বাচ্চার সাথে বাবা-মার দ্বন্দ্ব, কথাবলায় দেরি ও করণীয় 

ফারহানা আক্তার তানমি: 
প্রথমেই বলে নিচ্ছি আমার শিশু বিষয়ক কোনো বিশেষ ডিগ্রী নেই। চলার পথে হোঁচট খেয়ে অনেক কিছু শিখেছি নিজের আর আমার সন্তান এর প্রয়োজনে। আমার সন্তানের কথা বলতে দেরি হয়েছিল। এসময় আমি নানান ধরনের বই ও আর্টিক্যাল পড়ি, সাইন ল্যাঙ্গুয়েজও শিখেছি , অনেক ইউটিউব-ভিডিও দেখি ওকে সাহায্য করার জন্য। সন্তান লালন-পালন নিয়ে সান্ধ্যকালিন একটা কোর্সেও (KOMAT) ভর্তি হই। তাদের অনুমতিক্রমেই এই লেখাটি লিখেছি। আমার এই লেখা পড়ে যদি একটি মানুষেরও উপকৃত হয় তাতেই আমার চেষ্টা সার্থক হবে। লেখাটি মূলত ৩ থেকে ১১ বছর বয়সী বাচ্চাদের বাবা-মায়ের জন্য লেখা। 
এটি একটি ধারাবাহিক লেখার প্রথম পর্ব।
তিন ভাগে বিভক্ত এই লেখার 
প্রথম পর্বে  বাচ্চাদের সাথে সময়কাটানো, 
দ্বিতীয় পর্বে পুরস্কার, প্রশংসা ও পুর্ব প্রস্তুতি, এবং 
তৃতীয় পর্বে শাসন এর সঠিক উপায় 
-এর বিষয় এ লেখা হয়েছে । 
নিজেকে প্রকাশ করার জন্য ভাষা মানুষের জীবনে খুব দরকারি একটা জিনিস। খুব ছোট বেলায় বাচ্চারা বড়দের অনুকরণ এর মাধ্যমে খুব সহজে ভাষাটা রপ্ত করে নেয়। এটা খুবই প্রাকৃতিক একটা প্রক্রিয়া। আবার এই অতি সাধারণ ব্যাপারটা অনেক বাচ্চার ক্ষেত্রে নানান কারণে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কারণগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে, অনেকগুলো ভাষার ভিতর বড় হওয়া বা মস্তিস্কের বিকাশে দেরি।
বাচ্চারা সাধারণত ১৮ থেকে ২৪ মাসের ভিতর মোটামুটিভাবে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। কোন বয়সে সাধারণত কতটুকু কথা বলবে তার একটা তালিকা আছে। কেন কথা বলা দেরি হয়, তার নানান কারণ থাকতে পারে । এসব ক্ষেত্রে প্রথমত বাচ্চার শ্রবণ শক্তির পরীক্ষা করতে হয়। কথা বলা ছাড়া যদি অন্য কোন সমস্যা থাকে (যেমন নিজের মতো থাকা, চোখের দিকে তাকাতে না পারা, বা সমবয়সিদের সাথে মিশতে না পারা) সেক্ষেত্রে সাইকোলজিস্ট/সাইকিয়াট্রিস্ট এর সাথে কথা বলা ভালো। 
এমন অনেক বাবা মা আছেন যারা প্রতিদিন এই অনিশ্চয়তার ভিতর দিয়ে যাচ্ছেন যে তাদের সন্তান আদৌও কথা বলতে পারবে কিনা। একসময় আমিও ছিলাম। একপাক্ষিকভাবে কথা বলে গেছি দিনের পর দিন। এই কাজটা সত্যিই খুব কঠিন এবং ক্লান্তিকর। আমার বিশ্বাস ছিল আমার সন্তান আমার সব কথাই বুঝে। আমি নানানভাবে আমার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি।
সহায়ক সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ( sign language as a support), ছবি, ও কন্ঠস্বর একসাথে ব্যবহার ভাষা শেখায় সহায়ক হয় । এ ব্যাপারে অবশ্য প্রথমে একটু দ্বিধা ছিল! কারণ সাইন ল্যাঙ্গুয়েজটা কথা বলার সময় এতটা স্বত:স্ফূর্তভাবে আসে না। আমি সাধারণত একটা বাক্যের মূল শব্দটার সাইন ব্যাবহার করতাম। নানান ধরনের বই পড়ে শোনাতাম, যা তুলনামূলক কম ক্লান্তিকর। এতে করে আমার অজান্তেই চার বছর বয়স থেকে সে লিখতে ও পড়তে শিখে গেল, কিন্তু তখনও পুরোপুরি মনের ভাব প্রকাশ করতে পারতো না ! আজেকের দিনে আমার সন্তান তিনটি (বাংলা , ইংরেজি, সুইডিশ) ভাষায় কথা বলতে ও মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। 
