পাঠ্যপুস্তকে পুরুষতান্ত্রিক ভূত

0

নাদিয়া ইসলাম:

আমাদের দেশের স্কুলের টেক্সট বইগুলি কারা লিখেন আমার খুব জানতে ইচ্ছা হয়।
ক্লাস এইটের হোম সায়েন্স বইয়ে মেয়েদের যৌন নিপীড়ন থিকা বাঁচার জন্য কিছু আত্মরক্ষার ‘কৌশল’ দেওয়া হইছে। কৌশলগুলি এইরকম-
• বাড়িতে কখনই একা না থাকা।
• অন্যকে আকর্ষণ করে এমন পোশাক না পরা।
• মন্দ স্পর্শ করলে এড়িয়ে যাবে অথবা পরিত্যাগ করবে।
• পরিচিত অপরিচিত কারোর সাথে ঘুরতে না যাওয়া।
• পাড়ার বখাটে দলের হয়রানিতে সরাসরি প্রতিক্রিয়া না দেখায়ে কৌশল অবলম্বন। যেমন জুতা খুলে দেখানো, চড় দেখানো, গালাগাল না করে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিস্থিতি সামলানো।
তো যেই অপদার্থ এই জিনিস লিখছেন এবং যেই অপদার্থ এই জিনিস এ্যাপ্রুভ করছেন, তাদের প্রতি আমার কিছু প্রশ্ন আছে।

১। ডিয়ার স্যার, বাড়িতে একা থাকবো না ভালো কথা। বাপ মা দারোয়ান ড্রাইভার কাজের লোক মামা চাচা নিয়া থাকবো। কিন্তু ইনাদের মারফত যে আমি যৌন নিপীড়িত হবো না তার গ্যারান্টি কই? বাড়িতে একা বা দোকা থাকার সাথে কি যৌন নিপীড়ন সম্পর্কিত?

আমার বাসার বারান্দা দিয়া পাশের বাড়ির একাংশ দেখা যায়। আমি একদিন বারান্দায় দাঁড়াইয়া দেখতে পাইলাম একজন ১৩/১৪ বছরের ছেলে একজন ২/৩ বছরের শিশুর ডায়াপার খুইলা উনার গায়ে অশালীন ভাবে হাত দিতেছেন। আমি ঘটনা আমার মা’রে জানাই। আমার মা ঐ বাসায় গিয়া ঐ ২/৩ বছরের শিশুর মা’রে ঘটনা জানান। শিশুর মা খুব ভয়ংকরভাবে প্রতিবাদ করেন। বলেন, ঐ ১৩/১৪ বছরের ছেলে উনার আপন ভাই। নিজের আপন মামা মারফত একজন বাচ্চা নির্যাতিত হইতে পারেন এইটা ঐ ভদ্রমহিলা জানেন না। উনি আমার মা’রে অপমান কইরা বাসা থিকা বাইর কইরা দেন। পরবর্তীতে আমি এই ঘটনা আরো কয়েকবার দেখি। অপমান হওয়ার ভয় থাকার পরেও আমরা ঐ বাসায় যাই। পোলিসে খবর দেওয়ার কথা বলি। ভদ্রমহিলা এইবারও আমাদের সাথে একই আচরণ করেন। বলেন, উনার কোন্‌ আত্মীয় আছেন যিনি পোলিসের বিগ-শট। সুতরাং এইসব থানা-পোলিস কইরা আমাদের কোনো লাভ হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।

তো এখন আপনি বলেন স্যার, আপনি যে মেয়েদের বাসায় একলা না থাকার পরামর্শ দিতেছেন, দেন- সমস্যা নাই, কিন্তু বাসার ভিতরে আমাদের মামা, চাচা, খালু, টিচার, ড্রাইভার (এবং বাপ) মারফতও যে আমরা যৌন নির্যাতনের শিকার হই, তা কি আপনার মাথায় নাই? আমরা বাসায় নির্যাতিত হইলে যে আমাদের বাপ মা’রাই সেই নির্যাতনের কথা বেমালুম চাইপা যান, তা কি আপনি জানেন না? বাসায় একলা বা দোকলা থাকার সাথে নির্যাতনের সম্পর্ক নাই। মেয়েদের শিখান, বাসার ভিতরেও নির্যাতন হয়, বাইরেও হয়। তারা যেন সব জায়গায় সতর্ক থাকেন।

