হামাসের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক মুরসি

Mohamed-Morsiউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক (২৬ জুলাই): মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুরসিকে ফিলিস্তিনের জঙ্গি সংগঠন হামাসের সাথে যোগসাজশের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। মিনা বার্তা সংস্থা জানায়, আপাতত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ১৫দিন আটক রাখা হবে। পরবর্তীতে তদন্তের প্রয়োজন হলে এই মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। এর আগে কায়রোর একজন বিচারক মুরসিকে আটকের নির্দেশ দেন। ২০১১ সালে কারাগার থেকে তিনি হামাসের সহায়তায় পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৩ জুলাই দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটাই প্রথম সরকারি আদেশ। শুক্রবার সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল আবদেশ ফাতাহ এল সিসি মুরসি-সমর্থিত মুসলিম ব্রাদারহুডের কার্যকলাপকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে গণজমায়েতের ডাক দেয়ার পরই মুরসিকে আটকের ঘোষণা আসে। এদিকে, মুসলিম ব্রাদারহুডের আধ্যাত্মিক নেতা এল সিসিকে একজন ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এল সিসির নেতৃত্বে যে অভ্যুত্থান হয়েছে তা মক্কায় কাবা শরিফ ধ্বংসের চেয়েও ভয়াবহ। এদিকে ব্রাদারহুডও শুক্রবার গণজমায়েতের ডাক দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে।

মুরসির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মূলত ২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় জেল ভেঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রচুর সংখ্যক নেতাকর্মীর পালিয়ে যাওয়ার ভিত্তিতে। ওই অভ্যুত্থানের সময়ই সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারককে ৩০ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। মিশরের গণমাধ্যমগুলোতে রিপোর্ট ছাপা হয় যে, মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ’র যোগসাজশ রয়েছে এবং তাদের সহায়তাই তখন অভ্যুত্থান পরিচালিত হয়।

তবে মুসলিম ব্রাদারহুড বলেছে, জেল ভেঙ্গে পালানোর ব্যাপারে তারা স্থানীয় বাসিন্দাদেরই সহায়তা পেয়েছিলেন, কোন বিদেশিদের নয়। গত ৩ জুলাই দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুরসিকে অজ্ঞাত স্থানে রেখেছে সামরিক বাহিনী।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.