মানবিক ‘মানুষ’ হইলে ধর্ষণের প্রতিবাদ করেন

0

নাদিয়া ইসলাম:

আমি একশ’ একান্ন লক্ষ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে লিখা দিতে পারি, বাংলাদেশ যেই রাস্তায় হাঁটতেছে, তাতে ধর্ষণ মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের পোলা এবং মসজিদের ইমাম সাহেবের কোনো বিচার হবে না। বরং কয়েকদিনের মধ্যেই ধর্ষিত মেয়েগুলারে ‘বেশ্যা’ বানায়ে এই ধর্ষণগুলিরে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে। লোকজন বলা শুরু করবেন, “মেয়েগুলি অতরাতে হোটেলে গেছিলো ক্যানো?” “এইসব জিনিস সমঝোতায় হয়!” “ইমাম যখন মেয়েটারে মসজিদের ভিতর ডাকছিলো, মেয়েটা তখন একলা ঐ ঘরে গেছিলো ক্যানো?” “মেয়েরা পর্দা না কইরা পার্টি করতে গেলে এমনই হয়!” “ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই এই ঘটনারে ধর্ষণ হিসাবে সাজানো হইতেছে, এইসব আমাদের মহাপবিত্র ইমাম সাহেব বা সমাজের অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র!”

কিছুদিন আগে একাত্তর টিভিতে একটা টক-শো’তে গেছিলাম। সেইখানে এ্যাডভোকেট এলিনা খান ও মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক আসছিলেন। বিষয় ছিলো সাম্প্রতিক সময়ে হযরত আলী ও তার সাত বছরের ধর্ষিত কন্যা আয়েশার আত্মহত্যা। তো পোলিসের কাছে গিয়াও বিচার না পাওয়া এবং দেশে ‘ওভারঅল’ বিচারহীনতা প্রসঙ্গে আলোচনার এক পর্যায়ে রিয়াজুল হক সাহেব খুব দরদী কাঁপা-কাঁপা কণ্ঠে কইতেছিলেন, “আমাদের জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে। এই দায় আমাদের সকলের!” ইত্যাদি হ্যানত্যান।

আমি এবং এলিনা খান সেই সময়ে একই সঙ্গে মনে মনে ভাবতেছিলাম, জবাবদিহিতা তাইলে আপনারে দিয়াই শুরু হোক, নাকি? হযরত আলীর কোনো রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় লেভেলে উঁচা মহলের লগে যোগাযোগ নাই, তাই তার জন্য আপনে নাকের পানি, চোখের পানি এক করতেই পারেন। কই তনুর সময়, খাদিজার সময় যেইখানে ধর্ষকের প্রশাসনের সঙ্গে (প্রথম ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ) যোগাযোগ ছিলো, সেই সময় তো আপনার মানবতার বড় বড় বুলি বাইর হয় নাই! করেন, করেন জবাবদিহি আপনেই শুরু করেন! দেশে ধর্ষণ বাড়াইতে আপনার অবদান তো কম না!

রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পোস্টের বড় বড় প্রতিনিধি এবং দেশের বিচারহীনতার গল্প বাদ দেন, ধর্ষণ শুরুর মনঃস্তাত্বিক শিক্ষা মানুষ পুরুষতান্ত্রিক, নারীবিদ্বেষী এবং পিতৃতান্ত্রিক (এবং ক্ষেত্রবিশেষে ধার্মিক) পারিবার থিকাই পান। আমাদের দেশের ছেলেরা মেয়েদের সম্পর্কে কী ভাবেন, তা ফেইসবুকে উনাদের এই সমস্ত পোস্টে দুইচাইরটা কমেন্ট দেখলেই বোঝা যায়। প্রত্যেকটা ধার্মিক মানুষ আমার কথায় হায় হায় কইরা উইঠা কইবেন, “কোনো ধর্মই তো মানুষকে খারাপ কিছু শেখায়নি!” এই বইলা। আমি বলবো, “হাহা, খারাপ-ভালোত্ব আপেক্ষিক জিনিস, ধার্মিক ভাইজান। কিন্তু কোনো ধর্মই তো মেয়েদের মানুষ হিসাবে দেখে নাই! এই বেলা আপনে কী বলবেন?”

কী, আমার নাস্তিকতা দেইখা আপনার গা জ্বইলা গেলো, তাই না? বলেন, কোন্‌ ধর্মে পুরুষ এবং নারীর সমান অধিকার আছে? কোন্‌ ধর্মে নারী এবং পুরুষ সম্পত্তির সমান অধিকার পাইছেন? কোন্‌ ধর্মে নারীদের আলাদা কইরা তাদের ‘দায়িত্ব’ ঠিক কইরা দেওয়া হয় নাই? কোন্‌ ধর্মে যুদ্ধবন্দী এবং দাস হিসাবে নারীদের যৌনবস্তু বানায়া ভোগ করার অধিকার দেওয়া হয় নাই? কোন্‌ ধর্মে স্বামীরে যেকোনোভাবে সুখী রাখা নারীর জীবনের একমাত্র পাথেয় বানায়ে দেওয়া হয় নাই? কোন্‌ ধর্মে স্ত্রীর (বা নারীর) ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্করে নিষিদ্ধ করা হয় নাই?

