শুধুই কি পুরুষতন্ত্র?

0

সুব্রত ব্যানার্জী:

আমেরিকা ও কানাডায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ যৌনকর্মীকে পারিশ্রমিকে একজন শ্বেতাঙ্গ যৌনকর্মীর থেকে বিস্তর বৈষম্যর শিকার হতে হয়। শুধু তাই নয়, চাকরি ক্ষেত্রে কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েদের থেকে শ্বেতাঙ্গ নারীরা সহজে চাকরি পায়। আবার আমেরিকান সমাজে শ্বেতাঙ্গ লেসবিয়ান জুটিকে যেভাবে মূল্যায়ন করা হয় কৃষ্ণাঙ্গ লেসবিয়ান জুটিকে সেভাবে করা হয় না, বরঞ্চ তাদের সম্পর্কগুলোকে সামাজিক ট্যাবু হিসাবে দেখা হয়।

একজন অপরাধ বিজ্ঞানের শিক্ষক ও বর্তমানে ছাত্র হিসাবে নারীর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা নিয়ে গবেষণা করতে যেয়ে এ ধরনের অনেক বৈষম্য বা সামাজিক ট্যাবু নিয়ে যখন ভাবি, তখন নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, বৈষম্য, নিপীড়ন নিয়ে অনেক লেখা, প্রবন্ধই পড়ি, বা আলোচনা দেখি সংবাদপত্র, ব্লগ আর মিডিয়াতে প্রতিনিয়ত। বেশির ভাগ লেখা বা আলোচনা বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার কারণ হিসাবে ঘুরে-ফিরে আলোচনায় আসে নারীবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাঠামোগত মানসিকতা।

অবশ্য ইতিহাস দেখলেও পাওয়া যায় নারীবাদী লেখকরাও এই দৃষ্টিকোণ থেকেই বিশ্লেষণ করে আসছেন ঘটনাগুলো। সেই প্রেক্ষিতে মেয়ে শিশু নির্যাতিত হলেও বলি পুরুষতন্ত্র, তরুণী ও বয়স্ক নারী নির্যাতিত হলে বলি সেই পুরুষতন্ত্র, সমাজের দৃষ্টিতে সংজ্ঞায়িত ফর্সা-কাল-শ্যামলা মেয়ে নির্যাতিত হলেও একি ব্যাখ্যা দিয়ে থাকি; গ্রাম্য হোক শহুরে মেয়ে হোক, শিক্ষিতা-স্বল্পশিক্ষিতা-নিরক্ষর নারী হোক, কর্মজীবী হোক আর গৃহিণী হোক, সবকিছুই আমরা পুরুষতন্ত্রের কাঠামোতে বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করি।

আমি স্বীকার করি নারী নির্যাতনের ও নারীর প্রতি বৈষ্যম্যর জন্য সর্বপ্রধান পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় দায়ী, কিন্তু কখনো কি আমরা ভেবে দেখেছি স্থান, কাল, পাত্রভেদে নারীর প্রতি সহিংসতার জন্য অন্যান্য অনেক কারণ দায়ী, যেগুলো পুরুষতন্ত্রের আলোচনার বেড়াজালে ঢাকা পড়ে আছে বা যাচ্ছে।
নারীবাদী লেখকরা অধিকাংশই যখন নারী নির্যাতনের বিষয়টি টপ থেকে বটম আঙ্গিকে আলোচনা করে, আমি তখন ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ পরিসরে আন্ত:সম্পর্কীয় দৃষ্টিভঙ্গি এবং ক্ষমতা কাঠামোর চর্চার ভিত্তিতে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নিপীড়ন ব্যাখ্যা করার প্রয়াস করেছি আমার লেখায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, আমেরিকায় বসাবাসরত আফ্রিকান বংশোদ্ভুত নারীরা শ্বেতাঙ্গ নারীদের থেকে তুলনামূলক ৩৫% বেশী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, শ্বেতাঙ্গ পুরুষরা মনে করেন সহজেই একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীকে নির্যাতন করে পার পাওয়া যায়, যেটা শ্বেতাঙ্গ নারীদের ক্ষেত্রে যায় না। সেক্ষেত্রে বিচার ব্যবস্থায় নজর দিকে নজর দিলে দেখা যায় কৃষাঙ্গ নারীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাদের নির্যাতনগুলো পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে চায় না।
কারণ হিসাবে দেখা যায়, একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিচার ব্যবস্থার প্রক্রিয়াতেও একজন শ্বেতাঙ্গ নারী থেকে বৈষম্যের শিকার হয়।

