অরক্ষিত যৌনতা/মনস্তত্ত্ব/শিক্ষা: সমাজই যখন অটিজমে আক্রান্ত

ঈশিতা বিনতে শিরীন নজরুল:

একজন মারজুক, মুদ্রার এপিঠ

শুরু করি একজন মারজুকের গল্প দিয়ে। মারজুক মা-বাবার প্রথম সন্তান। কত অাদর-ভালবাসা-যত্নের! কিন্তু একসময় যখন বোঝা গেল ওর অটিজমের বিষয়টি, কেউ কি উপলব্ধি করতে পারেন তার মা-বাবার মানসিক অবস্থা? না, পারেন না, আমিও পারি না। কেউ পারবেও না।

মারজুকের মা তার জীবনের সকল কিছু যেন বাদ দিয়ে উঠে পরে লেগেছিল তার সন্তানের মঙ্গল কামনায়। মঙ্গল কামনা বসে বসে আমরা সবাই করতে পারি; কিন্তু কাজের কাজটি করা এত সহজ নয়। তারা সিদ্ধান্ত নিলেন যেহেতু সিলেটে কোনো বিশেষ স্কুল নেই, তাই ঢাকাতে চেষ্টা করতে হবে। বাবা যেহেতু কর্মস্থল ছেড়ে চাইলেই যেতে পারছেন না, তাই মা নিজের মনোবল আর স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় সিফট করলেন দুজনের একত্রে নেয়া সিদ্ধান্তে!! যখনই সুযোগ হতো তিনি ঢাকায় চলে আসতেন পরিবারের কাছে। সবসময় ছিলেন ছায়ার মতো।

সবসময় শারীরিক উপস্থিতিই সব হয় না, বরং তিনি দূরে থেকেও যে মনোবল আর সাহসের যোগান দিয়েছেন তার প্রয়োজন অসীম। ঢাকার প্রথম সারির অটিজমভিত্তিক স্কুলে দিলেন। শুধু স্কুলে দিলেই হয় না, তার সাথে হাজারও দায়িত্বও পালন করেন। আপনি চিন্তা করতে পারবেন না যে মারজুক কতটা ট্যালেন্ট। গান, প্রযুক্তিবিদ্যায় সে অনেকের চেয়ে সেই সময় বেশিই জানতো। অনেক বাঁধার ভেতর একটি ছিল যখন পিএসসি পরীক্ষা দিতে নিয়ে গেল। অনেকেই তো এই সাহসই করেন না যে তাদের সন্তানটিও পিএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে!! আমি বলবো, মারজুকের মায়ের মনোবল ও বাবার-মায়ের এক সাথে পাশে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণটিকে উদাহরণ করেছে আরও হাজারও মা-বাবার সামনে; নয় কি?

সরকারের প্রজ্ঞাপন রয়েছে যে কিভাবে একজন অটিস্টিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা দিতে পারবে। কিন্তু সে সেভাবে পারেনি। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে কিছুটা ক্ষমতার ব্যবহার করে শেষ পর্যন্ত ক্লাস রুমের বাইরে মায়ের উপস্থিতির অনুমতি মিলেছিল। সেই মারজুক ……. ভাল ফলাফলও করেছে। টিভিতে গানের অনুষ্ঠানও করেছে অনেকবার, ছবি আঁকার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কৃতও হয়েছে!। একজন মারজুক হয়ে ওঠা কিন্তু সহজ কথা নয়, অনেক প্রতিকূলতার মাঝে অর্জিত তার সফলতায় মিশে আছে তার মা-বাবার ধৈর্য্য,পরিশ্রম,স্বপ্ন,আশা এবং সাথে একবুক ভালবাসা। কেন এই গল্পটা বললাম? পরে বলছি সেটা…..

একজন নয়, বহুজন! মুদ্রার ওপিঠ!!

মুদ্রার ওপিঠের গল্পগুলো হতাশার, দুঃস্বপ্নের, স্বপ্নভঙ্গের,পরাজয়ের,নির্যাতনের……

নানা অভিজ্ঞতায় দেখি অটিজম মানে তো; ‘পাগল’! ‘মায়ের লজ্জা’! ‘মায়ের ব্যর্থতা’! অটিজম মানে তো একজন ‘দোষী’ মা, আর সামনে লক্ষ বিচারক!
অামাদের সমাজে একজন অটিস্টিক শিশুর জন্মের সকল দায় শুধুমাত্র মায়েরই হয়ে থাকে। শহর/গ্রাম ভেদে, শ্রেণি/শিক্ষাভেদে সবাই তখন রেরে বলে যেন মায়ের ওপর ধাওয়া করেই আসে! সেই সন্তানটি বঞ্চিত হয় সকল মায়া-মমতা-স্নেহ-ভালবাসা থেকে। এমন কি নিজের বাবারও! এমন অনেকের সাথেও অালাপ হয়েছে যাদের ‘পতি পরমেশ্বর’ গণ এমন সন্তান জন্ম দেয়ার অপরাধে স্ত্রীকে ছেড়ে দ্বিতীয় বিয়েও করেছেন!!