একটা বাচ্চা যখন কথা বলা দেরি হয় তখন আশেপাশের মানুষ বাবা-মাকে দায়ী করেন। অনেকক্ষেত্রে, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষেরা নানান কটূক্তির মাধ্যমে বিষয়গুলো আরও অনেক জটিল করে তোলে। বাবা-মা হিসেবে নিজের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয় । বিশেষ করে মায়ের দিকে আঙ্গুল তোলা হয়। আর মা যদি চাকরিজীবী হোন তাহলে তো কথাই নেই। পরিস্স্থিতি এমন ঘোলা হয়ে যায় যে অনেক সময় মায়েরা নিজেদেরকে দায়ী মনে করতে শুরু করেন।  বেশিরভাগ সময় মায়েরা হীনমন্যতায় ভোগেন।  
মায়েদেরকে শুধু একটি কথাই বলতে চাই : একটি মা কখনই তার সন্তান ক্ষতি করতে পারে না, যারা আপনার সমালোচনা করছে বা ভাবছে এতো সহজ জিনিসটা আপনি পারছেন না বলে কটূক্তি করছে তাদের আর আপনার যুদ্ধটা এক না। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন, নিজেকে বাহবা দিন, আপনার পরিস্থিতিতে আপনার সন্তান এর ভালো আপনার চেয়ে ভালো আর কেউ করতে পারবে না। বন্ধুরূপী ঐ সব সমালোচকদের এড়িয়ে চলুন, অথবা তাদের বুঝিয়ে বলুন! চলার পথে অনেক বন্ধুও পাবেন, যারা আপনার যুদ্ধটা বুঝবে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। নিজের সন্তানকে নিয়ে গর্ব করুন এবং তার উপর বিশ্বাস রাখুন। 
দ্বন্দ্ব নিরসনের উপায়:
পর্ব ১: বাচ্চাদের সাথে সময়কাটানো
“পারস্পরিক বিশ্বাসের ভারসাম্য”
আমরা বাচ্চাদের খুব সহজেই ‘না’ বলে থাকি। ওদের মতামত আর ইচ্ছার গুরুত্ব দিতে চাই না। গবেষণা মতে, বাচ্চাদের সাথে থাকার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ইতিবাচক (পজিটিভ) ব্যবহার নেতিবাচক (নেগেটিভ) ব্যবহারের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি হয়। অতিরিক্ত নেতিবাচক ব্যবহার বা না বলা সমস্যা বাড়ায়। সম্পর্কের দাঁড়িপল্লায় ইতিবাচক ব্যবহার না বাড়ালে সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট হয়। 
“মনোযোগ আর্কষণকারী নীতি”
বেঁচে থাকার জন্য বাচ্চাদের যেমন খাবার, ঘুম  দরকার, ঠিক তেমনি ওদের প্রতি মনোযোগ এর গুরুত্বও কম নয়।
আদিকালে প্রকৃতির সাথে লড়াই করে মানুষের বেঁচে থাকাটা অনেক কঠিন ছিল। প্রতিকূল পরিবেশে, বা না খেয়ে মারা যাওয়া বা ঠাণ্ডা মারা যাবার আশংকা ছিল। সেক্ষেত্রে বাঁচার একমাত্র উপায় ছিল সার্বক্ষণিক মায়ের মনোযোগ এর কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকা।
বেঁচে থাকার প্রয়োজনে খুব ছোটবেলা থেকেই বাচ্চারা বাবা-মায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করার এই প্রক্রিয়াটা রপ্ত করে নেয়। গবেষকরা দেখেছেন যে, জন্মের পর পরই বাচ্চারা বিভিন্ন ব্যবহার এর মাধ্যমে সবচেয়ে কযর্কারি পদ্ধতিটা বেছে নেয় যাকে “মনোযোগ আকর্ষণকারী নীতি” বলে।
পরবর্তীতে বাচ্চারা যদি দেখে যে কান্নাকাটি বা বাজে ব্যবহার করলে সবার বেশি মনোযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তারা ঐটাই বেশি বেশি করে। 
আমার খুব কাছে থেকে দেখা এক বাচ্চা তার সর্বোচ্চ প্রতিভা দেখিয়েছে। তার মা তাকে জোরপুর্বক খাবার খাওয়াতেন। আর বাচ্চা যথারীতি কান্নাকাটি। বাবা সন্তানের কান্নাকাটি সহ্য করতে না পেরে মা এর সাথে কথা কাটাকাটি। মা-বাবার সাথে যুক্তিতে হেরে কান্নাকাটি! নাটকের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বাচ্চার বমি। এরপর পরিস্থিতির সর্বচ্চো অবনতি! 
