নারী, রাজনীতিতে বেমানান ভারী!

0

রীতা রায় মিঠু:

গেছিলাম হসপিটালের ‘ইমেজ সেন্টারে’ মেমোগ্রাম করানোর জন্য। মেমোগ্রাম হচ্ছে মেয়েদের ব্রেস্টের রুটিন চেক আপের পরীক্ষা পদ্ধতি। এক্সরের মতোই ব্যাপার, তবে এক্সরে নয়। যে দুটি অঙ্গ (স্তন এবং জরায়ু) মেয়েদের ‘নারী’র মর্যাদা দেয়, এই দুটি অঙ্গ বয়স চল্লিশের পর ‘নাজুক’ হতে শুরু করে। কর্কট রোগের জীবাণুরা বাসা বাঁধার জন্য নারীর ‘নাজুক’ অঙ্গে সহজেই প্রবেশ করে এবং একসময় নারীর অজান্তেই ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ব্রেস্ট ক্যান্সার, ইউটেরাস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ নারী এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়।

আধুনিক দেশে বসবাস করার একটা বড় সুবিধা হলো, সহজলভ্য এবং আধুনিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা পাওয়া যায়। বয়স চল্লিশের পর যেকোনো নারীর নাজুক দুটি অঙ্গে কর্কট রোগ বাসা বাঁধতে পারে, এই ধারণা আমাদের দেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নারী-পুরুষ কারো মাঝেই নেই, যাদের মাঝে আছে, তারাও ব্যাপারটি নিয়ে মাথা ঘামান না। কর্কট রোগ বাসা বাঁধতে চাইলে কেউ আটকাতে পারবে না, তবে সচেতন থাকলে বাসা বাঁধবার শুরুতেই কর্কটের বাসা ভেঙ্গে ফেলতে পারা যায়। তার জন্য দরকার সচেতনতা।

আমাদের দেশে নারী অঙ্গকে শাড়িতে ঢেকে রাখার নিয়ম, নারী অঙ্গ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখানোর মধ্যে দূর্ণিবার লজ্জা আর সংকোচ মেশানো থাকে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন যিনি, তিনি যদি নারীও হন, তবুও লজ্জা। আর পরীক্ষক পুরুষ হলে তো কথাই নেই! নারী কর্কট রোগে আক্রান্ত হয়ে পচে গলে মরে যাবে, তবুও পুরুষ চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করাবে না।

ধান ভানতে শিবের গীত গাওয়া আমার স্বভাবে দাঁড়িয়ে গেছে। এতো কথা বলতাম না। ইমেজ সেন্টারের ওয়েটিং রুমে বসে এসব হাবিজাবি কথা মনে এলো। এতো বড় বড় সংলাপ দিচ্ছি, অথচ ১৬ বছরের প্রবাস জীবনে আমি দ্বিতীয়বার এলাম মেমোগ্রাম করতে। এইতো আমার নারী সচেতনতার বহর! আসলে উপদেশ দিতে পয়সা লাগে না, সমালোচনা করতে মন্দ লাগে না, তাই কথায় কথায় উপদেশ দিতে ইচ্ছে করে, সমালোচনা করতে ইচ্ছে করে। তবে মেমোগ্রাম এবং প্যাপসমিয়ার টেস্ট (স্তন এবং সের্ভিক্সে কর্কট রোগের বাসা খুঁজে দেখা) করার জন্য ‘নারী’কে উপদেশ বা পরামর্শ দেয়াই যায়। এটি ‘ইতিবাচক’ উপদেশ, উপদেশ দেয়ার আগে যেটুকু বললাম, তা ‘ইতিবাচক’ সমালোচনা।

ওয়েটিং রুমে সময় কাটানোর জন্য আমার সস্তা এবং ভাঙ্গা স্মার্ট ফোনের ফেসবুকে গেলাম। দেখি ফেসবুক মামা আমাকে ২০১৩ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর তারিখে লেখা, “নারী, রাজনীতিতে বেমানান ভারী” পোস্টটি আবার শেয়ার করতে বলছে। ফেসবুক মামার এই ঢং আমার খুব ভালো লাগে। ঝোপ বুঝে কোপ মারার ঢং। চারদিকে এখন ‘নারী নারী নারী’ বাতাস বইছে! এইতো সময় “নারী, রাজনীতিতে বেমানান ভারী” লেখাটি রি-পোস্ট করার!
রি-পোস্ট করার আগে লেখাটি আবার পড়লাম। কিছু বানান ভুল বাদ দিলে অতি সময়োপযোগি, যুগোপযোগি, সুগঠিত লেখা মনে হলো। তাই ফেসবুক মামুর অনুরোধ রাখতে লেখাটি রি-পোস্ট করলাম।

৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩

“গতকাল আমার ইনবক্সে একজন মেসেজ পাঠিয়েছে, “ম্যাডাম, আপনি কি পলিটিক্স করেন”?
প্রশ্নকর্তার জবাব দিলাম, “নারে ভাই, আমি পলিটিক্স করি না, ইদানিং অনেককেই দেখি, একতরফাভাবে বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর কন্যাকে নিয়ে নানারকম কথা বলে, যে কথাগুলো শুনলে আমার বিবেকে খোঁচা লাগে, শুধুমাত্র সেই কথাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতেই নিজের মত প্রকাশ করি। এর বেশী কিছু না।
সে বলল, ” ওহ! ওকে”। [কথা শেষ]

এমন প্রশ্ন আমাকে প্রতিদিনই কেউ না কেউ করে, আমিও তাদের প্রশ্নের উত্তরে একই কথা বলে যাই। একই প্রশ্নের একই উত্তর দিয়ে অভ্যস্ত আমার মধ্যে একটি অনুভূতি কাজ করে, আচ্ছা, ওরা আমাকে কেন এই ধরণের প্রশ্ন করে? ওরা কি শুধু আমাকেই এই ধরণের প্রশ্ন করে? নাকি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যারাই রাজনীতি ঘেঁষা মন্তব্য করে থাকে, তাদের সকলকেই এই প্রশ্ন করে?

আমার মনে এই প্রশ্ন জাগার কারণ আছে। আমি খেয়াল করেছি, আমার রাজনীতি ঘেঁষা স্ট্যাটাসগুলোতে যারা কমেন্ট করেন, তাঁদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন বন্ধু ছাড়া, বাকীদের কমেন্টের মূল সুরে থাকে, “তুমি তো নারী, তুমি রাজনীতির কি বুঝ?” জাতীয় ভাব।
কেউ কেউ মূল সুরে না গিয়ে ঘুরানো সুরে বলেন, “আপনার দৈনন্দিন জীবনের লেখাগুলো অনেক বেশী ভালো, রাজনীতি নিয়ে নাইবা লিখলেন”।

কেউ কেউ বলে, “অমুক বইটা পড়ুন, তমুকের জীবনী পড়ুন, তাহলে রাজনৈতিক লেখাগুলো সমৃদ্ধশালী হবে”।
আবার কেউ কেউ মেসেজ পাঠায়, “আপনি একজন নারী হয়েও বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে যে সমস্ত সাহসী মন্তব্য করেন, অবাক হয়ে যাই”।

রাজনীতি কি শুধুই বই পড়ে শেখার জিনিস? যদি কার্ল মার্কস, চে’গুয়েভারাকে রেফারেন্স হিসেবে না টানি, তাহলে কি বুঝতে হবে, আমি রাজনীতি বুঝি না? নিজের বিচার-বুদ্ধি দিয়ে যা বুঝি, তা যদি পৃথিবী বিখ্যাত রাজনীতিবিদদের বুঝের সাথে না মিলে, তাহলে কি বুঝতে হবে, আমি রাজনীতি বুঝি না? রান্নাঘরে অনেকটা সময় দিতে হয় বলে কি আমি মিছিলে যেতে পারি না? মিছিলে যেতে পারি না বলে কি আমি দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ে ওয়াকিবহাল হতে পারি না? মিছিল করলেই বুঝি রাজনীতিবিদ হওয়া যায়? বই মুখস্থ করে রাজনৈতিক মঞ্চে গরম গরম বক্তৃতা দিলেই বুঝি রাজনীতি নিয়ে কথা বলার অধিকার অর্জন করা যায়? সংসার সামলাতে হয় বলে বুঝি আমরা শুধুই ‘মহিলা’ হয়ে গেলাম? ‘মহিলা’ হয়েছি বলে বুঝি সংসারের বাইরের আর কিছু জানতে নেই? মহিলা হয়েছি বলে বুঝি আমরা ‘মানুষ’ থেকে আলাদা প্রজাতি হয়ে গেছি? তাই কি সংসার সামলিয়ে সমাজ এবং রাষ্ট্র নিয়ে কথা বলতে চাওয়া নারীদেরকে ‘মহিলা লীগ’, ‘মহিলা দল’ বলে ব্র্যাকেটবন্দী করা হয়? তাই বুঝি আমি রাজনীতি সম্পর্কিত স্ট্যাটাস লিখলেই অনেকের চোখ কুঁচকে যায়? ভাবে, এই মহিলা আবার রাজনীতি নিয়ে কথা বলে কেন? মহিলারা আবার রাজনীতি বুঝে নাকি?

