পাশার দান উল্টানোর সময় এসেছে বৈকি!

0

শান্তা মারিয়া:

সমস্যাটির প্রতি প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করেন লেখক লীনা পারভীন। তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন। তার স্ট্যাটাসের সূত্র ধরেই এই লেখা। তাই প্রথমেই তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

সমস্যাটির প্রকৃত রূপ বুঝিয়ে দিতে গেলে কেস স্টাডি উল্লেখ করা প্রয়োজন।

ঘটনা ১

রেবা (প্রকৃত নাম নয়) একটি কর্পোরেট হাউজে মাঝারি পদে চাকরি করেন। বয়স ৩৮ বছর। তার দুই সন্তান। রেবা যেমন ব্যস্ত, তার স্বামীও তেমনি ব্যস্ত। স্বামীর সঙ্গে রেবার সম্পর্ক খুব ভালো নয়। লোকটি অতি কাঠখোট্টা। রেবার জন্মদিন ভুলে যাওয়া তার পক্ষে কোন ব্যাপারই নয়। সে অতি সনাতন মানসিকতার। তাই বিয়ের পর বেড়াতে গিয়েছিল নতুন বউ এবং মা, বাবা, ভাইবোন সকলকে নিয়ে। তার কাছে টিভি চ্যানেল মানেই স্পোর্টস। পহেলা বৈশাখসহ যেকোনো অনুষ্ঠানে সে হয় বাড়িতে ঘুমায়, নাহয় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়। ফলে রোমান্টিক মানসিকতার কবিতাপ্রেমী রেবার সঙ্গে তার স্বামীর মানসিক দূরত্ব যোজন যোজন।

রেবার সহকর্মী হাসানেরও একই অবস্থা। হাসান একটু রোমান্টিক প্রকৃতির লোক। শিল্পকলায় নাটক দেখতে বা বাংলা একাডেমির বইমেলায় যেতে ভালোবাসে। অথচ তার স্ত্রী জি বাংলার সিরিয়াল ছাড়া আর কিছুই পছন্দ করে না। বাড়িতে সিরিয়াল আর আত্মীয়-নিন্দার প্যাঁচালে অতিষ্ট হাসান। অফিসে রেবা ও হাসানের বেশ বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। দুজনেই সমমনা। ক্রমে বন্ধুত্বটিকে প্রেমের দিকে নিতে ব্যগ্র হয়ে ওঠে হাসান। প্রথমদিকে বাঙালি নারীর স্বাভাবিক সংস্কারবশত রেবা বন্ধুত্বেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায়। কিন্তু পরে হাসানের পাগলামি, তীব্র আবেগ ও ভালোবাসার কাছে সে হার মানে। দুজনের মধ্যে বেশ উত্তাল ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। অফিসের গণ্ডি পেরিয়ে সেটা বেইলি রোড, গুলশানের রেঁস্তোরা, উত্তরার দিয়াবাড়ি পর্যন্ত গড়ায়। রেবা মানসিকভাবে হাসানের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। অচিরেই হাসানের স্ত্রী এবং রেবার স্বামী ঘটনা জানতে পারে। ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয় দুই পরিবারেই।

হাসান রেবাকে বলে ‘স্বামীকে ডিভোর্স দাও, আমরা বিয়ে করবো’। রেবারও মনে হয় এইভাবে দ্বৈত জীবনের চেয়ে এসপার- ওসপার হয়ে যাওয়া ভালো। ডিভোর্স হয়ে যায় স্বামীর সঙ্গে ব্যাপক গোলযোগের পর। অফিসেও বদনাম হয়। চাকরিটি চলে যায় রেবার।  সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। যাহোক হাসান তার বাড়িতে বেশ আসা যাওয়া করতে থাকে। রেবার সন্তানদের সাথেও তার ভালো বন্ধুত্ব।

আবার সংসার পাতার জন্য প্রস্তুত হয় রেবা। এই যখন পরিস্থিতি তখন হঠাৎ কেমন পরিবর্তন আসে হাসানের ব্যবহারে। সে রেবার সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়। জিজ্ঞাসা করলে ব্যস্ততার অযুহাত দেয়। পরে জানা যায়, হাসানের স্ত্রী নাকি ধর্মগ্রন্থ এবং ছেলেমেয়ের কসম দিয়ে তাকে ‘ফিরিয়েছে’। বন্ধুদের কাছে হাসান বলে, ‘আমি ভুল করেছিলাম। অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পাপ করেছি। এখন তওবা করে আবার সংসারে ফিরেছি’।

