এই তিরিশে  

: আর কদিন পরেই বয়সের অঙ্ক তিনের ঘরে ঠেকবে, আয়নায় নিজেকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বারবার দেখছো তুমি। নিজের মুখশ্রীর মানচিত্রে যেন রহস্যঘেরা বারমুডায় হারানো জাহাজের মতো, জীবনের এই প্রায় অর্ধেকটা হেঁটে আসা পথের সন্ধান করছো। তবে এটা ভীষণ পরিষ্কার যে, এই অর্ধেক হেঁটে আসা পথে পৃথিবী থেকে যা নেবার তোমার সামর্থ্য অনুসারে তুমি সে নিয়েই নিয়েছো। এখন এই বাকি অর্ধেকটা পথ, পরিশোধের পালা। কিন্তু এই পরিশোধের বেলায় এসেই তুমি কেমন যেন গুটিয়ে যাচ্ছো।

তুমি মস্তিষ্কের ব্যামোতে ভুগছো, অশান্ত নিউরনের বিদ্রোহ কমাতে প্রতিদিন নিয়ম করে ওষুধ খাচ্ছো। যেদিন ভুলে যাচ্ছো খুব সামান্য শব্দেই পাশের জনকে একটা ছিপি আঁটা বোতলে পুরে অতলান্তিকের গভীর জলে মনে মনে ছুড়ে ফেলছো। লড়াই শুধু মস্তিষ্কের সাথে নয়, মনের সাথেও একটা ভীষণ লড়াই চলছে তোমার। ইদানিং একটি বিষয় তোমাকে খুব ক্লিষ্ট করে তুলেছে, এই মার্চে তুমি ত্রিশ হচ্ছো। তরুণী থেকে তোমার সম্বোধন মহিলাতে গিয়ে পরিবর্তিত হচ্ছে, যে মহিলা শব্দটি তোমার কাছে ভীষণ বিচ্ছিরি আর খুব অপছন্দের। এই ত্রিশের পরে হয়তো কোথাও গেলে খুব কম লোকই তোমাকে ইয়াং লেডি হাউ আর ইউ, বলবে

তোমার এই মনস্তাত্ত্বিক লড়াই এর সলতেতে ঘি ঢেলে সেটাকে আর কিছুটা উসকে দিচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। বারবার কানে এসে বলছে যা করবে খুব তাড়াতাড়ি, কারণ আর কিছুদিন পরেই গ্রীষ্মের খরতপ্ত রোদ্রে শুকিয়ে ফেঁটে যাওয়া জমির মত অনুর্বর হয়ে পড়বে তুমি। জমি কর্ষণের ইতিমধ্যেই অনেক বিলম্ব হয়ে গেছে; আরও অধিক বিলম্বে, হাজার বীজ বুনেও শস্যের ঘ্রাণ না নিয়েই উষর মরুর মত অনাবাদী হয়ে পড়ে থাকবে তুমি। ত্রিশের থেকে আরও বেশি এগোলে দেখবে, তোমার ওভ্যুলেশন হয়ে পড়বে অনিয়মিত, একটা পরিপুষ্ট ডিম্বাণু নিষিক্ত হওয়ার জন্য যেটি খুব জরুরি, সেটিও হয়ে পড়বে ভীষণ রুগ্ন। একটি রুগ্ন সন্তানের প্রত্যাশা নিশ্চয়ই করো না তুমি!   

তুমি গত ডিসেম্বরে দেশ থেকে ঘুরে এসেছো, আর সেখান থেকে সাথে করে এনেছো এক ছিপি বিষণ্ণতা আর জলোচ্ছাসের ফেনার মতো উপচানো ভালবাসা। দেশে গিয়ে একটি কথাই তোমার শুধু মনে হয়েছে, যেন ব্যাংকরাপ্টসির মতো তুমি ভীষণ ঋণী। তুমি ঋণী তোমার পিতামাতার কাছে, শিক্ষকদের কাছে, বন্ধুদের কাছে। গ্রামের মাঠে হাঁটতে গিয়ে জাম গাছের তলায় একটু হাওয়া খেয়ে জিরিয়ে, তুমি যখন ফিরছিলে, এক অপরিচিতা এসে তোমায় জড়িয়ে ধরে বলেছিলো, এতো বড় হয়েছিস, ছোটবেলায় তোকে কত কোলে নিয়েছি, তুমি ঋণী সেই অপরিচিতার কাছে। তুমি ঋণী তোমার স্বজনদের কাছে, যারা তাদের সর্বস্ব দিয়ে তোমায় অভ্যর্থনা করেছিল। তুমি ঋণী মৃত্যুর প্রতীক্ষায় বসে থাকা তোমার বৃদ্ধা দাদীর কাছে; যার বুকে মুখ লুকিয়ে চোখ বন্ধ করে ভূতের গল্প শোনা ছিল তোমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ।