একটা ঘটনার কথা বলি:
আমি তখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। আমার দাদা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন, থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয় কোয়ার্টারে, আমি সুযোগ পেলেই দাদার বাসায় চলে আসতাম, দাদার দুই মেয়ের সাথে সময় কাটাতে খুব ভালো লাগতো। তেমনি একবার দাদার বাসায় ছিলাম, দাদার শ্বশুরমশায়, মানে আমার তাঐমশায় বেড়াতে এসেছেন, সকলেই গল্পগুজব করছে, ক্রিকেট প্রসঙ্গ উঠতেই আমি কান খাড়া করে সব শুনছিলাম। দাদাকে আমরা ভাইবোনেরা সবাই ভীষণ সমীহ করে চলতাম, দাদার সামনে সহজে মুখ খুলতাম না। তাঐমশায় কপিল দেব সম্পর্কে কিছু বলেছিলেন, আমি স্থান-কাল ভুলে মন্তব্য করে ফেলেছি। তাঐমশায় খুবই সদালাপী, বিনয়ী, ধীর-স্থির এক মানুষ ছিলেন, সেই ধীর-স্থির মানুষটিই অবাক হয়ে বলে ফেলেছেন,
“আরে! মিঠুও দেখি ক্রিকেট বুঝে!”

শ্বশুরমশায়ের কমেন্টের জবাবে আমার গুরু গম্ভীর দাদা মুচকি হেসে বলেছেন, “হ্যাঁ, আমার বড়মামা মেয়েকেও ছেলেদের সমান করেই বড় করছেন, ছেলেদের যা শেখান, মেয়েকেও তা শেখান”।
সেদিনই আমি প্রথম জানলাম, জানার মধ্যেও ছেলে-মেয়ে ভাগ আছে। ক্রিকেট, ফুটবল, রাজনীতি, অর্থনীতি সম্পর্কে জানবে ছেলেরা, মেয়েরা জানবে লুডু, কুতকুত, সিনেমা, এমব্রয়ডারি আর রান্না-বান্না।
এই বোধ জাগ্রত হওয়ার পর থেকে আমি নিজেদের পরিবারের গণ্ডি ছাড়িয়ে আর কোথাও ‘ছেলে অধ্যায়’ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করতাম না। এইজন্যই বিয়ের আগে আমার উত্তম কুমার আমাকে ‘গার্হস্থ্য বিদ্যাসচেতন’ মেয়ে ভেবেছিল, বিয়ের পরে বুঝে গেছে, বউ তো দেখি গার্হস্থ্যবিদ্যা বাদ দিয়ে বাহিরস্থ বিদ্যায় বেশি উৎসাহী!

আমার ভাগ্য ভালো, উত্তম কুমার আমার বাহিরস্থ বিদ্যা চর্চায় কোন বাধা দেননি, বরং আড়েঠারে উৎসাহই যুগিয়েছেন। আমার রাজনৈতিক মতের সাথে তার মত মিলতো না, তর্ক করতাম, তর্কে জেতার জন্য পড়াশোনা করতাম, রেফারেন্স টেনে কথা বলতাম, শেষে ‘তালগাছ আমার’ বলে নিজেকে জয়ী ভাবতাম।
আমার স্বামী কখনওই বলেনি, “তুমি মেয়ে হয়ে রাজনীতি নিয়ে কথা বলো কেন?”
আমার বাবা বা তিন ভাই, তাদের কেউ কোনদিন বলেনি, “এই, তুমি তো মেয়ে, তুমি কেন ভাতের হাঁড়ি না ঠেলে রাজনীতি নিয়ে কথা বলো”?

আমি ছাড়াও, আমার মা, মাসী সকলেই রাজনীতি, খেলাধূলা, গান-বাজনা নিয়ে সবসময় আলোচনা করতো। আমি প্রবাসে থাকার কারণেই সেইসব আড্ডা থেকে বঞ্চিত হয়েছি, কিন্তু তাই বলে রাজনীতি সম্পর্কে উদাসীন হয়ে যাইনি। আমার মায়ের ছোট একটি বুকশেলফ ঠাসা ছিল স্বদেশী আন্দোলনের বই দিয়ে। আমার মা স্বদেশী আন্দোলন সম্পর্কে যা জানতেন, তার সিকিভাগও আমি জানি না।