রেবা আবার ছোটখাটো একটি চাকরি জোগার করে। সন্তানদের চোখেও খুব ছোট হয়ে যায় সে। কোনমতে জীবনটাকে টেনে নিয়ে চলে, কিন্তু মানসিকভাবে ভীষণ রকম বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সে। ‘মৃত’ একটি জীবনকে যেন কোনমতে টেনে নিয়ে চলে রেবা।

ঘটনা ২

স্বামী মারা যাওয়ার পর এশা (প্রকৃত নাম নয়) ভেবেছিল জীবনটা একাই কাটবে। কিন্তু বিপুলের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তার সাদা-কালো পৃথিবীটা আবার রঙিন হয়ে ওঠে। বিপুল বিবাহিত। কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে তার বনিবনা নেই। স্ত্রীকে নাকি সে ডিভোর্স দিবে বলে ভাবছে অনেক দিন ধরে। এশাকে খুব ভালোবাসে বিপুল। দুজনে দুই অফিসে চাকরি করে। কিন্তু এশার অফিস ছুটির পর প্রতিদিন সে ওকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। এইভাবে দুই বছর সম্পর্ক চলে তাদের। তারপর হঠাৎ একদিন খবর পাওয়া যায় বিপুলের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। বিপুল এশার কাছে ক্ষমা চেয়ে বলে, সন্তানের অভাবেই এতদিন ‘ঘরে মন ছিল না’ তার। এখন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সে সত্যিকারের সংসার করতে চায়। স্ত্রীর সঙ্গে সব গোলমাল সে মিটিয়ে নিয়েছে। তবে এশার সঙ্গে সে একেবারে যোগাযোগ বন্ধ করবে না। মাঝে-মধ্যে তাদের নিশ্চয়ই দেখা হবে। এশাকে সে প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তাও দিবে কখনও কখনও। এদিকে বিপুলের স্ত্রীও একদিন ফোন করে এশাকে ভীষণভাবে গালাগাল করে। এশা নিজেকে এত অপমানিত বোধ করে যে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। যদিও বেঁচে যায় সে।

এরপর থেকে বিপুলের সঙ্গে আর যোগাযোগ রাখেনি এশা। যদিও আর কাউকে ভালোবাসার বা নতুন করে সম্পর্কে জড়ানোর মনটাই মরে গেছে তার।

ঘটনা ৩  

বিয়ে হয়েছিল ১৭ বছর বয়সে। ছেলে সন্তানের আশায় পাঁচ মেয়ের জন্ম দিতে বাধ্য হন হেমা। স্বামীর বর্বরতা, মারধোর ছিল নিত্যসঙ্গী। তারপরও বাইরের কাউকে জানতেই দেননি সে কথা। সংসার সামলেও চাকরি নেন একটি পত্রিকা অফিসে। লেখালেখির অভ্যাস ছিল ছোটবেলা থেকেই। সেই সুবাদেই চাকরি। এবং সেখানে পরিচয় ঘটে এক কবি-সাংবাদিকের সঙ্গে। সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন হেমা। কিন্তু কবির স্ত্রী-কন্যারা একদিন ব্যাপক গালাগাল করে হেমাকে। সেই সঙ্গে যোগ দেয় তার স্বামী কন্যারা। দিশেহারা হেমা নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন। জানতে চান সেই প্রেমিকের কি হয়? প্রেমিক ভদ্রলোকটি একের পর এক প্রেমিকা জোগাড় করে এখনও দিব্যি বহাল তবিয়তে আছে।

হেমা, এশা ও রেবার মতো নারীর অভাব নেই বাংলাদেশে। তারা আবেগগত এবং কখনও কখনও শারিরীকভাবেও বিবাহিত একজনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। যাবতীয় কটুবাক্য, নিন্দা তখন বর্ষিত হয় মেয়েটির দিকে। প্রেমিকের স্ত্রীর চোখেও সে ‘ডাইনি’, ‘বেশ্যা’ ইত্যাদি উপাধি পায়। অনেক সময় তার নিজেরও ঘর ভাঙে। যদি সংসার টিকেও যায়, স্বামী ও সন্তানের চোখে চিরদিনের জন্য ছোট হয়ে যায় সে। সে ডিভোর্সড বা বিধবা হলে এই ধরনের প্রেমে প্রতারিত হওয়ার পর নতুন ঘর বাঁধার সম্ভাবনা চিরতরে বিনষ্ট হয়ে যায়। অবিবাহিত হলেও প্রচুর বদনাম ঘাড়ে নিয়ে বেঁচে থাকতে হয়।  

