বড় ধরনের সংঘাতের দিকে মিশর

egypt-clashউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক: মিশরে মুরসি সমর্থক ও বিরোধীরা নিজ নিজ দাবীতে বড় ধরণের সমাবেশ করেছে।

বিবিসির এক খবরে বলা হয় উভয় পক্ষের সমাবেশেই লাখ লাখ লোকের সমাগম ছিলো।

কায়রো সহ বিভিন্ন শহরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আলেক্সান্দ্রিয়ায় ও মেডিটেরিয়ান সিটিতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘাতে কমপক্ষে ২ জন নিহত ও ১৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

আলেক্সান্দ্রিয়ায় দুইজন নিহতের কথা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় একটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেডিটেরিয়ান সিটিতে অপর এক সংঘাতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে দুই গ্রুপকে বিচ্ছিন্ন করার পূর্বে কমপক্ষে ১৯ জন গুরুতর আহত হয়।

এদিকে দুই পক্ষের সমাবেশের ঠিক আগ মুহুর্তেই ক্ষমতাচ্যুত ও আটক প্রেসিডেন্ট মুরসিকে পনের দিনের জন্য আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ।

হামাসের সাথে মুরসির সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার জন্য এই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটকাদেশে বলা হয়, ২০১১ সালে যখন মি. মুবারকের বিরুদ্ধে মিশরে বিক্ষোভ চলছে, তখন প্রতিবেশী গাযার হামাসের সহায়তায় মি. মোরসি মিশরের কারাগারে হামলা করে বন্দি নেতাদের মুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন।

মিশরের আইন আনুযায়ী এ ধরণের সম্পৃক্ততা রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধের সামিল।

এদিকে মুরসিকে মুক্ত করে দিতে জাতিসংঘ ও পশ্চিমা চাপ অব্যহত রয়েছে। আটকাদেশের পূর্বেই জাতিসংঘ সহ পশ্চিমা অনেক দেশ মুরসিকে মুক্ত করে দেয়ার আহ্বান করেছিলো।

মুরসি সমর্থকরা এই আটকাদেশকে পূর্বের শাসন ব্যাবস্থা ফিরিয়ে আনার অপকৌশল উল্লেখ করে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এর আগে দেশটির সেনাবাহিনী দুপক্ষকেই নিজ নিজ দাবী নিয়ে রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছে। উভয় পক্ষই নিজেদের সমাবেশে জনগনকে যোগ দেয়ার জন্য আবেগপ্রবন বক্তব্য ও দিয়েছিলো।

তবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আবদ-আল ফাত্তা আল সিসি ব্রাদারহুডের সমর্থকদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাজপথে নামার জন্য সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন।

বিবৃতিতে শুক্রবার রাজপথে অবস্থান নিয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জনগণকে আহ্বান করা হয়েছিলো।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.