রাজনীতি, সমাজনীতি বা অর্থনীতি নিয়ে জ্ঞানার্জনের জন্য ‘লিঙ্গবৈষম্য’ আছে কিনা আমার জানা ছিল না, যেমন জানা ছিল না ঘর-গেরস্থালীর জন্য ‘লিঙ্গবৈষম্য’ থাকার কথা। নিজের ঘরে বাবা-ভাইকে দেখেছি ঘর গেরস্থালীর কাজে আমার মা’কে সাহায্য করতে। লিঙ্গবৈষম্যের ব্যাপারটি ইদানিং বেশ জোরালোভাবে উচ্চারিত হতে শুনছি, আরও স্পষ্টভাবে যদি বলি, তাহলে বলতে হয়, অনেকেই ইদানিং বাংলাদেশের দুটি রাজনৈতিক দলের দুই প্রধানকে নিয়ে কটুক্তি করছেন, কটুক্তি করার এক পর্যায়ে নেত্রীদের পদমর্যাদার কথা বিবেচনায় না নিয়ে উনাদেরকে তাচ্ছিল্যভরে “দুই মহিলা” বলে সম্বোধন করছেন, বলছেন, মহিলারা রাজনীতির কিছু বুঝে না, তারা বুঝে চুলাচুলি, এই “দুই মহিলার’ কবলে পড়ে দেশ উচ্ছন্নে যাচ্ছে~~ জাতীয় অনেক হড়ং বড়ং কথা।

তেমন মানসিকতার বন্ধুরাই আমাকে মেসেজ পাঠিয়ে বলে, “রান্না-বান্না করেন তো? রাজনীতি নিয়ে কথা বলার কী দরকার? তার চেয়ে আলু পটলের দোলমা রাঁধেন, তার রেসিপি দিন। আপনি রাজনীতি নিয়ে ফালতু সময় নষ্ট না করে দৈনন্দিন জীবনের ঘটনাবলী নিয়ে বরং লিখে যান, রান্না-বান্না করেন তো ঠিকমতো? আপনার উত্তম কুমার কিছু বলে না আপনাকে?”।

আমি তাদের কথার উত্তরে শুধু এটুকুই বলতে পারি, ‘দুই মহিলা’ শুধু মহিলাই নন, উনাদের প্রথম পরিচয় উনারা মানুষ, মানুষ হিসেবে একজন ‘পুরুষের’ যদি দেশ শাসন করার অধিকার বা যোগ্যতা থাকতে পারে, মানুষ হিসেবে একজন নারীরও সেই যোগ্যতা বা অধিকার আছে। এই দুই ‘মহিলার’ আগেই তা প্রমাণ করে গেছেন “প্রিয়দর্শিনী ইন্দিরা গান্ধী, শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে, চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা, মার্গারেট থ্যাচার, বেনজীর ভুট্টো” এবং এখনও অনেক পুরুষোত্তমের গলার কাঁটা হয়ে ঝুলছেন অং সান সুচি, হিলারি ক্লিনটন।

মূল কথা হচ্ছে যোগ্যতা। যারা এই দুই নেত্রীকে ‘মহিলা’ আখ্যা দিয়ে রাজনৈতিক বলয় থেকে ছুঁড়ে ফেলতে চাইছেন, তারা বোধ হয় ভুলেই গেছেন, ‘৭২ থেকে ‘৯০ পর্যন্ত দেশ পরিচালনায় ছিল ‘পুরুষোত্তম’গণ। রাজনীতি যদি শুধুই পুরুষদের চর্চার বিষয় হয়ে থাকে, তাহলে পুরুষদের নাকের ডগার সামনে এই দুই ‘মহিলা’ কি করে মূলো ঝুলিয়ে যাচ্ছে? হা হা হা!! স্বীকার করে নিন, যোগ্যতা আসল কথা, এই দুই ‘মহিলা’ রাজনৈতিক বুদ্ধিতে আপনাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন, তাই আপনাদের ‘পুরুষোত্তম’ নেতাদেরকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাচ্ছেন!

আর আমার নিজের সম্পর্কে বলি, সবার প্রথম, আমি একজন মানুষ, দ্বিতীয়ত আমি একটি সমাজ সচেতন পরিবারের সন্তান, তৃতীয়তঃ আমি একজন আধুনিক এবং উদার মনের মানুষের সহধর্মীনি, চতুর্থতঃ আমি আধুনিকমনস্ক মানুষদের বন্ধু, পঞ্চমতঃ আমি একজন নারী।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

লেখাটি ৭৪৭ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.