মুশকিল হলো, প্রেমিকের হঠাৎ ‘নৈতিকতাবোধ’ জাগ্রত হতে পারে এবং সে দিব্যি হাঁসের মতো জল ঝাড়া দিয়ে শুকনো হয়ে নিজের সংসারে ফিরে যেতে পারে। কিন্তু সামাজিক বাস্তবতায় মেয়েটি আর পূর্ব সম্মান ফিরে পায় না।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীর বেলায় ঘটনাটি ঘটলেও একথা ঠিক যে কখনও কখনও পুরুষের বেলাতেও এমন ঘটে। হঠাৎ করে প্রেমিকা মুখ ফিরিয়ে নেয়। চলে যায় আপন সংসারে স্বামীর কাছে। লোকটি তখন রীতিমতো বোকা বনে যায়। তবে পুরুষের ক্ষেত্রে এমন ঘটনায় সামাজিক আঘাত নারীর তুলনায় অনেক কম সইতে হয়।

আমার অনেক দিন ধরেই একটি কৌতূহল ছিল। এ ধরনের হঠাৎ ‘ভালো’ হয়ে যাওয়া লোকটির মনস্তত্ব কী ধরনের! তার কি ‘মন’ বা ‘আবেগ’, ‘ভালোবাসা’ কিছুই কখনও ছিল না? মেয়েটিকে কি সে কেবল ব্যবহারই করেছে?

অনেকদিন চেষ্টার পর এমনি এক ‘ভদ্রলোকের’ সঙ্গে আমি কথা বলার সুযোগ পাই। নাম-পরিচয় কোনভাবেই প্রকাশ করা যাবে না এই শর্তে সে আমাকে কিছু কথা বলে। পাঠকের সঙ্গে তার কথা শেয়ার করছি।

লোকটি বিবাহিত। তবে স্ত্রীর সঙ্গে মানসিক দূরত্ব ছিল। পরে তার এক সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমে জড়ায়। তার ভাষায়, ‘তখন রীতিমতো মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ও অনেক বলেছিল যেন আমাদের মধ্যে শুধুই বন্ধুত্ব থাকে। কিন্তু আমার এতো তীব্র ভালো লাগতো তাকে যে, কোনকিছুই চিন্তা করিনি। দুই বছর সম্পর্ক ছিল। পরে আমার স্ত্রী ভীষণ হইচই শুরু করে। আত্মীয়রাও নানাভাবে প্রেশার দেয়। আমি সংসারে ঝগড়াঝাঁটি আর সহ্য করতে পারছিলাম না। ছেলেমেয়েরাও গঞ্জনা দিতে থাকে। পরে সবদিক চিন্তা করে সম্পর্কটি ত্যাগ করি।’

তিনি নাকি এখনও মনে মনে ‘তাকে ভালোবাসেন’। জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এই চিন্তাভাবনাটি তিনি যদি আগে করতেন, তাহলে তো এমন অবস্থা হতো না। কেন আগে চিন্তা করেননি? তিনি কোন জবাব দেননি।  ভদ্রলোকের প্রেমিকা আমার পরিচিত। আমি জানি সে মেয়েটি কী তীব্র কষ্ট পেয়েছিল এই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর। তার স্বামীর সঙ্গেও ডিভোর্স হয়ে যায় এই রিলেশনের জেরে।

এইভাবে অনেক পুরুষের (যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নামকরা সংস্কৃতিকর্মী, কবি, সাংবাদিক ও একজন চিকিৎসক আছেন) কথা জানি, যারা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে প্রেমে পড়েছেন এবং পরে আবার ঠিকই নিজের স্ত্রীর কাছে ফেরত গেছেন। মাঝখান দিয়ে তাদের এই স্বল্পকালীন প্রেমের ফলে তাদের প্রেমিকার জীবন দুর্বিষহ হয়ে গেছে। আমার এক বান্ধবী এই লোকগুলোকে ‘লুচ্চা’ ‘বদমাশ’ বলে ঝাড়ুপেটা করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। তবে আমি ঠিক ঢালাওভাবে এদের ‘লুচ্চা বদমাশ’ বলতে রাজি নই। যদিও ‘ঝাড়ু ব্যবস্থা’ আমিও অনুমোদন করি।

