যেখানেই অন্যায় সেখানেই শেলী আপা

উইমেন চ্যাপ্টার:

আমরা আজ থেকে একটি নতুন উদ্যোগ চালু করতে যাচ্ছি। আমাদের অনেকের বন্ধু আপা মাহমুদা শেলী টাঙ্গাইলে থাকেন। সব ধরনের নির্যাতিত মেয়েদের পাশে উনি উনার সাধ্যমতো দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। সালিশের ব্যবস্থা করেন। তাতেও কাজ না হলে আইন-আদালত তো আছেই। আমাদের লোকবল কম। তারপরও চাইবো, শেলী আপার এই কাজগুলো লোকে জানুক, প্রয়োজনে আমরা ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে তার পাশে গিয়ে দাঁড়াবো। কথা দিলাম আপা। আমরা যদি এই প্রান্তিক মানুষগুলোর পাশে আমাদের ন্যুনতম সাধ্য নিয়েও দাঁড়াই, আমার বিশ্বাস একদিন সেইসংখ্যা হাজারে ছাড়াবে। আর নির্যাতিত মানুষগুলোও নিজেকে কখনও একা ভাববে না।

ঘটনা -১

এই বৃদ্ধার নাম কদবানু (৫৮)। প্রথম স্বামী মারা যাবার পর সন্তোষ বাচ্চুমিয়ার সাথে সতীনের সাংসারে বিয়ে হয়। কিন্তু কদবানুকে স্ত্রীর মর্যাদা দিলেও তাকে ঘরে তুলেনি বড় বউ আর সন্তানদের ভয়ে। তবে আলাদাভাবে কদবানুকে ভরণপোষণ দিত। গত ৮বছর যাবত বাচ্চুমিয়ার মৃত্যুরপর তাকে কোনপ্রকার ভরণপোষণ দিচ্ছেনা বাচ্চুমিয়ার পরিবারের লোকজন।
উল্লেখ্য, কদবানুর স্বামী মারাযাবার সময় অনেক সয়সম্পত্তী রেখে যায়। স্ত্রী হিসাবে কদবানু ২-আনা হকদার। কদবানু এই বার্তাও জানেনা।
গত পরশু আমাদের কাছে অভিযোগ জানালে আমরা সংগে সংগে বাচ্চুমিয়ার বাড়ি যাই। বাচ্চুমিয়ার প্রথম স্ত্রী ও পুত্র অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে শিকার করে যে কদবানুকে বাচ্চুমিয়া বিবাহ করে এবং ৪০বছর ঘরসংসার করে। বাচ্চুমিয়ার পুত্র স্ত্রীকে তার পাওনা পরিষদ করার পরামর্শ দিলে তারা সাফসাফ জানিয়ে দিল কোন সয়সম্পত্তী কদবানুকে দিবেনা। আমরা মামলার কথা বলতেই ওরা শিকার করেছে কদবানুকে কিছু জমিজমা দিবে।
আগামী সোমবার ওরা সমঝোতা করবে বলে জানালো।

শেয়ার করুন:
  • 597
  •  
  •  
  •  
  •  
    597
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.