আইসিটিতে দন্ডপ্রাপ্তদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিষেধাজ্ঞা

ICTউইমেন চ্যাপ্টার ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আইনী পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন।(খবর: বিবিসি অনলাইন)

বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আইনে বলা আছে যে যুদ্ধাপরাধের দায়ে সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এই আইনকে কিছুটা পরিবর্তন এনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হবেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

ট্রাইবুনালের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর আপিলের রায় চলতে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিধান কি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনই প্রযোজ্য হবে।
এ ব্যপারে সিইসি যোগ করে বলেন, আপিল হলে ধরে নেয়া হয় যে কেসটা এখনো পেন্ডিং আছে, এবং অন্য কোন ব্যাখ্যা না এলে হয়তো দন্ডিত ব্যক্তি সে ক্ষেত্রে নির্বাচন করতে পারবেন।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তবে আপিলের প্রক্রিয়া চলছে। অনেকের রায় না হলেও বিচারকাজ চলমান। এর মধ্যে কয়েকজন গত জোট সরকারের এমপি এমনকি মন্ত্রী পদেও ছিলেন। তাই একাত্তরের মানবতাবিরোধীদের বাংলাদেশের নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সিইসি জানান, এই সংশোধনীর সুপারিশ এখন যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রথমে মন্ত্রিসভার অনুমোদন এবং তারপর সংসদে পাসের মধ্যে দিয়ে আইনে পরিণত হবে।

ইতিমধ্যে ট্রাইবুনালে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আবুল কালাম আযাদ, দেলওয়ার হোসেন সাইদি, কামারুজ্জামান এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।

এছাড়াও আরো দুই দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, গোলাম আযম ৯০ বছর ও কাদের মোল্লা যাবজ্জীবন।

শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.