অসহায় মায়েরা যে কি ভালনারেবল জীবনযাপন করে সেই ক্ষেত্রে তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। না, আমাদের দেশে তারা চাইলেই তার বাবার পরিবারে ফেরত আসতে পারেনা, অাসলেও টিকতে পারে না বেশিরভাগ সময়েই। আর টিকে গেলে নানা-নানী মেরে ধরে থাকতে দেয়; কারণ মাকে উপার্জন করতে হয়, চাইলেই তিনি শুধুই তার সন্তানের দেখভাল করতে পারেন না।

ধরেন, মা রেখে গেল আর সেই শিশুটি বিকৃত যৌন লালসার শিকার হলো, অনেকবারই হয়েছে, কিন্তু কি করার বলেন? হোক সে ছেলে কি মেয়ে, তাতে কিছুই যায় আসে না কিন্তু!
যে স্বামী চলে যায় না, সে বউ আর বাচ্চা দুজনকেই পিটিয়ে সিধে করেন মনের সুখ মিটিয়ে, কী করার বলেন?
এই সন্তানকে স্কুলে দিয়ে টাকা ‘নষ্ট’ করার মানে আছে কোনো? অার যদি সেই সন্তানটি মেয়ে হয়, তাহলে তো কথাই নেই!! সুস্থ মেয়ে সন্তানই যেখানে কাম্য নয়, তাদের পড়াশুনা যেখানে কাম্য নয়, সেখানে আবার অটিস্টিক মেয়ে সন্তানের পেছনে টাকা ঢালবে! কী করার আছে বলুন?

সন্তানকে স্কুলে দিতে চাইলেও মূলস্রোতের শিক্ষাধারায় দেয়ার কোন ব্যবস্থা নেই, কী করার আছে বলুন?
বিশেষ স্কুলে দিবেন? অাছে সেই স্কুল পর্যাপ্ত? সরকার ২০১৬ সালের এপ্রিলে ১ তারিখ থেকে গোটা বাংলাদেশের ‘অটিস্টিক শিশু গণনা’ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এছাড়া ৭টি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত আটটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে পরিসংখ্যান শুরু হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুয়ায়ী দেশে অটিস্টিক শিশুর সংখ্যা আনুমানিক দেড় লাখ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা হোসেন বাংলাদেশ জাতীয় অটিজম উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান৷ তাঁর উদ্যোগে সরকারি পর্যায়ে অটিজম নিয়ে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে৷ যেমন সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে মিরপুরে চালু হয়েছে ‘অটিজম রিসোর্স সেন্টার’৷

আর অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া, অটিস্টিক শিশুদের অবস্থা পরিমাপ সহ আরও অন্যান্য প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গঠন করা হয়েছে ‘সেন্টার ফর নিউরোডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অটিজম ইন চিলড্রেন’৷ এছাড়া ঢাকা শিশু হাসপাতালে রয়েছে ‘শিশু বিকাশ কেন্দ্র’৷ আর কই? বাকিরা কোথায় শিক্ষা নেবে? কোথায় নিজেদের দক্ষতার উন্নয়ন ঘটাবে?
যে কয়টা আছে তাতে কি অভিজ্ঞ শিক্ষক আছে? যদি বা থাকেও আপনার কি পর্যাপ্ত টাকা আছে সেই স্কুলের খরচ বহণ করার?
অটিস্টিক শিশুদের অবহেলা ও লুকিয়ে রাখা নয় বরং তাদের প্রয়োজন নিবিড় যত্ন। তাদের সমাজ ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা যাবে না। তবেই তারা ক্রমশ সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। কিন্তু আমাদের সমাজে কি হচ্ছে? মাকে অভিশম্পাত করে মা ও সন্তানকে নিজ পরিবারই দূরে ঠেলে দিচ্ছে!! আর অন্যদের দোষ কি দিবো বলুন?

