না জেনে, না বুঝে, কতভাবে নির্যাতন করছি শিশুদের!

0

সোমা দত্ত:

চাইল্ড এবিউজ কী?

আমরা বেশিরভাগ মানুষজনই চাইল্ড এবিউজ বিষয়টাকে, শুধুমাত্র চাইল্ড সেক্সুয়াল এবিউজ ভেবে থাকি। অর্থাৎ, আমরা ধরে নিয়েছি যে, শিশুদের সাথে যেসব যৌন নির্যাতন ঘটে থাকে, তাই চাইল্ড এবিউজের মধ্যে পরে। আসলে শিশুর যৌন নির্যাতন বিষয়টা, শিশু নির্যাতন/নিপীড়ন (child abuse) এর একটা ধরন মাত্র! আপনারা জানেন কি, আমরা অভিভাবকেরা বা পরিচর্যাকারীরা (caregivers) প্রতিদিন জেনে বুঝে অথবা না জেনে বুঝে নিজেদের বা অন্যের শিশুকে নির্যাতন করি, বা করছি!

শিশুকে কিছু বুঝাতে, শিখাতে বা শোনাতে ব্যর্থ হয়ে আমরা তাদের প্রতি যে যে আচরণগুলো করে থাকি, সেই প্রত্যেকটি আচরণই কিন্তু আসলে চাইল্ড এবিউজ বা শিশু নির্যাতন।
কীভাবে? চলুন, একটু জেনে নেই।

অভিভাবক হিসেবে, আমি আমার বাচ্চাকে শাসন করছি/করবো এটাই তো স্বাভাবিক! তাই না? বকাঝকা করবো, চোখ রাঙাবো, কান মলে দিবো, চুল টানবো, না হলে চড়/থাপ্পড়, কিল/ঘুষি তো আছেই! প্রয়োজনমাফিক দিয়ে দিলেই হলো। ব্যস! সব ঠিকঠাক।

তাহলে কী দাঁড়ালো? আমি আমার বাচ্চাকে শুধু বাইরের অনভিপ্রেত ঘটনা থেকে আগলে রাখবো আর নিজে এভাবে শাসন করবো, তাহলেই আর কোনো ভয় নেই! বাচ্চাও সুস্থ ও সুন্দরভাবে বড় হয়ে উঠবে! কিন্তু জেনে রাখুন, বিষয়টা মোটেও এতো সহজ হিসেবে শেষ হবে না! বরং অনেক জটিলতায়, হিসেবে খানিকটা গড়মিল হতে পারে।

চাইল্ড এবিউজের প্রকার/ধরন কি?

ভেবে দেখেছেন কি! মারধর, বকাঝকা বা অন্যান্য শাস্তিতে তার কী কী সমস্যা হতে পারে? শিশুটির হতে পারে, যেকোনো ধরনের injury (external /internal), risk of serious harm, permanently damage, emotional harm, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত! পৃথিবীর সকল মানুষের কল্যাণার্থে, অর্থাৎ তাদের বোঝা বা জানার জন্য শিশু নির্যাতন/নিপীড়ন (child abuse) চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। চলুন, জেনে নেয়া যাক।

১. শারীরিক (Physical abuse): সহজ কথায় মারধর করা। ছোটখাটো চড়/থাপ্পড় থেকে বেদম প্রহার। ফলাফল অস্থায়ী বা সাময়িক মারের দাগ থেকে হাত-পা-মাথা কেটে যাওয়া, ভেংগে যাওয়া বা ফেটে যাওয়া। আরও একধাপ এগিয়ে কিছু নির্যাতনকারী গরম ছ্যাঁক দেয়া বা পুড়িয়ে দেয়াতেও যুক্ত থাকেন (বিশেষভাবে প্রয়োগ হয়ে থাকে বাসার শিশু সাহায্যকারীদের উপর)। আমরা তো মার দিয়ে বা শাস্তি দিয়ে ধরে নেই শিক্ষা হয়ে গেছে এবারে! আসলে আমাদের এই ধারণাটা ভুল! মার খেয়ে যে শিক্ষা শিশু নেয়, তা সাময়িক! কেননা, এর পিছনে থাকে ভয় আর আতংক। কিন্তু স্থায়ী হয়ে থাকে তার শারীরিক কষ্ট, আর ক্ষতিটুকু সাথে যুক্ত হয় মানসিক টানাপোড়েন।