সকল ধর্মেই হইছে। আর তাই আমাদের আশেপাশের যেইসব উচ্চ-মধ্য-নিম্নসহ সকল আর্থ-সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের ছেলেরা ধর্ষণের পক্ষে কথা বলতেছেন, তাদের দেইখা অবাক হবেন না। তারা ছোটবেলায় মাছের একমাত্র মাথাখানি খাইয়া, বাপ কর্তৃক মা’রে মাইর খাইতে দেইখা, একটু বড় হইতে বোনের খেলাধুলা বন্ধ হইয়া যাইতে দেইখা, মা’রে- খালা’রে- চাচী’রে সকাল বিকাল রাইত দুপুর নিজ নিজ চাকরি, স্বপ্ন, ক্যারিয়ার বর্জনকরতঃ স্বামী পদতলে তেল ঘষতে ঘষতে হাতের তালু ফুটা করতে দেইখা বড় হইছেন। উনাদের বুঝানো আমার কর্ম না, একজন বেশ্যাও ধর্ষিত হইতে পারেন।

হ্যাঁ, আপনি একজন বেশ্যা। আপনি টাকার বিনিময়ে মানুষের সাথে শোন। কিন্তু কোনো একদিন আপনি ভাবলেন, আজকে আমি এই কাজ করবো না। তখন জোর কইরা আপনারে শুইতে বাধ্য করা হইলে আপনি ধর্ষণের শিকার। আপনি একজনের বিবাহিত স্ত্রী। আপনার স্বামী আপনারে জোর কইরা যেকোনো প্রকার যৌনতায় অংশ নিতে বললে এবং বাধ্য করলে তা ধর্ষণ। আপনি একজনের গার্লফ্রেন্ড। আপনার বয়ফ্রেন্ডের সাথে আপনার সামাজিক আইনে নিষিদ্ধ যৌন সম্পর্ক আছে। আপনার বয়ফ্রেন্ড আপনারে এই সম্পর্ক নিয়া ব্ল্যাকমেইল কইরা আপনারে শুইতে বাধ্য করলে তাও ধর্ষণ। আপনি একশ’ দিন এক কিংবা একাধিক লোকের সাথে ফুর্তি কইরা শুইলেও যে কোনো একদিন যদি আপনি এই লোকদের একজনের সাথে শুইতে অস্বীকৃতি জানান, এবং আপনারে শুইতে বাধ্য করা হয়, আপনি ধর্ষণের শিকার।

আপন জুয়েলার্সের মালিকের পোলার লগে যেই দুইজন মেয়ে হোটেলের রুমে গেছেন, তারা যেই উদ্দেশ্যেই সেইখানে যান না ক্যানো, তারা যদি সেই মূহুর্তে আপন জুয়েলার্সের মালিকের পোলার লগে শুইতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাদের শুইতে বাধ্য করা হয়, তাইলে তা ধর্ষণ হবে। এমনকি তারা যদি দুপুরবেলা ঠারে-ঠোরে “আপনার সাথে শুবো” এই কথা বইলা রাত্রে “আপনার সাথে শুবো না” বইলা থাকেন, এবং তারপরেও তারে শুইতে বাধ্য করা হয়, তাইলেও তা ধর্ষণ হয়।

আমি নিজ অভিজ্ঞতায় দেইখা আসছি, একজন মেয়ে যৌনতা নিয়া প্রকাশ্যে কথা কইলে বা তুলনামূলকঃ কম কাপড় পরলে বা পার্টিতে গিয়া মদ খাইলে এই দেশের পুরুষরা তাদের সহজলভ্য মনে কইরা থাকেন, ভাবেন, এই মেয়ে সবার সাথে যেহেতু শুইতেছেন, তাই আমার সাথেও শোওয়ার জন্য উনি রেডি। এই দেশের মেয়েরা যদি একজনের সাথে হাইসা কথা বলেন, ইউনিভার্সিটির বড় ভাইরে নোট দিতে নিজের বাড়িতে আসতে বলেন, অফিসের কলিগের সাথে রসিকতা করেন, তাইলেই এই দেশের বেশিরভাগ পুরুষ ভাবেন ঐ মেয়ে শোওয়ার জন্য ঠ্যাং মেইলা ‘ওয়াই’ শেইপে শুইয়া আছেন।