অনেক সময় বাচ্চারা একবেলা খাবার না খেলে মায়েরা খুব উৎকন্ঠা বোধ করেন এবং নানানভাবে তা প্রকাশ করেন। বাচ্চারা মায়ের অভিব্যক্তির ন্যুনতম পাথর্ক্যও বুঝতে পারে এবং তারা পরর্বতিতে মায়ের এই দুর্বলতার সুযোগ নেয়। তাই বাচ্চা না খেলে ওদের সামনে উৎকন্ঠা প্রকাশ না করাই শ্রেয়। একবেলা খাবার না খেলে খাবার সরিয়ে রাখুন। পরবর্তি বেলায় আবার খাবার দিন। মাঝের সময়টা তে অন্য কোন খাবার দিবেন না । বিশ্বাস রাখুন এই প্রকৃিয়া  খুবই কাযর্করি । 
বাচ্চারা যখন ঘ্যনঘ্যন করে তখন অধিকাংশ সময় আমরা বিরক্ত হই এবং অনেক সময় নেগেটিভ কথা বলি যা পরিস্তিতিকে আরও জটিল করে ফেলে। ওদের প্রয়োজনটা বোঝার চেষ্টা করা উচিত। বাক্য ব্যবহারও আমাদের সচেতনভাবে গঠনমূলক শব্দ গ্রহণ করতে হবে। যেমন, ভাত নিয়ে বসে থেকোনা না বলে বলতে পারি তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও। বা দৌড়াদৌড়ি করো না, বা বিছানা বা সোফায় লাফিয়ো না, না বলে একটি জায়গা দেখিয়ে বলতে পারি, এখানে বসো।
অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চাদের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেবার চেষ্টা করা যেতে পারে, বা বুঝিয়ে বলা যেতে পারে। 
“অনুকরণনীতি”
অনুকরণ এর মাধ্যমেই বাচ্চারা অনেক কিছু শিখে তাই তাদের আশেপাশের থাকা বড়দের অনেক দায়িত্বশীল হওয়া দরকার। বাচ্চারা বেশিরভাগ সময় তাদের বাবা-মাকে মডেল হিসেবে নেয়। সারাদিনের নানান কাজকর্মের ভিতর দিয়ে আমরা প্রকৃতপক্ষে ওদের অনেক কিছু শেখাই। 
“কার্যকরণ মডেল”
বাচ্চারা কেন বিরক্ত করে বা বাচ্চাদের সাথে কেন দ্বন্দ্ব তৈরি হয় এর নানান ব্যাখ্যা আছে। আমরা বিষয়টাকে ভালোভাবে বোঝার জন্য চারটা ফ্যাক্টর (যে কারণে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়) নিয়ে একটা মডেল ব্যবহার করতে পারি যেমন, ১.বাচ্চার বৈশিষ্ট্য, ২. বাবা-মা এর বৈশিষ্ট্য, ৩. জীবনের সার্বিক অবস্থা, ৪. মনোভাব। 
প্রতিটি বাচ্চার একটা নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে, কথায় আছে দুটি বাচ্চা কখনও একরকম হয় না (No two child is the same), ঠিক তেমনি প্রতিটি বাবা-মাও আলাদা, এবং তাদের জীবনের সমস্যা ও পরিস্থিতিও ভিন্ন। যা পরিবর্তনযোগ্য নয়। যদি কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব তা হচ্ছে চার নাম্বার ফ্যাক্টর অর্থাৎ বাচ্চার প্রতি বাবা-মায়ের মনোভাব। 
“একান্ত কিছু মুহূর্ত “
সময়ের পরিবর্তনে মেয়েরা আজ ঘরের বাইরে কাজ করছেন। ঘরে ফিরে নানান কাজ এর ভিড়ে হয়তো বাচ্চাকে আলাদা করে সময় দেয়া হয়ে উঠে না। অথবা সময় দিলেও তা বেশিরভাগ সময় লেখাপড়া সংক্রান্ত হয়ে থাকে। তাই বাচ্চাদের সাথে বাবা-মায়েরা সেভাবে নিজেদের একান্ত সময় পায় না বললেই চলে। যাতে নিজেদেরকে একে অপরের সামনে প্রকাশ করতে পারে। 
কর্মজীবী মায়ের সন্তানেরা, একক পরিবার বা নানান কারণে অধিকাংশ সময় ডে কেয়ার বা বাসার সাহায্যকারীদের সাথে থাকছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণবিহীন এসব ডে কেয়ার বা বাসার সাহায্যকারীদের থেকে তেমন বিশেষ কিছু আশা করাও যায় না। 
