়ন চলছে সর্বগ্রাসীরূপে। সে সমাজে চুমু খাওয়া অপরাধ। সে শাস্তি তারা কত সহজে নিজ হাতে তুলে নেয়। এবং তার জন্য সর্বস্তরে এক উন্মত্ত উল্লাস পরিলক্ষিত হয়।

অথচ এটাই সত্য যে মানুষ এক প্রেমহীনতায় বাস করছে। যে মানুষটি সবচাইতে আগ্রাসনে একজন কাপলের প্রেমের শাস্তি দিতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে, খোঁজ নিয়ে দেখুন সেই জীবনে প্রেমহীন বেশি। যে বিশুদ্ধ সুন্দর পূর্ণ প্রেমের সন্ধান পেয়েছে, অনুভব করেছে সে কোনদিন প্রেমের কারণে কাউকে শাস্তি দিতে পারে না।

প্রেমকে পাপের আধার করেছে সমাজ এবং ধর্ম। ইসলাম ধর্ম তার নির্দেশনামায় ‘জিনা’ ‘জিনানা’ ‘বেগানা’ শব্দগুলো এতোবার ব্যবহার করেছে যা অন্য কোনো ধর্মে নেই। ইসলামের এ অধ্যায়গুলো পড়তে গেলে মাঝে মাঝে মনে হয় ধর্মগ্রন্থ না যেন পর্নগ্রন্থ পড়ছি। তদুপরি শুধু ইসলাম নয়, সকল ধর্মে কম আর বেশি এ বিষয়গুলো সামাজিকভাবে এমনভাবে পাপবিদ্ধ করে রেখেছে যে যার প্রেক্ষিতে তারা মূলত সুন্দর আচরণকে পাপাচরণ হিসেবে নিজেরাই ধারণ করে। এবং করে।

একজন শিক্ষকের স্ত্রী যখন তার স্বামীর কর্মক্ষেত্রে নিজে প্রবেশ করে স্বামীকে উদ্ধার করে মেয়েটিকে সে রুমে তালাবদ্ধ করে রেখে চলে যায়, সেখানে একটি ভয়ানক চিত্র ফুটে ওঠে।

– বিয়ের প্রতিশ্রুতি, কন্ট্রাক্ট একটি ‘বোগাস’ সেটি বুঝতে এবং গ্রহণ করতে তার অপরাগতা।

– যে স্বামী তার উপর আকর্ষণ হারিয়েছে, সেখানে তার আত্মসম্মান এবং সততার অভাব। সে স্বামীকে স্বামী হিসেবে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যেতে এক বিজয়ী অনুভব করছে। যার ভেতর আসলে রয়েছে এক পরাজিত রূপ।

– শাস্তি পাচ্ছে মেয়েটি। তাকে তার প্রেমের জন্য শাস্তি দিয়ে স্ত্রীটি যে উন্মত্ত উল্লাস অনুভব করছে, তার ভেতর যে বিষয়টি উৎকট হয়ে উঠছে এক, তার প্রেম, বিবাহ, কন্ট্রাক্টের অন্ত:সারশূন্যতা। দুই, এই অন্ত:সারশূন্য পুরুষতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অসাড়তা এবং সেই সিস্টেমের প্রতিনিধি একজন নারী আরেকজন নারীর শত্রু হয়ে ওঠা।

এভাবেই পুরুষতন্ত্র একজন নারীকে আরেকজন নারীর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে।

প্রেম দুজন পরিপক্ক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিদ্ধান্ত। প্রেমকে নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা যেভাবেই নেওয়া হোক, তার ফল বিভ্রান্তিমূলক মেসেজ দিয়েছে। মানুষকে বরং অপরাধপ্রবণ করেছে। সমাজে অপরাধপ্রবণ প্রেমাচরণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নাহলে একজন ইমামের নামাজ স্থানে দু বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার কোনো কারণ ও যুক্তি থাকতে পারে না।

স্বামী-স্ত্রী বা কাপল নর-নারী দুজন দুজনের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলার কারণ নিয়ে তাদের নিজেদের প্রতি সৎ হতে হবে। আলোচনা করতে হবে। অন্য সম্পর্ক বিষয়ে নিজেদের ভেতর অকপট হতে হবে। বিষয়টি সমাধানযোগ্য না হলে শান্তিপূর্ণভাবে সততার সাথে আলাদা হয়ে যেতে হবে। কিন্তু অন্যের প্রেমকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার নিজ হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও থাকতে পারে না। শিক্ষিত ও সচেতন মানুষের আচরণ সেটি নয়।

প্রেম দুজন মানুষের প্রাপ্তবয়স্ক অধিকার। যদি সেটি ভুল করেও হয়, সে ভুলেও রয়েছে সে প্রাপ্তবয়স্কের অধিকার এবং দায়। তার কাজের দায়, দায়িত্ব কেবল তার। তাদের।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 178
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    178
    Shares

লেখাটি 0 বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.