তোমার এই ত্রিশ বছরের হেঁটে আসা পথে তুমি কী করেছো তাদের জন্য! তোমার হাঁটুর বয়সী গ্রামের মেয়েরা, বার্ষিক পরিক্ষার ছুটি পেলেই গ্রামে গিয়ে যাদের সাথে খেলতে, তারা যখন কোলে চার-পাঁচটি বাচ্চা নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে নির্যাতিত, প্রত্যাখ্যাত হয়ে ফিরে এসে নিশ্চুপ গ্লানিময় জীবনযাপন করে; একটা আলোকবর্তিকার কথা, জীবনের অফুরন্ত সূর্যের আহবান সে সন্ধান কী তুমি দিতে পেরেছো তাদের!

তোমার এই ত্রিশ বছরের জীবনে স্বার্থপরের মতো তুমি শুধু নিজের কথাই ভেবেছো, অন্যের ভালবাসা দুহাতে কুড়িয়ে নিয়ে দেশ থেকে দূরে গিয়ে আজ বড্ড এলিট হয়েছো!  তুমি না অর্থনীতি পড়েছো, তবে এ কথা তো তোমার অজানা নয়, তোমার কিছুক্ষণ আগে ক্লান্তি ঝরানো এক চুমুক কফি কত মানুষের আবর্তনে তোমার হাতে এসে পৌঁছেছে! তোমাদের মত আরামপ্রিয় স্বৈরাচারী সামন্তবাদিদের জন্য, বিপদ সংকুল গহীন আমাজনে সাপের ভয় উপেক্ষা করে কফি তুলছে কত শ্রমিক, পৃথিবীতে কত প্রান্তরে কুসংস্কারের অভিশাপে ধুঁকে ধুঁকে ঘাম ঝরিয়ে জীবনটাকে ছিবড়ে করছে কত মানুষ।

তোমার মনে পড়ে, অনেক রাতে কোচিং থেকে পড়ে তুমি যখন ফিরতে, গৃহিণী স্টোরের মোড় পার হবার পর তোমাদের বাড়ির নির্জন রাস্তায় প্রচণ্ড ভয়ে কুঁকড়ে থাকতে তুমি; পথে হাওয়ার মা বুড়ী বসে থাকলে সেইদিনই তুমি নির্ভয়ে আসতে পারতে। হাওয়ার মা বুড়ীকে ভদ্রপাড়ায় মাটির ঘর বেঁধে পরিবেশ নষ্টের দায়ে তোমাদের এলাকার বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে চিন্তিত পরিবেশবাদিরা তুলে দিতে চেয়েছিল! তুমি কি ঋণী নও সেই অপরিবেশবাদী বুড়ীর কাছে? আজ তুমি যদি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাও, মনে রেখো একজন আগুন্তুকের কাছেও তোমার ঋণ আছে। কিন্তু স্বার্থপরের মতো এই পৃথিবীতে তুমি শিখেছো; তোমার ঋণ শুধু তোমার পরিবারের কাছে।

তবে তোমায় আমি দোষ দেই না, তুমি আমাদের এই প্রথাগত অর্বাচীন(!) সমাজের আউটকাম ছাড়া আর কিছুই নও। তোমার জীবনের সবে অর্ধেক ফুরিয়েছে, স্বাভাবিক নিয়মে আরও ত্রিশ তোমার হাতে আছে। এখন তোমার খেয়ালী আবেগি অভিমানী মন নিশ্চয়ই খুব পরিপক্ক। সে নিশ্চয়ই এখন পারে আগের ছেলেমানুষি ভুলগুলো শুধরে নিতে। তুমি কি জানো নিউটন মাত্র তেইশ বছর বয়সে গ্রাভিটির কথা বলেছিল, তারপর বিজ্ঞান জগতে কত বড় সুনামি ঘটেছিল বলো তো। মাত্র আঠারোয় কবি সুকান্ত লিখেছিল পৃথিবী কাঁপানো কবিতা, তোমার দেশে জন্ম নেওয়া সুবোধ রায় মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে স্বদেশী করেছিল, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন করে ধাড়ি ব্রিটিশদের মনের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল।

