রান্না ও গৃহকাজ ‘বেসিক স্কিল’, ‘নারীর কাজ’ নয়

0

জিনাত হাসিবা স্বর্ণা:

সাধারণত নিজেদের (মানে মেয়ে/নারীর) ভেতরকার ছোটো ছোটো পরিবর্তনকে উদ্দেশ্য করে আমি লিখি। এ সমাজ আমাদের সবাইকে এমনভাবে তৈরি করেছে যেন আমরা নারীতে-পুরুষে আমাদের ভূমিকা-ব্যক্তিত্ব-দক্ষতায় আকাশ পাতাল ফারাক নিয়ে দ্বন্দ্বে পড়েই জীবনটা জলাঞ্জলি দিয়ে ফেলি।

তাই নারী-পুরুষ সরলীকরণে একে অপরের প্রতি দোষারোপ যথাসাধ্য (পেরে উঠা দুস্কর) এড়িয়ে চলি। তাছাড়া দোষারোপ করায় একটা ভীষণ অশান্তি আর অস্থিরতা আছে, আমার জন্য যা অস্বস্তিকর। কিন্তু এই লেখাটা লিখতে গিয়ে আমি পুরুষদের প্রতি প্রচণ্ড বিরক্তি টের পেয়েছি আমার ভেতরে। তার কারণ হলো রান্না ও অন্যান্য গৃহকাজের বিষয়ে পুরুষদের সুবিধাবাদী অবস্থান নির্লজ্জ রকমের স্পষ্ট, পুরুষ হিসেবে ডিফেন্ড করার প্রবণতাও বেশি। তাই অস্বস্তি সত্ত্বেও এই লেখায় আমি পুরুষদের উদ্দেশ্য করেই বলতে চাই (আর অবশ্যই নারীদেরও, যারা রান্না আর ঘরের কাজকে নারীর কাজ বানিয়ে রাখতে সক্রিয়)। কথাগুলোকে আঘাত মনে হলে আঘাত। নতুন করে গড়তে হলে পুরোনোকে ভাঙতে হয়, ভাঙতে হলে আঘাত অনিবার্য।

যাই হোক, ক্ষোভগুলোতে যাওয়ার আগে সাম্প্রতিক দুটো অভিজ্ঞতা বলি।

এক: দু’মাস আগে একটা কাজে গিয়েছিলাম দেশের দক্ষিণ আর দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের বেশ ক’টা গ্রামে। দলীয় আলোচনায় ঘরের কাজের প্রসঙ্গে কথা হচ্ছিলো। একজন বললেন ‘এখন সমান অধিকার নারী পুরুষের, পুরুষেরা এখন অনেক সহযোগিতা করে’। তাতে সায় দিলেন কেউ কেউ। উৎসুক হয়ে জানতে চাইলাম ‘কী রকম’? উত্তর এলো তারা ‘পানিটা ঢেলে খায়, পানির জন্য ডাক দেয়না’। দীর্ঘশ্বাসটা চেপে গেলাম, দমলাম না। জানতে চাইলাম, ‘আর’? উত্তর এলো ‘তরি তরকারি আর পানি আগায়ে দেয় রান্নার সময়’। এখানে বাকিরা আপত্তি তুললো তুমুল, ‘সবাই কি তোমার স্বামীর মতোন নাকি? আর কে দেয় এইখানে’? তবুও দমিনাই, সর্বোচ্চ পরিবর্তনের খোঁজে ছিলাম। যা পেলাম তা হলো- আগে ‘ভাত দে’ বলতো, এখন ‘আসো ভাত খাই’ বলে। এই চিত্র প্রকল্পের কার্যক্রমের ফলে বেটার পজিশনে থাকা, এবং সচেতন হয়ে ওঠা মানুষের চিত্র (তার মানে তারা যখন সঙ্গী পুরুষকে সহযোগী ভূমিকায় চায় তার তার অর্থ হলো পুরুষেরা যেন ঘরে নিজের কাজ নিজে করে আর মানুষ হিসেবে তার সঙ্গীর প্রাপ্য সম্মানটুকুর প্রতি খেয়াল রাখে।)

দুই: নগরের দারিদ্র্যে থাকা মানুষগুলোকে নিয়ে কাজ করতে নানারকম সমস্যায় হিমশিম অবস্থা। সমাধানের কৌশল বের করার চেষ্টায় এক ওয়ার্কশপের আয়োজনে বিভিন্ন পর্যায়ের সহকর্মীরা এক হয়েছে, একটা কথা উঠে এলো সেদিন। কাজের সুবাদে বস্তিতে যে সহকর্মীর নিয়মিত যাতায়াত তিনি বললেন, কথা বলার জন্য তারা পুরুষদের পান; তারা ঘরেই থাকেন আর তাস খেলেন, নেশা করেন বা গাল গল্প করে কাটান, অথবা পার্ট টাইম রিক্সা চালান। ঘরের কাজেও তারা নেই। পাওয়া যায়না মেয়েদের, কারণ এরাই ফুলটাইম গার্মেন্টস অথবা গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে সংসারের আয় করছে, আবার ঘরের সমস্ত কাজের ভার নিয়েছে। তাদের কথা বলার ফুরসত নেই।