অনেক ক্ষেত্রে মায়েরা নিজেদের পেশা থেকে অব্যহতি দেন বাচ্চাদের সময় দেবার জন্য। যা আবার অনেকের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না অর্থনৈতিক কারণে। চাকরি না ছেড়েও কিভাবে বাচ্চাদের সাথে গঠনমূলক সময় কাটানো যায় তার উপায় বের করতে হবে।
বাচ্চাদের সাথে কিভাবে মানসম্পন্ন সময় কাটানো যায়, তার একটি উদাহরণ দেওয়া হলো।
১. কখন/ সময়
প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন পনের মিনিট এর একটি পরিকল্পনা করতে পারেন। এমন একটি সময় বেছে নিন যখন আপনি ব্যস্ত নন বা অপনার কোথাও যাবার কথা নেই। একাধিক সন্তান এর বাবা মায়েরা সবাইকে আলাদা আলাদা করে সময় দিতে পারেন। অনেক পরিবারে, একটা নির্দিষ্ট সময়ই সবসময় বেছে নেন এতে উভয় পক্ষেরই একটা মানসিক প্রস্তুতি থাকে। এসময় ফোনটি বন্ধ রাখুন তা সম্ভব না হলে শব্দ কমিয়ে রাখুন। 
২. কী করবেন 
এই সময়টাতে আপনি আর আপনার বাচ্চা কী করবেন তা আপনার বাচ্চাকে পছন্দ করতে দিন। তাকে কোনরকম জোর করবেন না। সে যদি টিভি দেখা বা কম্পিউটার এ কোন খেলা দেখা, বা আপনাকে কোন কৌশল শেখাতে চায় তাহলেও না করবেন না। টিভি দেখার পর সেটা নিয়ে দুজন মিলে কথা বলুন। 
৩. লক্ষ্য করুন 
দূর থেকে কিছুক্ষণ লক্ষ্য করুন আপনার বাচ্চা কী করছে, তারপর তার সাথে তার খেলায় অংশগ্রহণ করুন। তাকে গুরুত্ব দিন। আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন, কিছু নিয়ে চিন্তিত, বা একটু পরই বের হতে হবে, এমন সময়গুলো এ কাজের জন্য উপযুক্ত না, এতে বাচ্চাটি পরিপূর্ণ মনোযোগ পায় না।  
৪. নিয়ন্ত্রণ 
বাচ্চাকে তার খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করতে দিন- প্রশ্ন করা ও নির্দেশনা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাচ্চাকে তার নিজের মতো খেলতে দিন। মনে রাখবেন এই সময়টাতে তাকে নতুন কিছু শেখানোর একটা সুযোগ হিসেবে নিবেন না। এই সময়টা আপনার আর আপনার বাচ্চার একসাথে কাটানো বিশেষ সময় বা একান্ত কিছু মুহূর্ত এতে কোন রকম জোর জবরদস্তি নেই। সময়টা উপভোগ করার চেষ্টা করুন। 
৫. কথা বলুন
বাচ্চারা যা করছে তা বণর্না করুন। ওর খেলার প্রতি বিভিন্নভাবে আগ্রহ প্রকাশ করুন। প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকুন। ধারাভাষ্যকর এর মত করে ওর সব কাজকর্ম বর্ননা করুন। কন্ঠ বদল করে কথা বলাটা মজাদার করে তুলুন। 
৬. আগ্রহ ও উদ্যমতা প্রকাশ করুন
বাচ্চাদের সাথে খেলার সময় আগ্রহ প্রকাশ করুন এবং তা বিভিন্নভাবে প্রকাশ করুন। ওদের প্রশংসা করুন এবং পজিটিভ প্রতিক্রিয়া দিন। যেমন : তোমার সাথে খেলে খুব মজা পেলাম, তুমি এটা একাই করেছো, খুব ভালো, চমৎকার, খুবই ভালো বুদ্ধি (idea), দেখো তুমি কী সুন্দর পারো!
আপনি যদি আপনার সন্তানকে এভাবে এক মাস সময় দিতে পারেন, তাহলে অবশ্যই তার আচরণে পরিবর্তন দেখতে পারবেন! 
সহজ কথা যায় না সহজে বলা! উপরের কোন কিছুই বিশেষ কিছু লেখা হয়নি কিন্তু এই পদ্ধতিরগুলো খুব কার্যকরি। পরিশেষে এটাই বলতে চাই যে বাচ্চাদের সময় দিন, ওদের গুরুত্ব দিন। একবারে অনেকক্ষণ সময় দেয়া সম্ভব না হলে অল্প অল্প করে বার বার দিন। প্রতিদিনের রুটিনে ওদের জন্য একটু সময় বের করে নিন। 
শেয়ার করুন:
  • 2.5K
  •  
  •  
  •  
  •  
    2.5K
    Shares
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.