আমার কাছে মনে হয় এরা দায়িত্বহীন প্রেমিক। এদের আবেগ হঠাৎ আসে, আবার হঠাৎ চলে যায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি এ ধরনের অস্থায়ী সম্পর্কে বিশ্বাস করি না। তবে এর ভিকটিম হয়ে যে নারীরা আঘাত পেয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যে আমি সহানুভূতির সঙ্গে বলতে চাই, এ ধরনের সম্পর্ককে খুব বেশি গুরুত্ব দিবেন না। কথাটি হৃদয়হীনের মতো শোনাচ্ছে। তারপরও বলি, সাধারণত মেয়েরা বেশি আবেগপ্রবণ। তারা এতো বেশি ভালোবেসে ফেলেন এবং নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন যে, পরে তাদের পেশাগত জীবনসহ সবদিকেই প্রচুর ক্ষতি স্বীকার করতে হয়। আর তার উপর বর্ষিত গালাগালগুলোর কথা নাই বা বললাম। ঘরে বাইরে কোথাও এতটুকু সহানুভূতি পায় না মেয়েটি। বরং সকলে তার উপরেই কটুকাটব্য বর্ষণ করে হাটুরে লোকের গণ পিটুনির মতো।

অধিকাংশ পুরুষ কিন্তু এ ধরনের সম্পর্কগুলোকে ‘গেম’ হিসেবে নেয়। এগুলো তাদের কাছে এক ধরনের খেলা বা ক্ষণস্থায়ী আবেগ। নারীদের উচিত এইসব খেলা ও আবেগকে খুব বেশি প্রশ্রয় না দেওয়া। এগুলোকে হালকাভাবেই নেওয়া দরকার। নাহলে পরে নিজেকে ভীষণ আহত হতে হয়, কষ্ট পেতে হয়। প্রথমত, বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে না জড়ানোই ভালো। কারণ পরে দেখা যাবে ‘সুবোধ স্বামী’ ঠিকই স্ত্রীর আঁচলে ফিরে যাবেন। মরবেন আপনি। তাই আপনিও এ জাতীয় রিলেশনকে এড়িয়ে চলুন। তাদের তথাকথিত পাগলামিকে মোটেই প্রশ্রয় দিবেন না। আর যিনি জড়িয়ে গেছেন তাকে বলি, বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন এ জাতীয় সম্পর্ক থেকে। নইলে পরে অনেক কষ্ট পাবেন। আর যদি সম্পর্কে থাকবেন বলেই স্থির করেন, তাহলে প্রেমিককে দায়িত্ব নিতে বাধ্য করুন। এটাই কিন্তু অ্যাসিড টেস্ট। যে প্রেমিক পুরো দায়িত্ব নেয় না, তার প্রেমে ভ্যাজাল আছে, বিলিভ মি।

আর গার্লস, প্লিজ প্লিজ, নিজের জীবনটাকে ভালোবাসো। এ ধরনের সম্পর্কে জড়িয়ে আঘাত পেয়ে জীবন শেষ করে দেওয়ার কথা ভেব না। প্লিজ প্লিজ। সে এটাকে ‘গেম’ হিসেবে নিয়েছে। তুমিও ‘গেম’ হিসেবেই নাও। কিছুতেই নিজের জীবনটাকে নষ্ট করো না।  এ ধরনের সম্পর্কগুলো ঠিক বৈশাখী ঝড়ের মতো। তীব্র। জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। তারপর ঝড় থেমে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ আবেশ থাকে। ব্যস। রোদ উঠলে আবার জীবনযাপনের সেই তীব্র কঠোর দাহ।

ওই কঠোর দাহটাই বাস্তব। ওটাকে ভালোবেসেই পথ চলতে হবে। দ্বাপর থেকে আজ অবধি কৃষ্ণরা চলেই যায় রুক্মিণী, কৃষ্ণভামাদের কাছেই। রাধাদের জন্য রেখে যায় অসীম নিঃসঙ্গতা।

তবে পাশার দান এবার উল্টানোর সময় এসেছে বৈকি।

লেখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন:
  • 395
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    395
    Shares

লেখাটি ২,২৩১ বার পড়া হয়েছে


উইমেন চ্যাপ্টারে প্রকাশিত সব লেখা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় উইমেন চ্যাপ্টার বহন করবে না। উইমেন চ্যাপ্টার এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.