মোট কথা যেদিকেই তাকান ঘরের কাজের দায় নারীর- নারী সে নিজে করুক বা অন্য নারীকে দিয়ে করাক, কাজ করার দায় নিক বা কাজ আদায়ের! এমনকি সে সংসারের মূল উপার্জনকারী হয়ে উঠলেও। আরো ভেঙে বললে- নারী সে শহরে থাকুক বা গ্রামে, চাকুরীজীবী হোক বা গৃহী, শিশু হোক বা প্রাপ্তবয়স্ক, নিম্ন-মধ্য-উচ্চ যে ‘শ্রেণীরই’ হোক, বাম-নারীবাদী-পুরুষতান্ত্রিক-মানবতাবাদী-হিন্দু-মুসলিম-আদিবাসী, শিল্পী-বুদ্ধিজীবী-চাকুরীজীবী-গার্মেন্টসকর্মী-ব্যবসায়ী-প্রশাসক-কর্পোরেট-পুলিশ-ছাত্রী-গৃহকর্মী যাই হোক বা না হোক- ঘরের কাজ হওয়া বা না হওয়া সবই নারীর দায়। এই দায়ে বহনে নারীর কোনো শ্রেণী নেই এবং এই নারীরা প্রত্যেকে পরিবারের অন্যান্য সদস্য, বিশেষত পুরুষ সদস্যের কাছে দায়বদ্ধ। এই দায়ে তফাৎ না থাকলেও জবাবদিহিতায় শ্রেণীভিত্তিক তফাৎ আছে। প্রত্যন্ত গ্রামে কিংবা বস্তিতে থাকা নারীটির জবাবদিহিতার সাথে তৎক্ষণাৎ শারীরিক আঘাত জোটে পুরুষটির পক্ষ থেকে, আর ‘শিক্ষিত’ ও ‘সচেতন’ সমাজে সাধারনত জোটে শীতলদৃষ্টি, কটাক্ষ ও ‘ইমোশ্যন্যাল ব্লাকমেইলিং’ (শারীরিক নির্যাতন যে এক্ষেত্রে জোটেইনা তা বলতে পারছিনা জোর দিয়ে)।

রান্না এবং ঘরদোর-হাঁড়িপাতিল পরিষ্কার করা যে বেসিক স্কিল এবং প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয়, এটা লোকে কবে বুঝবে? ঘরের যেকোনো কাজে যে প্রত্যেক সদস্যেরই দায় আছে এই বোধদয় এতো কি কঠিন? ‘মেয়েদের কাজ’ বলে এমনভাবে ঘরের কাজগুলোকে সীল মেরে রাখা হয়েছে যে ঘরের কাজ হয়ে গেছে ‘গৃহকর্মী’ বনাম ‘গৃহকর্ত্রী’ ইস্যু যা কিনা আগাগোড়া নারী সমৃদ্ধ। যেন এসব ঘরে কোনো পুরুষের অস্তিত্ব নেই!

সমসাময়িক কালে এই ইস্যুতে এতো লোকের হরেক রকম মন্তব্যে আমি বহু ছেলের/পুরুষের আয়েশ দেখলাম। শ্রেণী বৈষম্যের বুলিতে বোধ এর সীমাবদ্ধতা দেখলাম। প্রতিটি কথায় ফুটে ওঠে এরা ধরেই নিয়েছে ঘরের কাজের পুরো দায় নারীর, কাজের বেলায় ঘরটা যেন কোনো পুরুষের নয়। সেই ফ্রেমে থেকেই যতো কথা। ঘরের কাজ সামলাতে না পারা, গৃহকর্মীর সাহায্য নেওয়া, গৃহকর্মীকে ম্যানেজ করতে না পারা, ডে কেয়ারে যাওয়া না যাওয়া এই নিয়ে নারীর বিরুদ্ধে দিব্যি অনায়াস তাদের আক্রমণাত্মক মন্তব্য।