২. আবেগীয় (Emotional abuse): খুব করে বকাঝকা করলাম (খানিক গালিগালাজও) বা অল্প করেই বকে দিলাম অথবা এর একটাও না করে এমন কিছু কথা বললাম ( তোকে দিয়ে কিছু হবে না/ তুই একটা পাজি, অসভ্য, বাজে,খারাপ ছেলে/মেয়ে/ অপদার্থ কোথাকার/উদাহরণ হিসেবে অন্য কারো সাথে তুলনা, ইত্যাদি আরো অনেক) তাতে কিন্তু মার ছাড়াই হয়ে গেল শিশুর সাথে তার আবেগীয় নির্যাতন। কেননা, এগুলোতে শিশুকে তার আত্মসম্মানে আঘাত করা হয়, যাতে করে কমে যেতে থাকে তার ভিতরে থাকা self esteem জন্ম নিতে থাকে প্রতিহিংসা মনোভাব।
এই emotional abuse এর সাথে আরেকটা ইস্যু জড়িয়ে থাকে যাকে বলা হয়, verbal abuse। যেমন: হুমকি/ধামকি দেয়া, ভয় দেখানো, বাথরুম/অন্ধকার ঘরে বন্দী করে রাখা, কারণে-অকারণে তাদেরকে ছোট করা! মনে রাখবেন, এই আবেগীয় বা emotional abuse এর কারণে কিন্তু শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য বাধাগ্রস্ত হয়ে পরে।

৩. যৌন(Sexual abuse): গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতি চারজনে একজন মেয়ে, আর প্রতি আটজনে একজন ছেলে তাদের ১৮ বছর হওয়ার আগেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে। child sexual abuse নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। আমরা কমবেশি সবাই জানি এ বিষয়ে। তবু কয়েকটি উল্লেখ করে দিচ্ছি। নিম্নলি‌খিত বিষয়গু‌লো শিশুর প্রতি যৌন নির্যাত‌নের ম‌ধ্যে পড়ে।

যেমন:
*‌যৌনতার উ‌দ্দে‌শ্যে শিশু‌কে টাচ করা
*‌শিশু‌কে দি‌য়ে প্রাপ্ত বয়স্ক‌দের যৌন স্থান স্পর্শ করা‌নো
*‌শিশু‌কে দি‌য়ে ওরাল সেক্স করা‌নো
*‌শিশুর যৌন অথবা পায়ু পথ ব্যবহার
*‌শিশু‌কে পর্ণোগ্রাফী দেখতে বাধ্য করা
*‌শিশু‌কে দি‌য়ে পর্নোগ্রাফি করা‌নো অথবা যৌনকর্মে বাধ্য করা। sexually abused শিশুদের শারীরিক কষ্টের সাথে সাথে বেশ কিছু তীব্র মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। আমার আগের একটি লেখাতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছিলাম।

৪. অবহেলা (Neglect): রাগ করে কথা বলা বন্ধ করে দিলেন বাচ্চার সাথে অথবা বঞ্চিত করলেন আদর, ভালোবাসা বা স্নেহ থেকে। ভাবছেন এটা একটা নিরব শাস্তি! আসলে এটা হলো অবহেলা, যা চাইল্ড এবিউজের আরেকটি ধরণ। এছাড়াও শিশুর কথা না শোনা, শিশু‌কে তার প্র‌য়োজনীয় খাবার, কাপড়‌চোপর,
নিরাপদ থাকার জায়গা, স্বাস্থ্য সেবা ও মান‌সিক সেবা ও শিক্ষা না দেয়া‌ হ‌লেও তা শিশু নির্যাতন হি‌সে‌বে প‌রিগ‌নিত হ‌বে।

Child abuse এর ধরন বা প্রকারগুলো তো জানা হলো, এবারে একটু লক্ষণ (Symptoms) গুলো জেনে নেই চলুন।
আমি আমার বাচ্চাকে শাসন (মাইর বা ববকাঝকা) করার পর তো জানিই যে তার কতটুকু ব্যথা বা কষ্ট লেগেছে! তাই না! বলে রাখছি আমি, আসলে কিন্তু আমরা জানি না! বাহ্যিক দিকের আঘাতগুলো হয়তো চোখ এড়িয়ে যায় না, কিন্তু ভিতরের বা মনের আঘাতটুকু দেখেছেন কি! আর তাছাড়া, আমি আপনি যদি সচেতন নাগরিক হই বা মূল্যবোধ নাড়া দেয়, সেইক্ষত্রে অন্যের শিশুর ক্ষেত্রেও কিন্তু বিষয়গুলো একইরকম হবে। ধরন অনুযায়ী, প্রথমেই আসবে….