এই দেশের পুরুষ এবং নারীদের জানতে হবে, মেয়েরা যৌনবস্তু না। পিতৃতান্ত্রিক ধর্ম এবং পুঁজিবাদি সমাজ যেইভাবে মেয়েদের ‘শস্যক্ষেত্র’ এবং ‘ভোগ্যপণ্য’ হিসাবে দেখায়, মেয়েরা তা না। একজন মেয়ে যাই হোন না ক্যানো, যে পোশাকই পরেন না ক্যানো, যে ধর্মের যে বয়সেরই হন না ক্যানো, যে সম্পর্ক যে পেশাতেই থাকেন না ক্যানো, যেকোনো যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেকোনো সময় ‘না’ বলার অধিকার তার আছে। এবং এই ‘না’রে অতিক্রম কইরা জোরপূর্বক যেকোনো যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা ধর্ষণ।

মেয়েদের জানতে হবে, শরীরের সম্মান বইলা কোনো কিছু নাই। শরীরের সম্মান বা ইজ্জতের সংজ্ঞা পুরুষের ঠিক কইরা দেওয়া সংজ্ঞা, যাতে কইরা উনারা (অর্থাৎ পুরুষেরা) নিজেরা ইহকালে চারজন ও পরকালে সত্তরজনের সাথে শুইয়া পবিত্র থাইকা একজন মেয়ের নিজ ইচ্ছায় শোওয়া বন্ধ কইরা এবং শুধুমাত্র পুরুষের ইচ্ছায় শুইতে বাধ্য করায়া নিজ নিজ শরীররে ‘পবিত্রতার’ মসজিদ- মন্দির- গীর্জা- যোধপুর মেরাংগর দূর্গ বানাইয়া রাইখা এই সমস্ত অপরাধরে মুখ বুইজা সহ্য কইরা যান।

আমার বাড়িতে চুরি হইলে আমি লজ্জিত হই না। চুরি হওয়ার পরেরদিন পাশের বাড়ির মোছাদ্দেক মিয়া আইসা আমারে বলেন না, “কী ভাই, আমার বাড়িতে তো চুরি হইলো না, আপনার বাড়িতেই হয় ক্যান? তা, বাড়ির দেওয়ালে যে মার্বেল পাথর মারছেন, তাতে চোররা আপনার বাড়িতেই যাবে, সন্দেহ কী?” তাই আমি ধর্ষিত হইলে আমি লজ্জিত হবো ক্যানো? আমার উপর অন্যায় হইছে, আমি একজন ভিকটিম। আমার মনে রাখতে হবে, আমার দেওয়ালে মার্বেল পাথর লাগাইলেও চুরি হইতে পারে, আমার দেওয়াল পলেস্তরা খসা ধ্যাদ্দারা ইট বাইর হওয়া হইলেও চুরি হইতে পারে।

তনুর কথা মনে আছে নিশ্চয়, হিজাব পইরা যিনি ধর্ষণ ঠেকাইতে পারেন নাই, খাদিজার কথা মনে আছে নিশ্চয়, বোরখা পইরা যিনি কোপানো ঠেকাইতে পারেন নাই, সুতরাং আপনি পার্টিতে না গিয়া, চাকরি না কইরা, একলা বেড়াইতে না গিয়া, সকল বয়ফ্রেন্ডের সাথে ব্রেক-আপ, ট্রেক-আপ কইরা বোরখা পইরা অন্ধকার ঘরের ভিতর গিট্টু দিয়া বইসা থাকলেও ধর্ষণ ঠেকাইতে পারবেন না। কেউ পারেন নাই।

সুতরাং- ধর্ষণের প্রতিবাদ করেন। আত্মহত্যা কইরা না, বরং আপনার সাথে অন্যায় হইছে তা রক্তচক্ষু সমাজের সামনে জোর গলায় বইলা। আপনার সম্মানের সংজ্ঞা পুরুষ ঠিক কইরা দিছেন এতদিন। আজকে নিজের সম্মানের দায়িত্ব নিজে নেন। পুরুষ একশ’ একাত্তর জনের সাথে শুইলে তার সম্মান যায় না, আপনি বিশ্বাস কইরা বয়ফ্রেন্ডের সাথে শুইলে আপনার সম্মান ক্যানো যাবে?