আমি শুধু দেখলাম আর ভাবলাম, এদের মধ্যে ক’জন রাঁধেন, ক’জন সবজি কাটেন, ক’জন নিজের কাপড় ধোন, ক’জন নিজের কাপড় ভাঁজ করেন, ক’জন হাঁড়িপাতিল ধোন, ক’জন ঘর ঝাড়ু দেন আর মুছেন, ক’জন বাথরুম পরিষ্কার করেন, ক’জন ময়লার বালতি পরিষ্কার করার কথাও যে মাথায় রাখতে হয় তা জানেন, ক’জন ফ্রিজ পরিষ্কার করেন, ক’জন ঘরের চিপা-চাপার ঝুল আর ফার্নিচারের ধূলা পরিষ্কার করেন, ক’জন সন্তানের খাওয়া-গোসলের দায়িত্ব নেন, ক’জন কোন বাজার কবে কীভাবে রান্না হবে আর কী শেষ হয়ে গেছে, আর কী আনতে হিবে সে হিসেব রাখেন? এই লম্বা লিস্টে আরো কতো কী বাদ পড়েছে সে হিসেব এদের ক’জন দিতে পারবেন? (অনাদি অনন্ত কাল থেকে আছে এক বাজার করা, যেটা পুরুষরা গ্রামে সানন্দে করে থাকেন, কেননা এখানে টাকা পয়সার লেনদেন আছে এবং সাথে বাজারের আড্ডাটাও যুক্ত থাকে। শহরে ধীরে ধীরে এই কাজটাও নারীর ওপরই বর্তাচ্ছে (অথবা নারী নিজেই হাতে নিচ্ছে) সুপার শপের কল্যাণে)।

এই ভাইয়েরা একজন বা দুই তিন জন গৃহকর্মীর লাইন ম্যানেজমেন্টে আছেন কি কেউ? অফিসের স্টাফ ম্যানেজ করার চেয়ে কোনো অংশে যে কম ঝক্কি (সময়, স্ট্রাটেজি, স্ট্রেস, রিলেশন বিল্ডিং) নেই তাতে, সে সম্পর্কে ন্যুনতম ধারণা কি রাখেন তারা? গৃহকর্মীর বেতন দেওয়ায় তারা কতখানি উদারতার পরিচয় দেন? গৃহকর্মীর সাথে বেতন নেগোসিয়েশনের ভার নেন কতজন?

ঘন ঘন “এইখানে ময়লা কেন, বাসা কেন অগোছালো, রান্না কেন দেরী হচ্ছে, ডিশ ওয়াশার/তেল কেন এতো দ্রুত শেষ হয়, কাপড়ে কেন ময়লা রয়ে গেছে, টয়লেটে চুল কেন-এ ধরনের কোনো অভিযোগ করেন না, এমন আছেন ক’জন? কে আছেন যে ঘরের কোনো কাজের জন্য কোনোভাবেই জবাবদিহিতা বা দায়বদ্ধতায় বাঁধেন না তার পরিবারের কোনো এক নারীকে? কী করে নিজেকে অদৃশ্য ভাবছেন এই দৃশ্যপটে?

যে বামপন্থী ব্যক্তিটি শ্রেণী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ‘গৃহকর্ত্রীর’ প্রতি অনায়াসে মন্তব্য ছুঁড়ে যান, ‘কুলাইতে না পারলে বাচ্চাকে ডে কেয়ারে দেয় না ক্যান? ল্যাঠা চুকে যায়’- তিনি কেন ভাবতে পারেন না ঐ গৃহকর্মীটিরও সন্তান আছে, তাকেও একা হাতে দেখাশোনা করতে হয় সন্তান আর ঘরকন্নার। কেন ভাবতে পারেন না এই ‘গৃহকর্মীটিও’ তার অবস্থানে ‘গৃহকর্ত্রী’ এবং ঘরের কাজ সামলাতে হিমশিম খাওয়া একজন নারী। নিম্নবিত্তে অবস্থান করা এই নারীর কথা ডে কেয়ারের কথা বলার সময় শ্রেণীচেতনায় উদ্বুদ্ধ এই মানুষটারই তো সবার আগে মনে হওয়ার কথা। কেন তিনি ‘গৃহকর্ত্রী’ রূপে মধিবিত্ত নারীটির উপর দায় চাপানোর সময় এই নিম্নবিত্ত নারীটির ঘরকে ভুলে যান?