অটিজমকে বোঝা হিসেবে না নিয়ে তাকেও মূলস্রোতের মতো নিজের দায়িত্ব নিতে শিখাতে হবে। অার এই গুরুদায়িত্বটা কিন্তু মা-বাবা দু-জনেরই। স্পার্ম দিবেন আর মনের মতো না হলেই সব দোষ বউকে দিবেন, তা কি হতেই থাকবে?

অামাদের মারজুকের পাশে তার মা-বাবা অাছে। সবার মা-বাবা যদি পাশে থাকে তবে তাদেরকেও মূলেস্রোতে নিয়ে আসা কি খুব কঠিন হবে? হবে না, কঠিন হলো অামাদের মানসিকতাকে সঠিক দিশাতে আনা, পরিবারের মানুষগুলোর বিবেচনাবোধকে ঘুম থেকে ওঠানো, কিছু হলেই মায়ের দোষ না দিয়ে পাশে দাঁড়াতে শিখানো। মা-বাবার চেয়ে কোন শিক্ষকই বড় নয়। অার এক্ষেত্রে তো নয়ই। যে দেশে সন্তান হলেই বিসিএস ক্যাডার বা চিকিৎসক বা প্রকৌশলী বানানোর জন্য উঠে পরে লাগা হয় , সেই দেশে একটি শিশু অটিস্টিক হলে বাবা-মা মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পরবে এতে কোন সন্দেহ নেই। তাই আমাদের সবার আগে নিজের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন আনতে হবে।

তারা অরক্ষিত!! অটিস্টিক শিশুরা যৌন লালসার খুব সহজ টার্গেট নয় কি? তাদেরকে কে যৌন শিক্ষা দিবে বলেন তো? যেখানে প্রকাশ্যে যৌনতা নিয়ে কথা বললেই আর দশজন ছুটে আসে, যৌনতাকে প্রাইভেট করে রাখা হয়েছে বহুকাল ,বাংলাদেশের বাবা মায়েরা সন্তানের সঙ্গে যৌনতা নিয়ে কথা বলাটাকে খুবই অস্বস্তিকর মনে করেন। ফলে সন্তানকে যৌন শিক্ষা দেননা অধিকাংশ বাবা-মায়েরাই, সেখানে অটিস্টিক শিশুকে কিভাবে যৌন শিক্ষা দিবে তারা? কে দিবে? বাবাই তো তার পাশে নেই, মা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, কি শিক্ষা দিতে হবে সেটাই তো তার বোধগম্য নয় এধরনের পরিস্থিতিতে? তবে? শুধু তাই নয়, ান্যদের আক্রমন থেকে বাঁচার জন্যই নয়, বরং নিজের জন্যও এই শিক্ষা প্রয়োজন। সে বড় হতে হতে তার মধ্যকার হরমোনােল পরিবর্তন আসবে, তার সাথে সে কিভাবে মোকাবেলা করবে, কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এই শিক্ষাও তার প্রয়োজন বৈকি। কে আছে তার জন্য বলুন তো?

তাকে তার মতো করে গড়ে তুলতে হবে। অটিস্টিক শিশুদের প্রথমেই যা শেখানো হয় তা হল জীবনর ধারন। দেখা যায় এক শার্টের বোতাম লাগতেই তাদের বছর খানেক ধরে শেখাতে হয়। জীবন ধারন শেখানোর পর তাদের জন্য এমন একটা ব্যবস্থার কথা চিন্তা করতে হয় যা তার জন্য সহজ হবে এবং সে সেই কাজে লেগে থেকে নিজের ওপর নির্ভরশীল হতে পারবে। এক্ষেত্রে তাকে যতটা পারা যায় প্রশিক্ষণ দিতে হবে। চিকিৎসকরা বলেন তাদেরকে মূলধারার স্কুলে সকলের সাথে মিশে বড় হবার কথা। কিন্তু আমাদের দেশে যেখানে আমি আপনার চেয়ে একটু কম পারলে আপনি সবাইকে নিয়ে হাসেন, অাপনার চেয়ে একটু বেশি চঞ্চল হলে রক্তচক্ষু করে তাকান সেখানে অটিস্টিক শিশুদের নেয়া হবে ভাবছেন? না, নেয়া হয় না।