এদিকে আন্তঃসম্পর্কীয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রবক্তা ক্রিম্বারলি ক্রিনশো তার এক গবেষণায় বলেছেন যে, যদিও নারীবাদীদের বিশ্লেষণে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের মনোভাবের কারনে নারীরা ধর্ষনের শিকার হয়; কিন্তু একটু ভিন্নভাবে গবেষনায় তিনি দেখেছেন যে আমেরিকান সমাজে কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধর্ষিত হয় শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের দ্বারা। ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা করলে দেখা যায় যে এসব ক্ষেত্রে নারীদের লৈঙ্গিকতায় যে একমাত্র দায়ী তা নয়, বরঞ্চ একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষ মনে করেন যে একজন শ্বেতাঙ্গ নারী থেকে একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীর উপর সহজে ক্ষমতা প্রদর্শন করা যায় এবং ধর্ষনের পরেও শাস্তির হাত থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, বর্তমান সমাজ ব্যাবস্থায় নারীর গায়ের রঙ তাকে নির্যাতিত হওয়ার পথে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু নারীবাদী লেখকরা অনেক ক্ষেত্রেই এই বিষয়গুলোর উপর আলোকপাত করেননি বরঞ্চ তারা ঢালাওভাবে পুরুষতন্ত্রের বৃহৎ পরিসরে বিষয়গুলো অবলোকন করেছেন যার ফলে আমি মনে করি নারীরা আরো নির্যাতনের শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ন অবস্থানে আছে।

একটু বিস্তারিত আলোচনার সুবিধার জন্য কিছুদিন আগে কানাডায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীর (সমাজের স্টিগমাটাইজড মনোভাবের কারণেই নাম প্রকাশ করা থেকে বিরত রইলাম) উপর পুলিশের নির্যাতনের ঘটনা বর্ণনা করছি যা পরবর্তীতে কানাডায় বর্ণবাদ আন্দোলনে যথেষ্ট আলোড়ন তুলেছিল। তিনি একজন নারী বিক্রয়কর্মী ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই সন্ধ্যার পর তিনি সংসদ ভবনের সামনে দিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। হঠাৎ একজন পুলিশ অফিসার কোনো কারণ ছাড়াই তার পথ অবরোধ করে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি রাতে কেন ঘোরাফেরা করছেন। উল্লেখিত কৃষ্ণাঙ্গ নারী স্বাধীনচেতা হওয়ায় পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞাসা করেন যে, কোন কারণ ছাড়া আইনত তিনি এভাবে তার পথ অবরোধ করতে পারেন না এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অধিকার পুলিশ অফিসার রাখেন না। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে পুলিশ অফিসার তার সহকর্মীদের নিয়ে সেই নারীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, এবং তাকে মাদকাসক্ত বলে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করতে থাকেন।

সব থেকে দুঃখজনক হলো সেখানে তার উপর “স্ট্রিপ সার্স মেথড” প্রয়োগ করা হয়। উল্লেখ্য, পুলিশ ইনভেস্টিগেশনের ভাষায় স্ট্রিপ সার্স হচ্ছে সেই ধরনের পদ্ধতি যেখানে একজন সন্দেহভাজন আসামীকে আদালতের অনুমতিসাপেক্ষে নগ্ন করে তার কাছে কোনো অবৈধ অস্ত্র বা মাদক আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হয়। স্ট্রিপ সার্সের এক পর্যায়ে নারীটি লজ্জায় মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন।

আরো দুঃখজনক হচ্ছে তাকে স্ট্রিপ সার্স করেন একজন পুরুষ পুলিশ অফিসার, যদিও আইনে স্পষ্ট বলা আছে নারীকে স্ট্রিপ সার্স করতে হলে অবশ্যই নারী পুলিশ দ্বারা করাতে হবে। পরবর্তীতে ঐ নারীকে ছয় ঘন্টা আটকে রাখা হয় জেল হাজতে। জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর সেই নারী ঐ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন যা পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হয়। সেখানেও শ্বেতাঙ্গ বিচারক ট্রায়ালে ঐ পুলিশ অফিসারকে না জিজ্ঞাসাবাদ করে কৃষ্ণাঙ্গ নারীকে আদালতে হাজির হতে বলেন যা স্পষ্টত আইনবিরোধী। তাহলে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র শ্বেতাঙ্গ হওয়ার কারণেই বিচারকের কাছেও পুলিশ অফিসার সুবিধা পেলেন, যেখানে কৃষ্ণাঙ্গ নারীকে সব জায়গায় নির্যাতন ও বৈষ্যম্যের শিকার হতে হলো।
ঘটনা বিশ্লেষণ করলে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, উক্ত নারী যদি শ্বেতাঙ্গ হতেন, তাহলে কি সেই পুলিশ অফিসার তাকে অবৈধভাবে গতিরোধ করতেন? আর থানায় এনে স্ট্রিপ সার্স করতেন? একই সাথে বিচার প্রক্রিয়াই কি অপরাধী পুলিশ অফিসারের বদলে ভিকটিম শ্বেতাঙ্গ নারীকে ট্রয়ালে আসার নির্দেশ দিত আদালত? প্রশ্ন থেকেই যায়।

সেদিন আমেরিকায় ঔপনিবেশিক শাসনামলে কৃষ্ণাঙ্গ আদিবাসীদের উপর নির্যাতন নিয়ে একটি আর্টিকেল পড়ছিলাম যেখানে ১৯ শতকে ঔপনিবেশিক শাসনের নিপীড়নে আদিবাসী গোষ্ঠি তাদের সংস্কৃতি, ভূমি, পেশা হারিয়ে অস্তিত্ব বিলীনের মুখে জানতে পারলাম। সব থেকে ভয়াবহ লাগলো নারী ও শিশুদের উপর ঔপনিবেশিক শাসনামলে চালানো শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র।