একবারও কেন ভাবেন না মেয়েটাকেই কুলানোর দায়ে অভিযুক্ত করে ডে-কেয়ারের রাস্তা দেখানোর আগে বরং সঙ্গী ছেলেটাকে ঘরের কাজে হাত লাগাতে বলি, নিজের কাজটা নিজে করতে বলি- তাতেও সমাধান আসতে পারে তো? নাকি? ডে কেয়ারের কথা বলার আগে একবার খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কি এ শহরে ক’টা ডে কেয়ার আছে? আমার বন্ধুর অসহায় চেহারা কতোবার দেখলাম, একটা ভালো ডে কেয়ার কোথায় পাবে হন্যে হয়ে খুঁজছে সেই কবে থেকে। সেদিন শুনলাম যা-ও বা একটার খোঁজ পেয়েছে তো মাসে খরচ গুণতে হবে ১৫০০০ টাকা, কিন্তু তারা তার সন্তানের গোসলের দায়িত্ব নিবে না। মাথা জুড়ে টিকটিক করা এই টেনশন আর টানা পোড়েন তার চাকুরীর সব কাজের সাথে সাথে এই মা-ই বইছে! আর সেই গৃহকর্মীটির কথা তো বলার অপেক্ষাই রাখে না, তার সন্তানের নিরাপত্তার কি প্রয়োজন আছে কোনো?

এখন পুরুষেরা ঘরের কাজে অংশ নিচ্ছেন এটা একেবারে বিরল নয়, শুরুটা হয়েছে। কিন্তু দায়সমেত নয়, সাহায্যের মনোভাবে। নিজের দায়কে এড়িয়ে ‘তার জন্য/ তার কাজের ভাগ নিতে/ তাকে ভালোবেসে/ তার কষ্ট কমাতে/’ টোকেন স্বরূপ কেউ কেউ করছেন। এটাও ক্লান্তিকর, মন্দের ভালো। এর সাথে সাথে বাড়তি দায় তৈরি হয় সঙ্গীনীর জন্য, ‘আমার কাজ ও করে দিচ্ছে’। একটা বিষয় ‘সচেতন’ এবং ‘সহমর্মী’ পুরুষদেরও বোঝা প্রয়োজন। তারা যখন ঘরে নিজের কাজ নিজে করছেন, যখন হাঁড়িপাতিল ধোয়া বা রান্নাবান্নার কাজগুলো তার সঙ্গীর সাথে ভাগ করে নিচ্ছেন, সন্তানের দেখাশোনা করছেন- তারা তার নিজেরই সংসারের কাজ করছেন, তার সঙ্গীর কাজ কিরে দিচ্ছেন না। তার নিজের আয়টা যেমন সংসারের কাজে লাগে, স্ত্রীর আয়টা যেমন সংসার-সন্তানের খরচের নেয়, তেমনি গৃহকাজে উভয়ের অংশগ্রহণ সংসারের জন্যই, নিজসহ অন্য সব সদস্যের জন্য। কোনো একজন নারীর জন্য নয়।

নিজেকে ক্ষমতায়িত করতেও প্রয়োজন আছে বোধোদয়ের। বাঁচতে হলে খাওয়া চাই, খেতে হলে রান্না করা লাগে। এটা নিজের জন্য করার কাজ, কে কতোখানি করবেন না করবেন সেটা ঘরের প্রত্যেক সদস্যের কাজ ভাগ বাটোয়ারার বিষয়। কিন্তু রান্না শেখা এমন আহামরি কিছু নয় যার জন্য কোনো না কোনো নারীর উপরই নির্ভর করতে হবে। আর ক্লিনিং ও পরিচ্ছন্ন আর স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপনের জন্য জরুরী। নিজে পরিচ্ছন্ন থাকতে হলে নোংরাটা সরাতে হাত লাগাতে হবে, এতে ‘মেয়েলি কাজের লজ্জা’ বা ‘মান-অপমানের’ কিছু নেই।

পলিটিক্যাল অবস্থানটাও বুঝুন। বাহিরের কাজে নারীরা অংশ নিচ্ছে, নিজের অথবা সংসারের জন্য আয়ের দায় নিচ্ছে। আর্থিক স্বচ্ছলতা অর্জনে দক্ষ হয়ে উঠার সাথে সাথে পুরুষের উপর নির্ভরতা কমছে তাদের। সময় লাগবে বটে, কিন্তু খরগোশ আর কচ্ছপের গল্প কে না জানে। আপনি নিজের অবস্থান সংশোধন না করলে ভবিষ্যৎ হয়ে উঠবে পুরুষতন্ত্রের উল্টোপিঠ, নারীবাদের মতাদর্শের সহাবস্থান নয়। তাই নিজ স্বার্থেই এই বেলা জেগে উঠুন, নারীর প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে নয়। নিজের অবস্থানকে স্বীকার করুন, নইলে একে বদলানোর শক্তি পাবেন না। ঘরের কাজের দক্ষতা অর্জন করুন, সন্তানকেও শেখান। ক্ষমতায়িত হোন, নারীর উপর নির্ভরতা কমান। নারীর দায় কমানোর বা তাকে সহযোগিতার দায় আপনার নেওয়ার দরকার নেই, নিজের দায় নিন।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

লেখাটি ২,৫৭৫ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.