২। স্যার, আপনি কইছেন, অন্যরে আকর্ষণ করে না এমন পোশাক পরতে। তো স্যার, অন্যরে আকর্ষণ করে না এমন পোশাকের একটু বর্ণনা দিবেন প্লিজ? আর এই যে মাত্র ২/৩ বছরের শিশুর কথা কইলাম, উনি কী পোশাক পরলে যৌন নির্যাতন এড়াইতে পারবেন তাও একটু বইলা দিবেন কি? তনুর নাম শুনছেন না? ঐ যে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে যেই মেয়েটারে ধর্ষণ করা হইলো? ঐ মেয়েটা কিন্তু স্যার হিজাব কইরা চলতেন। উনি মারা গেছেন, কিন্তু ধরেন যারা বাঁইচা আছেন, যারা হিজাব বা বোরখা পইরা চইলাও রাস্তা-ঘাটে নির্যাতনের শিকার হইতেছেন, উনারা আর কী কী পোশাক পরলে উনাদের দেইখা ধর্ষকরা আকর্ষিত হবেন না, একটু বুঝাইয়া বলবেন প্লিজ? উনাদের কি বোরখার উপর চাউলের বস্তা পরা শুরু করা উচিত?

স্যার শুনেন, ছোট মুখে বড় কথা কই। স্যার আপনে হইলেন ধর্ষকের সহযোগী হাফ-ধর্ষক। আপনে এই বাচ্চা মেয়েগুলিরে বুঝাইতেছেন, ধর্ষণের জন্য কিছু হইলেও পোশাক দায়ী। আপনে স্যার অপরাধের দায়ভার অপরাধীরে না দিয়া ভিকটিমরে বলতেছেন, “এত রাতে বাইরে গিয়েছিলে ক্যানো মামনি?”, “ভদ্রঘরের মেয়েরা একা একা জন্মদিনের পার্টিতে যায় না!”, “তোমার চাকরি করার প্রয়োজন কী?” ইত্যাদি। স্যার, আপনি কি জানেন আপনি আপাদমস্তক একজন পুরুষতান্ত্রিক ইডিয়ট?

ধর্ষণের জন্য ধর্ষিত কোনোভাবেই দায়ী না, ধর্ষণ বা যেকোনো যৌন নিপীড়নের জন্য দায়ী পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা, মেয়েদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এমন চিন্তাভাবনা, যৌনতার অভাব, নারীবিদ্বেষী পুরুষতান্ত্রিক সমাজ এবং ধর্ম। আমাদের সামাজিক কাঠামো না পাল্টাইলে এবং বিচার ব্যবস্থায় পরিবর্তন না আনলে ধর্ষণ বন্ধ হবে না। সুতরাং ক্লাস এইটের মেয়েদের এমন আজগুবি ফালতু কথা না শিখায়ে তাদের পোশাক সঙ্ক্রান্ত ট্যাবু থিকা বাইর হইতে বলেন। ‘আকর্ষণ’ একটা আপেক্ষিক জিনিস। আমারে যা আকর্ষণ করে, তা স্বাভাবিকভাবেই আপনারে আকর্ষণ করবে না। তাই আপনি কোনো মেয়েরে আকর্ষণীয় পোশাক না পরতে বললে কী বোঝান তা আমার মাথায় আসে না। মেয়েরা কি ধর্ষণ ঠেকানোর জন্য এখন মুখে কয়লা আর গায়ে গু মাইখা ঘুরবেন?

৩। কইলেন, “মন্দ স্পর্শ করলে এড়িয়ে যাবে অথবা পরিত্যাগ করবে।” হ্যাঁ স্যার, আমারে কেউ নির্যাতন করতে আসলেন, আর আমি উচ্চবাচ্চ্য না কইরা মুখ নিচু কইরা চইলা আসলাম। কাউরে কিছু বললাম না। কারণ বললেই আপনি ২ নাম্বার পয়েন্ট ধইরা টান দিবেন। বলবেন, নিশ্চই আমি এমন কিছু করছিলাম যাতে আমারে খারাপ ভাবে স্পর্শ করা হইছে।

আপনি স্যার, মানব সভ্যতার ইতিহাসের একজন সর্বশ্রেষ্ঠ মেরুদণ্ডহীন প্রাণি। এখন ধরেন আপনারে জিগাই। আমি আপনার বিচিতে কারণ ছাড়াই দুইটা লাত্থি দিলাম। আপনি কি এখন প্রতিবাদ না কইরা কুঁইকুঁই কইরা দুই ঠ্যাঙ্গের মাঝখানে লেজ গুটাইয়া গর্তের ভিতরে গিয়া ঢুকবেন? যদি আপনি ঢুকেন, তাইলে আমিও মন্দ স্পর্শে আওয়াজ না কইরা এড়াইয়া যাবো কীনা ভাববো, ইনশাল্লাহ। আপনি স্যার, কেঁচো ফেঁচো হওয়া বাদ দিয়া মানুষ হওয়া শিখেন। মেয়েদের শিখান, মন্দ স্পর্শ হওয়ার সাথে সাথে চিৎকার দিয়া এলাকা মাথায় করতে। মা’রে বলতে, বাপ’রে বলতে, পোলিসে খবর দিতে, মামলা করতে। মেয়েরা সারাজীবনই এইসব নির্যাতনে মুখ বন্ধ কইরা থাকতেন। উনাদের শিখান যৌন নির্যাতন হওয়ার সাথে সাথে মুখ খুলতে।