# Signs of Physical abuse(শারীরিক)ঃ যেকোন ধরনের ক্ষত বা injury ( পোড়া/ ছ্যাঁকা/ভাঙা/মাথায় আঘাত/দাগ ইত্যাদি) যা বাইরে থেকেই দৃষ্টি গোচর হয়।

# Signs of Sexual abuse(যৌন) ঃ এগুলো বাচ্চার স্বভাব বা প্রকৃতির আলোকে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। তবুও common কিছু লক্ষণ হলো….শিশুর মধ্যে Fearful behaviour (ভীতিজনক আচরণ) পরিলক্ষিত হওয়া। অহেতুক ভীতি, বিষণ্ণতা, দুঃস্বপ্ন দেখা, উদ্বেগ প্রকাশ, নির্দিষ্ট কাউকে দেখে চুপচাপ হয়ে যাওয়া বা ভয় পাওয়া, আচরণ ও স্বভাবে দ্রুত পরিবর্তন, পালিয়ে যাওয়া বা দূরে সরে থাকার প্রবণতা, ইত্যাদি।
এছাড়াও তলপেটে ব্যাথা, ঘুমের মধ্যে বিছানা ভিজানো (bed wetting), urinary tract infection, genital pain or bleeding, sexually transmitted disease, extreme sexual behaviour that seems inappropriate for the child’s age.

# Signs of Emotional abuse: হঠাৎ করে বা খুব দ্রুত শিশুটির মধ্যে যদি self confidence এর ঘাটতি দেখা যায় বা low self esteem মনে হয়, অস্বাভাবিক বা অহেতুক ভয়, rapidly nightmares ছাড়াও পালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা, বারবার মাথাব্যথা বা পেটব্যথার complain with no medical causes.

# Signs of Neglect: একা হয়ে থাকা, মিশতে না পারা, দ্রুত ওজন হ্রাস পাওয়া, খাওয়ায় অরুচি বা ঠিক উল্টোটা অত্যাধিক খাওয়ার প্রতি ঝোঁক, খাবার চুরি করে খাওয়া ইত্যাদি ছাড়াও অবহেলায় বাড়তে থাকা শিশুদের মধ্যে প্রবল ভাবে desperately affectionate behavior দেখা যায়।

সত্যি বলতে এটা বোঝা সবসময় খুব সহজ হয় না যে, একটা বাচ্চা abused হয়েছে কি না! নির্যাতিত বাচ্চারা বলতে বা দোষ দিতে বা complain করতেও ভয় পায়। কেননা যেকোন ধরনের abuser রাই তাদের খুব কাছের বা নিজের লোক হয়ে থাকে ( মা-বাবা/ভাই-বোন/স্যার-আপা/মামা/চাচা/খালু/পরিচিত /অপরিচিত যে কেউ)।

#Causes: এখানে causes বলতে আসলে, ক্ষতিকর দিকের কথা বলতে যাচ্ছি। অর্থাৎ child abuse এর নানান ক্ষতিকর প্রভাব শিশুমন ও তার জীবনে যে প্রতিফলন ঘটায় তা। শিশুটির মধ্যে সামাজিক, পারিবারিক, পারিপার্শ্বিক ও ব্যক্তি বিশেষে এক ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, যা থাকে প্রতিনিয়ত দ্বন্দ্বে ফেলতে থাকে। তখন শিশুটি ও সাথে সাথে পরিবারটিও risk factors এর মধ্যে বাড়তে থাকে। Risk factors গুলো সরাসরি ক্ষতির কারণ না হলেও, এরাই শিশু ও তার পরিবারকে বড় ধরনের সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

নিচে কিছু উদাহরণ তুলে দিলাম…..
•Disabilities or mental retardation in children that may increase caregiver burden
* Social isolation of families
•Parents’ lack of understanding of children’s needs and child development
•Parents’ history of domestic abuse
•Poverty and other socioeconomic disadvantages, such as unemployment
•Family disorganization, dissolution, and violence, including intimate partner
violence
•Lack of family cohesion
•Substance abuse in the family
• Young, single non biological parents
•Poor parent-child relationships and negative interactions
•Parental thoughts and emotions supporting maltreatment behaviors
•Parental stress and distress, including depression or other mental health conditions
•Community violence

উপরোক্ত উদাহরণ গুলোর risk factors পশ্চিমা context এ হলেও, আমাদের দেশেও কিন্তু এর অনেকগুলো উদাহরণই দৃষ্টিগোচর হয়।