আর তুমি(!) কৈশোর থেকে মনে মনে প্রকাণ্ড বিপ্লব পুষে আজ এক মেনি পুষিতে পরিণত হয়েছো। আর সবার মতো আজ তুমি নারী জীবনের প্রধান সার্থকতা ভাবছো; পতিব্রতা হয়ে এই পৃথিবীর বুকে নিজের রক্তের ভ্রুণ জন্মানো, সমাজের বয়ে চলা নিয়মের প্রতি বশ্যতার কথা, নিজ জরায়ু থেকে স্বীকৃত মাতৃত্বের কথা! তুমি ভাবছো এর চেয়ে বেশি বলা ভালো, সমাজের লোকই হয়তো তোমায় ভাবিয়ে তুলেছে। ত্রিশ বছরের একটি কোল খালি মেয়ে সমাজের চোখে ফলহীন অপুষ্পক বৃক্ষের মতো বেমানান হয়ে পড়েছে। সমাজকেও আমি দোষ দেই না, ওরা প্রাণী জগতের স্বাভাবিক নিয়মের কথা বলছে। প্রাণী জগতের স্বাভাবিক নিয়মের প্রতি যারা আনুগত্য বজায় রেখেছে তাদের সে অপরিসীম অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা আর সাধুবাদ নিশ্চয়ই তোমার আছে।

তবে পৃথিবীতে সবসময় স্বাভাবিক নিয়মে কী প্রগতি হয়েছে বলো তো! শোষণ আর নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ; সেতো আচমকা ঝড়ের মতো এসে, ধুলোর মতো সব বাধা উড়িয়ে পৃথিবীকে কয়েকশো বছর এগিয়েই নিয়েছে। আমি জানি, তোমার গলার স্বর উঁচু নয়, বরং জমজমাট আসরের এক কোনে পড়ে থাকা নিরব মেয়েটি তুমি। তবে চেঁচিয়ে গলার দু একটা স্বরযন্ত্র ছেঁড়া ছাড়া বিপ্লব করা যায় এ কথা আমিও বিশ্বাস করি না।

অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, অন্যকে অপদস্থ করে, কাটার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করে পৃথিবীকে এগিয়ে নেওয়া তোমার খুব অপছন্দ, নিরব থেকে নিজের কাজ করাটাই তুমি অগ্রগতির সবচেয়ে সঠিক পন্থা বলে মনে করো। তবে তোমার ভেতরটা কি সত্যিই চঞ্চল হয়ে নেই, অন্যায় আর ঘুনে ধরা সমাজের বিরুদ্ধে বারুদ আর স্বপ্ন পুষে ভিতরে ভিতরে সত্যিই কি ক্লান্ত হয়ে তুমি নেই!  

তুমি এও জানো, এই পৃথিবীর কাছে তুমি একটি ক্ষুদ্র পতঙ্গ ভিন্ন আর কিছুই নও। পৃথিবীর প্রতি, তুমি তোমার কর্তব্যের দায় এড়ালে পৃথিবীর কাছে সেটা হবে নিঃসন্দেহে সাগর সেচা জলের মত। কিন্তু তাই বলে, সে অজুহাতে তুমি তো তোমার দায় এড়াতে পারো না। তুমি ত্রিশের ঘরে ঢুকছো, তোমার হাতে সময় আর একদম নেই।

এই যে তুমি লিখছো, তোমার জানালার পাশে সাঁই সাঁই করে ছুটে যাচ্ছে এক একটা গাড়ি। এরা যদি কাল তোমার প্রাণঘাতীর কারণ হয়, একবার ভেবে দেখো তো কী ভীষণ স্বার্থপরের মতো মারা যাবে তুমি! তুমি তো কোনোদিন স্বার্থপর হতে চাওনি, স্বার্থপর হতে চায়নি তোমার বাবাও। তোমার বাবা হেরে গেছে, অন্তত নিজের সম্পর্কে তার এই দাবি। একটা ছাপোষা চারখানা সন্তানের জনক আর বোঝা বাহক গাধার মতো জীবনকে টেনে নিয়ে গেছে সে। নিজের অসচ্ছল পরিবার আর কিছু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে স্ত্রীর সাথে কী মনস্তাত্ত্বিক লড়াই করেছে সারাটা জীবন, সংসারের খোলসে নিজেকে পুরে রেখে, সেই সংসারেই ভীষণ বেমানান হয়ে জীবন কাটিয়েছে সে।