৪। বলছেন, পরিচিত অপরিচিত কারো সাথে ঘুরতে না যাইতে। অপরিচিত মানুষের সাথে ঘুরতে নাহয় নাই গেলাম। পরিচিত মানুষের সাথে ঘুরতে যাবো না মানে কী? ধর্ষণ হইতে পারি এই ভয়ে আমার বাপ, ভাই, চাচা, খালু কারও সাথে আমি কোথাও না গিয়া ঘরে গিট্টু দিয়া বইসা থাকবো নাকি? আপনি কি কইতেছেন আপনি বুঝতে পারতেছেন? আপনি এইসব ক্লাস এইটের মেয়েদের মধ্যে পুরুষভীতি ঢুকাইতেছেন। আপনি বলতেছেন, প্রত্যেকটা পুরুষ একেকজন সম্ভাব্য ধর্ষক। আপনি শিখাইতেছেন পুরুষরে ঘৃণা করতে, অবিশ্বাস করতে। আপনি বলতেছেন, ঘুরাঘুরি মেয়েদের কাজ না। আপনি বলতেছেন, পাখিরা থাকবে আকাশে, মেয়েরা থাকবে বাড়িতে। আপনি স্যার, টাইম মেশিনে চইড়া মধ্যযুগে ফেরত যান, ঐটাই আপনার জন্য উপযুক্ত সময়। একবিংশ শতাব্দীতে যেইখানে বাকি পৃথিবীতে মেয়েরা ছেলেদের সমান তালে এয়ারপ্লেইন চালাইতেছেন, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করতেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী হইতেছেন, সেইখানে আপনি মেয়েদের বলতেছেন তারা যেন বাইরে না যায়! ক্লাস এইটের মেয়েদের আমাদের শিখানো উচিত মার্শাল-আর্ট বা রাস্তাঘাটে নিজেরে রক্ষা করার কৌশল, নিজেরে ঘরের ভিতর লুকাইয়া রাখার কৌশল না।

৫। এই পয়েন্টে আমি আপনার সাথে আংশিক একমত। আপনে বলছেন, “রাস্তাঘাটে সরাসরি প্রতিক্রিয়া না দেখায়ে কৌশল অবলম্বন করা ভালো।” মারামারি সবসময় সুফল আনে না সত্য। তাই অনেকক্ষেত্রে সরাসরি যৌন নিপীড়ন, যেমন গায়ে হাত দেওয়া না হইলে বা নোংরা মন্তব্য না করা হইলে যদি শুধু শিষ বাজানো বা নাম ধইরা ডাকার মত তুলনামূলক ছোট ঘটনা ঘটে, তাইলে মেয়েরা এইসব জিনিস এড়াইয়া যাইতে পারেন। পাত্তা না পাইলে অনেকক্ষেত্রেই এইসব যৌন অভাবগ্রস্থ ছেলেরা থাইমা যান। কিন্তু বড় কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে শুধু জুতা খুইলা দেখানো না, দরকার হইলে মেয়েদের জুতা খুইলা এইসব ছেলেদের পিটায়ে আসতে হবে এবং শুধু চড় দেখাইলে চলবে না, দরকার হইলে গালে বিরাশি শিক্কার এমন একটা চটকানা মাইরা আসতে হবে যেন আগামী তিনদিন উনার মাথা বনবনবনবন ঘুরতে থাকে।

স্যার, আপনে যেই পয়েন্টগুলি মেয়েদের আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে যৌন নিপীড়ন ঠেকাইতে উল্লেখ করছেন, সেইগুলি মেরুদণ্ডহীনতার আত্মরক্ষা। আমি প্রথমতঃ মেয়েদের গার্হস্থ্য বিজ্ঞান পড়ানোর বিপক্ষে। কিন্তু আপনি যদি স্কুলে গার্হস্থ্য বিজ্ঞান পড়াইতে চান, তাইলে ছেলে এবং মেয়ের উভয়ের এই বিষয় পড়া উচিত। দ্বিতীয়তঃ আপনি শুধু মেয়েদের আত্মরক্ষা করতে শিখাইলে চলবে না, ছেলেদের শিখাইতে হবে, উনারা যেন কাউরে নির্যাতন না করেন। তৃতীয়তঃ যৌন নির্যাতন একলা মেয়েরা ঠেকাইতে পারবেন না, এইটা একটা সামাজিক সমস্যা এবং ছেলে ও মেয়ে উভয়ের এবং উনাদের বাবা মায়ের একসাথে এই জিনিস বন্ধ করতে হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে, সামাজিক নিরাপত্তা বাড়াইতে হবে, পুরুষতান্ত্রিকতার চর্চা থিকা বাইর হইয়া আসতে হবে, ছেলে মেয়েদের একে অপর সম্পর্কে ভীতি দূর করাইতে হবে, গার্লস স্কুল- বয়েজ স্কুল- মাদ্রাসা- ক্যাডেট কলেজের মত ছেলে-মেয়ে পৃথকীকরণ করা ইনস্টিটিউট বন্ধ করতে হবে, বাচ্চাদের ছোটবেলা থিকা যৌন নির্যাতন সম্পর্কে শিখাইতে হবে, সমাজে যৌনতা সঙ্ক্রান্ত ট্যাবু ভাঙ্গতে হবে, ছেলে মেয়েদের স্বাভাবিক যৌন আগ্রহ এবং অনুসন্ধিৎসু আচরণরে নোটিস করতে হবে, মানুষরে প্রেম করতে দিতে হবে।
মেয়েদের ঘরে আটকাইয়া রাখার চিন্তা মধ্যযুগীয় এবং হেফাজতিয় ছাগলামি চিন্তা।