পুরুষ ফূর্তির জন্য নিজ বউ ঘরে রাইখা বেশ্যা পাড়ায় গেলে, কলিগদের নিয়া কক্সবাজার গেলে তার সম্মান যায় না, আপনি নিজের শরীরের চাহিদায় একজনের সাথে শুইলে আপনার সম্মান যাবে ক্যানো? ধর্ষণের প্রতিবাদ করুন, বোরখা দিয়া নিজেরে ঢাইকা না, বরং আপনার নিজের পেট দেখানো শাড়িতেই, নিজের টাইট সালোয়ার কামিজেই, নিজের টি-শার্ট জিন্সেই, কারণ, জাইনা রাখবেন- পোশাক কোনোদিন ধর্ষণ আটকায় নাই।

জাইনা রাখবেন, ধর্ষণের কারণ কোনোপ্রকারেই আপনি এবং আপনার পোশাক এবং আপনার চলাফেরা এবং আপনার দুর্ভাগ্য না। ধর্ষণের কারণ ধর্ষক নিজে। ধর্ষণের কারণ, ধর্ষকের মনঃস্তত্ব এবং সমাজের গঠনতন্ত্র ও রাষ্ট্রের বিচারহীনতার সংস্কৃতি। ধর্ষণের কারণ আপনি না। এ্যাপোলজিস্ট মুসলিম ভাইজানেরা যদি মুখে প্রশান্তির হাসি হাইসা এবং আপনার পর্দা না করার দিকে ইঙ্গিত কইরা বলেন, “কই সৌদি আরবে তো ধর্ষণ হয় না? ঐ দেশে মেয়েরা পর্দাপ্রথায় থাকেন, তাই সেইসব মুসলিম দেশে ছেলেরা ধর্ষণে প্রলুব্ধ হন না!”

আপনি তখন ঐ ভাইজানের মুখের উপর ভ্যাক কইরা হাইসা (এবং প্রয়োজন হইলে বুদ্ধিহীনতার জন্য ঠাস কইরা চর মাইরা) বলবেন, “ভাইয়া, একটু পড়ালেখা করুন প্লিজ! সৌদি আরব সহ অন্যান্য মুসলিম দেশে অন্যান্য দেশের সমান (এবং কিছুক্ষেত্রে বেশি) ধর্ষণ হয়, কিন্তু তারা চারজন স্বাক্ষী জোগাড় করতে হবে এই ভয়ে এবং নিজ সম্মান হারিয়ে দোররা খেতে হবে এই ভয়ে আদালতে যানই না, হিহি! তাই ভারতের এবং ইয়োরোপের ধর্ষণের পরিসংখ্যান দিয়া সৌদি আরবের ধর্ষণের পরিসংখ্যানের তুলনা টানা গাধামী ছাড়া আর কিছু না, হিহি! ভারতের এবং ইয়োরোপের মেয়েরা ধর্ষণ হইলে অন্ততঃ প্রতিবাদ করতে পারেন, তাই না?”

সুতরাং, বাংলাদেশের ধর্ষকামী ভাইয়ারা, পুরুষতান্ত্রিক ধর্ম এবং সমাজের উর্ধ্বে গিয়া মেয়েদের মানুষ হিসাবে দেখা শুরু করেন, নিজেদের লিঙ্গ এবং লিঙ্গ বাবদ উত্তেজনা কন্ট্রোল করতে শিখেন, জানেন- একজন মেয়ে কাপড় খুইলা সম্পূর্ণ ন্যাংটা হইয়া হাঁটলেও তারে ধর্ষণ করা যায় না, শিখেন- আপনাদের পরিতৃপ্ত করতেই একজন মেয়ের জন্ম হয় নাই।

শিখেন- আপনারা মেয়েদের মালিক না, বস না, আপনারা মেয়েদের চাইতে বড় না, গুরুত্বপূর্ণ না এবং আপনারা দুইজনেই সমান। পুরুষ ও নারীর প্রাকৃতিক শারীরিক ও মানসিক পার্থক্য আছে, এবং সেই পার্থক্য নিয়াই আপনারা সমান। তাই নিজে মানুষ হন, অন্যরে মানুষ হিসাবে দেখা অভ্যাস করেন। তাই আধুনিক হন, শিক্ষিত হন। তাই ধর্ষণ বন্ধ করেন, যেকোনো ক্ষেত্রে ধর্ষণের প্রতিবাদ করেন, সুস্থ যৌনতা উপভোগ করেন এবং করতে দেন। যৌনতা অপরাধ না, মাস্টারবেশান অপরাধ না, এমনকি বিয়ে-বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক অপরাধ না, কিন্তু জোরপূর্বক যৌনতা অপরাধ।

এইটা একবিংশ শতাব্দি এবং আপনি কোনো পুংদণ্ডসর্বস্ব নিচুশ্রেণির মস্তিস্কবিহীন অশিক্ষিত ইন্দ্রিয়নির্ভর পশু না। আপনি একজন মানবিক মানুষ, আপনি একজন সহযাত্রী পুরুষ, আপনি সুশিক্ষায় শিক্ষিত এবং আপনি বুদ্ধিমান ও আধুনিক সামাজিক প্রাণী। তাই ধর্ষণের প্রতিবাদ করেন। তাই ধর্ষণের প্রতিবাদ করেন। তাই ধর্ষণের প্রতিবাদ করেন।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 4.6K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4.6K
    Shares

লেখাটি ১৪,১৪৫ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.