দেখা গেল, পুরুষদের থেকে নারীরা বেশি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগলো, ক্ষমতা কাঠামোতে বলীয়ান থাকতে হলেও নারীদেরকে নির্যাতন করেই আধিপত্য বিস্তার করতে হবে? এক্ষেত্রে কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের নির্যাতিত হওয়ার পিছনে শুধু বর্ণবাদই যে একমাত্র কারণ, সেটা বলবো না। বরঞ্চ এসব দেশের রাজনৈতিক বা সারকারের পলিসিগুলোর মধ্যই বর্ণবাদী মনোভাব নিহিত আছে। তা না হলে আইনের দৃষ্টিতে একজন শ্বেতাঙ্গ নারী যেভাবে বিবেচিত হয় একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীকে কেন ভিন্নভাবে বৈষম্যের শিকার হতে হয়!

এ প্রসঙ্গে তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলতে গেলে ফরাসী দার্শনিক মিশেল ফুকোর গভার্মেন্টালিটির কনসেপ্ট আনতে হয়, যেখানে বলা হয়েছে রাষ্ট্রের নীতিই এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে যেগুলো কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক এবং গভার্মেন্টালিটির প্রভাব এতো ধীরে এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে ক্রিয়াশীল যে সরকারের এ ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ রাষ্ট্রের জনগণ স্বাভাবিকভাবে মেনে নিচ্ছে।

একই সাথে ফুকোর “সাবজেক্ট ও ক্ষমতা” বিষয়ক তত্ত্ব আলোচনা করলে দেখা যায় রাষ্ট্র নিজেদের সুবিধার জন্য এমন কিছু পলিসি বা আচরণ চালু করে, যেখানে সরকার আগে বিবেচনা করে যে তার সেই ক্ষমতা কাদের উপর প্রয়োগ করলে সহজভাবে কোনো বাধা ছাড়াই ক্রিয়াশীল থাকবে। সেই প্রেক্ষিতে আমি বলবো, রাষ্ট্রের সাবজেক্ট যখন হয় নারী, যে কিনা রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে পুরুষ থেকে দুর্বল তখন তার প্রতি নির্যাতনের ছক রাষ্ট্রের কাঠামো বা নীতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে সহজেই চালু করাই যায়।

পাশাপাশি নারী যদি হয় কৃষ্ণাঙ্গ, অথবা যদি নারীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা হয় নাজুক, তাহলে সেখানে ফুকোর দৃষ্টিতে ক্ষমতা চর্চা করা যায় আরো নির্বিঘ্নে। এদিক থেকে আ্মরা যদি বাংলাদেশের আইনগুলো পর্যালোচনা করি, সেখানে প্রশ্ন জাগে কয়টি আইন বা আইনের ধারা নারীবান্ধব?

দণ্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যপ্রণালী, সাক্ষ্য আইন থেকে শুরু করে সম্পত্তি আইনসহ বেশিরভাগ আইনেই নারীদের অধিকার সুরক্ষা বা নির্যাতনের বিচারের জন্য পর্যাপ্ত বিধান রাখা হয়নি, যার ফলে নারীরা সামাজিক পর্যায়ে যেমন বৈষম্যর শিকার হচ্ছে, একইভাবে আইনি প্রক্রিয়াও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। তাহলে উপরোক্ত বিষয়গুলো থেকে দেখা যাচ্ছে যে, এসব ক্ষেত্রে যেমন একই সাথে রেসিজম কাজ করছে, বৃহৎ পরিসরে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় ফুকোর গভার্মেন্টালিটি তত্ত্ব এবং “সাবজেক্ট ও ক্ষমতা” সমানভাবে ক্রিয়াশীল।

পরিশেষে, আমার মতামত অনুযায়ী নারীর প্রতি নির্যাতন, নিপীড়ন এবং বৈষম্যকে শুধুমাত্র পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাঠামোর গণ্ডিতে আবদ্ধ করে রাখলে চলবে না, বরং সময় হয়েছে বিষয়গুলোকে আরো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র লেন্সে দেখার। বর্ণবাদ, রাজনৈতিক ও সরকারের নীতি, নারীর আর্থ-সামাজিক পরিচয়, পেশাগত অবস্থান কিভাবে নারীকে নির্যাতনের সহায়ক হতে সুক্ষ্মভাবে ব্যবধান তৈরি করছে এবং এই পৃথকীকরণের মাধ্যমে নারীরা কিভাবে আরো বেশী নির্যাতিত হচ্ছে, সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে, গবেষণা করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী সচেতন হতে হবে। তবেই মিলবে নারী মুক্তি।

***লেখক: সুব্রত ব্যানার্জী, মাস্টার্স স্টুডেন্ট ও টিচিং এসিস্টেন্ট, ক্রিমিনোলজী বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অফ অটোয়া, কানাডা এবং সহকারী অধ্যাপক, ক্রিমিনোলজী এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।

ইমেইল: [email protected]

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

লেখাটি ১,০৭৪ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.