#প্রতিকার-প্রতিরোধ /চিকিৎসা (Treatments): গুরুতর শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে প্রথম ও প্রধান কাজ দ্রুত ডাক্তারের শরনাপন্ন হওয়া। আর আপনি যদি, শিশুটি নির্যাতিত হয়েছে সন্দেহ করছেন সেইক্ষেত্রে, লোকাল পুলিশ বা child protective agency তে রিপোর্ট করতে পারেন( পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রচলিত)। এছাড়াও একজন pediatrician or physician এর সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন।

আর মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে, অবশ্যই একজন যোগ্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবাদানকারীর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এমনকি যদি আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সাথে জড়িত থাকেন, তবে তাকেও মানসিক স্বাস্থ্য সেবার অন্তর্ভুক্ত হতে হবে, যাতে করে সে নিজেও তার সমস্যাটুকু বুঝে শিশুটিকে Support করতে পারে এবং একটা comfort zone তৈরি করতে পারে।

একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে, শিশু যখন abuse এর শিকার হয়(physical /sexual/emotional /neglect) তখন আপনি/আমি (মা/বাবা) হতে পারেন/পারি তার একমাত্র সাহায্যকারী। এমনকি যদি আপনি/আমিই হই না কেন সেই abuser! অনেক সময় নানাবিধ ঝামেলায়, অত্যাধিক Stress এর কারণে আমরা ধৈর্য্যহারা হয়ে যাই। বাচ্চাদের অল্প বিস্তর অসহিষ্ণুতা আমাদেরকে তখন বিচলিত করে ফেলে, ফলস্বরূপ ছোট/বড় অনেক কিছুই ঘটিয়ে ফেলি আমরা। পরে আফসোস হলেও, গুটিয়ে রাখি নিজেকে!

কথা বলুন, আলোচনা করুন, বুঝিয়ে বলুন আপনার করা আচরণের কারণ এবং তাদের করা আচরণটুকুও! ভালোবাসায় ভরিয়ে দিন, বুঝিয়ে দিন ভুল দুজনেরই ছিল। আর যারা জেনে বুঝেই মারছেন বা তিরস্কার করছেন অহরহ, তাদের জন্য সময় এসেছে সতর্ক হওয়ার!

অনেকেই আমার এই লেখার সাথে দ্বিমত হবেন। বলবেন, “বাচ্চাকাচ্চা দের ছোট থেকেই শাসনে রাখা উচিত!” আর শাসন করতে ধমক-ধামক, টুকটাক মাইরের বিকল্প নাই! “এমনকি মাইরের উপর ওষুধও নাই!” বলবেন, “আমরাও বাবা-মা/ শিক্ষকের মার খেয়েই বড় হয়েছি!” তাতে কিছু যায় আসে না! ধমক, বকাঝকা বা তিরস্কারকে হজম করেছি, তাতে ক্ষতি তো কিছু হয়নি। বড়রা শাসন করেই, তাতে অসম্মানের বা অপমানের কিছু নেই!” এমন আরো হাজার রকমের কথা আসতে পারে।

কিন্তু, আমি বলব যায় আসে! অনেক কিছু হয়েছে! অনেক ক্ষতিও হয়েছে! এবং অপমানেরও ব্যাপার আছে! শিশু বয়সেই এই বোধগুলো প্রবল থাকে, কিন্তু প্রকাশ কম থাকে! একটু ভেবে দেখুন তো, আপনার ফেলে আসা শৈশবে কারণে-অকারণে হওয়া নির্যাতনে,(any type of abuses) আপনার ভিতরে কি ঘটেছিল?

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ছোটবেলায় প্রবল শাসনে থাকা, বেদম মার খাওয়া, তিরষ্কৃত ও ব্যাপক অবহেলিত হওয়া বা যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া শিশুরাই পরবর্তীতে অর্থাৎ বড় হয়ে বা অভিভাবক হিসেবে একই ভুল গুলো করে থাকে ( ব্যক্তি, ঘটনা বা ক্ষেত্র বিশেষে ভিন্নতা থাকতে পারে)।

আগেকার সময়ে বাবা-মায়েরা এতো ভাবতো না যে তারা কী করছে? কেন করছে? কিন্তু, আমরা তো জানি বা বুঝি! তাই না? তাহলে মানতে দোষ কোথায়? তবে, আজ থেকেই শুরু হয়ে যাক মেনে চলা, আর শেষ হয়ে যাক জানার পালা!

লেখক: মনোবিজ্ঞানী

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 581
  •  
  •  
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    582
    Shares

লেখাটি ২,৫১২ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.