দেশে ইসলামের সুবাতাস বওয়া শুরু করলেও, শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা হইলেও যৌন নির্যাতন ঠেকানো সম্ভব না। বাংলাদেশে এখনো হিসাব অনুযায়ী ৯% মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী না। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সব মেয়ে আজকে থিকা কালা বোরখা বা চাউলের বস্তা পিন্দা হাঁটা শুরু করলেও বাদবাকি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিশ্চান, আদিবাসী, নাস্তিক মেয়েরা নিজ খুশিমত পোশাক পইরা হাঁটার অধিকার রাখবেন। সেইক্ষেত্রে আপনি কি তাদের উপর হওয়া নির্যাতনরে নির্যাতন বইলা স্বীকার করবেন না? সৌদি আরবের সব মেয়ে বোরখা পইরা ঘুরেন। কিন্তু তাতেও সৌদি আরবে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতন বন্ধ হয় নাই।

শুধুমাত্র সৌদি আরবে ধর্ষণ মামলায় মেয়ের পক্ষ থিকা চারজন সাক্ষী জোগার করতে হবে এই ভয়ে বেশিরভাগ মেয়ে পোলিস রিপোর্ট করেন না। তা আপনি আমারে এখন বলেন, যেই মেয়ে বুঝতে পারতেছেন তিনি ধর্ষিত হইতে যাইতেছেন, তিনি কি ধর্ষকরে থামাইয়া বলবেন, “ভাই একটু দাঁড়ান, আপনি তো আমাকে ধর্ষণ করতে যাচ্ছেন, আর আমার তো এই নিয়ে পরে মামলা করতে হবে, এ্যান্ড আই নিড চারজন স্বাক্ষী, সো আমি আমার চারজন ভাইকে ডেকে আনি, উনারা দাঁড়িয়ে দেখুক আপনি আমাকে ধর্ষণ করবেন!”???

স্যার, আমার কাছ থিকা শুইনা রাখেন- শুধু ইসলামী শরিয়াহ আইন না, কোনো ধর্মের আইন দিয়াই ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে না। আপনার মত অপদার্থরা যতদিন টেক্সট বইয়ে এইসব ফালতু জ্ঞান বিতরণ বন্ধ না করতেছেন এবং নিজেদের না পাল্টাইতেছেন, ততদিন মেয়েরা ধর্ষিত হইতেই থাকবেন। তাই আপনার এইসব আত্মরক্ষার নামে মর্যাদাহানিকর কেঁচোর মত গর্তে লুকাইয়া জীবন যাপন করার চাইতে, মাইর খাইয়া মাইর হজম কইরা ফেলার আত্মগ্লানির চাইতে মেয়েদের আত্মহত্যা করা ভালো। অথবা মেয়েদের জন্মের সাথে সাথে তাদের বুড়িগঙ্গায় ফালায় দিয়া আসা ভালো। আপনাদের মত অপদার্থদের দেশে মেয়ে হইয়া জন্ম না নেওয়া ভালো। আপনাদের মত অপদার্থদের দেশে আমার পেটের মধ্যে নয় মাস আদরে আহ্লাদে বড় কইরা আপনাদের মত অপদার্থদের জন্ম না দেওয়া ভালো।

তাই আপনার এবং আপনাদের মতো অপদার্থরা যতদিন বাংলাদেশে আছেন, ততদিন বাংলাদেশ নারীশূণ্য হোক। আপনারা একলা একলা নিজেদের উপর নিজেদের পুরুষতন্ত্র ফলাইতে থাকেন গিয়া। এরপর বুঝবেন কত ধর্ষণে কত পুরুষাঙ্গ।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

লেখাটি ২,৫৫৬ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.