তোমার বাবা যুদ্ধে গিয়েছিল, যুদ্ধের পরে দেশে ফিরে তোমার বাবা আর তার গ্রামের সকল মলিন জামা পরা বন্ধুরা মিলে একটা ভলান্টারি দল করেছিল। না, তোমার বাবা কোনো পাতি বিপ্লবী ছিলেন না, তিনি রাজনীতিতেও নামেননি। তবে, সেই কর্দমাক্ত ঘোলা বিলের জলে বেড়ে ওঠা তোমার বাবা আগুনের গোলার মতো উজ্জ্বল স্বপ্ন দেখতো। বাবার সে জীবন তুমি দেখোনি, তুমি দেখেছো শুধু বাবার হেরে যাওয়া, বাবার নুয়ে পড়া। তোমার বাবাদের সেই ভলান্টারি দলে ছিল সংসারের ভার কাঁধে না নেওয়ায় স্ত্রী সন্তানের কাছে বিতাড়িত হয়ে, তোমাদের বাসায় মাসের পর মাস আশ্রয় নেওয়া নজরুল কাকাও; যে যার চল্লিশেও ভাবতো, একদিন সে বড় বিজ্ঞানী হবে। তোমার বাবার সেই সব স্বপ্নের জাহাজের বন্ধু নাবিকেরা, একটা প্রচণ্ড ঝড়ের পরে ভাঙা ডিঙ্গি নৌকায় করে জীবনের কাছে অবশেষে নোঙর করেছে।

এবার তোমার পালা, আমি জানি জীবনের একখানে হেরে গিয়ে কী বিষণ্ণতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটে বছর তুমি, ধানের গোলার এক কোনে লুকিয়ে থাকা নেংটি ইঁদুরের মতো কাটিয়ে দিয়েছো। তোমার বয়স কম ছিল, অভিমানের তরল আবেগ তোমায় পরিশ্রান্ত করেছিল, তাই তুমি ক্ষমা পাবার যোগ্য বলে আমি মনে করি। কিন্তু আজ তো তুমি আবেগি নও, তোমার পাঁচ বছর আগে দেখা জীবন আর আজকের জীবন বয়সের পরিবর্তনে অনেকটাই বিবর্তিত হয়েছে। সন্তান মানেই নিজের গর্ভের বীজ থেকে তাকে উৎসারিত হতে হবে, এ ধারণা তুমি নিশ্চয়ই পোষণ করো না। শিশুর খলখল দেখলে তোমার চিত্ত চঞ্চল হয় জানি। একটা জীবন্ত পুতুলকে মাঝে মাঝেই চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে ইচ্ছে করে তোমার মন। সে ইচ্ছে যদি করে, তুমি তো চাইলেই সে পূরণও করতেই পারো, পুরো পৃথিবীর দিকে চোখ মেলে দেখো পৃথিবীর কত সন্তান একটু চুম্বন আর স্পর্শের অভাবে, ভুল ঘরে জন্ম নেবার অপরাধে, কী ভীষণ অন্ধকার আর স্যাঁতস্যাঁতে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছে। তোমার কি কোন দায় নেই এদের প্রতি! রক্তের সুতো দিয়ে না বাঁধা সম্পর্কের অপরাধেই কি এরা তোমার সন্তান নয়!

রক্তের এই লাল সুতো দিয়েই কেন সম্পর্কগুলো বাঁধতে হবে বলতো! আমি জানি, এই রক্তের সুতো দিয়ে, উলের কাঁটার মতো বুনে চলাই পৃথিবীর নিয়ম। কিন্তু একটা সন্তানকে প্রতিপালনের মতো যথেষ্ট সময় কি তোমার হাতে আছে? সে না থাকলে কাউকে পৃথিবীতে ডেকে এনে, এই পৃথিবীর জনসংখ্যা আরও একজন বাড়িয়ে তার জীবন বিষিয়ে দেওয়ার অধিকার তো তোমার নেই। তুমি তো মহা পুরুষ নও যে পৃথিবীতে তোমার চিহ্ন রেখে যাওয়াটা, একখানা ক্লোন তৈরি খুব জরুরি।

আমি জানি, আজ কিছুটা বিভ্রান্ত তুমি, সংশয়ে ভুগছো পাঁচ-দশ বছর পরে নিজের বীজের জন্য যদি সত্যিই তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ে তোমার মন! যদি সেই হয় তবে তুমি আগন্তুক শিশুকে কোলে নিও, মুক্তি দিও তোমার দেশের কৃমি ভরা রুগ্ন শিশুদেরকে দারিদ্র্য আর অশিক্ষার কারাগার থেকে।

এই তো কিছুদিন আগে তুমি এক কর্পোরেট ডিনারে গিয়েছিলে, চুলহীন ন্যাড়া মাথার এক কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা তোমায় বলেছিল, তুমি যতোদূর চাও যেতে পারো, শুধু মনে রেখো আকাশটাই তোমার সীমানা প্রাচীর। ক্লিশেকে মুক্তি দিয়ে, তুমি ওড়ো একটা বাধাহীন সবল প্রজাপতি হয়ে, আর নদীর মতো নিঃশব্দে সাগরের কাছে বয়ে যেয়ে, পাহাড়ের কাছে তোমার যা ঋণ, সে পরিশোধ করো।  

লেখক: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

শেয়ার করুন:
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.