সরকারী নীতি অনেক রয়েছে, কিন্তু সেগুলোর বাস্তবায়ন শুধুই স্বপ্ন। অটিজমে আক্রান্ত শিশু যখন পরিচিত পরিমন্ডলের বাইরে নিজেকে অসহায় বোধ করে, তখন নিয়ম তো হলো যে, মাকে পাশে বসে থাকার অনুমতি দেয়া যাবে পরীক্ষা দেবার ক্ষেত্রে। বাস্তবে সেটা আদৌ হচ্ছে কি? হচ্ছে না। তাই অনেক স্বপ্ন দেখেও অনেক পরিবার তাদের সন্তানকে হাজার শিক্ষার্থীর ভিড়ে পরীক্ষা দিতে পাঠাতে আতঙ্কবোধ করেন।
এমনও কিন্তু হয়েছে, মাকে পাশে বসতে কেন, স্কুলের দেয়াল টপকানোর অনুমতিও পরীক্ষকরা দিতে চান রা নীতি থাকা সত্ত্বেও!! তখন কি করবে মা-বাবারা? সন্তানকে নিয়ে বাসায় চলে যাবেন নাকি সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন? আর সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াই সব মা-বাবাই করতেই পারবে ভাবছেন কেন? আর পারলেও জয়ী হবে ভাবছেন কেন? আর যদিও বা জয়ী হয়েছেন তো দেখুন গিয়ে সন্তানের পরীক্ষার সমই হয়তো পার হয়ে গিয়েছে, নয় কি?? অগত্যা মনোবলের ওপর ভর করে যদিও বা সন্তানকে পাঠালেন, বের হবার সময় এই হাজার মানুষের ভিড়ে তাকে খুঁজে পেয়েছেন কি? পেলেও আপনাকে ও আপনার সন্তানকে কতটা অসহনীয় ঝামেলায় পরতে হয়েছে বলুন তো?

এক টুকরো আশার গল্প

মারজুকের গল্পটা এজন্য করেছিলাম যেন মা-বাবারা একসাথে অাশা করতে শেখেন, লড়াই করতে শেখেন, স্বপ্ন দেখতে শেখেন; পরস্পরের সাথে ভালবাসাপূর্ণ বোঝাপড়া করতে শেখেন। এক সময় আমি ভাবতাম, মারজুকের মা লড়াই করেছেন বলেই আজ মারজুক, আমাদের সকলের মাঝে আর দশজনের তুলনায় বেশি প্রতিভা প্রকাশ করতে পেরেছে। এখন বলি, মারজুকের সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার মা-বাবা দুজনেরই ভালবাসা, একসাথে কষ্টের-লড়াই-ধৈর্য্য এর প্রতিটি মুহুর্ত একত্রে যাপন!! সন্তানকে আত্ননির্ভরশীল করার অদম্য এক লড়াই তারা একসাথে লড়েছেন। এটিই শুরু হতে পারে আমাদের সকলের জন্য। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যা করতে পারছে না, তা তো পারছেই না, হয়তো কোন একদিন পারবে। তার আগেই আমরা কেন না নিজের পরিবার থেকেই শুরু করি? কেননা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে শুরু করি? তাদের জন্য আমরা কিছু দিতে না পারি; কিন্তু প্রতিবন্ধকতা অন্তত না সৃষ্টি করি। তাকে বুঝি, তার পরিবারকে বুঝি……একজন মায়ের সন্তানকে নিয়ে লড়াইটাকে বুঝি……

বাবাদের বলছি, আপনি সন্তান ও তার মায়ের পাশে দাঁড়ান। তাদের সমাজের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হোন।
অাপনার পর্যাপ্ত অর্থ নেই সন্তানের শিক্ষা ও সহকারী চিকিৎসাতে ব্যয় করার মতো? অাপনি তাকে ঘরে শেখান, নিজের হাতে শেখান, যতটুকু আপনি জানেন, যতটুকু আপনার সন্তানকে সকল পরিবেশ থেকে রক্ষা করতে পারে তার ব্যবস্থা আপনিই করুন। পরিবেশ মানুষকে শেখায়, তাই আপনি তাকে আপনার মতো করে তাকে আত্নরক্ষা বোঝান, শেখান। মা-বাবা ও পরিবারের মানুষের ভালবাসার চেয়ে বড় আর কিছুই হতে পারেনা।

ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ক সচেতনতা তৈরি অটিস্টিক শিশুর বেড়া ওঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ইতিবাচক ভূমিকা প্রয়োজন। অটিস্টিক শিশুর সুস্থ বিকাশ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে অটিজমবিষয়ক সচেতনতা তৈরি ও একসঙ্গে কাজ করা এখন সময়ের দাবি।

নৃবিজ্ঞানী ও গবেষক
জার্মানি

শেয়ার করুন:
  • 462
  •  
  •  
  •  
  •  
    462
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.